নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কারে ভোট চুরির পথ বন্ধ: অর্থমন্ত্রী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৯ নভেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কারে ভোট চুরির পথ বন্ধ: অর্থমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
- মেয়র হানিফ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি!-দৈনিক প্রথম আলো
- আইসিটি আইনের ৫৪, ৫৫ ও ৫৭ ধারা বিলুপ্তির প্রস্তাব-দৈনিক যুগান্তর
- বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি-বৃহস্পতিবারের হরতালে বিএনপির পূর্ণ সমর্থন-দৈনিক যুগান্তর/প্রথম আলো
- তিস্তায় পানিই নেই, মত ভারতের নদী বিশেষজ্ঞদের-দৈনিক মানবজমিন
- ময়মনসিংহে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান : র্যাব- দৈনিক নয়া দিগন্ত
- খলনায়করা অধরা-১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক কেলেঙ্কারি-দৈনিক ইনকিলাব
- ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা বাদ দেয়ার আহ্বান অ্যামনেস্টির-দৈনিক ইনকিলাব
ভারতের শিরোনাম:
- বাহিনী সরছে, ফের উদ্বেগ পাহাড়ে-আনন্দবাজার
- গুজরাট প্রচারে ইন্দিরাকে কটাক্ষ মোদির-দৈনিক আজকাল
- ম্যাগিতে বিষক্রিয়া, ৪৫ লক্ষ টাকা জরিমানা নেসলের-সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি-বৃহস্পতিবারের হরতালে বিএনপির পূর্ণ সমর্থন-দৈনিক যুগান্তর
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বামদলগুলোর ডাকা বৃহস্পতিবারের অর্ধদিবস হরতালে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রতি সপ্তাহে আদালতে হাজিরার নামে হয়রানির অভিযোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম। উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে গ্রাহক শ্রেণি নির্বিশেষে প্রতি ইউনিট (এক কিলোওয়াট ঘণ্টা) বিদ্যুতের দাম বেড়েছে গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কারে ভোট চুরির পথ বন্ধ: অর্থমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
গতকাল সম্পন্ন হয়েছে তিন দিনব্যাপী দূত সম্মেলন। গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, গত কয়েক বছরে যেভাবে নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার এসেছে তাতে ভোট চুরির পথ প্রায় বন্ধ। তবে একটি মাত্র আশঙ্কা এখনও রয়েছে। যদি কোনো আসনে এমন শক্তিশালী নেতা দাঁড়িয়ে যান যে, তিনি লোকজনকে ভোট কেন্দ্রেই যেতে দিলেন না, বাধা দিলেন। সেটিও হবে না যদি তার আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকেন। মন্ত্রী আরো বলেন, যারা নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের কথা বলছে, তারা নির্বাচনে এলে আশঙ্কার সেই পথও বন্ধ হয়ে যাবে। আসুন, নির্বাচনে অংশ নিন।
মেয়র হানিফ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি!-দৈনিক প্রথম আলো
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি মেয়র মোহাম্মদ হানিফ—নগরীর ছোট ছোট এলইডি বিলবোর্ডে এমন প্রচারণা চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ডিএসসিসি বলছে, বিষয়টি জানার পর তা সংশোধন করা হয়েছে। তবে এটি ভুল না ষড়যন্ত্র, তা বের করতে শাহবাগ থানার পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গতকাল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই প্রচারণা চালানো হয়েছিল। ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এটি ভুলবশত হয়েছে। বিষয়টি জানার পর সঙ্গে সঙ্গে তা সংশোধন করা হয়।
তবে ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি শুনেছেন। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ষড়যন্ত্র হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহবাগ থানার পুলিশ জানায়, বিষয়টি জানতে বিলবোর্ড পরিচালনার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের দুজন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আইসিটি আইনের ৫৪, ৫৫ ও ৫৭ ধারা বিলুপ্তির প্রস্তাব-দৈনিক যুগান্তর
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের বহুল আলোচিত ৫৪, ৫৫ ও ৫৭ ধারা বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। এ সভায় ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৭’-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ আইনটি সংসদের আগামী শীতকালীন অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তবে নতুন ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার বিষয়গুলো সন্নিবেশ করা হবে কিনা তা স্পষ্ট করেননি তথ্যমন্ত্রী।
এদিকে সভা শেষে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমার বিশ্বাস, এই ৫৭ ধারা সেভাবে থাকবে না এবং ফ্রিডম অব স্পিচ (বাকস্বাধীনতা) রক্ষা করার জন্য যেসব চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের দরকার, সেগুলো ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সম্প্রচার আইনে থাকবে।
তিস্তায় পানিই নেই, মত ভারতের নদী বিশেষজ্ঞদের-দৈনিক মানবজমিন
বাংলাদেশের তিস্তার পানি পাওয়া আরও দুরূহ হয়ে উঠেছে ভারতের নদী বিশেষজ্ঞদের দেওয়া অভিমত থেকে। নদী বিশেষজ্ঞদের দেওয়া মতামত প্রকারান্তরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মনোভাবকেই আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। গত মঙ্গলবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনা চক্রে ভারতের নদী বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সেচের জন্য যত পানি তার কাছে চাওয়া হচ্ছে, তিস্তার ততটা দেওয়ার ক্ষমতাই নেই এমনকি শুধু পশ্চিমবঙ্গের যা চাহিদা, সেটুকুও পূরণ করার অবস্থাতেও নেই তিস্তা। আর যে সব নদী বিশেষজ্ঞ এই অভিমত জানিয়েছেন সেই তালিকায় রয়েছেন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গড়া পরামর্শদাতা কমিটির প্রধান কল্যাণ রুদ্রও।
ময়মনসিংহে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান : র্যাব- দৈনিক নয়া দিগন্ত
ময়মনসিংহ শহরের আকুয়া মিলনবাগ এলাকার একটি বাসায় অস্ত্র তৈরির মিনি কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবী করেছে র্যাব। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্রসহ সোহেল (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। র্যাবের দাবী, সেখান থেকে চারটি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলি, চারটি ম্যাগাজিন, আটটি চাকু, চারটি হাতুড়ি, একটি চায়নিজ কুড়াল, তিনটি প্লাস, দুটি ড্র্রিল মেশিন, কাটার, শাইন, একটি বাইশ এবং অস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত যুবক সোহেল অস্ত্রতৈরির কারিগর বলেও র্যাব দাবী করেছে। তবে এরা কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার এখনো পাওয়া যায় নি।
ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা বাদ দেয়ার আহ্বান অ্যামনেস্টির-দৈনিক ইনকিলাব/মানবজমিন
জনমানবহীন ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের সব পরিকল্পনা বাদ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক বিরাজ পাটনায়েক বলেছেন, ওই দ্বীপটি শরণার্থীদের অন্যান্য আশ্রয়শিবির থেকে অনেক দূরে। বন্যায় তা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিপদজনক এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেখানে। এমন জনমানবহীন একটি দ্বীপে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা হবে ভয়াবহ একটি ভুল সিদ্ধান্ত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
খলনায়করা অধরা-১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক কেলেঙ্কারি-দৈনিক ইনকিলাব
ব্যাংক হলো টাকা পয়সার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কিন্তু ব্যাংকের টাকা লুট যেন নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকগুলোতে গত কয়েক বছরে পনের হাজার কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। অসংখ্য মামলাও হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও চিহ্নিত। অথচ বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার হয়নি; লুটেরারা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। উদ্ধার হয়নি টাকা। হবে কিনা তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ। এমনকি ব্যাংকের অর্থ লুটের হোতাদের কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যও নেই ব্যাংকগুলোর কাছে। ব্যাংকগুলোতে ঘটে যাওয়া এসব লুটপাটে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া পরিচালনা পরিষদ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকলেও তারা স্বপদে বহাল রয়েছেন। এ সম্পর্কে- খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেছেন, অভিযুক্তদের ধরতে না পারা স্বেচ্ছা গাফিলতি, আর সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধীর শাস্তি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, লুটেরারা উচ্চ পর্যায়ের হলেই এড়িয়ে যায় দুদক।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
বাহিনী সরছে, ফের উদ্বেগ পাহাড়ে-আনন্দবাজার
আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সাত কোম্পানি। এ বার পাহাড় থেকে আরও চার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বড় গোলমাল হলে মাত্র চার কোম্পানি সিআরপিএফ ও এসএসবিকে দিয়ে কী ভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হবে, তা ভেবে উদ্বেগ বাড়ছে পাহাড় ও লাগোয়া সমতলে।
এক শীর্ষ পুলিশ কর্তা জানান, সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য পুলিশের ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ আশ্বাস দিয়েছেন, ইএফআর, স্ট্র্যাকো, সিআইএফের ৪ কোম্পানিকে পাহাড়ে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুরে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর অন্তত ৪০০ জনকে পাহাড়ে পাঠানো হবে।
পুলিশের দাবি, বর্তমানে দার্জিলিং ও কালিম্পঙে রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর ১২ কোম্পানি অফিসার-কর্মী রয়েছেন। তার মধ্যে ৫ কোম্পানিই পাঠানো হয়েছে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী সরার পর। এরমধ্যে রাজভবন ও লাগোয়া এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব রয়েছে ইএফআরের উপর। এছাড়াও স্ট্র্যাকো, সিআইএফ এবং রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীর দশম, দ্বাদশ ব্যাটেলিয়নের অফিসার কর্মী সংখ্যাও ৮০০। প্রশিক্ষিত কমব্যাট ফোর্স ও র্যাফের শতাধিক সশস্ত্র পুলিশ-কর্মী রয়েছেন। তার পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাটতি পূরণ হবে না বলে জানিয়ে একান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেন পুলিশ অফিসারদের অনেকেই।
তাঁদের দুশ্চিন্তার বড় কারণ, আপাত শান্তি ফিরলেও বিমল গুরুঙ্গ ও তাঁর একান্ত অনুগামী অন্তত ২০ জন এখনও অধরা। অডিও-বার্তায় বারেবারেই ‘সংঘাত নয়’ বলে অনুগামীদের সতর্ক করলেও, যে কোনও মুহূর্তে গুরুঙ্গ যে তাঁদের সরাতে পাহাড়ে বড় মাপের আন্দোলনের ডাক দিতে পারেন তা নিয়ে বিনয়-অনীত শিবিরেরও সন্দেহ নেই। একান্তে তাঁরা সে কথা রাজ্যকে জানিয়ে দ্রুত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত বাহিনী পাঠানোর অনুরোধও জানিয়েছেন। বিনয় বলেছেন, ‘‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি পুলিশকে দেখতে হবে।’’
গুজরাট প্রচারে ইন্দিরাকে কটাক্ষ মোদির-দৈনিক আজকাল
গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। বুধবার গুজরাটের মোর্বি থেকে জনসভার শুরু করলেন তিনি। আর প্রথম জনসভাতেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ইন্দিরা গান্ধীর উদ্দেশে বিদ্রুপ শানালেন তিনি। মোদি বলেন, ‘ভাল এবং খারাপ, দুই রকমের সময়েই বিজেপি মোর্বির পাশে থেকেছে। ১৩ বছর আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মোর্বির উন্নতির চেষ্টা করেছি। কিন্তু কংগ্রেস এসব কিছুই করেনি।’ আরও বলেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যখন মোর্বিতে আসতেন, তখন নাকে হাত চাপা দিয়ে রাখতেন। সেই সময় জায়গাটা এতটাই অপরিচ্ছন্ন ছিল। কিন্তু কী করে এই জায়গার উন্নতি করা যায়, সেটা নিয়ে উনি কখনও কিছু ভাবতেনই না। এখানকার উন্নতি আমরা করেছি।’
ম্যাগিতে বিষক্রিয়া, ৪৫ লক্ষ টাকা জরিমানা নেসলের-সংবাদ প্রতিদিন
ফের বিপাকে ম্যাগি প্রস্তুতকারক সংস্থা নেসলে। জনপ্রিয় এই নুডলসে বিষক্রিয়ার কারণে ২০১৫ সালে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল সংস্থা। এক ধাক্কায় বিক্রি কমেছিল অনেকটাই। সে পর্ব যেন শেষ হয়েও হল না। বিষক্রিয়ার অভিযোগে এবার উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের জেলা প্রশাসন নেসলের ডিস্ট্রিবিউটর ও দুই বিক্রেতার বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের জরিমানা ধার্য করল।
সংস্থার দাবি, যে নমুনা নিয়ে কথা হচ্ছে তা ২০১৫ সালের। সেই সময় অভিযোগ ওঠা মাত্র দেশ থেকে সমস্ত নমুনা তুলে নিয়েছিল সংস্থাটি। অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের অভিযোগ, এই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল গত বছরের শেষের দিকে। পরীক্ষাগারের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, এমন কিছু পদার্থ ম্যাগিতে আছে, যা মানুষের শরীরের পক্ষে উপকারী নয়। ম্যাগি বাচ্চাদের মধ্যেই বেশি জনপ্রিয়। ফলে এই নুডলস খাওয়ার ফলে তাদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এরপরই সংস্থাকে ৪৫ লক্ষ, তিন ডিস্ট্রিবিউটরদের ১৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। অন্যদিকে দুই বিক্রেতাকেও ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক জমেছে। সংস্থার দাবি, ২০১৫ সালের নমুনা নিয়েই কথা বলা হচ্ছে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯