ট্রাম্পের ইরান আক্রমণ থেকে সরে আসার নেপথ্যে: যে আদেশ জারি করা হয়নি
https://parstoday.ir/bn/news/event-i156232-ট্রাম্পের_ইরান_আক্রমণ_থেকে_সরে_আসার_নেপথ্যে_যে_আদেশ_জারি_করা_হয়নি
পার্সটুডে-আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এবং সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে ফোন পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর সামরিক হামলার চিন্তা বাদ দিয়েছেন।
(last modified 2026-01-19T10:59:51+00:00 )
জানুয়ারি ১৯, ২০২৬ ১৬:৫৬ Asia/Dhaka
  • ডোনাল্ড ট্রাম্প
    ডোনাল্ড ট্রাম্প

পার্সটুডে-আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এবং সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে ফোন পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর সামরিক হামলার চিন্তা বাদ দিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস 'ইরান আক্রমণ থেকে ট্রাম্পের সরে আসার নেপথ্যে' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছেপেছে। ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে: বুধবার সকালে, ওয়াশিংটন এবং মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে কয়েক ডজন উর্ধ্বতন সামরিক, রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তা ভেবেছিলেন, কয়েক ঘন্টার মধ্যে তেহরানের উপর আমেরিকার বোমা আঘাত হানবে। আমেরিকার দুই কর্মকর্তা সেদিন বিকেলের মধ্যে বলেছেন, কোনও আদেশ জারি করা হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পিছু হটেছে।

অ্যাক্সিওস লিখেছে যে গত সপ্তাহ ধরে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে হামলা করার দিকে ঝুঁকে ছিলেন, কিন্তু এই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জামের অভাব, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মতো মিত্রদের সতর্কীকরণ, হামলার পরিণতি এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে সিনিয়র উপদেষ্টাদের উদ্বেগ এবং ইরানিদের সাথে পর্দার আড়ালে গোপন আলোচনার কারণে তিনি ট্রিগারটি না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত দশ দিনে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এই বিবরণ চারজন মার্কিন কর্মকর্তা, দুইজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা এবং পর্দার আড়ালে আলোচনার সাথে পরিচিত আরও দুটি সূত্রের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবির পুনরাবৃত্তি করে বলেছে যে, ইরান "শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করলে" তিনি হস্তক্ষেপ করবেন। বিক্ষোভগুলোকে ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসাবে দেখতে তার প্রশাসনের বেশ কয়েক দিন সময় লেগেছিল। ঘটনাবলী সম্পর্কে তাদের সীমিত দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, মার্কিন গোয়েন্দারা প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করেছিল যে বিক্ষোভগুলোতে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি তৈরি করতে পর্যাপ্ত শক্তির অভাব ছিল।

৮ জানুয়ারী তেহরান এবং অন্যান্য শহরে বিক্ষোভ তীব্রতর হলে তা পরিবর্তিত হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে ৯ জানুয়ারী শুক্রবার, ভাইস প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে প্রথম উচ্চ-স্তরের বৈঠক করেন যাতে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।#

পার্সটুডে/এনএম/১৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।