৩০ ডিসেম্বর বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়েছে: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i67443-৩০_ডিসেম্বর_বিএনপির_নয়_আওয়ামী_লীগের_পরাজয়_হয়েছে_মির্জা_ফখরুল
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৈতিক পরাজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ১৮, ২০১৯ ১৫:৩৮ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৈতিক পরাজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন একটি কাজে দিয়েছে, আওয়ামী লীগ চিরদিনের জন্য জনগণের মন থেকে দূরে চলে গেছে। পরাজয় আমাদের হয়নি। পরাজয় হয়েছে আওয়ামী লীগের, নৈতিকভাবে তাদের পরাজয় হয়েছে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ সেই দল, যারা শুধু ক্ষমতায় থাকতে চায়, কখনো ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। সংবিধান এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে তারা ব্যবহার করছে নিজেদের স্বার্থে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে চিরদিনের জন্য দূরে ঠেলে দিয়েছে। পরাজয় মনে করলেই পরাজয়। আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে একত্র হয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আমাদের ভাইদের মুক্ত করতে হবে। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, হতাশার কোনো জায়গা নেই। যারা হতাশ, তারা কখনো জিয়াউর রহমানের অনুসারী হতে পারে না। আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হলে পুনর্গঠন করতে হবে। যারা প্রার্থী ছিলেন নিজ নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের মামলা থেকে পরিত্রাণ করা ও জেল থেকে মুক্ত করতে হবে। যেসব এলাকায় আমাদের প্রার্থী ছিল না সেখানে দলের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করতে হবে। 

স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের এলাকাছাড়া করে দিয়েছে। কীভাবে নির্বাচন করবো। এখন আমাদের দু’টি কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি হলো পুনর্বাসন আর অপরটি পুনর্গঠন। এখন ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার লাখ লাখ নেতাকর্মীকে পুনর্বাসন করতে হবে। আর দলের ত্যাগীদের সামনে এনে দলকে পুনর্গঠন করতে হবে। 

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদের যৌথ পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীরবিক্রম, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও আহমেদ আযম খান।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৮

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন