‘লেবাননের নিরাপত্তা রক্ষায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রই প্রধান উপাদান’
-
হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ফাইল ফটো
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, লেবাননে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রই প্রধান উপাদান কারণ এসব অস্ত্র ইসরাইলের আগ্রাসনের মুখে দেশ রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এখন হিজবুল্লাহর অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে শুধুমাত্র দায়েশের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে; তা লেবাননের নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয়। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জাতির উদ্দেশে দেয়া এক টেলিভিশন ভাষণে হাসান নাসরুল্লাহ এসব কথা বলেছেন।
মিশরের রাজধানী কায়রোয় রোববার অনুষ্ঠিত আরব লীগের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ বলেন, সেখান থেকে হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা কোনো নতুন বিষয় নয়; এর আগেও এ ধরনের বিবৃতি দিয়েছে এই সংস্থা। তিনি বলেন, আরব লীগের বৈঠক থেকে হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী বলা হয়েছে যা লেবানন সরকারের অংশ। পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোতে আরব লীগের ভাষায় সন্ত্রাসীদের কাছে হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে। কিন্তু তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র তো দূরের কথা হিজবুল্লাহ একটা হাল্কা অস্ত্রও ইরাক, কুয়েত, বাহরাইন, ইয়েমেন কিংবা অন্য কোনো দেশে পাঠায় নি।
হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা না হলে লেবাননে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হবে বলে আরব লীগ যে বক্তব্য দিয়েছে সে সম্পর্কে সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, তাদের এই অভিযোগ ভুল কারণ লেবাননের নিরাপত্তার জন্য মূল হুমকি হচ্ছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।
হাসান নাসরল্লাহ বলেন, ফিলিস্তিন কিংবা মুসলিম বিশ্ব যেসব সমস্যায় রয়েছে তা নিয়ে আলোচনার জন্য আরব লীগ বৈঠক করে নি বরং ইয়েমেন থেকে সম্প্রতি সৌদি আরবে যে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে তারা সে বিষয়ে আলোচনার জন্য ওই বৈঠকে বসে এবং ইরান ও হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছে। কিন্তু ইরান কিংবা হিজবুল্লাহ ইয়েমেনের যোদ্ধাদের কাছে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায় নি; তারা নিজেরাই নিজেদের দেশে ওই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/২০