আইন আল-আসাদ ইরাকে আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ ঘাঁটি
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i76545-আইন_আল_আসাদ_ইরাকে_আমেরিকার_অন্যতম_বৃহৎ_ঘাঁটি
জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার জবাবে ইরানের ইসলামি গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি আজ(বুধবার) ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ এবং পুরানো ঘাঁটি আইন আল-আসাদে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ০৮, ২০২০ ১২:২৬ Asia/Dhaka
  • ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ এবং পুরানো ঘাঁটি আইন আল-আসাদ
    ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ এবং পুরানো ঘাঁটি আইন আল-আসাদ

জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার জবাবে ইরানের ইসলামি গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি আজ(বুধবার) ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ এবং পুরানো ঘাঁটি আইন আল-আসাদে।

আইআরজিসির কুদস বাহিনীর প্রধান ছিলেন সোলাইমানি এবং ৩ জানুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে মার্কিন বিমান হামলায় তিনি শহিদ হন। একই সঙ্গে শহিদ হয়েছেন ইরাকের জনপ্রিয় আধা সামরিক বাহিনী হাশদ আশ-শাবি বা পিএমইউ'র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহানদিসসহ ৮ জন। 

আইন আল-আসাদ ঘাঁটিটি ইরাকের আনবার প্রদেশে অবস্থিত এবং ১৯৮০'এর দশকে দেশটির সামরিক বাহিনী এটি নির্মাণ করেছে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের পর এটি দেশটিতে আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ ঘাঁটিতে পরিণত হয়।

 সোলাইমানির হত্যার জবাবে ইরানের ইসলামি গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে

রাজধানী বাগদাদ থেকে ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এ ঘাঁটি মার্কিন এবং ইরাকি বাহিনী যৌথভাবে ব্যবহার করেছে। একই সাথে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর শরিক হিসেবে ডেনমার্ক এবং ব্রিটেনও ব্যবহার করছে এ ঘাঁটি। ঘাঁটিটিতে যৌথ এবং মার্কিন বাহিনীর প্রায় এক হাজার পাঁচশ সেনা মোতায়েন ছিল।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে এ ঘাঁটি সংক্ষিপ্ত সফর করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । সে সময়ে এ সফরকে কেন্দ্র ইরাকি কর্মকর্তাদের একটি অংশ ট্রাম্পের প্রচণ্ড সমালোচনায় ফেটে পড়েন। কেউ কেউ সে সময়ে ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনীকে বহিষ্কারের দাবিও জানান। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে থ্যাংকসগিভিং পালনের জন্য এ ঘাঁটি সফর করেছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/৮