নতুন অধ্যায়ে হামাস-ফাতাহর সংহতি আলোচনা
-
গাজায় ২ অক্টোবরের বৈঠকে হামাস ও ফাতাহ নেতারা
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ফাতাহ আন্দোলনের মধ্যে সংহতি আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় সংহতির আশা নিয়ে মিশরের রাজধানী কায়রোয় গতকাল (মঙ্গলবার) তিন দিনের এ আলোচনা শুরু হয়।
এ সম্পর্কে হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও আলোচনার অন্যতম প্রতিনিধি ইজ্জাত রেশিক টুইটার বার্তায় বলেছেন, "আমরা পূর্ণ আশা নিয়ে কায়রো আলোচনায় বসেছি যাতে জাতীয় সংহতির বিষয়ে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা যায়।" তিনি বলেন, "ঐক্য ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে আমাদের ফিলিস্তিনি জনগণের এগিয়ে যাওয়ার জন্য কৌশলগত উপায়।"
গত সেপ্টেম্বর মাসে হামাস এক বিবৃতিতে বলেছিল, জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার জন্য তারা ফাতাহ আন্দোলনের পক্ষ থেকে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত মেনে নিয়েছে। এরপর হামাস গাজাভিত্তিক সরকার ভেঙে দেয় এবং ফাতাহ প্রতিনিধিদলকে গাজায় আমন্ত্রণ জানায়। গত ২ অক্টোবর ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী রামি হামদাল্লাহর নেতৃত্বে ফাতাহ নেতারা গাজা সফর করেন এবং সেখানে হামাস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এরপর কায়রো বৈঠক শুরু হলো। এ বৈঠকে দু পক্ষ ২০১১ সালের সংহতি চুক্তি বাস্তবায়নের উপায় বের করার চেষ্টা করবে। ২০১১ সালের চুক্তি অনুযায়ী, ফাতাহর ৩,০০০ পুলিশ সদস্য গাজা পুলিশের সঙ্গে যোগ দেবে। তবে, হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের ২৫ হাজার যোদ্ধা তাদের অবস্থানে থাকবে। এরইমধ্যে হামাস বলেছে, তাদের সামরিক শাখা নিয়ে তারা কারো সঙ্গে আলোচনা করবে না। হামাস যোদ্ধারা ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে তিনটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রতিরোধ লড়াই করে গাজাকে রক্ষা করেছে।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/১১