ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭ ১২:২৭ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের অনলাইন শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সম্ভাবনাময় সমুদ্র-অর্থনীতি এবং আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ-দৈনিক ইত্তেফাক
  • নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয়-রসিকের পর এবার ঢাকা সিটি মেয়র উপ-নির্বাচন-দৈনিক ইত্তেফাক
  • আন্দোলনের বিকল্প দেখছে না বিএনপি-দৈনিক প্রথম আলো
  • শিক্ষা খাতে ঘুষ-দুর্নীতি ‘ওপেন সিক্রেট’-দৈনিক যুগান্তর
  • বাংলাদেশে গুম একটি ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়-আল জাজিরার প্রতিবেদন-দৈনিক মানবজিমন
  • ভুল করলে সব অর্জন শেষ হয়ে যাবে-দৈনিক মানবজিমন
  • শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • মহানবীকে অবমাননা : বিমানবন্দরে ব্লগার গ্রেফতার -দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • চোরের নৌকার মাঝি প্রধানমন্ত্রী -বি চৌধুরী- দৈনিক ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • রাজস্থানের পর এবার গুজরাটে খুন বাঙালি যুবক- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • দ্বিতীয় বারের জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রুপাণী- দৈনিক আনন্দবাজার
  • ২০১৮–য় ব্রিটেন,ফ্রান্সকে ছাপিয়ে যাবে ভারতের অর্থনীতি- দৈনিক আজকাল

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

ব্খিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

দুর্নীতি মামলায় আদালতে খালেদা জিয়া, আজও তার পক্ষে  যুক্তিতর্ক চলার খবরটি প্রায়সবগুলো জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণ এবং অনলাইন পোর্টালে পরিবেশিত হয়েছে।

আর রাজনীতি বিষয়ক খবরে দৈনিক প্রথম আলোর একটি শিরোনাম-হচ্ছে -আন্দোলনের বিকল্প দেখছে না বিএনপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি

খবরটিতে লেখা হয়েছে, রাজপথে আন্দোলন ছাড়া সামনে কোনো উপায় দেখছে না বিএনপি। দলটির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের একটি অংশ মনে করছে, পরিস্থিতি যাই হোক আগামী জাতীয় নির্বাচনেও অংশ না নিলে দল বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নেবে বিএনপি।

বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানায়, আগামী বছর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বর্ষপূর্তি, খালেদা জিয়ার মামলার রায়, ছয় সিটি করপোরেশন নির্বাচন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি—এ বিষয়গুলো সামনে রেখে বছরজুড়ে মাঠে থাকতে চায় বিএনপি। খালেদা জিয়াও দলের নেতা-কর্মীদের আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। এরই মধ্যে আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলের ৭৭টি সাংগঠনিক জেলায় সফর শুরু করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিএনপির নেতারা মনে করছেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা হতে পারে। এর পরবর্তী পরিস্থিতি কী হয়, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। এ সময় নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের তরফ থেকে দল ও জোট ভাঙার চেষ্টা হতে পারে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্র জানায়, মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হলে তা আইনি ও রাজনৈতিক দুভাবেই মোকাবিলা করা হবে। তবে কী ধরনের কর্মসূচি আসবে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। রায় ঘোষণার তারিখ দেওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আপাতত নির্দেশনা হচ্ছে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হওয়ার দিন নেতা-কর্মীদের মাঠে থাকতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার রায় হলে খালেদা জিয়া বেকসুর খালাস পাবেন। তাঁদের সন্দেহ, সরকার রায় প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে।

রায় বিপক্ষে গেলে বিএনপি কোনো কর্মসূচিতে যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মওদুদ আহমদ বলেন, এত আগেভাগে এটি বলা যাবে না।

নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয়-রসিকের পর এবার ঢাকা সিটি মেয়র উপ-নির্বাচন-ইত্তেফাক

ডিএনসিসি নির্বাচন

রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) নির্বাচনের পর এবার আলোচনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন। আইনি জটিলতার কারণে এই নির্বাচন নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপিসহ অন্যান্য দল এনিয়ে এখনও দ্বিধাদ্বন্দ্বে। তবে প্রার্থী বাছাইসহ নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে দলগুলো। এখন অপেক্ষা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল ঘোষণার, এরপর দলগুলো প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে ভোটের মাঠে নামার প্রক্রিয়া শুরু করবে। ইসি জানুয়ারির মাঝামাঝি তফসিল ঘোষণা ও ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

আইনি জটিলতার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ডিএনসিসি’র মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের বিষয়ে আগ্রহী কি-না, এনিয়েও সন্দেহ-সংশয় বিরাজ করছে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল-জোটে। তাদের ধারণা, একাদশ সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এই উপ-নির্বাচনের ঝুঁকি সরকারি দল নেবে কি-না, সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে।

ভুল করলে সব অর্জন শেষ হয়ে যাবে-দৈনিক মানবজিমন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

আমরা যে যাই বলি না কেন নির্বাচনের জন্য সবাই প্রস্তুত। যার যার অবস্থান থেকে সবাই মাঠে নেমে গেছেন। এমনকি বিএনপিও নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছে। তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এটা নিশ্চিত। এছাড়া জোটবদ্ধ নয় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

এসময় নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার রূপরেখাও তুলে ধরেন তিনি। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি ছোট সরকার পরিচালনা করবেন। তারা রুটিন ওয়ার্ক করবেন। সেই সরকারে কারা কারা থাকবেন তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান সরকারের আমলে সব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে।

সম্ভাবনাময় সমুদ্র-অর্থনীতি এবং আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ-দৈনিক ইত্তেফাক

বাংলাদেশের সমুদ্র সম্পদ

সমুদ্র শুধু অকূল অথৈ জলের ঐশ্বর্যে সমৃদ্ধ নয়, এই জলের তলে রয়েছে তেল-গ্যাসসহ মূল্যবান সম্পদের ভাণ্ডার, প্রাণীজ-অপ্রাণীজ ও নবায়নযোগ্য-অনবায়নযোগ্য অজস্র প্রাকৃতিক সম্পদের সমাহার। রয়েছে এর নানাবিধ অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক তাত্পর্য। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তিপূর্বক প্রাপ্ত বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চল সমৃদ্ধ আগামীর পথে বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনার ক্ষেত্র। তবে আমাদের এই এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন (ইইজেড)-এ কী কী ধরনের সম্পদ রয়েছে আমরা যেহেতু তা জানি না; সেক্ষেত্রে শুরুতেই কোন সম্পদ কী পরিমাণে রয়েছে আমাদের তা জানতে হবে, এরপর তার সঠিক আহরণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে হবে।  

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়-বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ

ঘুষ খাওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রীর অতীত বিষয়ক বক্তব্য ও তুলনাকে বর্তমানের কথা ধরে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, “প্রকাশিত সংবাদগুলোতে ডিআইএ’র অতীত বিষয়ক বক্তব্য বা তুলনাকে বর্তমানের কথা ধরে নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে; যা দুঃখজনক, বিভ্রান্তিকর ও শিক্ষামন্ত্রীর মূল বক্তব্যের বিপরীত এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নীতির পরিপন্থি।” এর আগে রবিবার শিক্ষা ভবনে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও ধরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়, যাতে কর্মকর্তাদের ‘সহনশীল মাত্রায় ঘুষ খাওয়ার’ পরামর্শ রয়েছে।

শিক্ষা খাতে ঘুষ-দুর্নীতি ‘ওপেন সিক্রেট’-দৈনিক যুগান্তর

শিক্ষাখাতে দুর্নীতি ও ঘুষ

শিক্ষা প্রশাসনে অনিয়ম-দুর্নীতি, হয়রানি, ভোগান্তি ও ঘুষবাণিজ্য অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন সংস্থার সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছর ধরেই ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ‘উপুরি’ না দিলে যেমন উন্নয়ন কাজ বা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সঠিকভাবে মেলে না, তেমনি এমপিওভুক্তি, সরকারি স্কুল-কলেজে বদলি-পদায়ন, জাতীয়করণের কাজ, পদোন্নতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে বৈধ ও যৌক্তিক সেবাও পাওয়া যায় না। বরং ঘুষ না দিলে উল্টো সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন হয়রানি-ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ৩৯ দফা সুপারিশে ইঙ্গিত মিলেছে এসব দুর্নীতির। শুধু তাই নয়, রোববার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের এক বক্তব্যেও পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে শিক্ষা খাতের এসব অনিয়মের চিত্র।

ডিজিটাল শিক্ষার শেকড়টা শিশুশ্রেণি থেকেই হোক-দৈনিক ইত্তেপাক

ডিজিটাল শিক্ষা

আমাদের কোনো ধারণাতেই বোধহয় এই ভাবনাটি আসে না যে, আমরা পরমাণু বা হাইড্রোজেন বোমার চাইতে ভয়াবহ একটি বোমা আমরা জাতির বুকের মাঝে বেঁধে রেখেছি। বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান করাটি হলো সেই বোমা। মিডিয়ায় আমরা লক্ষ লক্ষ বেকারের খবর পড়ি। একটি চাকরির জন্য শত শত আবেদন পড়ে, সেটিও দেখি। চাকরির জন্য প্রতিদিন শত শত অনুরোধ, সুপারিশ ইত্যাদিও এখন গা সওয়া। দেশে শিক্ষিত বেকারসমস্যা যে কী ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে, এটির একটি খণ্ডচিত্র এটি। গত কয়েক বছর ধরে বলে আসছি আমরা আসলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধা নেবার মতো অবস্থা তৈরি করতে পারছি না—আসলে আমরা ধাবিত হচ্ছি ভয়াবহ এক ডেমোগ্রাফিক ডিসাসটার-এর দিকে। হতাশাগ্রস্ত লক্ষ্যহীন কোটি কোটি কর্মহীন তরুণ (লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত স্কিলহীন বেকার) আমাদের এই সমাজের সবকিছুকে, স্থিতিশীলতাকে, যা কিছু অগ্রযাত্রাকে লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে যেকোনো সময়। এক ভয়ংকর টাইম বোমা হাতে নিয়ে বসে আছি আমরা সবাই।’ খুব সঙ্গত কারণেই আমরা এটি উপলব্ধি করতে পারি যে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে সর্বোচ্চ প্রত্যয়নপত্র নিয়েও ডিজিটাল যুগের দক্ষতা অর্জন করা যায় না। এমনকি কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীরাও ডিজিটাল যুগের জ্ঞান অর্জন করে না। পৃথিবীতে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সূত্র ধরে শিক্ষাব্যবস্থায় যে পরিবর্তন আসা দরকার ছিল, সেটি না আসার ফলে সার্টিফিকেট হাতে চাকরির আবেদনপত্র নিয়ে ঘোরার মানুষের সংখ্যা শিক্ষার হারের পাশাপাশি বাড়ছে।

 সেজন্য বেকারের বিদ্যমান স্রোত ঠেকাতে এদের দক্ষতা তৈরির পরিকল্পিত ও সমন্বিত আয়োজন করতে হবে। ভবিষ্যতের বেকারের স্রোত ঠেকাতে বদলাতে হবে শিক্ষার অনেককিছু। উচ্চশিক্ষার দিকে জরুরি নজর দিতে হবে এজন্য যে তারা যেন পেশার জন্য তৈরি হবার পথেই থাকে।

যদি শিক্ষার শেষ ধাপেও কোনো দক্ষতা সে না পায় তবে তার হাতাশার সূচনা হবে। তবে নজরটা বেশ ভালোভাবে দিতে হবে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরেও। আমাদের এখনই ঝাঁপিয়ে পড়া উচিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার দিকে। এই বেকার  তৈরির কারখানাটি যদি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে অব্যাহত থাকে তবে আগামী দিনগুলোতে বেকারের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়বে। তখন কী কাজে লাগবে আমার মানবসম্পদ? যে কথাটি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে বলা দরকার সেটি হলো, এখন আমরা যদি এটি ভাবি যে ছেলেমেয়েদেরকে কেবল কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেব বা এদেরকে কম্পিউটার শেখাব তবে হিসাবটাতে বড় ভুল হবে। এখন সময়টা প্রচলিত কম্পিউটার যুগের নয়। এটি এমনকি কেবল ইন্টারনেটের যুগও নয়। এখন যাদেরকে আমরা তৈরি করতে চাই তারা হোক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রযুক্তির বিশেষজ্ঞ। সৃজনশীল মানবগোষ্ঠী যারা উদ্ভাবন ও গবেষণায় মনোযোগী হবে তেমন প্রজন্ম গড়ে তুলেই ভযংকর এই সংকট থেকে আমরা পরিত্রাণ পেতে পারি।

চার নারী ধর্ষণের আলামত নষ্ট, বিচার নিয়ে শঙ্কা-দৈনিক মানবজমিন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় চার নারী ধর্ষণের আলামত নষ্ট

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে নবগঠিত কর্ণফুলী উপজেলার শাহমীরপুরে প্রবাসি পরিবারের চার নারী ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এ ঘটনার বিচার পাওয়া শঙ্কিত প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। 

প্রবাসী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর মামলা নিতে গড়িমসি করায় কালক্ষেপনের কারণে ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে গেছে। যদিও বা পুলিশ ঘটনার সপ্তম দিনে ধর্ষণের সত্যতা যাচাইয়ে চার ধর্ষিতাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। 

এ সময় পুলিশ ধর্ষণের সত্যতা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এখন বলছে ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে গেছে। এর আগে পুলিশ ধর্ষণ মামলা ও ধর্ষকদের গ্রেপ্তারে নানা টালবাহানা এবং এ পর্যন্ত তিন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করলেও তাদের রিমান্ডের বদলে টিআই প্যারেডের নামে কালক্ষেপণ করছে।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:

দ্বিতীয় বারের জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রুপাণী- দৈনিক আনন্দবাজার

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় রুপাণী

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় রুপাণী। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। রুপাণী ছাড়াও এ দিন শপথ নিয়েছেন তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার আরও ১৯জন সদস্য।

মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ গাঁধীনগরে বিজয় রুপাণী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপি শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

২০১৮–য় ব্রিটেন,ফ্রান্সকে ছাপিয়ে যাবে ভারতের অর্থনীতি- দৈনিক আজকাল

ভারতের প্রবৃদ্ধি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে

এগোচ্ছে ভারত। ধীরে ধীরে প্রথম বিশ্বের দেশগুলির সঙ্গে একআসনে বসার উপযুক্ত হয়ে উঠছে। ভারতের অর্থনীতি যে গতিতে এগোচ্ছে তাতে ২০১৮–য় ব্রিটেন এবং ফ্রান্সকে পিছনে ফেলবে দেশ। দ্য সেন্টার ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ কনসাল্টেন্সির ওয়ার্ল্ড ইকনমিক লিগ টেবিল বলছে ২০১৮–য় ভারত বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে আসবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের বৃদ্ধি ৩.‌৫ থেকে বেড়ে ৩.‌৬ হয়ে গিয়েছে এবছরেই। ২০১৮–য় তার পরিমান আরও বাড়বে তাতে কোনও দ্বিধা নেই। গত ১৫ বছরে এশিয়ার অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে ১০টি দেশ। সংস্থার ডেপুটি চেয়ারম্যান ডগলাস ম্যাকউইলিয়ামের দাবি, ভারতীয় অর্থনীতি একাধিকবার ধাক্কা খেলেও যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তাতে ডলারের নিরিখে ২০১৮–য়  পঞ্চম স্থানে থাকবে এই দেশ। ভারতের এই সাফল্যের মূলে নাকি রয়েছে সুসংহত ব্যাঙ্কিং পলিসি এবং উন্নতমানের সেলস ট্যাক্স।  আরও চমকের খবর ২০৩২–এর মধ্যে চীনের অর্থনীতি নাকি আমেরিকাকে ছাপিয়ে এক নম্বরে উঠে আসবে।

রাজস্থানের পর এবার গুজরাটে খুন বাঙালি যুবক-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

রাজস্থানে এবার বাঙালি খুন

ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে ফের মৃত্যু হল এক বাঙালি যুবকের। তাও কিনা খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে! রাজস্থানের পর এবার আরেক বিজেপি শাসিত রাজ্য গুজরাটে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতের নাম মধু সরকার। বাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলার নর্থ পয়েন্ট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে, মদ খাওয়া নিয়ে বচসার জেরে মাথায় ভারী কোনও কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে ওই যুবককে। আর তার ফলেই মৃত্যু হয়েছে বছর বাইশের মধু সরকারের। ঘটনায় জড়িত থাকায় ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৬