সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ ১৩:৩৪ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম:


বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সার্কের মধ্যে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খরচ বেশি:প্রথম আলো
  • র্যাম্প মডেল থেকে জঙ্গি!: প্রথম আলোর আরেকটি শিরোনাম
  • রাখাইনে ত্রাণবাহী নৌকায় পেট্রলবোমা হামলা: ইত্তেফাক
  • রোহিঙ্গা ইস্যু বিশ্ব সম্প্রদায়কে বোঝাতে ব্যর্থ সরকার: রিজভী,ইত্তেফাক
  • সুচির স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বড় কূটনৈতিক সফলতা: ইনু।
  • নিক্কি এশিয়ান রিভিউয়ের সম্পাদকীয়টি ছেপেছে মানব জমিন এই শিরোনামে:রোহিঙ্গা নিষ্পেষণ বন্ধ করুন,কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করুন
  • বিশ্বনেতাদের সামনে মস্করা করলেন মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট: মানব জমিনের
  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই : মির্জা ফখরুল,নয়াদিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:

  • জোর ধাক্কা হাইকোর্টে, বিসর্জন বন্ধ রাখার নির্দেশ খারিজ:আনন্দবাজার
  • পাহাড় থেকে গুরুংদের বিচ্ছিন্ন করতে পদক্ষেপ মমতার: বর্তমান পত্রিকা
  • রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফিরে যেতে হবে,ফের হুঁশিয়ারি রাজনাথের: সংবাদ প্রতিদিন


প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ
সার্কের মধ্যে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খরচ বেশি:প্রথম আলো

Image Caption

সার্কভুক্ত দেশগুলোর ভেতরে স্বাস্থ্য খাতে খরচ সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। স্বাস্থ্য খাতে যে খরচ হয়, তার ৬৭ শতাংশ ব্যক্তি নিজে খরচ করে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টস ১৯৯৭-২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য দেওয়া হয়।
ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টসের মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথ ইকোনমিকস ইউনিটের মহাপরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু বার্ষিক স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় এখন ৩৭ ডলার বা ২ হাজার ৮৮২ টাকা। স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যয় হয়, তার ২৩ শতাংশ বহন করে সরকার। ৩ শতাংশ বহন করে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আর বাকি ৭ শতাংশ বহন করে দাতাসহ অন্যান্য সংগঠন।

উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যক্তি যে খরচ করে, তার সবচেয়ে বড় অংশটি খরচ হয় ওষুধের পেছনে। নতুন এই হিসাবে দেখা গেছে, দিন দিন বেসরকারি খাতের ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম।

র্যাম্প মডেল থেকে জঙ্গি!: প্রথম আলোর আরেকটি শিরোনাম

র‍্যাবের মাঝে মেহেদী হাসান

মডেলিংয়ের দারুণ শখ ছিল মেহেদী হাসানের। র্যাম্প মডেল ছিলেন। এর পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে বেশ দক্ষতা আছে ২৯ বছর বয়সী এই যুবকের। গৃহসজ্জার জিনিসপত্র বিক্রিসহ নানা ব্যবসা ছিল তাঁর। কিন্তু সব ছেড়ে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এই অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার একটি বাড়ি থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩-এর একটি দল। তাঁর কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন, একটি পাসপোর্ট, উগ্রবাদী বইসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে মেহেদীর পরিবারের দাবি, গত ৪ মে থেকে মেহেদী নিখোঁজ আছেন। তাঁর সন্ধান পাওয়ার জন্য খিলগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। মেহেদীর বাবা খোরশেদ আলম পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ছিলেন। ১৯৯৯ সালে তিনি অবসরে যান।
র্যাবের দাবি, নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের ‘ব্রিগেড আদ্-দার-ই-কুতনী’র কমান্ডার এই মেহেদী হাসান। তাঁর সাংগঠনিক নাম ইমাম মেহেদী হাসান ওরফে আবু জিব্রিল।

রাখাইনে ত্রাণবাহী নৌকায় পেট্রলবোমা হামলা:ইত্তেফাক আরও জানিয়েছে,

Image Caption

মিয়ানমারের রাখাইনে রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় পেট্রলবোমা ছুড়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জনগণ ত্রাণবাহী নৌকাকে বাধা দিতে চাইলে গুলি চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেশটির পুলিশ।
বুধবার নৌকাটি সংঘাতে বিপর্যস্ত রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছিল। একজন কর্মকর্তার বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, উত্তেজিত জনগণ ভেবেছিল ত্রাণ শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য যাচ্ছে। জানা গেছে, বুধবার রাতে রাখাইনের রাজধানীতে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নৌকাতে ত্রাণ সামগ্রী তোলার পরে সেখানে কিছু মানুষ জড়ো হয়। তখন কয়েকশো মানুষ উত্তেজিত হয়ে ত্রাণবাহী নৌকা আটকে দেয়। তখন ২০০ পুলিশ ওই উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। 
রাখাইন প্রাদেশিক সরকারের সচিব তিন মাউং সুয়ে বলেন, মানুষ মনে করছিল ত্রাণগুলো শুধু ‘বাঙ্গালিদের’ জন্য পাঠানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের বাঙ্গালি মনে করে। রেডক্রসের মুখপাত্র গ্রাজিয়েলা লেইতে পিকোলি ঘটনার কথা স্বীকার করেন, তবে বিস্তারিত নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি বলেন, সেখানে থাকা দাতব্যকর্মীরা মানুষদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে বোঝাতে সক্ষম হন যে আমরা স্বচ্ছভাবে কাজ পরিচালনা করছি এবং সবার প্রয়োজনে সাহায্য করছি। নৌকাটি সিতওয়েতেই রয়েছে। জাতিসংঘের এক মুখপাত্র বলেছেন, এই ঘটনায় রাখাইনে ত্রাণ দেয়ার ইতোমধ্যে গুরুতর অবস্থা আরো খারাপ হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যু বিশ্ব সম্প্রদায়কে বোঝাতে ব্যর্থ সরকার: রিজভী, ইত্তেফাকের আরেকটি শিরোনাম।

রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায়কে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। মিয়ানমার সরকারের গণহত্যা, বর্বর নির্যাতনের কারণে জীবন রক্ষায় চার লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এখন তাদের আশ্রয়, চিকিত্সা, খাদ্য ও পানি নেই। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা একটি অমানবিক অবস্থার মধ্যে রয়েছে। রোহিঙ্গাদের এ চিত্র বিশ্ব সমপ্রদায়কে বোঝাতে ব্যর্থ সরকার।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে এ মানববন্ধন হয়। 
রিজভী বলেন, আজ এ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বন্ধু দেশগুলোও বাংলাদেশের পাশে নেই। এর কারণ সরকার সেই নীতি অবলম্বন করতে পারেনি, সরকার দেশের মধ্যেও গণবিরোধী নীতি অবলম্বন করেছে। 
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের যাচাই-বাছাই করে ফেরত নেয়া হবে অং সান সু চির এমন বক্তব্যে কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তার এ বক্তব্যে আমরা হতাশ। সু চির এ বক্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়। আসলে সু চি অবলীলায় মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে। তার বক্তব্যে নির্যাতিত এ রোহিঙ্গাদের কথা উচ্চারিত হয়নি। তার বক্তব্য মানবতাবিরোধী। সু চি আর গণতন্ত্রের নেত্রী নন, তিনি রক্তপিপাসুদের প্রতিনিধিত্ব করছেন।


সুচির স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বড় কূটনৈতিক সফলতা: ইনু।

পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে,জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থান এবং চলমান সংকটের কথা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচি। তার এই স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বড় কূটনৈতিক সফলতা। সুচির স্বীকারোক্তির পর এখন আমাদের রোহিঙ্গা ইস্যু কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধানে অগ্রসর হওয়া সহজ হবে।


নিক্কি এশিয়ান রিভিউয়ের সম্পাদকীয়টি ছেপেছে মানব জমিন

রোহিঙ্গা নিষ্পেষণ বন্ধ করুন,কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করুন। বিস্তারিত খবরে এসেছে, অবিলম্বে রোহিঙ্গাদের ওপর নিষ্পেষণ বন্ধ করতে হবে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন মিয়ানমার সরকারকে। নিজেদের দায়িত্ব থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে করুণ অবস্থায় বসবাসরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্যে। এমন আহ্বান জানিয়ে জাপানের অনলাইন নিক্কি এশিয়ান রিভিউয়ে প্রকাশিত হয়েছে একটি সম্পাদকীয়। এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমরা জীবন অতিবাহিত করছেন এক মারাত্মক সঙ্কটের মুখে। রোহিঙ্গা বিদ্রোহী ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষের জের ধরে কমপক্ষে চার লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশে। আগস্টের শেষের দিকে রাখাইনে নিরাপত্তা চৌকিতে রোহিঙ্গা উগ্রপন্থিদের হামলার প্রেক্ষিতে শুরু হয় বর্তমানের সঙ্কট। এর প্রেক্ষিতে সশস্ত্র বিদ্রোহকে সমূলে বিনাশ করতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তারা টার্গেট করে নিরস্ত্র সাধারণ রোহিঙ্গাদের। এ কৌশলকে মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো জাতি নিধন বলে আখ্যায়িত করেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান বন্ধে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁ। এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।


বিশ্বনেতাদের সামনে মস্করা করলেন মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট:

মানব জমিনের আরেকটি শিরোনাম। জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের সামনে যেন মস্করা করলেন মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হেনরি ভ্যান থিও। তিনি বললেন, কি কারণে এত মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন তার কারণ পরিষ্কার নয় তার কাছে। তিনি আরো বলেছেন, বেশির ভাগ মুসলিমই (রোহিঙ্গা) তো দেশে রয়ে গেছেন। তবু তিনি তার সরকার এ সমস্যায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন হেনরি ভ্যান থিও। এ সময় তিনি বলেছেন, উল্লেখযোগ্য মাত্রার এ সমস্যার তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। তার সরকারের অবস্থান আবারো তুলে ধরে তিনি বলেছেন, উত্তেজনার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট নন তারা। তার আগে রোহিঙ্গা সঙ্কটকে গুরুত্বহীন করে দেখান দেশের কার্যত নেত্রী অং সান সুচি। মঙ্গলবার তিনি জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণের পর আরো কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কারণ, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নৃশংসতার অভিযোগের বিষয়ে তিনি একটি কথাও বলেন নি। বিশেষ করে সেখানে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার বেশির ভাগ মুসলিম রোহিঙ্গা। এ কারণে তারা দলে দলে পালিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন বাংলাদেশে।  সুচি তার বক্তব্যে বলেছেন, রাখাইনের মুসলিমদের অর্ধেকের বেশি এখনও দেশেই আছেন। এখানে উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদেরকে রোহিঙ্গা বলে না। তারা তাদেরকে হয়তো মুসলিম না হয় বাঙালি বলে আখ্যায়িত করে। সুচিও সেই পথ অনুসরণ করেছেন


রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই : মির্জা ফখরুল,নয়াদিগন্ত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ঐক্যে বিশ্বাস করে না। কিন্তু আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতীয় ঐক্য চাই। তিনি বিশ্ববাসীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবরঃ 


জোর ধাক্কা হাইকোর্টে, বিসর্জন বন্ধ রাখার নির্দেশ খারিজ:আনন্দবাজার

বিসর্জন ইস্যুতে জোর ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। মহরমের দিন দুর্গা প্রতিমার বিসর্জন হবে না বলে যে নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাকেশ তিওয়ারি অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্য সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে। ‘‘কোনও নির্দিষ্ট ভিত্তি ছাড়াই আপনারা চরম ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন।’’ মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের। সরকার যা খুশি তাই করতে পারে না, সতর্কবার্তা আদালতের।
পাহাড় থেকে গুরুংদের বিচ্ছিন্ন করতে পদক্ষেপ মমতার: বর্তমান পত্রিকা
পাহাড়ের স্বঘোষিত ‘মসিহা’ বিমল গুরুং অ্যান্ড কোম্পানিকে আরও কোণঠাসা করতে পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত অচল হয়ে থাকা গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-কে সচল করতে বুধবার ‘বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস’ বা প্রশাসক পর্ষদ গঠন করলেন তিনি। এদিন বিকালে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে ওই পর্ষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও করেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফিরে যেতে হবে,ফের হুঁশিয়ারি রাজনাথের: সংবাদ প্রতিদিন

রাজনাথ সিং

রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশের ভিতর তৈরি হওয়া বির্তকে ইতি টানার ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, রোহিঙ্গারা ‘রিফিউজি’ নয়, তারা অবৈধ অভিবাসী। মায়ানমার সরকার তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। এতএব এই বিষয়ে আর বিতর্ক তৈরি করার কোনও দরকার নেই। রাজনাথের মন্তব্যের নিশানা যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির দিকে, সে কথা বুঝতে অসুবিধা হয় না। কারণ, বেশ কিছু সংগঠন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়।

পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/২১