ইরানে ইসলামি বিপ্লবের ৩৯তম বিজয় বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i52301-ইরানে_ইসলামি_বিপ্লবের_৩৯তম_বিজয়_বার্ষিকীর_অনুষ্ঠান_শুরু
সারা ইরানে আজ থেকে শুরু হয়েছে ইসলামি বিপ্লবের ৩৯তম বিজয় বার্ষিকীর ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহ.) ১৪ বছরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং এর ১০ দিন পর ১১ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের চূড়ান্ত বিজয় হয়েছিল। এই ১০ দিনকে ইরানে ‘আলোকোজ্জ্বল ১০ প্রভাত’ নামে অভিহিত করা হয়।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৮ ১১:৪৯ Asia/Dhaka

সারা ইরানে আজ থেকে শুরু হয়েছে ইসলামি বিপ্লবের ৩৯তম বিজয় বার্ষিকীর ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহ.) ১৪ বছরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং এর ১০ দিন পর ১১ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের চূড়ান্ত বিজয় হয়েছিল। এই ১০ দিনকে ইরানে ‘আলোকোজ্জ্বল ১০ প্রভাত’ নামে অভিহিত করা হয়।

ইসলামি বিপ্লবের বিজয়ের মাধ্যমে ইরানের মাটি থেকে চিরতরে মুছে গিয়েছিল ২,৫০০ বছরের রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। উৎখাত হয়েছিল আমেরিকার পদলেহী রেজা শাহ সরকার।

ইমামের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ স্থানীয় সময় (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টা ২৭ মিনিট থেকে আলোকোজ্জ্বল ১০ প্রভাতের অনুষ্ঠান শুরু হয়। ১৯৭৯ সালের এ দিনে সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে ইমামের প্রত্যাবর্তনের স্মরণে এ সময়টিতে আজকের অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।

রাজধানী তেহরানের অদূরে ইমাম খোমেনী (রহ.)’র মাজার প্রাঙ্গণে সমবেত হন ইরানের সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ। তারা তাদের প্রাণপ্রিয় এ মরহুম নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তার প্রতি আনুগত্যের শপথ পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে ইরানের প্রতিটি শহরে একই সময়ে আলোকোজ্জ্বল ১০ প্রভাতের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে ইমাম খোমেনী (রহ.) ১৪ বছরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটান। এর বেশিরভাগ সময় কাটে ইরাকের পবিত্র নাজাফ নগরীতে। এরপর তুরস্ক হয়ে তিনি ফ্রান্সে যান এবং ইরানের তৎকালীন স্বৈরাচারী শাহ দেশ থেকে পালিয়ে গেলে তিনি প্যারিস থেকে দেশে ফেরেন।

সেদিন ইরানে রেজা শাহের মনোনীত সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও ইমাম খোমেনী (রহ.)কে স্বাগত জানাতে অন্তত ২০ লাখ লোক তেহরানে সমবেত হয়। তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বেহেশতে জাহরা পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ইমাম দেশে ফিরে বেহেশতে জাহরায় প্রথম জনতার উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন এবং সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী গতকাল ভোরে ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনি (রহ.)'র মাজার জিয়ারত করেন

ইমামের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও আলোকোজ্জ্বল ১০ প্রভাত উপলক্ষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী গতকাল  মরহুম ইমামের মাজার জিয়ারত করেন।

এ ছাড়া, প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এবং তার মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা ইমামের মাজার জিয়ারত করেন।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/১