আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় ৮ ব্যক্তি নিহত
https://parstoday.ir/bn/news/world-i12445-আফগানিস্তানে_মার্কিন_ড্রোন_হামলায়_৮_ব্যক্তি_নিহত
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ প্রদেশে মার্কিন ড্রোন হামলায় অন্তত আট ব্যক্তি নিহত হয়েছে। আফগান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গোলাম হযরত কারিমি বলেছেন, রাজধানী কাবুল থেকে ২৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কুন্দুজ প্রদেশের আচিন এলাকায় মার্কিন বাহিনী ড্রোনের মাধ্যমে গতকাল রাতে হামলা চালালে এসব ব্যক্তি নিহত হয়।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ১৯, ২০১৬ ১২:৩৭ Asia/Dhaka
  • আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় ৮ ব্যক্তি নিহত

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ প্রদেশে মার্কিন ড্রোন হামলায় অন্তত আট ব্যক্তি নিহত হয়েছে। আফগান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গোলাম হযরত কারিমি বলেছেন, রাজধানী কাবুল থেকে ২৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কুন্দুজ প্রদেশের আচিন এলাকায় মার্কিন বাহিনী ড্রোনের মাধ্যমে গতকাল রাতে হামলা চালালে এসব ব্যক্তি নিহত হয়।

নিহত ব্যক্তিদের সবাই তালেবান গোষ্ঠীর সদস্য বলে কারিমি জানিয়েছেন। এছাড়া, এদের মধ্যে কারি আলী নামে পরিচিত তালেবানের একজন কমান্ডারও রয়েছেন। তবে তালেবান সন্ত্রাসীরা এসব ড্রোন হামলার কথা এখনো স্বীকার করে নি।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশে হাসকা মিনা এলাকায় মার্কিন বাহিনী তাকফিরি দায়েশের অবস্থানে ড্রোন হামলা চালালে ১৫ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল।

আফগানিস্তানের একই প্রদেশের দিহবালা জেলায় মার্কিন ড্রোন হামলায় ১৭ ব্যক্তি নিহত হওয়ার একদিন পর এসব ব্যক্তি নিহত হয়েছিল। নিহতদের সবাই তাকফিরি দায়েশের সদস্য ছিল বলে স্থানীয় আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন।

ইরাক ও সিরিয়ায় তৎপর তাকফিরি দায়েশ গত কয়েক মাস ধরে আফগানিস্তানে নিজেদের দলে সন্ত্রাসীদের নিয়োগ দিচ্ছে । তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকায় দায়েশ তাদের নৃশংসতা চালানোর চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন হাজার হাজার বিদেশি সেনার উপস্থিতির সত্ত্বেও সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথিত লড়াইয়ের অংশ হিসেবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী ২০০১ সালে আফগানিস্তানে অভিযান চালায়। তবে ১৪ বছর আগের ওই অভিযানে তালেবান সরকারের পতন হলেও আজ পর্যন্ত আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসে নি।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১৯