পারস্য উপসাগরে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যাহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান
-
রানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি
পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেছেন: পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক পরিবহনে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন, বাধা বা হস্তক্ষেপের দায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও তার সমর্থকদের ওপর বর্তায়।
পার্সটুডে জানিয়েছে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি, নিরাপত্তা পরিষদের "সামুদ্রিক অঞ্চলের জলপথের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা" বিষয়ক বৈঠকে বলেন: এই অঞ্চলে সামরিক হামলা চালানোর জন্য হরমুজ প্রণালীর ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে, যার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যকলাপের লক্ষ্যে সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরও অন্তর্ভুক্ত। এই সামরিকীকরণ পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলকে উচ্চতর এবং নজিরবিহীন ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
ইরাভানি বলেন: অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তথাকথিত নৌ অবরোধ আরোপ করে, অবৈধভাবে ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করে এবং তাদের নাবিকদের আটক করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। এই বিপজ্জনক এবং ক্রমবর্ধমান কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘন করে, জলদস্যুতার অপরাধ গঠন করে এবং ১৯৭৪ সালের ১৪ই ডিসেম্বরের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নং প্রস্তাব অনুসারে আগ্রাসন হিসাবে সংজ্ঞায়িত।
তিনি বলেন: ইরান এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায় এবং নিরাপত্তা পরিষদকে একটি দৃঢ় অবস্থান নিতে, এই কর্মকাণ্ডের নিন্দা করতে, পূর্ণ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং জাহাজ ও এর নাবিকদের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করার আহ্বান জানায়।
ইরভানি জোর দিয়ে বলেন, পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক পরিবহনে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন, বাধা বা অন্য কোনো হস্তক্ষেপের দায় সরাসরি আগ্রাসনকারীদের, অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার সমর্থকদের উপর বর্তায়, যাদের অবৈধ ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড উত্তেজনা বাড়িয়েছে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌচলাচলের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করেছে। এর বিপরীত যেকোনো দাবি ভিত্তিহীন ও অকার্যকর। #
পার্সটুডে-এমআরএইচ/২৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন