'রংধনু অনুষ্ঠান শুনে মনটাকে নিয়ে গিয়েছিলাম ছোটবেলায়'
জনাব, আমার শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো ও সুস্থ আছেন। আমি রেডিও তেহরানের একজন পুরাতন শ্রোতা। ২০০১ সালের পর থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নিয়মিত শুনেছি। তারপর অনিয়মিত হয়ে গেছে। তবে বেশ কিছু মাস থেকে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে আবারও নিয়মিত শুনছি।
লাইভে কমেন্ট করে জানান দিলেও মেইল বা চিঠি লিখে কখনো জানান দিইনি নতুন করে। কেননা, সময় স্বল্পতার কারণে হয়ে ওঠে না। তবুও ভাবলাম একেবারে নিরব থাকা উচিত না, তাই লিখলাম। আশা করি সপ্তাহে একটি করে হলেও মেইল করব, যদি শ্রোতা হিসেবে গুরুত্ব পাই।
আমি গত ১০ জুনের “রংধনু” আসর নিয়ে বলব- অনুষ্ঠানটি আমার খুব ভালো লেগেছে। যদিও অনুষ্ঠানটি ছোটদের তবুও মনটাকে ছোটবেলায় নিয়ে গিয়েছিলাম অনুষ্ঠানটি শুনে। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন এমন অনেক লেখাই পড়েছি “ইরান কালচারাল সেন্টার” থেকে প্রকাশিত “কিশোর নিউজ লেটার” পত্রিকায়।
এ অনুষ্ঠানে কবি ফররুখ আহমেদ নিয়ে গল্প, গান এবং সাজানো কথাগুলো শুয়ে শুয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনছিলাম। আর নিয়মিত অন্যান্য অনুষ্ঠানগুলো তো প্রত্যেকদিন শুনে থাকি। তবে সেদিনের অনুষ্ঠানের পর দুই দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ জুন মোটেই অনুষ্ঠান শুনতে পারিনি। আগেই বলে নেয়া ভালো রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান আমি ফেসবুক লাইভে শুনে থাকি। আর সেই লাইভের কথাই বলছি। তবে গত ১৫ জুনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত ক্লিয়ার ছিল। এরকম ক্লিয়ার অনুষ্ঠান আমি এর আগে খুব কমই পেয়েছি। পূর্বে অনুষ্ঠান ক্লিয়ার থাকলেও সাউন্ড কোয়ালিটি অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল, কিন্তু গত ১৫ জুনের অনুষ্ঠান শুধু ক্লিয়ারই ছিল না, সাউন্ড কোয়ালিটি স্বাভাবিক ছিল।
ধন্যবাদ এমন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করার জন্য। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
শামীম উদ্দিন শ্যামল
গ্রাম: কৃষ্ণপুর, ডাক: বড়গাছিহাট
উপজেলা: ভোলাহাট, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।