প্রধান বিচারপতির আর কাজে ফেরার সুযোগ নেই: মতিন খসরু
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২০ অক্টোবর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের অনলাইন শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ২৩ অক্টোবর আসছেন সুষমা স্বরাজ -দৈনিক ইত্তেফাক
- ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছেন বিদেশি মালিকেরা -দৈনিক প্রথম আলো
- ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা!-দৈনিক যুগান্তর
- আওয়ামী লীগের ১১ দফা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক নয় -রিজভী -দৈনিক ইনকিলাব
- প্রধান বিচারপতির আর কাজে ফেরার সুযোগ নেই: মতিন খসরু -দৈনিক নয়া দিগন্ত
- দূষণের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:
- আগামী পাঁচ বছরে সম্পূর্ণ উন্নত ভারত: কেদারনাথে আশীর্বাদ চাইলেন মোদী-দৈনিক আনন্দবাজার
- শীর্ষ আদালতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার ফাটল শব্দবাজি-দৈনিক আজকাল
- সমূহ বিপদের মুখে দেশ, দূষণের জেরে মৃত্যুর সংখ্যায় চিনকেও ছাপিয়ে গেল ভারত-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা!-দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শিরোনাম।
ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই প্রশ্নের ইংরেজি অংশটি ফাঁস হয়। শুক্রবার সকালে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর প্রশ্ন মিলিয়ে তার প্রমাণও মিলেছে।‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষা হয়। যারা মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা পড়েননি, তাদের জন্য বাংলার পরিবর্তে প্রশ্নপত্রে উচ্চতর ইংরেজি অংশ থাকে। আর সাধারণ জ্ঞানের দুটি অংশে থাকে— বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতেই পরীক্ষার্থীদের ইমেইলে ইংরেজি অংশের ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পাঠানো হয়। আর সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে মোবাইলে এসএমএস বার্তার মাধ্যমে পাঠানো হয় ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর।অভিযোগ উঠেছে, টাকার বিনিময়ে এসব প্রশ্নফাঁস করা হয়েছে।
তবে বিষয়টি মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী।
তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের তো প্রশ্নই ওঠে না। এদিকে শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৪ জনকে আটকের খবর জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী।
ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছেন বিদেশি মালিকেরা-প্রথম আলো
মালিকানা পরিবর্তনের পর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। এর আমানতের প্রবৃদ্ধি কমেছে, কিন্তু বেড়েছে ঋণ দেওয়া। বেড়েছে খেলাপি ঋণও।
আবার ইসলামী ব্যাংক ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশি মালিকেরাও। প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৮৩) দেশের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকের ৭০ শতাংশ পুঁজি জোগান দিয়েছিলেন বিদেশিরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের শেয়ার কমে হয়েছে ৩২ শতাংশ।
২০১৩ সালে ইসলামী বাংক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হওয়ার পরই ব্যাংকটি ছাড়তে শুরু করেন বিদেশিরা। গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় হঠাৎ পরিবর্তনের পর তা প্রকট হয়েছে।
২৩ অক্টোবর আসছেন সুষমা স্বরাজ-দৈনিক ইত্তেফাক
আগামী ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। দুই দিনের এই সফরে তিনি ভারতের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা ১৫ টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার একটি প্রকল্পও রয়েছে। সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যালোচনা হবে।
গত এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের কোনো শীর্ষ মন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসছেন। এর আগে আসেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। সুষমার সফর এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। ফলে তার সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুও প্রাধান্য পাবে।
প্রধান বিচারপতির আর কাজে ফেরার সুযোগ নেই: মতিন খসরু -দৈনিক নয়া দিগন্ত
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার কাজে আর ফিরতে পারবেন না বলে মনে করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন খসরু।
মি. খসরু বলেন, ‘বিচারক যদি কখনও বিতর্কিত হন, দুর্নীতির অভিযোগ থাকে, ওনার সাথে সাথে পদত্যাগ করতে হয়। অন্যান্য বিচারপতিদের কাছে মাননীয় বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন উনি রিজাইন করবেন। রিজাইন করার পরিবর্তে উনি একটা স্টেটমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন ... আবার এসে চেয়ারে বসতে চাচ্ছেন। অন্য বিচারপতিরা বলেছেন, আমরা ওনার সাথে আর বসবো না। ওনার আসার আর সুযোগ নাই। আমার মনে হয় এটা সুদূরপরাহত।’
আওয়ামী লীগের ১১ দফা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক নয় –রিজভী-দৈনিক ইনকিলাব
নির্বাচন কমিশনে দেয়া আওয়ামী লীগের ১১ দফা প্রস্তাব গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ প্রস্তাবকে জনমত বিরোধী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শুক্রবার সকাল ১১ টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
রিজভী বলেন, কিভাবে নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিভাবে ভোটের ফল পাল্টে দেয়া যায় সেই কৌশল আছে ঐসব প্রস্তাবনায় যা সম্পূর্ণরূপে জনমতের বিপরীত। সবাই চায় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও সেনাবাহিনী মোতায়েন। কিন্তু আওয়ামী লীগ চায় সেনাবাহিনী ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকুক, সেই কারণে তারা সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে চায় না।
খালেদা জিয়াই আদালতকে হেনস্থা করছেন -ওবায়দুল কাদের-দৈনিক ইনকিলাব
বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াই আদালতকে হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানে ইয়ুথ ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি একথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়াই আদালতকে হেনস্তা করছেন। তিনি আদালতে হাজিরা না দিয়ে একের পর এক তারিখ পিছিয়েছেন।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
আগামী পাঁচ বছরে সম্পূর্ণ উন্নত ভারত: কেদারনাথে আশীর্বাদ চাইলেন মোদী-দৈনিক আনন্দবাজার
মেঘভাঙা বিপর্যয়ের পর উত্তরাখণ্ডের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তৎকালীন ইউপিএ সরকার তাঁর সহায়তা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। কেদারনাথ সফরে গিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেদারনাথের পথসভা থেকেই আক্রমণ করলেন আগের সরকারকে। আর স্বপ্ন দেখালেন, ২০২২ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ উন্নত দেশে পরিণত করবেন ভারতকে।
শীর্ষ আদালতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার ফাটল শব্দবাজি-দৈনিক আজকাল
আদালতের নির্দেশ ছিল দীপাবলি পালন হোক আনন্দে। শব্দবাজি পুড়িয়ে আবহাওয়া দূষণের মাধ্যমে নয়। কিন্তু সেই নির্দেশকেই যেন বুড়ো আঙুল দেখাল দিল্লিবাসি। দেদার ফাটল শব্দবাজি–সহ একাধিক আতশবাজি। প্রবল দূষিত হল বাতাস। বহু স্থানে দূষণের মাত্রা ১২গুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
আর দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের শিরোনাম এরকম যে, সমূহ বিপদের মুখে দেশ, দূষণের জেরে মৃত্যুর সংখ্যায় চিনকেও ছাপিয়ে গেল ভারত। বিস্তারিত খবরে লিখেছে, বাতাস থেকে পানীয় জল, দূষণের থাবায় এখন দৈনন্দিন জীবনের ন্যূনতম অপরিহার্য বস্তুগুলিও মানুষের কাছে বিষ। আর এই বিষাক্ত জল ও বায়ুর ছোবলে প্রাণ যাচ্ছে মানুষের। যুদ্ধ বা হিংসা-হানাহানি নয়, দূষণের জেরেই ভারতবর্ষে ফি বছর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে বহু মানুষ। বিশ্বের একাধিক দেশে সমীক্ষা চালিয়ে বিখ্যাত দ্য ল্যান্সেট মেডিক্যাল জার্নাল একটি রিপোর্ট সামনে এনেছে। তাতে দেশের জন্য রয়েছে ভয়াবহ সংবাদ। সমীক্ষা অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে দূষণের জেরে ২৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২০