অক্টোবর ০৫, ২০১৭ ০৯:১১ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৫ অক্টোবর বৃহষ্পতিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের অনলাইন শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • অরুণ জেটলির ঢাকা ত্যাগ- দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • ‘আমি নিশ্চিত উনি তাঁর বাসভবনে আছেন’দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি- দৈনিক প্রথম আলো
  • অ্যামনেস্টির বিবৃতি-রোহিঙ্গাদের জোর করে ফেরত পাঠাবেন না-যুগান্তর
  • সোমালিয়া, বসনিয়া, ইরাকের শরণার্থীরাও এত করুণ আর নিঃস্ব নয়-দৈনিক ইত্তেফাক
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ পদে পদে অনিয়ম দুর্নীতি-দৈনিক যুগান্তর
  • রোহিঙ্গাদের না ফেরাতে কৌশলী মিয়ানমার, অস্বস্তিতে ঢাকা-দৈনিক মানবজমিন
  • নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে চান খাদিজা-মানবজমিন
  • হুমকি দিয়ে যৌন হয়রানি ছাত্রলীগ নেতার!- দৈনিক যায়যায়দিন
  • আশ্রয় কেন্দ্রে শিশুদের বেঁচে থাকার লড়াই-দৈনিক সমকাল
  • বিদেশ থেকে ৭১ ই-ফাইল ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী-ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রকৃষ্ট উদাহরণ-দৈনিক ইনকিলাব
  • ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি-ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • দেশের অর্থনীতির তথ্য তুলে আত্মরক্ষায় মুখ খুললেন মোদী-আনন্দবাজার
  • আমি মুখ্যমন্ত্রী, কোনও সন্ত্রাসবাদী নই:‌ কেজরি-দৈনিক আজকাল
  • স্কুলে ছড়াচ্ছে মাদক মেশানো ক্যান্ডি, জারি সতর্কতা- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

 

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

এসকে সিনহা ছুটিতে নিজ বাস ভবনেই আছেন'-দৈনিক ইত্তেফাক

 প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহহাব মিঞা 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহহাব মিঞা বলেছেন, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ছুটিতে তার নিজ বাস ভবনেই আছেন। তবে তিনি কারোর সঙ্গে দেখা করবেন কি করবেন না সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

সকাল ৯টায় আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যক্রম শুরুর পর বার সভাপতি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, 'হঠাৎ করেই প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা কোর্ট খোলার প্রথম দিন থেকে এক মাসের ছুটিতে যান। তার শারীরিক অসুস্থতার খবরটি জানতে পেরে আমরা বার নেতৃবৃন্দ ওইদিনই তার বাসভবনে দেখা করতে যাই। কিন্তু আমরা দেখা করতে পারেনি। এছাড়া তার অসুস্থতার খবর নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। আমরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।

যা আছে এস কে সিনহার ছুটির আবেদনে –এ শিরোনামে যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণের খবরে লেখা হয়েছে, প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে- বিএনপির এমন বক্তব্যের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি অসুস্থ, এটা নিয়ে রাজনীতির কিছু নেই। আসুন আমরা সবাই মিলে বিচারপতি এস কে সিনহার সুস্থতার জন্য দোয়া করি।

অরুণ জেটলির ঢাকা ত্যাগ-বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইনের

তিন দিনের বাংলাদেশ সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে তাকে বহনকারী ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমানটি নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেয়। গতকাল ভারতের সঙ্গে ৩৬ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সই হয়েছে। আর ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে  বলে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন অরুণ জেটলি। সুদের হার শতকরা ১ ভাগ। এ নিয়ে নানা কথা হলেও অর্থমন্ত্রী বলেছেন  এ ঋণের সুদের হার অনেক কম।

৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি-ইনকিলাব

কঠিন শর্তে ভারতের ঋণ চুক্তি-বিশেষজ্ঞ মতামত

কঠিন শর্তে ভারতের ঋণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে  বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন।

ইনকিলাবের এ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের শর্ত শিথিলের দাবি উপেক্ষা করে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তির পর ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি ‘নিজস্বার্থেই’এই চুক্তি সম্পন্নের কথা জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘নিজেদের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।’তবে এই ঋণকে বায়ার্স ক্রেডিট উল্লেখ করে বাংলাদেশের জন্য মঙ্গলজনক না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, ভারত প্রথম ক্রেডিট লাইনই এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ ছাড় করেনি। তাই তৃতীয় ক্রেডিট লাইনের চুক্তি করে দায় বাড়ানোর কোন মানে হয় না। অবশ্য ভারতীয় ঋণ চুক্তির অর্থ ছাড়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অ্যামনেস্টির বিবৃতি-রোহিঙ্গাদের জোর করে ফেরত পাঠাবেন না-দৈনিক যুগান্তর

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

গণহত্যার মুখে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমারে ফেরত না পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক গণহত্যা অভিযানের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রাখাইনে জোর করে ফেরত পাঠানো যাবে না। অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, রাখাইনে এখনও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। সেখানে যতক্ষণ রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকির মধ্যে থাকবে, ততক্ষণ বাংলাদেশের শরণার্থীদের তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়া ঠিক হবে না। তারা আবার নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হবে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফেরার ব্যাপারে আলোচনা করছে।

রোহিঙ্গাদের না ফেরাতে কৌশলী মিয়ানমার, অস্বস্তিতে ঢাকা-দৈনিক মানবজমিন

রোহিঙ্গাদের না ফেরাতে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির স্টেট কাউন্সেলরের দপ্তর জানিয়েছে, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বিস্তৃত আলোচনায় ১৯৯২ সালের এপ্রিলে যে যৌথ ঘোষণা সই হয়েছিল তাকে ভিত্তি ধরেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রস্তুত নেপি’ড। স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির দপ্তরের মন্ত্রী উ চাও থিন সোয়ে’র ঢাকা সফরের পরদিন মঙ্গলবার ওই বিবৃতি আসে। মিয়ানমারের মন্ত্রী ঢাকা সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে সহায়তায় ঢাকা একটি নতুন চুক্তির প্রস্তাব করেছে এবং মিয়ানমারের মন্ত্রীর কাছে চুক্তির খসড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু স্টেট কাউন্সেলরের দপ্তরের বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের কোনো উল্লেখ নেই। উল্টো বাড়তি কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে যা ঢাকাকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকার  বৈঠকের শেষদিকে মিয়ানমারের মন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নেপি’ড সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আশ্রয় কেন্দ্রে শিশুদের বেঁচে থাকার লড়াই-দৈনিক সমকাল

রোহিঙ্গা শিশু

জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সহযোগী গণস্বাস্থ্য কর্মকর্তা তৈমুর হাসান বলেন, পানিশূন্যতায় শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। খুব দ্রুত ও সঠিক পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দিলে অনেক প্রাণ বাঁচানো যাবে। ওই কর্মকর্তা বলেন, নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৬০ ভাগ শিশু। এদের ৩০ ভাগের বয়স পাঁচ বছরের নিচে। ৩ ভাগ নারী সন্তানসম্ভবা। আর ৭ ভাগ নারী নবজাতক শিশুর মা। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের প্রতি পাঁচটি পরিবারের মধ্যে একটিতে কোনো পুরুষ নেই। এই নারী ও শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে। এদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ দরকার।

সোমালিয়া, বসনিয়া, ইরাকের শরণার্থীরাও এত করুণ আর নিঃস্ব নয়,ইরানী এনজিও নেত্রী আশরাফির নির্মম অভিজ্ঞতা-ইত্তেফাক

ইরানের এনজিও ‘হামি’ এর নির্বাহী পরিচালক ফাতেমেহ আশরাফি

টানা পাঁচদিন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে ঘুরে প্রায় মুষড়ে পড়ার মতো অবস্থা ইরানের একজন স্বনামখ্যাত এনজিও নেত্রীর। তিনি একাই বাংলাদেশে এসে ঢাকা থেকে সরাসরি চলে যান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। লাখ লাখ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর মানবেতর অবস্থা স্বচক্ষে দেখে হতবিহ্বল প্রায়। বললেন, এটা কোন মানবতা, এটা কেমন জীবন মানব সন্তানদের। পৃথিবীর কোথাও এমনটি দেখিনি। 

 তেহরান ভিত্তিক নারী ও শিশু শরণার্থী বিষয়ক নামকরা এনজিও ‘হামি’ এর নির্বাহী পরিচালক ফাতেমেহ আশরাফি রোহিঙ্গা শিবিরের করুণ অভিজ্ঞতার কথা এই প্রতিনিধিকে জানালেন বুধবার রাতে।তিনি তেহরান ফিরে আরো কিছু ইরানি এনজিওকে সংগঠিত করবেন। শিশু ও নারী শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা করবেন। ফাতেমেহ আশরাফি কক্সবাজার পাঁচদিন অবস্থানকালে নিজেই প্রায় দশ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ নগদ সহায়তা কয়েক লাখ টাকার ওষুধ ও খাবার বিতরণ করেন।

বিদেশ থেকে ৭১ ই-ফাইল ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী-ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রকৃষ্ট উদাহরণ-দৈনিক ইনকিলাব

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রবক্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সত্যি সত্যি ডিজিটালি এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দেশ কিংবা বিদেশ যেখানেই অবস্থান করেন না কেন তিনি সার্বক্ষণিক নিজের কার্যালয়ের সঙ্গে ডিজিটালি সংযুক্ত থাকেন। এরআগে  তিনি নিজের কাজের মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশের ¯স্লোগানকে বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। আবারও তিনি তা করে দেখালেন। গত ১৭ দিনে বিদেশে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোট ৭১টি জরুরি ফাইল ছেড়েছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়ে তার আমেরিকা অবস্থানের মোট ১৬ দিন তিনি মোট ৬১টি জরুরি ফাইল ছাড়েন। এরপর দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে আমেরিকার ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়ে গত মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর আরো ১০টি ডিজিটাল মাধ্যমে জরুরি ই-ফাইল ছেড়েছেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ পদে পদে অনিয়ম দুর্নীতি-দৈনিক যুগান্তর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ কার্যক্রমে চলছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি। এতে পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। বছরের পর বছর ঝুলে থাকে তাদের এডহক নিয়োগ ও চাকরি নিয়মিতকরণ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজ। পাশাপাশি অধিকাংশ শিক্ষককেই দেয়া হয় না বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ।

আর এসব সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্যাডার শিক্ষকদের তীব্র বিরোধিতা। সরকারি কলেজের বেশির ভাগ শিক্ষক আত্তীকৃতদের ক্যাডারভুক্তির বিপক্ষে। অন্য দিকে নন-ক্যাডার হিসেবে চাকরিতে অন্তর্ভুক্তিতে আপত্তি আত্তীকৃতদের। এ নিয়ে উভয়পক্ষই একরকম ‘মুখোমুখি’ অবস্থানে রয়েছেন। আলাদা কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে দু’পক্ষের বাকযুদ্ধ। এমন অবস্থার মধ্যেই সম্প্রতি তৈরি করা হয়েছে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ‘নন-ক্যাডার’ হিসেবে সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্তির প্রাথমিক খসড়া বিধিমালা। এতে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়েছে।

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে চান খাদিজা-মানবজমিন

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে চান সিলেটে নির্যাতিত কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস। যেখানেই নারীরা নিগৃহ হবে, নির্যাতিত হবে- সেখানেই তিনি ভূমিকা রাখতে চান। পুণ্যভূমি সিলেটকে নারীদের নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করতে চান তিনি। চাপাতির আঘাতে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা খাদিজা তার ওপর হামলার এক বছরপূর্তিতে সাংবাদিকদের কাছে একথা জানান। খাদিজা বলেন- ‘আমার ওপর যে নির্মমতা হয়েছে সেই নির্যাতন যেনো আর কোনো মেয়ের ওপর না হয়। এ কারণে আমি নির্যাতিত নারীদের পক্ষে কাজ করতে চাই।

হুমকি দিয়ে যৌন হয়রানি ছাত্রলীগ নেতার!- দৈনিক যায়যায়দিন

পিরোজপুরে চার ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে অভিজিৎ রাহুল বেপারি (২৭) নামের এক ছাত্রলীগ নেতার বিরম্নদ্ধে। ওইসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় পুলিশ অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করেছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের অভিজিৎ কয়েক বছর আগে পিরোজপুর শহরের বসন্ত্মপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে কোচিং সেন্টার খোলেন। ওই কোচিং সেন্টারে তিনি বিভিন্ন সময় চার স্কুলছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তোলেন। পরে ওই আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে    দেয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের যৌন হয়রানি করেন। সম্প্রতি ফেসবুকে আপত্তিকর ছবিগুলো প্রকাশ পায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর বাবা গত সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানায় অভিজিতের বিরম্নদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন। রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরের দিন আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। অভিজিৎ পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর

আমি মুখ্যমন্ত্রী, কোনও সন্ত্রাসবাদী নই:‌ কেজরি-দৈনিক আজকাল

অরবিন্দ কেজরিওয়াল

দিল্লিতে ক্ষমতাদখলের লড়াই জারি। ফের তা স্পষ্ট করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় খবরদারির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তিনি। খানিকটা শাহরুখ খানের কায়দায়। কড়া ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তিনি নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। কোনও সন্ত্রাসবাদী নন। তাই কেন্দ্র সরকার লুকোছাপা না করলেই পারে।‌ ‌বুধবার রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন চলছিল। সেখানে বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়। যার মধ্যে অন্যতম ছিল, রাজ্যে সরকার চালিত স্কুলগুলিতে কর্মরত ১৫,০০০ অতিথি শিক্ষাকর্মীর স্থায়ী নিযুক্তি। নয়া প্রস্তাবের সপক্ষে সওয়াল করছিল আম আদমি পার্টি। কিন্তু তাতে বাদ সাধেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজল। বলেন, চাকরি–বাকরি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দিল্লি বিধানসভার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। আপ সরকারের প্রস্তাবটি সাংবিধানিক নিয়মাবলী বিরুদ্ধ। তাঁর মন্তব্যে মেজাজ হারান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। বলেন, ‘লেফটেন্যান্ট গভর্নরের যুক্তি মানতে পারছি না। শিক্ষার মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন না তোলাই ভাল। এতেই শুধু সংবিধান নয়, সমস্ত শিক্ষাকর্মী এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অবমাননা করা হয়। শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে শুধুমাত্র স্কুল নির্মাণ বোঝায় না। শিক্ষক নিয়োগও তারমধ্যেই পড়ে।

দেশের অর্থনীতির তথ্য তুলে আত্মরক্ষায় মুখ খুললেন মোদী-আনন্দবাজার

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

অর্থনীতির দুরবস্থা নিয়ে একের পর এক তিরে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিলেন তিনি। রাহুল গাঁধীর নেতৃত্বে বিরোধীদের পাশাপাশি যশবন্ত সিন্‌হা, অরুণ শৌরির মতো প্রবীণ বিজেপি নেতারাও তাঁকে নিশানা করছিলেন। এমনকী সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত ও সঙ্ঘ-পরিবারের সংগঠনগুলিও কৃষক, শ্রমিক, ছোট-মাঝারি ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানাচ্ছিলেন প্রকাশ্যেই।

এই ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে আজ আত্মরক্ষায় মুখ খুললেন নরেন্দ্র মোদী। অর্থনীতির হাল নিয়ে পাল্টা লড়াইয়ে নেমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ বললেন, এক ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার পড়ে যাওয়া নিয়ে যাঁরা গেল গেল রব তোলেন, তাঁরা নৈরাশ্যবাদী। এ সব না করলে তাঁরা রাতে ঘুমোতে পারেন না। সেই সঙ্গেই তাঁর প্রশ্ন, দেশে কি এই প্রথম বৃদ্ধির হার ৫.‌৭ শতাংশে নামল? মনমোহন সিং সরকারের শেষ দু’বছর বৃদ্ধির হার ছিল গড়ে ৬ শতাংশ, সে–কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির অবস্থা এই মুহূর্তে খারাপ, তা তিনি মানেন। কিন্তু এক ত্রৈমাসিকের বৃদ্ধির হার কী, তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ, অর্থনীতির মূল ভিতগুলো ভাল অবস্থায় রয়েছে।

স্কুলে ছড়াচ্ছে মাদক মেশানো ক্যান্ডি, জারি সতর্কতা- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

মাদক মেশানো  হচ্ছে কান্ডিতে

পাঞ্জাবের একটি প্রজন্মকে প্রায় শেষ করে দিয়েছিল মাদক। এবার সেই মাদকের ভয়াবহ জাল ছড়াচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। নিশানায় রাজ্যের পড়ুয়ারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে একটি দুষ্টচক্র ছড়িয়ে দিচ্ছে মাদকের মারণ বীজ। ‘স্ট্রবেরি কুইক’ নামের ক্যান্ডির মাধ্যমে স্কুলের পড়ুয়াদের আসক্ত করে তোলা হচ্ছে মাদক সেবনে। জানা গিয়েছে, স্ট্রবেরির স্বাদযুক্ত ওই ক্যান্ডিগুলি কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে অবাধে বিলি করা হচ্ছে। এমনকি বেশ কয়েকটি নতুন স্বাদের ওই ক্যান্ডিও বাজারে ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, মাদক মেশানো ওই ক্যান্ডি খেয়ে ইতিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। কয়েকজনকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশের ‘নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো’র গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, স্ট্রবেরি ছাড়াও অরেঞ্জ, চেরি, আঙুর বাটার-সহ বিভিন্ন স্বাদে মিলছে মাদক মেশানো ক্যান্ডি। ওই ক্যান্ডি খাওয়ার পর একাধিক পড়ুয়াকে অস্বাভাবিকভাবে ঘুমোতে দেখা যায়। অনেকেই বমি করতে শুরু করে। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের নেশায় জালে জড়িয়ে ফেলতে ক্যান্ডিগুলিতে আফিম মেশানো হয়। এছাড়াও অন্য কোনও ড্রাগও মেশানো হতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৫