‘সামরিক সম্পর্ক জোরদার করতেই পাক সেনাপ্রধানের ইরান সফর’
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i48324-সামরিক_সম্পর্ক_জোরদার_করতেই_পাক_সেনাপ্রধানের_ইরান_সফর’
“ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্যই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সম্প্রতি তেহরান সফর করেছেন। এ সফরের মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদারের ভিত্তি মজবুত হবে।”
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ১০, ২০১৭ ২১:১৪ Asia/Dhaka
  • সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন আলী সারোয়ার নাকভি
    সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন আলী সারোয়ার নাকভি

“ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্যই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সম্প্রতি তেহরান সফর করেছেন। এ সফরের মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদারের ভিত্তি মজবুত হবে।”

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইসলামাবাদভিত্তিক ‘সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’র নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত আলী সারোয়ার নাকভি।

তিনি আরো বলেছেন, “পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সাম্প্রতিক ইরান সফর এ কথাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দু দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে। আমি মনে করি জেনারেল বাজওয়ার ইরান সফর হচ্ছে একটা কাঙ্ক্ষিত ঘটনা।”

বৈঠকের আগে ইরানি প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানিকে স্যালুট দিচ্ছেন পাক সেনাপ্রধান

তেহরান সফরের সময় পাক সেনাপ্রধান ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে তিনি ঘোষণা করেছেন, ইরান-পাকিস্তান সীমান্ত হবে ‘শান্তির সীমান্ত’। 

বহু বছর পর পাক সেনাপ্রধানের এ সফর দু দেশের সামরিক বাহিনীর জন্য লাভজনক হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেন পাকিস্তানের নিরাপত্তা গবেষক আলী সারোয়ার নাকভি। তিনি বলেন, পাক-ইরান সামরিক পর্যায়ে এ সহযোগিতা কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয় বরং দু দেশের সামরিক শক্তি জোরদার হবে। এছাড়া, আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত ৫ নভেম্বর পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া ইরান সফর করেন। মধ্যপ্রাচ্যে যখন চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে তখন তিনি এ সফর করলেন। তার সফরকে সামরিক বিশ্লেষকরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/১০