ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত প্রশাসনে তোলপাড়
শ্রোতা/পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ২১ জুলাই শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ১২০০ জনকে আসামি করে পুলিশের মামলা: প্রথম আলোসহ প্রায় সব পত্রিকার খবর
- আওয়ামী লীগ নতুন করে ফন্দি-ফিকির করছে: রিজভী, ইত্তেফাক
- ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত প্রশাসনে তোলপাড়: যুগান্তর
- গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ: মানবজমিন
- নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো রোডম্যাপই ফলদায়ক হবে না : রব, নয়াদিগন্ত
এবার ভারতের শিরোনাম:
- রাজ্যে কার ঘর ভাঙল বিজেপি? ১৫ ভোটের হিসাব নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা: আনন্দবাজার পত্রিকা
-
আজ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে রেকর্ড ভিড়ের আশা নেতৃত্বের নজর মমতার বার্তার দিকেই: বর্তমান পত্রিকা
- গোরাক্ষসদের হাতে কেউ নিরাপদ নয়: মমতা/আজকাল
শ্রোতা/পাঠক! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরছি.. প্রথমে বাংলাদেশ
১২০০ জনকে আসামি করে পুলিশের মামলা: প্রথম আলো
রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। এতে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অজ্ঞাত ১২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার।
রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল ইসলাম কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও মিরপুর বাংলা কলেজ। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পুলিশ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় তাঁদের লাঠিপেটা করা হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে আটক করে শাহবাগ থানাহাজতে রাখা হয়।
আওয়ামী লীগ নতুন করে ফন্দি-ফিকির করছে: রিজভী, ইত্তেফাক
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী হয়ে সেটিকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য আওয়ামী লীগ আগামী সাধারণ নির্বাচন নিয়ে নতুন করে ফন্দি-ফিকির করছে। আপনাদের অধীনে নির্বাচন কখনই সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি। সুতরাং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রধানের নেতৃত্বে না করে দলনিরপেক্ষ ব্যক্তির অধীনে অনুষ্ঠিত করতে এগিয়ে আসুন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের দেহে যেভাবে ছুরি চালাচ্ছেন তাতে সকল নাগরিক অধিকার ‘প্যারালাইজড’ হয়ে গেছে। রাষ্ট্রক্ষমতা আঁঁকড়ে ধরে রাখার জন্য আপনাদের কর্মকাণ্ড কখনই গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর হয়নি।
শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী। বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন জনগণের কাতারে থেকেই গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গণতন্ত্রের নতুন যুগের প্রত্যুষ নিশ্চিত করবেন।
ওবায়দুল কাদেরের একটি বক্তব্য প্রসঙ্গে কথা বলতে রিজভী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনগণের কাছে আগে থেকেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, আগে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেশে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করুন, নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশের ওপর হামলা বন্ধ করুন। মানুষের বাক-স্বাধীনতা হরণ করে, রাজনৈতিক দলগুলোর সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে আপনারাই অর্বাচীন, স্ববিরোধী ও কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতো কাজ করছেন, কথা বলছেন।
ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত প্রশাসনে তোলপাড়: যুগান্তরসহ প্রায় সব পত্রিকাতেই এসেছে খবরটি।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করে কার্ড ছাপানোর অভিযোগে একজন ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত ছিলেন বিস্মিত। বৃহস্পতিবার পত্র-পত্রিকায় এ খবর দেখে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কর্মকর্তারাও বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ঘটনার পরপরই তারা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বিবিসি বাংলার রাতের অধিবেশন পরিক্রমায় মাসুদ হাসান খানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে সরাসরি দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে এইচটি ইমাম বলেন, ‘আমরা সবাই, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যত কর্মকর্তা ছিলেন, এটি দেখে আমরা সবাই বিস্মিত হয়েছি। যে ব্যক্তি এ মামলা করেছেন, আমরা মনে করি তিনি অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ করেছেন।’”
এইচটি ইমাম জানান, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে একজন ইউএনওকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার ছবিটি দেখান। এইচটি ইমাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, ছবিটি দেখে তিনি বিস্মিত হলেন। প্রধানমন্ত্রী বললেন, ক্লাস ফাইভের ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এই অফিসার সুন্দর একটি কাজ করেছেন। সেখানে যে ছবিটি আঁকা হয়েছে, সেটি আমার সামনেই আছে, আপনারা দেখতে পারেন এবং এই ছবিটিতে বিকৃত করার মতো কিছু করা হয়নি।
গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ: মানবজমিন আরও জানিয়েছে, রাজশাহীর নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া সীমান্তে গরু আনতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী (বিএসএফ) এর হাতে আটক হয়েছেন এক গরু ব্যবসায়ী।

শুক্রবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। আটক শহীদুল ইসলামকে ফেরত পাঠাতে চিঠি দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ বিষয়ে বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবদুর রাজ্জাক বলেন, শহীদুল ইসলাম সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে গরু আনতে যায়। গরু নিয়ে ফেরার পথে বিএসএফের টহল দল তাকে আটক করে নিয়ে যায়। শহীদুলকে ফেরত পাঠাতে বিএসএফকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, এই সীমান্তে গত তিন দিনে পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ। এখনো আটকৃতদের ফেরত দেয়নি তারা।
নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো রোডম্যাপই ফলদায়ক হবে না : রব, নয়াদিগন্ত আরও লিখেছে, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার ছাড়া নির্বাচন কমিশনের কোনো রোডম্যাপই ফলদায়ক হবে না।
আজ শুক্রবার তাহের দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জেএসডি আয়োজিত আলোচনা সভায় রব এসব কথা বলেন।
রব আরো বলেন, যে অবস্থায় সরকার অবাধে সারাদেশে ভোট চেয়ে সভা-সমাবেশ করে বেড়াচ্ছেন, আর আমরা ঘরের মধ্যে কয়েকজন মিলে চা খেতে গেলেও পুলিশী হস্তক্ষেপ হয়- সেখানে নির্বাচন কমিশন তাদের ক্ষমতাবলে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সমর্থ হবেন এ কথা বিশ্বাস করা যায় না। দেশে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও উচ্চকক্ষ থেকে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে।
এবারে ভারতের সবচেয়ে আলোচিত খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ
রাজ্যে কার ঘর ভাঙল বিজেপি? ১৫ ভোটের হিসাব নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা: আনন্দবাজার পত্রিকা
জল্পনাই সত্যি হল! রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলা থেকেও ক্রস ভোটিং হল এনডিএ প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দের পক্ষে। গোপন ব্যালটে ভোট বলে কারা ক্রস ভোটিং করলেন, তা জানার উপায় নেই। আর সেই কারণেই কার ঘর ভেঙে বিজেপি লাভবান হল, তা নিয়ে চাপানউতোর তুঙ্গে। সেই সঙ্গে অবিশ্বাসের বাতাবরণও!
পশ্চিমবঙ্গের মোট বিধায়ক ২৯৪ জন। সহজ হিসাবে বিজেপির তিন এবং সহযোগী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তিন— এই ৬ জনের ভোট কোবিন্দের বাক্সে পড়ার কথা। বাকি ২৮৮ জনেরই ঘোষিত সমর্থন ছিল বিরোধী জোটের প্রার্থী মীরা কুমারের পক্ষে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোট-গণনায় দেখা যাচ্ছে, বাংলা থেকে মীরা পেয়েছেন ২৭৩ জনের ভোট। কোবিন্দ ১১ জনের ভোট। অর্থাৎ ৫ জন ক্রস ভোট করেছেন। আর বাতিল হয়েছে ১০ জনের ভোট। ওই ১০ জনের ভোটও যে হেতু মীরার দিকেই যাওয়ার কথা ছিল, তাই ধরতে হবে তাঁর মোট ১৫ জনের ভোট ‘মিস’হয়েছে।
আজ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে রেকর্ড ভিড়ের আশা নেতৃত্বের নজর মমতার বার্তার দিকেই: বর্তমান পত্রিকা
আজ শুক্রবার এক ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে মহানগর। জনসমাবেশের নিরিখে অতীতের সব রেকর্ড ম্লান করে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি চূড়ান্ত। বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতৃত্ব এমনটাই দাবি করেছে। ধর্মতলার শহিদ দিবসের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী কী বার্তা দেন, সবার নজর সেদিকেই। তবে, গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে জেহাদের ডাক দেওয়া মমতার এই সভা রাজ্যের পরিসর ছাপিয়ে জাতীয় রাজনীতির কারবারিদের কাছেও কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে। তৃণমূল কর্মীদের কাছে স্বতঃস্ফূর্ত আবেগই প্রতি বছর ২১ জুলাইয়ের জমায়েতের মূল চাবিকাঠি। এবার সেই আবেগের সঙ্গে মিশেছে এই সভার আহ্বায়ক তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি তথা এমপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক পরিকল্পনা। টার্গেট ছিল, এই শহিদ দিবসের সমাবেশকে সফল করতে রাজ্যের সমস্ত বুথ স্তরে প্রচার করার। রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে ‘ধর্মতলা চলো’ ফ্লেক্স থেকে শুরু করে রাস্তায় রাস্তায় তোরণের নকশা অভিন্ন। তাতে সভার আহ্বায়ক অভিষেক আর নেত্রীর ছবি ছাড়া কারও মুখাবয়ব নেই।
গোরাক্ষসদের হাতে কেউ নিরাপদ নয়: মমতা/আজকাল
কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। আর কেন্দ্র বিরোধী বার্তার জন্য বেছে নিলেন ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ। সাক্ষী থাকল লক্ষাধিক জনতা। তাঁর লড়াইটা শুধু কেন্দ্র বিরোধী নয়, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও। তাই প্রধানমন্ত্রীকে ‘মোদিবাবু’ বলে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারের নানাবিধ নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রের নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত। মমতার দাবি, এর ফলে দেশের আর্থিক অগ্রগতি কমে গিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানাতে পারল না কত টাকা জমা পড়েছে। তাঁর কথায়, ‘এটা একটা দুর্নীতি। এর তদন্ত করা দরকার।’
ডিমানিটাইজেশনের ফলে দেশে চাকরি কমেছে। অভিযোগ উঠলেই যেভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও অসন্তোষ গোপন করেননি মমতা। তাঁর কথায়, কর্নাটকে রেড্ডি ভাইদের দুর্নীতি, মধ্যপ্রদেশে ব্যাপম দুর্নীতি, গুজরাটে পেট্রোলিয়াম কেলেঙ্কারি–এমন উদাহরণ ভুরিভুরি। কোথায় সিবিআই, কোথায় ইডি? অথচ রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে নামানো হচ্ছে।
সারা দেশে গোরক্ষকদের অত্যাচার নিয়েও সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘ওরা গো–রক্ষক নয় গো রাক্ষস।’ কে কী খাবে তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে না।#
পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/২১