ইরানি হামলার ভয়: ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করবে আমেরিকা
-
মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর আরো হামলা চালাতে পারে -এমন আশঙ্কায় আমেরিকা ইরাকের মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে গতকাল (মঙ্গলবার) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা ইরাকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আনার প্রক্রিয়ায় রয়েছি। একইসঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হবে। ইরানের সম্ভাব্য আরো হামলা থেকে নিজেদেরকে রক্ষার জন্য আমরা এ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনী ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদী আল মুহান্দিসকে ড্রোন হামলার মাধ্যমে হত্যা করে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইরান মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলার কথা ঘোষণা করে।
এরপর ৮ জানুয়ারি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল-আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। একইদিন ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে আমেরিকার একটি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এসব হামলায় মার্কিন বাহিনী ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রও শনাক্ত কিংবা প্রতিহত করতে পারে নি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ইরানের পক্ষ থেকে আমেরিকার গালে ‘মাত্র একটি চপোটাঘাত’ বলে মন্তব্য করেন।
জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার পর ইরাকের জাতীয় সংসদ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাস করে কিন্তু আমেরিকা অনেকটা শক্তির জোরে দেশটিতে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে।#
পার্সটুডে/এসআইবি/১১