অক্টোবর ১৪, ২০১৭ ১২:০৫ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৪ অক্টোবর শনিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের অনলাইন শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • শপথ ভেঙেছেন আইনমন্ত্রী, তার চারবার সাজা হওয়া উচিত: রিজভী-দৈনিক ইত্তেফাক
  • বিএনপি নির্বাচনে আসবে: সিইসি--প্রথম আলো
  • আমি অসুস্থ না, আবার ফিরে আসব: প্রধান বিচারপতি-দৈনিক যুগান্তর
  • খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে আইনানুগ ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
  • সরকার বিচার বিভাগের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে: মওদুদ- দৈনিক সমকাল
  • ‘খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে আইনানুগ ব্যবস্থা-দৈনিক মানবজমিন
  • রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’ মিয়ানমার সেনাপ্রধানের এ দাবি অসত্য -বাণিজ্যমন্ত্রী-দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • জাতিসংঘের জরিপ-বাংলাদেশের ১২ লাখ মানুষ গৃহহারা হওয়ার ঝুঁকিতে-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ভ্রান্ত প্রচারণা চালানো হচ্ছে: ইনু-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • ট্যানারি বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনা -দৈনিক ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • কাশ্মীরে বাহিনীর গুলিতে খতম শীর্ষ লস্কর কম্যান্ডার-সহ দুই জঙ্গি-আনন্দবাজার
  • ফের গো রক্ষকদের তাণ্ডব-আজকাল-দৈনিক আজকাল
  • পাহাড়ে গ্রেপ্তার গুরুংপন্থী নেতা দীপক তামাং, উদ্ধার বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

 

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

আমি অসুস্থ না, আবার ফিরে আসব: প্রধান বিচারপতি-দৈনিক যুগান্তর

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, আমি অসুস্থ না। আমি পালিয়েও যাচ্ছি না। আমি আবার ফিরে আসব। আমি একটু বিব্রত। আমি বিচার বিভাগের অভিভাবক। বিচার বিভাগের স্বার্থে, বিচার বিভাগটা যাতে কলুষিত না হয়, এ কারণেই আমি সাময়িকভাবে যাচ্ছি। আমার কারও প্রতি কোনো বিরাগ নেই। আমার দৃঢ়বিশ্বাস, সরকারকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এই আমার বক্তব্য। আর কিছু বলব না। আমি লিখিত বক্তব্য দিচ্ছি। এই হল আমার লিখিত বক্তব্য।

শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার আগে হেয়ার রোডের বাসার সামনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন। বক্তব্যের কপি প্রধান বিচারপতি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিয়ে তিনি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন।

তার স্বাক্ষরিত বক্তব্যটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হল-

‘আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। কিন্তু ইদানীং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল, আইনজীবী ও বিশেষভাবে সরকারের মাননীয় কয়েকজন মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন এতে আমি সত্যিই বিব্রত। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকারের একটা মহল আমার রায়কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে পরিবেশন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রতি অভিমান করেছেন, যা অচিরেই দূরীভূত হবে বলে আমার বিশ্বাস। সেই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমি একটু শঙ্কিতও বটে। কারণ গতকাল (বৃহস্পতিবার) প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবীণতম বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে মাননীয় আইনমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন যে, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অচিরেই সুপ্রিমকোর্টের প্রশাসনে পরিবর্তন আনবেন। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কিংবা সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো রেওয়াজ নেই। তিনি শুধু রুটিনমাফিক দৈনন্দিন কাজ করবেন। এটিই হয়ে আসছে। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এটি সহজেই অনুমেয় যে, সরকার উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর দ্বারা বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি হবে। এটি রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।’

এর আগে প্রধান বিচারপতি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি অসুস্থ না। আমি চলে যাচ্ছি। আমি পালিয়েও যাচ্ছি না। আমি আবার ফিরে আসব। আমি একটু বিব্রত। আমি বিচার বিভাগের অভিভাবক। বিচার বিভাগের স্বার্থে, বিচার বিভাগটা যাতে কলুষিত না হয়, এ কারণেই আমি সাময়িকভাবে যাচ্ছি। আমার কারও প্রতি কোনো বিরাগ নেই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকারকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এই আমার বক্তব্য আর কিছু বলব না। আমি লিখিত বক্তব্য দিচ্ছি। এই হল আমার লিখিত বক্তব্য। পরে তিনি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। 

 একাই দেশ ছাড়লেন তিনি। তবে তার সঙ্গে স্ত্রী সুষমা সিনহার যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি যাননি বলে জানা গেছে।

যুগান্তরর অন্য একটি খবরের শিরোনাম এরকম-সুস্থ প্রধান বিচারপতিকে জোর করে বিদেশ পাঠানোর বিষয়টি প্রমাণিত: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সুস্থ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে সরকার জোর করে বিদেশ পাঠিয়েছে, বিষয়টি প্রমাণিত। প্রধান বিচারপতির বক্তব্যেই তার প্রমাণ মিলেছে দাবি করে এক প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে চাইলে শুক্রবার রাতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রমানিত হয়ে গেল প্রধান বিচারপতি অসুস্থ ছিলেন না, তিনি সুস্থ ছিলেন। প্রমানিত হয়ে গেল তাকে ছুটি নিতে বাধ্য করা হয়েছে সেসময়। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সরকার যে আচরণ করছে তা খারাপ হয়েছে। এটা দেশ ও জাতির জন্য খারাপ হয়েছে। আমরা যে বলেছিলাম সরকার পুরোপুরিভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে, একটা রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হল, মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল শেষ হয়ে গেল, আস্থা চলে গেল।

আর সমকালের খবরে বলা হয়েছে বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন,সরকার বিচার বিভাগের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, একটি রায়কে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতির ওপর প্রধানমন্ত্রী 'অভিমানকে দুঃখজনক' বলে আখ্যায়িত করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

এদিকে বাংলাদেশে প্রতিদিনের একটি খবরে লেখঅ হয়েছে, প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ভ্রান্ত প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত-আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিক্রিয়া-দৈনিক যুগান্তর

শুক্রবার রাতে দেশ ছাড়ার আগে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার গণমাধ্যমকে দেয়া লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যকে হতাশাজনক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, তার এই ধরনের বক্তব্য অস্থিরতা তৈরি করবে। তার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও অসমীচীন।

শপথ ভেঙেছেন আইনমন্ত্রী, তার চারবার সাজা হওয়া উচিত: রিজভী-ইত্তেফাক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতির বিষয়ে মিথ্যা কথা বলে আইনমন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছেন। এ জন্য বিচারের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর চারবার সাজা হওয়া উচিত। মন্ত্রী হলে শপথ নিতে হয় ক্ষোভ, আক্রোশের বসে মিথ্যা বলা যাবে না। কিন্তু আইনমন্ত্রী মিথ্যা বলেছেন। উনি (আইনমন্ত্রী) বলেছেন- প্রধান বিচারপতির ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি বিদেশ যাওয়ার আগে বলে গেছেন তিনি সুস্থ আছেন।’রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে অবশ্যই আইনমন্ত্রীর বিচার করা হবে।

ট্যানারি বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনা -দৈনিক ইনকিলাব

ট্যানারি বর্জ্য

এক নদী বাঁচাতে আরেক নদী ধ্বংস করা কোনো বিবেচনাপ্রসূত কাজ হতে পারে না। বুড়িগঙ্গাকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সাভারের হেমায়েতপুরে স্থানান্তর করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। সেখানের ধলেশ্বরী নদীতে সেই একই বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এই নদীটি এখন বুড়িগঙ্গার মতোই দূষিত হচ্ছে। আশপাশের পরিবেশও বিষাক্ত হয়ে উঠছে। চামড়া পরিশোধনের পর এই তরল বর্জ্য ট্যানারি থেকে মাটির নিচের পাইপলাইন দিয়ে কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারে (সিইটিপি) যাওয়ার কথা থাকলেও তা পানি নিষ্কাশনের ড্রেন দিয়ে ধলেশ্বরীতে পড়ছে। এমনকি সিইটিপিতে পরিশোধন করে যে পানি নদীতে ফেলা হচ্ছে, তাতেও ক্ষতিকর রাসায়নিক পাওয়া যাচ্ছে। অথচ ট্যানারির তরল বর্জ্য এমনভাবে পরিশোধন করে নদীতে ফেলার কথা, যাতে নদীর কোনো ক্ষতি না হয়। এই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না।

বিএনপি নির্বাচনে আসবে: সিইসি-প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শিরোনাম

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা

আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আজ শনিবার ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সুতরাং সংলাপে অংশগ্রহণ করার মানেই হলো তারা নির্বাচনে অবশ্যই আসবে। এবং তার অর্থ হলো আমাদের কার্যক্রমে তাদের আস্থা আছে।’ সিইসি দাবি করেছেন, এর আগে বিভিন্ন সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন, পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন বর্জন করলেও কাল রোববার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার তারিখ রয়েছে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাটাই গুরুত্বপূর্ণ-প্রথম আলোর অন্য একটি খবরের শিরোনাম

গোলটেবিল বৈঠক

রাজধানীতে গোলটেবিল আলোচনায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অবাধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, এ জন্য সরকারের সদিচ্ছা, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তাঁরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সেনা মোতায়েনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আজ শনিবার বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্রবিষয়ক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে দ্য ঢাকা ফোরাম নামের একটি সংগঠন।

জাতিসংঘের জরিপ-বাংলাদেশের ১২ লাখ মানুষ গৃহহারা হওয়ার ঝুঁকিতে-বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশের ১২ লাখ মানুষ গৃহহারা হওয়ার ঝুঁকিতে

বন্যা, সাইক্লোন, হারিকেন, খরা, সুনামি, ভূমিকম্পসহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতি বছর প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ মানুষ গৃহহারা হচ্ছে। বাংলাদেশে গৃহহারা হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে ১২ লাখ মানুষ। ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন করা হয়। দিবসটি সামনে রেখে জাতিসংঘ উদ্বেগজনক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। জরিপে বলা হয়, দুর্যোগ রোধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন দূরের কথা, প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই কঠিন হয়ে পড়বে।

জাতিসংঘ: ‘কত হাজার মরলে তবে মানবে তুমি শেষে’?- প্রথম আলো

জাতিসংঘর মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান সংস্থা ওএইচসিএইচআর (অফিস অব দ্য ইউনাইটেড ন্যাশনস হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস) আবারও পারল না। তারা হেরে গেল। তারা সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে পারল না। তারা জেনোসাইড বলতে পারল না। জেনেভায় ১১ অক্টোবরে প্রকাশিত তাদের নতুন প্রতিবেদন ‘Brutal attacks on Rohingya meant to make their return almost impossible’ প্রকাশ করে কক্সবাজারে আসা সংস্থাটির মিশনপ্রধান টমাস হানিকি একটি খোঁড়া অজুহাত খাড়া করেছেন। বলেছেন, আমরা জেনোসাইড ঘটেছে কি ঘটেনি, সেটা সাব্যস্ত করার অবস্থানে ছিলাম না। তাঁর কথা শুনে মনে হয়েছে, জাতিসংঘকে তাহলে বলে দিতে হবে, আর কত মৃত্যু, আর কত ধ্বংস আর কত রক্তের নদী পেরোলে তবে তাঁরা জেনোসাইডকে জেনোসাইড বলবেন।খুন একটি অপরাধের নাম। যেমন: ধর্ষণ, লুণ্ঠন, রাহাজানি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি একটি করে অপরাধের নাম। তাই মিয়ানামারে যা ঘটেছে এবং ঘটছে, তা কি সাধারণ খুনখারাবি, সাধারণ ধর্ষণ, লুণ্ঠন, হত্যাকাণ্ড? এটি তো পদ্ধতিগত জাতিহত্যা। কোনো ফৌজদারি অপরাধের বিবরণ দিয়ে মিয়ানমারের বর্বরতাকে মাপা যাবে না।

ইত্ফোকের একটি খবরের শিরোনাম এরকম যে, মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে বলে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কফি আনান। অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

তৈরী পোশাক খাতে অশনি সংকেত-দৈনিক ইনকিলাব

গার্মেন্টেসে অশনি

বেসরকারী উদ্যোগে তিলে তিলে গড়ে ওঠা দেশের তৈরী পোশাকখাতে নজিরবিহীন মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বমন্দার সময়ও তৈরী পোশাক খাত এতটা নেতিবাচক ধারায় যায়নি। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে প্রায় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান এবং দেশের মোট রফতানী আয়ের শতকরা ৮০ ভাগের যোগানদাতা এই খাতের মন্দা মানে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হওয়া। চলতি অর্থবছরে তৈরী পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি ০.২০ ভাগ যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাংলাদেশের তৈরী পোশাক রফতানী খাতে যখন নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তখন প্রতিবেশী দেশ ভারতের পোশাক রফতানীখাতে ডাবল ডিজিটের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে দেখা যাচ্ছে। আমাদের ট্রাডিশনাল রফতানী বাজারে বিশেষত: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অ্যাপারেল বাজার ক্রমে নিচে নেমে যাচ্ছে, সেখানে দ্রুত উপরে উঠছে ভারত। গত কয়েক বছর ধরে ভারতের তৈরী পোশাক রফতানীর প্রবৃদ্ধি শতকরা ১৫ থেকে ১৭ ভাগ, যা চলতি অর্থবছরে ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌছবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই ভারতের কাছে বাংলাদেশ তার অবস্থান হারিয়েছে। তৈরী পোশাক রফতানীর বাজার সম্প্রসারণে ভারত সরকার ৬ হাজার কোটি রুপির প্রণোদনা ঘোষনা করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা জিইয়ে রেখে দেশের শিল্পবিনিয়োগ ও রফতানীখাতকে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছে।

খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে আইনানুগ ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-যুগান্তর

খালেদা জিয়া ও আসাদুজ্জামান খান কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। শনিবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ মিলনায়তে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। গত চার দিনের ব্যবধানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার বকশিবাজারের স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালত।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর

পাহাড়ে গ্রেপ্তার গুরুংপন্থী নেতা দীপক তামাং, উদ্ধার বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার-সংবাদ প্রতিদিন অনলাইন

অশান্ত পাহাড়ে গ্রেফতার এক বিমলপন্থি ও অস্ত্র উদ্ধার

পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল বিমলপন্থী নেতা দীপক তামাংকে। শুক্রবার রাতেই আলগারা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। এনিয়ে পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে কালিম্পংয়ের পেডং থেকে বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিবেক রাই ও রাখি ছেত্রী নামে দুই জনকে। প্রায় ১৮০০ রাউন্ড গুলি, ১০০০ ডিটোনেটর, নাইন এমএম পিস্তল, একে ৪৭ পর্যন্ত উদ্ধারের খবর মিলেছে।

ফের গো রক্ষকদের তাণ্ডব-আজকাল

হরিয়ানায় ফের গো রক্ষকদের তাণ্ডব

ফের গো রক্ষকদের তাণ্ডব। হরিয়ানার ফরিদাবাদে গো মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে অটোচালক সহ ৫ ব্যক্তিকে বেধনক মারধর করল গো রক্ষকরা। অভিযোগ, আক্রমণকারীরা অটোচালককে ‘‌ভারত মাতা কী জয়’‌ এবং ‘‌জয় হনুমান’‌ বলতে বলে। তিনি আপত্তি করলে শুরু হয় মারধর। জখমদের আরও অভিযোগ, গো রক্ষকদের হামলার সময় পুলিস নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকায় ছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি। হরিয়ানার ডিসিপি পরে বলেন, গরু পাচার আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা মাংস পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। তবে জখমদের অভিযোগের ভিত্তিতে পৃথক একটি অভিযোগও দায়ের হয়েছে বলে জানিয়ে ডিসিপি আশ্বাস দেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীরা শাস্তি পাবে। হরিয়ানার বিজেপি নেতা রমন মালিক বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এধরনের ঘটনা ঘটছে, তবে এরা সবাই গো রক্ষক নয়, সাধারণ গুন্ডা। পাল্টা জবাবে কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় ঝা,মনোহরলাল খট্টরের সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, হরিয়ানায় মগের মুলুক চলছে।

প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটুক্তি করে বিতর্কে কর্নাটকের মন্ত্রী—সংবাদ প্রতিদিন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেসশাসিত কর্নাটকের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আর রোশন বাগ। ঘটনায় অবিলম্বে মন্ত্রীকে বরখাস্ত করার দাবি করেছে বিজেপি। কর্নাটক বিজেপির সভাপতি বিএস ইয়েদুরাপ্পা বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই ধরণের মন্তব্য অত্যন্ত অপমানজনক। শুধু নরেন্দ্র মোদিকেই নয়, ১২৫ কোটি দেশবাসীকেও অপমান করেছেন কংগ্রেস সরকারের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।

স্কুলের খাবারে টিকটিকির লেজ, অসুস্থ ৯০ জন পড়ুয়া-সংবাদপ্রতিদিন

Image Caption

পড়ার মাঝে টিফিনের সময় স্কুল থেকেই খাবার পরিবেশন করা হয়। তা খাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ল অন্তত ৯০ জন পড়ুয়া। প্রত্যেককেই হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে ৪৫ জনের অবস্থা সংকটজনক বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মিরজাপুর জেলায়। জানা গিয়েছে, খাবারে টিকটিকির লেজ থাকার কারণেই ঘটেছে এই বিপত্তি। শুক্রবার মিড ডে মিলের খাবার খাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ বোধ করতে থাকে পড়ুয়ারা। তলপেটে ব্যথার অভিযোগ জানাতে থাকে একে একে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৪