স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন নবায়ন না হওয়ায় জাতিসংঘের উদ্বেগ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i109110-স্বেচ্ছাসেবী_সংস্থা_অধিকার’_এর_নিবন্ধন_নবায়ন_না_হওয়ায়_জাতিসংঘের_উদ্বেগ
বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে কর্মরত বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন নবায়ন না করায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ নিয়ে শুক্রবার জেনেভায় একটি বিবৃতি দিয়েছেন সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ১১, ২০২২ ১৬:৫০ Asia/Dhaka
  •  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন নবায়ন না হওয়ায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে কর্মরত বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন নবায়ন না করায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ নিয়ে শুক্রবার জেনেভায় একটি বিবৃতি দিয়েছেন সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি।

এছাড়া অধিকারের নিবন্ধন বাতিল করায় বাংলাদেশ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ১১টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে অধিকারের নিবন্ধন  নবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

জেনেভায় রাভিনা বলেন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অবশ্যই জাতিসংঘকে সহযোগিতা করায় নিরুৎসাহিত করা যাবে না। বাংলাদেশ সরকার অধিকারের নিবন্ধন নবায়ন না করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই যাতে এই সিদ্ধান্ত এখনই পুনরায় বিবেচনায় আনা হয়। তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সাল থেকেই অধিকার ভয়ভীতি এবং প্রতিহিংসার শিকার। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এর কার্যক্রমের পেছনে নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘকে সহায়তা করায় অধিকার গত এক দশক ধরে যে প্রতিশোধের শিকার হয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগ জানান রাভিনা।

এছাড়া অধিকারের নিবন্ধন নবায়ন না করা নিয়ে আলাদা আলাদা বিবৃতি দিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। পাশাপাশি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে মোট ১১টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

এর আগে গত  রোববার বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনজিও ব্যুরো’ র জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কাজে নিয়োজিত হওয়াসহ বেশ কয়েকটি কারণে ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সেই কারণগুলো হচ্ছে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নতুন আইন অনুযায়ী আরোপিত বর্ধিত ফি ও ভ্যাট না দেওয়া, বৈদেশিক অনুদানে বাস্তবায়িত প্রকল্পের আটটি আর্থিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনের (অডিট রিপোর্ট) ওপর আপত্তির কোনো জবাব বা ব্যাখ্যা না দেওয়া, ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইস্যু তৈরি এবং তিনটি প্রকল্পে আর্থিক লেনদেনে অসঙ্গতি বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের বিষয়ে যথাযথ জবাব না দেওয়া।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের মার্চে অধিকার-এর  নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়। পরে ১০ বছর নিবন্ধনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে সংগঠনটি। তবে সরকার নিবন্ধনের মেয়াদ  নবায়ন  করেনি #

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/বাবুল আখতার/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।