বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা সম্ভব না: ঢাকা উত্তরের মেয়র
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৪ জুলাই শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- এখন পর্যন্ত গেছেন ৩,৫৪৬ বাংলাদেশি: মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমে বাংলাদেশিরা তৃতীয় অবস্থানে: প্রথম আলো
- ‘বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা সম্ভব না’: প্রথম আলো
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জাতিসংঘের এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ: ইত্তেফাক
- রবের বাসায় বিভিন্ন দলের নেতাদের বৈঠক, বিকল্প জোট গঠনের উদ্যোগ : শিগগির রূপরেখা : যুগান্তরের শীর্ষ শিরোনাম
- বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ ক্ষমতাসীনরা লুটপাট করছে: রিজভী: মানবজমিনের শীর্ষ শিরোনাম
- শেখ হাসিনা-সিরিসেনা বৈঠক, ১৪ চুক্তি-সমঝোতা সই: ইত্তেফাক
ভারতের শিরোনাম:
- চিন নিয়ে বিপাকে পড়া কেন্দ্র চাইছে বিরোধীদের পূর্ণ সমর্থন: আনন্দবাজার পত্রিকা
- শুধু পাকিস্তান নয়, চীনও এবার দিল্লির পরমাণু অস্ত্রের নিশানায়: বর্তমান পত্রিকা দৈনিক ৪৮ ঘণ্টায় পাহাড়ে বাহিনী পাঠাতে নির্দেশ: আজকাল
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ।
‘বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা সম্ভব না’ প্রথম আলো।
বর্তমানে রাজধানীর সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা চিকুনগুনিয়া নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দুজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যে আকারে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে, যত মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছে, তাতে এটাকে অবশ্যই মহামারি বলতে হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, চিকুনগুনিয়া মহামারি হোক আর যাই হোক, এর জন্য কোনোভাবেই সিটি করপোরেশন দায়ী না। আর বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা তাদের পক্ষে সম্ভব না।
মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমে বাংলাদেশিরা তৃতীয় অবস্থানে:
প্রথম আলো আরও জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ) অংশগ্রহণের তালিকায় তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশিরা। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৪৬ বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন। এই কর্মসূচির আওতায় ২০০২ সাল থেকে এই বছর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় বাড়ি বা সেকেন্ড হোম গড়ার অনুমতি পেয়েছেন ১২৬টি দেশের ৩৩ হাজার ৩০০ মানুষ। সূত্র: মালয়েশিয়ার নিউ স্ট্রেইটস টাইমস
শেখ হাসিনা-সিরিসেনা বৈঠক, ১৪ চুক্তি-সমঝোতা সই: ইত্তেফাক
বাংলাদেশে সফররত শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। প্রতিবেশী এই দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ১৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সিরিসেনা পৌঁছান। সেখানে টাইগার গেটে তাকে স্বাগত জানান শেখ হাসিনা
পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জাতিসংঘের এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ:
ইত্তেফাক এই শিরোনামে জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় জরুরী সারাপ্রদান তহবিল (সের্ফ) গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তা প্রদানের জন্য এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ বরাদ্দ করেছে।
শুক্রবার জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়,বাংলাদেশ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
রবের বাসায় বিভিন্ন দলের নেতাদের বৈঠক, বিকল্প জোট গঠনের উদ্যোগ, শিগগির রূপরেখা : যুগান্তর
একটি বিকল্প রাজনৈতিক জোট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (রব) জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের উত্তরার বাসায় বৈঠক করেছেন কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা। এ বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিগগির জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অনেকটা গোপনে এ বৈঠক হতে থাকলেও পুলিশ টের পেয়ে ওই বাসায় দুই দফা হানা দেয়। তখন রবের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবাইকে রাতের খাবারের নিমন্ত্রণ করেছেন তিনি।
বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ ক্ষমতাসীনরা লুটপাট করছে: রিজভী: মানবজমিন
এই শিরোনামে লিখেছে, লুটপাটের কারণে বানভাসি মানুষ ত্রাণ পাচ্ছে না দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারত থেকে আসা উজানের পানি ও বৃষ্টিতে দেশের উত্তরা-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। ১৩ জেলায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব এলাকার দুর্গত বানভাসি মানুষরা ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে। সরকারের দুই-একজন মন্ত্রী ফটোসেশন করে ঢাকায় ফিরে আসছেন। স্থানীয় প্রশাসন যৎসামান্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গেলেও তা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে ত্রাণের দেখা পাচ্ছে না বানভাসি মানুষ।
চিন নিয়ে বিপাকে পড়া কেন্দ্র চাইছে বিরোধীদের পূর্ণ সমর্থন:
আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, চিন নিয়ে প্রবল চাপের মধ্যে আগামিকাল সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল নরেন্দ্র মোদী সরকার। যে মোদী ছাপান্ন ইঞ্চি ছাতি দেখিয়ে বিদেশনীতিতে ‘একলা চলার’ পথে হাঁটছিলেন, তাঁর কেন চিন-সমস্যা নিয়ে হঠাৎ বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চিন নিয়ে চাপের মধ্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে অভিনব। কারণ, ড্রাগনের মোকাবিলা কী ভাবে হবে, তা ঠিক করতে দেশে সর্বদলীয় বৈঠকের ঘটনা নজিরবিহীন।
শুধু পাকিস্তান নয়, চীনও এবার দিল্লির পরমাণু অস্ত্রের নিশানায়:
বর্তমান পত্রিকা এই শিরোনামে লিখেছে, দীর্ঘ পাঁচ দশকের প্রতিপক্ষের মোকাবিলার কৌশল কি এবার বদলাচ্ছে ভারত? এতদিন ভারতের যাবতীয় পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র কৌশলের অভিমুখ ছিল পাকিস্তান। পরমাণু হামলার যে সব হুমকি প্রতি পদক্ষেপেই দিত ইসলামাবাদ, তার জবাবে তৈরি রাখা হয়েছিল এই সব ক্ষেপণাস্ত্র। কিন্তু এবার বোধহয় পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। তাই এই সাজ সাজ রব। ক্ষেপণাস্ত্রের মুখ ঘোরানো হচ্ছে চীনের দিকে। অন্তত দুই মার্কিন পরমাণু বিশেষজ্ঞের দাবি তাই।
৪৮ ঘণ্টায় পাহাড়ে বাহিনী পাঠাতে নির্দেশ:
আজকাল লিখেছে,পাহাড় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কেন্দ্রকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৪ কোম্পানি সিআরপিএফ পাহাড়ে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছে, শান্তি ফেরাতে কেন্দ্র এবং রাজ্য ব্যর্থ হলে হস্তক্ষেপ করবে আদালত। রাজনৈতিক কারণেই পাহাড়ে এই পরিস্থিতি। সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অথচ রাজনৈতিক দলগুলির কোনও হেলদোল নেই। এদিনই উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন।
পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/১৪