বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি
-
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘অভিজ্ঞতা’ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ (বৃহস্পতিবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রহসনের মধ্যে দিয়ে হয়েছে। এরই মাঝে প্রমাণ হয়ে গেছে এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তাদের অধীনে নির্বাচনে মানেই প্রহসন। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাই আমরা কোনো উপনির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন ও ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে অংশ নেব না। এটা আমাদের পার্টির সিদ্ধান্ত।”
আজ মাগরিবের নামাজের পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির নেতারা। এরপর দলের আইনজীবী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেয়া বা না নেয়া নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত নিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আবার বৈঠকে বসেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ধরে চলে এ বৈঠক।
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে বৈঠকে অংশ নেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে রাজনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচন হওয়ার কথা। আর মার্চ মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৪
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন