ইরানি জনগণের দেশব্যাপী প্রতিবাদ; দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i156052-ইরানি_জনগণের_দেশব্যাপী_প্রতিবাদ_দেশের_নিরাপত্তা_ও_স্থিতিশীলতার_প্রতি_আনুগত্যের_অঙ্গীকার
পার্সটুডে - সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর ইরান জুড়ে জনগণের বিভিন্ন অংশ বড় ধরনের সমাবেশ করে সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা জানিয়েছে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ১৭:০০ Asia/Dhaka
  • ইরানি জনগণের দেশব্যাপী প্রতিবাদ; দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার

পার্সটুডে - সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর ইরান জুড়ে জনগণের বিভিন্ন অংশ বড় ধরনের সমাবেশ করে সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা জানিয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক জীবিকা নির্বাহের অপব্যবহার এবং ট্রেড ইউনিয়ন বিক্ষোভের পাশাপাশি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের কিছু শহরে নিরাপত্তাহীনতা এবং সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর শহীদ হওয়া, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা এবং ধর্মীয় ও শিক্ষা কেন্দ্রে আগুন লাগানো জনমতকে আহত করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য লাখ লাখ মানুষের ঘটনাস্থলে আসার পথ তৈরি করেছে। পার্সটুডে-র এই প্রতিবেদনে অস্থিরতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণ এবং ইরান জুড়ে জনগণের বৃহৎ আকারের সমাবেশের পর্যালোচনা করা হয়েছে যা সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে করা হয়েছে। যেমনটি আপনি পড়তে পারেন:

ট্রেড ইউনিয়ন বিক্ষোভ থেকে শুরু করে নিরাপত্তা সংকট

জানুয়ারির শুরুতে, বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে কিছু বাজার ব্যবসায়ী বিক্ষোভ করেছিলেন; বিক্ষোভগুলো প্রাথমিকভাবে শান্তিপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক সমস্যা কেন্দ্রিক  ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সংগঠিত উপাদানগুলো তাদের স্লোগান এবং কর্মকাণ্ডের দিক পরিবর্তন করে এই দাবিগুলোকে বিশৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তাহীনতায় পরিণত করার চেষ্টা করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আক্রমণ, মসজিদ ও ইমামবাড়া পুড়িয়ে দেওয়া এবং জনসাধারণের কেন্দ্রগুলোতে সশস্ত্র অভিযানের মাধ্যমে এটা প্রতিয়মান হচ্ছিল যে বিশৃঙ্খলাকারীদের লক্ষ্য ছিলে দেশে অস্থিতিশীলতা ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা।

নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী মিছিল

এই ঘটনাবলীর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল, তেহরান থেকে তাবরিজ, ইসফাহান, শিরাজ, মাশহাদ, কোম, আহভাজ, কেরমান, রাশত, জাহেদান, সানন্দজ, ইয়াজদ, হামেদান, আরদাবিল, ইলাম, লোরেস্তান, চাহারমহল এবং বখতিয়ারি, তিনটি খোরাসান, সিস্তান ও বালুচেস্তান, গোলেস্তান, মাজান্দারান, কাজভিন, জানজান এবং আলবোর্জ,দাঙ্গা-বিরোধী এবং সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রত্যক্ষ করেছে। সহিংসতার নিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থন, আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং বিদেশী হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের মতো ঐক্যবদ্ধ স্লোগানগুলো ছিল এই সমাবেশগুলোর মূল লক্ষ্য।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য

এই সমাবেশগুলোতে শিয়া ও সুন্নি, বিভিন্ন জাতি এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী, দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার উপর জোর দিয়ে সন্ত্রাসী এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টিকারীদের থেকে তাদের পদকে আলাদা করে। কিছু প্রদেশে নিরাপত্তা শহীদদের জানাজা জাতীয় সংহতি এবং নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রতীক হয়ে ওঠে।

সংক্ষেপে,এটা বলা উচিত যে সোমবার দেশব্যাপী মিছিলকে নিরাপত্তাহীনতার মোকাবিলা,স্থিতিশীলতাকে সমর্থন এবং শত্রুদের দ্বারা জনগণের বৈধ দাবির যেকোনো অপব্যবহার প্রত্যাখ্যান করার জনসাধারণের ইচ্ছার প্রকাশ হিসাবে দেখা যেতে পারে; এমন একটি উপস্থিতি যা আবারও নিরাপত্তা,জাতীয় ঐক্য এবং দেশের স্বাধীনতার মধ্যে সংযোগের উপর জোর দেয়।#

পার্সটুডে/এমবিএ/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন