করোনা মার্কিন প্রশাসনের কুৎসিত চেহারা উন্মোচন করে দিয়েছে: জারিফ
ইরান বলেছে, বিশ্বে যখন মরণাঘাতী মহামারি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তখন মার্কিন প্রশাসনের পাগলামীপূর্ণ রাজনীতি এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন একতরফা নীতির অবসান ঘটানো খুব প্রয়োজন হয়ে দেখা দিয়েছে। তেহরানের ওপর অন্যায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ইরানের প্রচেষ্টার পথে এখন বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ আজ (সোমবার) তার ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে বলেন, এটা নিষেধজ্ঞায় আসক্ত মার্কিন প্রশাসনের কূৎসিত দিক যে তারা করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সময়ও তেহরানের ওপর ব্যর্থ সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি পুনরুজ্জীবিত করতে চায়। জারিফ বলেন, ইরান পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী এবং ওষুধ সহজে কিনতে পারছে না। অথচ বিশ্বে সাত লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং এরই মধ্যে ৩৩ হাজার মানুষ মারা গেছে।
তিনি বলেন, ইউরোপ এবং আমেরিকার মতোই ইরানের স্বাস্থ্য বিভাগ, জনগণ এবং সরকার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং করোনা ইরানি জনগণের দুর্দশা এবং কষ্ট আরো দ্বিগুণ বাড়িয়ে তুলছে।
ইরান বলে আসছে, মার্কিন অন্যায় নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার কারণ তারা প্রয়োজনী ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি পণ্য আমদানি করতে পারছে না। ফলে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জারিফ বলেন, "মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং করোনা ইরানের জন্য এখন বিপদজ্জনক শত্রু এবং তেহরানের জন্য এগুলো ভয়ানক পরিস্থিতি বয়ে এনেছে। নিষেধাজ্ঞা করোনা বিস্তারে সহায়তা করছে এবং সংকট ব্যবস্থাপনা বিভাগকে এরজন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।"
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দাবি সত্ত্বে ওয়াশিংটন সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে যে তারা তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না। ইরান যখন করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে তখন তেহরানের ওপর উল্টো আরো কয়েক দফা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমেরিকা।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।