মে ১২, ২০২০ ১১:৩০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১২ মে মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম :

  • ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছেন রোগীরা-দৈনিক ইত্তেফাক
  • করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আমরা কোথায় যাচ্ছি? ড.বদিউল আলম -দৈনিক মানবজমিনদেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৫০, নতুন শনাক্ত ৯৬৯-দৈনিক যুগান্তর
  • করোনা: মাত্র দুই মাসেই ‘এশিয়ার হটস্পটে’ পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ -বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • বাসে মৃত্যু, করোনা সন্দেহে ছেলের লাশসহ মাকে নামিয়ে দিল যাত্রীরা -দৈনিক সমকাল
  • ১ কোটির পর এবার আরও ৫০ লাখ পরিবার ত্রাণ পাবে-দৈনিক প্রথম আলো
  • করোনায় লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের শ্রম বাজার -দৈনিক কালের কণ্ঠ

ভারতের শিরোনাম:

  • ভারতে করোনা আক্রান্ত ৭০ হাজার ছাড়াল-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • পাঞ্জাব থেকে হেঁটে বিহারে ফেরার চেষ্টা, পরিযায়ী শ্রমিককে পিষে মারল গাড়ি-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • কর্মী করোনা আক্রান্ত, এয়ার ইন্ডিয়ার দিল্লির প্রধান কার্যালয় দু’দিনের জন্য বন্ধ -দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

মহামারি করোনার বিরুদ্ধে চলছে যুদ্ধ। বিশ্ব একরকম থেমে গেছে। বাংলাদেশ ভারতসহ বিশ্বমিডিয়ার প্রধান খবর করোনা পরিস্থিতি। ওয়ার্ল্ডওমিটার ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বিশ্বের ২১২ টি দেশ ও অঞ্চল করোনা আক্রান্তের শিকার। বিশ্বব্যাপী মোট মৃতের সংখ্যা ২,৮৭,৫২৯   জনে পৌঁছেছে।

একনজরে বিশ্ব করোনার খবর: 

বিশ্বমহামারি করোনা

করোনা: ফ্রান্সে লকডাউন শিথিলের পর ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা-দৈনিক যুগান্তরের এ খবরে লেখা হয়েছে, সোমবার ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে নতুন করে আরো ২৬৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটি সোমবার প্রথম প্রায় দুই মাসের লকডাউন শিথিলের ঘোষণা কার্যকর করেছে। দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, রাশিয়ায় ভেন্টিলেটরে আগুন লেগে ৫ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। জার্মানিতে নতুন করে করোনা সংক্রমণের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন আক্রান্ত ১০১জন , আবার সব ক্লাব ও বার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে,কোভিড নাইন্টিনের ভ্যাক্সিন আবিষ্কার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।দৈনিক ইত্তেফাকের একটি খবরে লেখা হযেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাব্য আশংকা উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সম্ভবত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সাথে সীমিত যোগাযোগ রাখবেন। এদিকে দৈনিক সমকালের একটি শিরোনামের লেখা হয়েছে, টিকা আবিষ্কার হলেই কি মহামারি শেষ হবে!

করোনায় অর্থনীতির খবরে লেখা হয়েছে, ২য় দফা সংক্রমণের আশঙ্কায় হোঁচট খেয়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজার।

নিউইয়র্কে বসানো হয়েছে 'ট্রাম্প মৃত্যুঘড়ি' দৈনিক প্রথম আলোর এ প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে,

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বসানো হয়েছে এক অন্যরকম বিলবোর্ড।,'ট্রাম্প ডেথ ক্লক' নামের ওই বিলবোর্ডে লেখা হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মৃত মানুষের সংখ্যা। তবে এই সংখ্যাটা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যথাসময়ে ব্যবস্থা না নেওয়ায় করোনাভাইরাসে কতজন মারা গেছেন, সেই সংখ্যা। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকায় সন্তুস্ট নন অনেকে। সম্প্রতি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও এ নিয়ে বেশ ধুয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পকে। অনেকে মনে করেন, ট্রাম্প যদি দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন, করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কম হতো। তেমন একজন ইউজিন জারেকি। সেই ক্ষোভ থেকেই 'মৃত্যুঘড়িটি' তৈরি করেছেন এই চলচ্চিত্র নির্মাতা। মহামারির কারণে ফাঁকা টাইমস স্কয়ারের একটি বাড়ির ছাদে এটি বসানো হয়েছে।

সোমবার পর্যন্ত ওই বিলবোর্ডে মৃতের সংখ্যা ৪৮ হাজার লেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। যা বিশ্বের অন্য সব দেশের চেয়ে বেশি।

এক পোস্টে ঘড়িটির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জারেকি । তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড–১৯ রোগে মৃত্যুর হার ৬০ শতাংশ ঠেকানো সম্ভব হতো, যদি ট্রাম্প প্রশাসন বাধ্যতামূলক সামাজিক দূরত্ব বজায় ও স্কুল বন্ধ রাখার বিষয়টি এক সপ্তাহ এগিয়ে দিত। অর্থাৎ, ১৬ মার্চের বদলে ৯ মার্চ লকডাউন হলে মৃত্যুে হার অনেক কম হতো। এসব মৃত্যু রোধ করা যেত। এ ধারণা থেকেই ঘড়িটি তৈরি।

করোনা সম্পর্কিত বাংলাদেশের খবর:

মৃত্যু এবং আক্রান্তের আপডেট নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে বলা হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৫০ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৬০ জনে। যুগান্তরসহ প্রায় সব দৈনিকে খবরটি পরিবেশিত হয়েছে। করোনা: মাত্র দুই মাসেই ‘এশিয়ার হটস্পটে’ পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের এ শিরোনামের খবরে লেখা হয়েছে, ভারত-পাকিস্তান-ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে মাত্র দুই মাসেই ‘এশিয়ার হটস্পটে’ পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। জনতত্ত্ব-ঘনবসতি ও আক্রান্তের হার হিসাবে সংক্রমণের এ সূচক ভয়ঙ্করভাবেই স্পষ্ট।

বাসে মৃত্যু, করোনা সন্দেহে ছেলের লাশসহ মাকে নামিয়ে দিল যাত্রীরা-দৈনিক সমকালের এ মর্মান্তিক খবরে লেখা হয়েছে, ঢাকা থেকে জয়পুরহাটে আসার পথে বাসেই মারা গেলেন নওগাঁ জেলার ধামুরইরহাট উপজেলার মিজানুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তি। এরপর করোনা সন্দেহে ওই ব্যক্তির লাশসহ তার বৃদ্ধা মাকে যাত্রীদের চাপে বাস থেকে নামিয়ে দেন চালক।

ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছেন রোগীরা-দৈনিক ইত্তেফাক

বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছেন রোগীরা। করোনার কোনো ধরনের উপসর্গ থাক আর না থাক নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া রোগী দেখছেন না হাসপাতালের চিকিত্সকরা। অন্যদিকে পজিটিভ রিপোর্ট ছাড়া করোনার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলো ভর্তি করছে না। ফলে করোনা পরীক্ষা করানোর আগেই হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে মারা যাচ্ছেন রোগীরা। করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে বিশাল জটিলতা, বিশৃঙ্খলা। কোথায় গেলে পরীক্ষা হবে অনেকেই জানেন না, আবার দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর বলা হচ্ছে—আজ হবে না! কেউ পরীক্ষার সুযোগ পেলেও রিপোর্ট পেতে লাগছে পাঁচ-ছয় দিন। ফলে রিপোর্ট আসার আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে বিনা চিকিৎসায়।

করোনায় লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের শ্রম বাজার -দৈনিক কালের কণ্ঠ

সারা পৃথিবীতেই চলছে করোনা তাণ্ডব। এতে লণ্ডভণ্ড এখন বাংলাদেশের শ্রম বাজার। বাংলাদেশের শ্রমিকদের এখন অন্য দেশে যাওয়া দূরে থাক, উল্টো কয়েক লাখ প্রবাসী  বাংলাদেশি দেশে ফেরত আসতে পারেন বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রম বাজারগুলো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বিশ্বে তেলের দাম তলানিতে ঠেকাসহ অর্থনৈতিকভাবে বিপাকে পড়ায় বিদেশি জনবল ছাঁটাই করছে এসব দেশের কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশি  শ্রমিকদের। ইতিমধ্যে এক হাজারের বেশি শ্রমিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারের বেশি শ্রমিককে দেশে ফিরিয়ে আনাদের তালিকায় নাম রয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, দেড় থেকে দুই লাখ শ্রমিক হয়তো পর্যায়ক্রমে দেশে ফেরত আসতে পারেন।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আমরা কোথায় যাচ্ছি?-ড.বদিউল আলম-দৈনিক মানবজমিনের এ খবরে লেখা হয়েছে, গত ১৬ এপ্রিল সরকার সংক্রামক রোগ আইন, ২০১৮-এর ১১(১) ধারার ক্ষমতাবলে সমগ্র বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করেছে। এ ঘোষণার মাধ্যমে সরকার স্বীকার করে নিয়েছে যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ‘কমিউনিটি ট্রেন্সমিশনের স্তরে পৌঁছেছে এবং এটি গ্রামগঞ্জ, পাড়া-মহল্লা সব এলাকায়ই ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও পর্যাপ্ত পরীক্ষার অভাবে তার ব্যাপকতা ধরা পড়ছে না।এটি সুস্পষ্ট যে, আমরা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বা সীমিতকরণ (Containment) করতে পারিনি, তাই আমাদেরকে এখন প্রশমনের (Mitigation) দিকে নজর দিতে হবে।

এদিকে গতকাল আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন,করোনা ভাইরাসের প্রকোপে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাও প্রকাশ পাচ্ছে।

১ কোটির পর এবার আরও ৫০ লাখ পরিবার ত্রাণ পাবে-দৈনিক প্রথম আলোর এ শিরোনামের খবরে লেখা হযেছে, করোনাভাইরাসের কারণে মানবিক দুর্যোগ শুরুর পর গত ২৪ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি পরিবারকে ত্রাণসহায়তা দিয়েছে সরকার। এত দিন ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও এখন ত্রাণের পরিমাণ বাড়িয়ে চলতি মাসে আরও ৫০ লাখ পরিবারকে ২০ কেজি করে (মাসে একবার) চাল দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি এসব পরিবারকে দেওয়া হবে নগদ সহায়তাও। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, আগামী বৃহস্পতিবার এই কার্যক্রম শুরু হবে। 

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু বেড়ে ২,২৯৩

সোমবার দেশে করোনা সংক্রমণ বড়সড় লাফ দিয়েছিল। ওই দিন সকাল পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী) সারা দেশে চার হাজার ২১৩ জন সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন, যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড। সেই তুলনায় কম হলেও, মঙ্গলবার ফের একটা লাফ দিল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন হাজার ৬০৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৭০ হাজার ৭৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে গোটা দেশে মৃতের সংখ্যা এখন দু’হাজার ২৯৩।

পাঞ্জাব থেকে হেঁটে বিহারে ফেরার চেষ্টা, পরিযায়ী শ্রমিককে পিষে মারল গাড়ি-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের এ মর্মান্তিক খবরে লেখা হয়েছে,

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের মর্মান্তিক ঘটনার পর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে ফিরতে বারণ করা হয়েছে। আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, সরকার ব্যবস্থা করছে বলে। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে ঠিক কতটা সাহায্য তাঁরা পাচ্ছেন সেটাই পরিষ্কার হচ্ছে না কারোর কাছে। ফলে থামছে না পরিযায়ী শ্রমিকদের পথচলাও। রোদ, ঝড় ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই বাড়ি ফিরছেন অসংখ্য মানুষ। তাঁদের মতোই পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে বিহারে বাড়ি ফেরার পথে অশোক কুমারের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। মাঝরাস্তাতেই তাঁকে পিষে দিয়ে পালিয়ে গেল একটি গাড়ি। মঙ্গলবার সকালে এ কষ্টদায়ক ঘটনাটি ঘটে। আর দৈনিক আজকাল লিখেছে, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশে গাড়ি দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে চারজন পরিযায়ী শ্রমিকের।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/‌১২