‘রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান যতই শুনছি ততই আকৃষ্ট হচ্ছি’
https://parstoday.ir/bn/news/letter-i95336-রেডিও_তেহরানের_অনুষ্ঠান_যতই_শুনছি_ততই_আকৃষ্ট_হচ্ছি’
আমার প্রিয় রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠান, সর্ব প্রথমে জানাই হৃদয় ভরা শুভেচ্ছা। পারস্য উপসাগর থেকে বঙ্গোপসাগর, এশিয়া থেকে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া। আকাশ থেকে সমুদ্র, পাহাড় থেকে মরুভুমি, সমতলের খবর তো আছেই।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
আগস্ট ০১, ২০২১ ১২:৫৭ Asia/Dhaka
  • ‘রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান যতই শুনছি ততই আকৃষ্ট হচ্ছি’

আমার প্রিয় রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠান, সর্ব প্রথমে জানাই হৃদয় ভরা শুভেচ্ছা। পারস্য উপসাগর থেকে বঙ্গোপসাগর, এশিয়া থেকে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া। আকাশ থেকে সমুদ্র, পাহাড় থেকে মরুভুমি, সমতলের খবর তো আছেই।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, খেলাধুলা, সিনেমা প্রভৃতি ছাড়াও বিশ্ব তোলপাড় করা অদৃশ্য শত্রু ‘করোনা’ ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর এবং বিনোদনমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সাজানো তোমার প্রতিদিনের পরিবেশনাগুলো আমার কাছে অত্যন্ত উপভোগ্য লাগে। তাইতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি কখন সন্ধ্যা হবে। আর সন্ধ্যা হলেই তোমায় শুনতে বসব।

১২ জুলাই-এর পুরো অনুষ্ঠান মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। দৃষ্টিপাতের পরে আমার সবচেয়ে প্রিয় অনুষ্ঠান ‘'প্রিয়জন’ শুরু হয়। উপস্থাপনায় ছিলেন শ্রদ্ধেয় গাজী আবদুর রশীদ, আশরাফুর রহমান ও শ্রদ্ধেয়া আক্তার জাহান। প্রথমে বরপেটা, আসাম, ভারতের আব্দুস সালাম সিদ্দিক ভাইয়ের চিঠি পড়া হয়। খুব সুন্দর লেগেছে ওনার লেখা। তারপর বাংলাদেশের থেকে নজরুল ইসলাম ও আতিকুল ইসলাম আতিকের ইমেইল পড়া হয়। এরপর ভারতের মুর্শিদাবাদ-এর শ্রোতাবন্ধু নিজামউদ্দিন সেখের টেলিফোন আলাপ নেওয়া হয়। অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ছিল ওনার মূল্যবান কথাগুলো। উনি বললেন- রেডিও তেহরানের সংবাদ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং মুসলিম বিশ্বের খবোখবর গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে, শ্রোতাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়- ইত্যাদি।

সাক্ষাৎকারের পর বাংলাদেশের শ্রোতা বন্ধু শ্রদ্ধেয় শাহাদত হোসেনের ইমেইল পড়া হল। ইমেইলে প্রশ্ন ছিল- ইরানের শিক্ষার হার এবং প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে। উত্তরে বলা হল - ইরানের শিক্ষার হার শিক্ষার  হার ৯৬%, নারী শিক্ষার হার ৯৫% । প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় ৬ বছর বয়স থেকে আর ষষ্ঠ পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা। ইরানের শিক্ষা সম্বন্ধে অজানা তথ্য পেয়ে ভালো লাগল।

পরে চিঠি পড়া হল হাফিজুর রহমান, হরিদাস রায়, এস এম ছবেদ আলীর। শ্রবণমান রিপোর্ট দেন নাজিমুদ্দিন, সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য, বিধানচন্দ্র সান্যাল, আনন্দ মোহন বাইন, জয়ন্ত চক্রবর্তী ও শাহাদাত হোসেন। শেষে ইকবাল এইচ জে’র ‘হাবিবি’ গানটি। সমগ্র অনুষ্ঠানে ছিল অনবদ্য, উপভোগ্য তথ্য ভরপুর বৈচিত্র্যময় আয়োজন। রেডিও তেহরানের আকর্ষণীয় এসব অনুষ্ঠান যতই শুনছি তত বেশি আকৃষ্ট হচ্ছি। তাইআমি বলি-

জীবন যতদিন, রেডিও তেহরান ততদিন

যতদিন বাঁচব, রেডিও তেহরান শুনব।

সবশেষে রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ কর্তৃপক্ষের কাছে আমার বিনীত নিবেদন আমার লেখাগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব দেবেন। নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের হৃদয়ের বন্ধু প্রিয় রেডিও তেহরান তোমায় শত নমস্কার।

 

তোমার গুণ মুগ্ধতায় আকৃষ্ট

মনীষা রায়

মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।