এগরার কাণ্ডে মমতা
মাথা নত করে ক্ষমা চাইছি!
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: আজ ২৭ এপ্রিল শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম :
- শর্তসাপেক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ফিরে পাচ্ছেন ৪ রাষ্ট্রদূত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ
- বিএনপির ‘নির্বাচনবিরোধী বক্তব্য’ যুক্ত করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আ.লীগ নেতার চিঠি ‘-যুগান্তর
- মার্কিন ঘোষণার প্রভাব, না অন্য হিসাব?-মানবজমিন
- আমাদের আবেদন করার কোনো প্রয়োজন নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রথম আলো
- ‘যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অর্থ রেমিট্যান্স হয়ে আসছে কি না, সন্দেহ সিপিডির-ইত্তেফাক
- বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে চাইলে প্রশাসন মোকাবিলা করবে: আব্দুর রাজ্জাক-ডেইলি স্টার
কোলকাতার শিরোনাম:
- মমতাদের ছাড়াই দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠক শুরু মোদীর, বিজেপি বলল, ‘দেখব কত দূর যান’!-আনন্দবাজার পত্রিকা
- রেকর্ড সময়ে নির্মাণ নয়া সংসদ ভবনের, বয়কট নয়, প্রশংসা করুন, বিরোধীদের বললেন গুলাম নবি-সংবাদ প্রতিদিন
- সম্প্রসারিত হলো কর্ণাটক মন্ত্রীসভা-গণশক্তি
এবার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি নিয়ে গত ক'দিন ধরে বাংলাদেশের পত্র পত্রিকাতে নানামুখী খবর পরিবেশিত হচ্ছে। আজকের প্রথম আলোসহ প্রায় সব দৈনিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিশেষ গুরুত্বসহ পরিবেশিত হয়েছে। খবরটিতে লেখা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি নিয়ে সরকারের আবেদন করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘যদি এই আইনের (ভিসা নীতি) কারণে জ্বালাও-পোড়াও বন্ধ হয়, তা হবে আশীর্বাদ। তিনি বলেন, আমরা একটি সুন্দর, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য যা যা করার দরকার, সেই ইনস্টিটিউশন ডেভেলপ করেছি। আমরা একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করব। সেখানে অন্য লোক সাহায্য করেন ভালো, না করলেও উই আর কমিটেড টু ইট।’ মার্কিন নতুন ভিসা নীতির কারণে টাকা পাচার কমবে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, ‘ভিসা (যুক্তরাষ্ট্রের) বড়লোকেরা নেয়। সরকারি কর্মচারী, কিছু বড় ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, রাজনীতিবিদ—তাঁদের ভিসার দরকার হয়, যাঁদের ছেলেমেয়ে বিদেশে পড়ে, বিদেশে বাড়ি বানিয়েছেন, যাঁরা টাকা পাচার করেছেন। এতে হয়তো আশা করি টাকা পাচার কমবে। কারণ ওনারা নিয়ে গিয়ে তো স্থাপনা তৈরি করেন। আর যারা গরিব লোক নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্ট হয়, তারা তো ভিসার জন্য আসেই না।’
ভিসা নীতি নিয়ে সরকার মোটেই বিব্রত নয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভিসা দেওয়া না–দেওয়া ওদের (যুক্তরাষ্ট্রের) ব্যাপার। ভিসা যুক্তরাষ্ট্র নিজের দায়িত্বে জন্য দেয়।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সব সময় ভিসা তাদের নিজের দায়িত্বে দেয়, এটি চলে আসছে। …এতে প্রভাব পড়বে না। তবে আমি খুশি হব, তারা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চান, সেটিই সাহায্য করার জন্য তারা তাদের এই ভিসা নীতি প্রচলন করেছে।’
বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নীতির আওতায় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত বাংলাদেশিদের ভিসা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
এ সম্পর্কে মানবজমিনের কয়েকটি শিরোনাম তুলে ধরছি। মার্কিন প্রশাসন এখন দেখবে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে বাংলাদেশে কী ঘটে-কুগেলম্যান। নির্বাচিত কলাম
সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি, সরকারের নীরবতা, অ্যাকশনে অন্যরাও?
যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অর্থ রেমিট্যান্স হয়ে আসছে কি না, সন্দেহ সিপিডির-ইত্তেফাক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে বরাবরই রেমিট্যান্স বেশি এলেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছে বেশি। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গত অর্থবছরের একই সময়ে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এলেও চলতি বছরের জুলাই-এপ্রিলে তা বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। হঠাৎ করে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়াকে সন্দেহের চোখে দেখছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। অপরদিকে, গত অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সৌদি আরব থেকে ৩ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এলেও চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এসেছে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সৌদি থেকে রেমিট্যান্স কমেছে।
মার্কিন ঘোষণার প্রভাব, না অন্য হিসাব?-মানবজমিন

ভোটের গাজীপুর মডেল। কেউ বলছেন, মিশ্র। কারও মতে জনআকাঙ্ক্ষার জয়। বিক্ষুব্ধ, হতাশ ভোটাররা তাদের জবাব দিয়েছেন। বহুদিন হয় তারা কেন্দ্রে যান না। অবাধ এবং নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। গাজীপুরেও যে পুরোটা পেরেছেন তা নয়। সব ভোটার কেন্দ্রে ফেরেনওনি। বাধা ছিল ভোটের আগেই। ছিল ভয়-ভীতি। তবে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর তুলনায় ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কিছুটা হলেও বেশি। কী কারণে এমনটা ঘটেছে? বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন ভিসানীতির ঘোষণা কি অভয় দিয়েছে ভোটারদের? এতে কী উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তারা? গাজীপুরে আসলে কী ঘটেছে। নানা জিজ্ঞাসা। ছেলের ছায়ায় এক মায়ের বিস্ময়কর জয় নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এ নির্বাচনে বিএনপি এবং সমমনাদলগুলো ছিল না। তবে শুরুতেই সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এবং তার মা মনোনয়নপত্র দাখিল করে চমক তৈরি করেন।
শর্তসাপেক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ফিরে পাচ্ছেন ৪ রাষ্ট্রদূত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতদের জন্য শর্তসাপেক্ষে পুলিশের নেতৃত্বে এসকর্ট সুবিধা বহাল থাকার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ শনিবার (২৭ মে) দুপুরে গণমাধ্যমকে দূতাবাসগুলোর চাহিদা সাপেক্ষে এসকর্ট সুবিধা বহাল থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি
তিনি বলেন, ২০১৩ সালে আগুন সন্ত্রাসের প্রেক্ষিতে কয়েকজন রাষ্ট্রদূতকে বাইরে চলাফেরার সময় পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক এসকর্ট সুবিধা দেওয়া হতো। কিন্তু এখন আগের পরিস্থিতি না থাকায় তাদের এসকর্ট সুবিধা তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রদূতরা চাইলে আবারো এসকর্ট সুবিধা ফিরে পাবেন। গত ১৪ মে এক আকস্মিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে নিযুক্ত সব দেশের রাষ্ট্রদূতদের একই ধরনের নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
জনসমাবেশ করতে পারেনি বিএনপি, একই স্থানে আওয়ামী লীগের সমাবেশ-বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাগেরহাট শহরের পুরাতন বাজারে শনিবার সকালে পূর্ব নির্ধারিত জনসমাবেশ করতে পারেনি জেলা বিএনপি। একই স্থানে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ থাকায় বিএনপিকে সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
তবে পুলিশের দাবি, আগে আবেদন করায় আওয়ামী লীগকে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর পরে আবেদন করায় জনসমাবেশ করতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি বিএনপিকে।
শনিবার সকালে বাগেরহাটসহ দেশের ১৫ জেলা ও মহানগরে ১০ দফা দাবিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হয়রানি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জনসমাবেশ আহ্বান করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।
বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে চাইলে প্রশাসন মোকাবিলা করবে: আব্দুর রাজ্জাক-ডেইলি স্টার বাংলা পত্রিকার এ খবরে লেখা হয়েছে, বিএনপি যদি নির্বাচন বানচাল করতে চায়, প্রশাসন তা মোকাবিলা করবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসডিয়াম সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, 'আন্দোলন করে বিএনপি আগামী নির্বাচনকে ব্যাহত করতে পারবে না। কোনোক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না।'
তিনি বলেন, 'আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হবে। তারপরও যদি বিএনপি ষড়যন্ত্র করে অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় অনতে চায়, নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাহলে দেশের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা মোকাবিলা করবে। আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে।'
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, 'গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ বিচলিত নয়। গাজীপুরের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না।'
এবারে কোলকাতার কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:
রেকর্ড সময়ে নির্মাণ নয়া সংসদ ভবনের, বয়কট নয়, প্রশংসা করুন, বিরোধীদের বললেন গুলাম নবি-সংবাদ প্রতিদিন

ইদানীংকালে মোদি-বন্দনায় গেরুয়া শিবিরের নেতাদেরও পিছনে ফেলছেন তিনি। ইডি-সিবিআই নিয়ে যখন বিজেপি সরকারের বিরোধিতায় সরব বিরোধী দলগুলি, তখন কাশ্মীরের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad) দাবি করেন, মোদিই প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক, প্রতিহিংসাপরায়ণ নন। নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন বয়কট করেছে ১৯টি রাজনৈতিক দল। তা নিয়েও বিরোধীদের সমালোচনায় সরব হলেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বয়কট তো দূর, “রেকর্ড সময়ে নতুন সংসদ ভবনের কাজ শেষ করায় বিজেপি সরকারকে অভিনন্দন জানানো উচিত বিরোধীদের।” তিনি নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যে তিনি বয়কট করছেন না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছেন।
বর্তমানে ডেমোক্র্যাটিক প্রোগ্রেসিভ আজাদ পার্টির প্রধান গুলাম বলেছেন, “আমি দিল্লিতে থাকলে অবশ্যই নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতাম। কিন্তু একই সময়ে আমার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার রয়েছে।” যোগ করেন, “রেকর্ড সময়ে নতুন সংসদ ভবনের কাজ শেষ করায় সরকারের প্রশংসা করা উচিত বিরোধীদের, সেখানে তারা সরকারের সমালোচনা করছে। বিরোধীদের এই বয়কটের কঠোর বিরোধী আমি।” তিনি আরও বলেন, “গত ৩০-৩৫ বছর ধর এই (নতুন সংসদ নির্মাণের) বিষয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম আমি। যখন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলাম তখন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, শিবরাজ পাতিল এবং আমি প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনাও করেছিলাম। একটি মানচিত্রও তৈরি করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা পেরে উঠিনি। এখন তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এটা একটা ভাল কাজ।
মমতাদের ছাড়াই দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠক শুরু মোদীর, বিজেপি বলল, ‘দেখব কত দূর যান’!-আনন্দবাজার পত্রিকা
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথ’ অনুসরণ করে দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে শনিবার গরহাজির আরও ৭ অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘জনবিরোধী’ রাজনীতি করার অভিযোগ তুলল বিজেপি। শনিবার দুপুরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
মাথা নত করে ক্ষমা চাইছি! এগরাকাণ্ডে প্রশাসনিক ব্যর্থতা মানলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা-আনন্দবাজার পত্রিকা

এগরার অবৈধ বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে নিজেই এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘এই ঘটনা থেকে আমাদের চোখ খুলে গিয়েছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে রিপোর্ট আসবে। অবৈধ বাজি কারখানায় কাজ করে জীবন নষ্ট যেন না হয়। শুধুমাত্র গ্রিন ফায়ার ক্র্যাকারের ক্লাস্টার তৈরি হবে ফাঁকা জায়গায়। তাতে চাকরিটা বাঁচবে। এমন দুর্ঘটনাও হবে না।’’ পাশাপাশি, ঘটনার ১১ দিন পর তিনি ঘটনাস্থলে আসার জন্যও দুঃখপ্রকাশ করেন। স্বীকার করেন এই ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যর্থতা ছিল।
শনিবার খাদিকুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি এখানে জনসভা করতে আসিনি। তবে একটু আগেই আসা উচিত ছিল। কিন্তু কয়েক দিন আকাশ মেঘলা ছিল। তাই পরিস্থিতি আমায় অ্যালাউ করেনি। তবে আজ সকালেও যখন বৃষ্টি হচ্ছে আমরা রিস্ক নিয়ে বেরিয়ে আসছি। কারণ, আমাকে আসতেই হবে এক বার। আমি আপনাদের সকলের কাছে মাথা নত করে এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইছি।’’
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘শব্দবাজি কারখানা অবৈধ। লোভে পড়ে অনেকে এই বাজি তৈরি করতে যান। তাতে প্রাণহানি হয়।’’ তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের হাতে আড়াই লক্ষ করে টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। এবং পরিবার পিছু একটি করে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়া হচ্ছে। মমতা নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ওই চেক তুলে দিয়ে বলেন, ‘‘অন্তত সংসার চালান।’’
এর পর প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে মমতা বলেন, ‘‘নিহত এবং আহতদের পরিবারের দুঃখ কখনও শেষ হয় না। তবু লড়াই করতে হবে। এটা আমার হাতে ছিল না, আপনার হাতেও ছিল না। কিন্তু অবৈধ বাজি তৈরি করা ঠিক নয়। যিনি এ সব তৈরি করতেন (ভানু বাগ), তিনিও মারা গিয়েছেন। তাঁর পরিবারের দু’জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’ এর পর ভানু প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘‘কটকে একটি নার্সিংহোমে নাম বদল করে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু আমাদের পুলিশ সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল। তাঁকে পুলিশ গ্রেফতারও করা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যের ব্যাপার তিনি কিছু বলার আগে মৃত্যু হয় তাঁর।’’ এর পর তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনারা নজর রাখুন অবৈধ বাজি যদি কোথাও তৈরি হয়, সঙ্গে সঙ্গে ওসিকে রিপোর্ট করবেন। যদি সেই ওসি অ্যাকশন না নেন, তা হলে আমার উপর ছেড়ে দেবেন। আমি দু’দিনে ওই ওসিকে চেঞ্জ (বদলি) করে দেব।’’
নীতি আয়োগের বৈঠকে মমতার পাশাপাশি যোগ দেননি, অববিন্দ কেজরীওয়াল, ভগবন্ত মান, নীতীশ কুমার, কে চন্দ্রশেখর রাও, এমকে স্ট্যালিন, পিনারাই বিজয়ন, অশোক গহলৌতের মতো বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরা।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৭