মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে অবৈধ দখল
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৭ ডিসেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চার ব্যাংককে একীভূত করার লক্ষ্য-দৈনিক ইত্তেফাক
- মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে অবৈধ দখল-প্রথম আলো
- ঢাকার বাইরে বদলি ঠেকাতে তৎপর চিকিৎসকরা-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- যানজটে ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা-দৈনিক ইনকিলাব
- সহনীয় মাত্রায় ঘুষ’ ইস্যুতে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
- বিএনপি-জামায়াত আমলের দুর্নীতির পরিবেশ বোঝাতে বলেছিলাম মন্ত্রীরা চোর’-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:
- যানজটে ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা
- ডিআই-এর গবেষণা প্রতিবেদন বলছে ঢাকার ৩০-৪০ শতাংশ সড়ক অবৈধ দখলে
- পাকিস্তান নীতি নিয়ে মোদীই দিশাহারা-দৈনিক আনন্দবাজার
- টার্গেট কাশ্মীর, দিল্লি,মুম্বই,কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি আল কায়দার-দৈনিক আজকাল
- কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জিভ কাটলে মিলবে ১ কোটি টাকা, ফতোয়ায় বিতর্ক-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
মাথা উঁচু করে চলতে চাই কারো কাছে হাত পেতে নয়: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই। কারো কাছে হাত পেতে নয়।’ আজ চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিস্থ বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে ৭৫তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে রাষ্ট্রপতি প্যারেড ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
আর দৈনিক যুগান্তরের খবর-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে চতুর্থ দিনের মতো যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর বকশীবাজারে পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের আদালত এ আদেশ দেন।
‘অবৈধভাবে অর্থ পাচারের অভিযোগে বিচারের জন্য প্রস্তুত হন’-হাছান মাহমুদ-দৈনিক ইত্তেফাক
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘বিদেশে জিয়া পরিবারের কোনো অবৈধ সম্পদ নেই- উল্লেখ করে যে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন, তা পাঠিয়ে লাভ হবে না। বরং সৌদি আরবসহ বিদেশে যেখানে অবৈধভাবে অর্থ পাচার করেছেন তার তদন্ত ও বিচারের জন্য প্রস্তুত হোন। আজ রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সহনীয় মাত্রায় ঘুষ’ ইস্যুতে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
সহনীয় মাত্রায় ঘুষ’ খাওয়া ও ‘অফিসাররা চোর, মন্ত্রী চোর’বিষয়ক বক্তব্যের ব্যাখ্যায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কতিপয় মিডিয়া আমার বক্তব্য ‘খণ্ডিতভাবে’ তুলে ধরায় বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে- খণ্ডিত এই বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে নিজের ব্যাখ্যা দেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে পরে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে চাইলে তিনি কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
লিখিত বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ভবনের অনুষ্ঠানের সংবাদ বেশিরভাগ গণমাধ্যমে যথোপযুক্তভাবে তুলে ধরা হলেও কতিপয় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় আমার বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রকাশিত হওয়ায় জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিভ্রান্তির ওপর ভিত্তি করে কতিপয় বিশিষ্টজন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মতামতও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’ আর দৈনিক মানবজমিন খবরটির শিরোনাম করেছে এভাবে, বিএনপি-জামায়াত আমলের দুর্নীতির পরিবেশ বোঝাতে বলেছিলাম মন্ত্রীরা চোর’
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে অবৈধ দখল-দৈনিক প্রথম আলো
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণ করা ‘মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে’ ৮৪টি ফ্ল্যাট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের দেওয়া ৩৩টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ২৬টি ফ্ল্যাটই ১৩ জন দখল করে নিয়েছেন।
অন্যদিকে ৫১টি ফ্ল্যাট এখন পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়নি, কিন্তু তা-ও দখল করে বসবাস শুরু করেছেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনের নামেই সরকারি বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এঁদের মধ্যে অনেকে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা তো ননই, মুক্তিযোদ্ধাও নন। জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা সবাইকে ডেকে শুনানি ও তদন্ত করেছি।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চার ব্যাংককে একীভূত করার লক্ষ্য-দৈনিক ইত্তেফাক
অব্যাহত লোকসানের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের চার ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিচ্ছে অর্থ বিভাগ। ব্যাংকগুলো হলো—বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। একীভূত করার জন্য একটি সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রথমে এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো হবে। তিনি সম্মতি দিলে পরে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। এরপর তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হবে। কেননা ব্যাংক একীভূত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। এঁদের অনেকেই অনুমতি না নিয়ে টাওয়ারে জোর করে উঠে গেছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে এ চার ব্যাংকের পেছনে সরকার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। এর মধ্যে শুধু বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি মেটাতে পাঁচ বছরে সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে বিকেবি আর রাকাবের পেছনে সরকার লোকসান দিয়েছে ৪১৮ কোটি টাকা। বিডিবিএল বর্তমানে লোকসানে নেই।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংক একীভূত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। তাই বাংলাদেশ ব্যাংককে বলা হয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে যেন একীভূতকরণ আইনের একটি কাঠামো দাঁড় করানো হয়। এরপরই সরকারি ব্যাংকের একীভূতকরণের কাজ শুরু করা হতে পারে। ব্যাংকাররা বলছেন, সরকারি ব্যাংকের মালিক সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন ও নীতি অনুসারে একীভূত করায় আইনি কোনো বাধা নেই। তবে একীভূত হলেও এসব ব্যাংকের সমস্যা সমাধান হবে না। ব্যাংকগুলোর সমস্যা নন-পারফরমিং লোন এবং ঋণ দিলে ঋণ আদায় হয় না। এ জন্য সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলো প্রাইভেট সেক্টরে ছেড়ে দিতে পারে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সুপারিশের মধ্যে একটিতে বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংকের ১ হাজার ২১৩টি শাখা পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে না। সেখানে বিডিবিএলের ৪২টি এবং বেসিক ব্যাংকের ৬৮টি শাখার জন্য আলাদা এমডি, ডিএমডির প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা ভেবে দেখা দরকার। তাছাড়া সোনালী ব্যাংকের মতো একটি বড় ব্যাংক থাকা সত্ত্বেও এসব ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব ব্যাংককে অন্য কোনো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করলে একদিকে যেমন এদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে সরকারের খরচও কমবে। শুধু তাই নয়, সরকার যে প্রতি বছর এসব ব্যাংকের পেছনে লোকসান দিচ্ছে তা-ও বন্ধ হবে। তবে ব্যাংকগুলো কোন প্রক্রিয়ায় একীভূত হবে, এসব প্রতিষ্ঠানের জনবল ও মূলধন কীভাবে একীভূত করা হবে সে বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োজন।
ঢাকার বাইরে বদলি ঠেকাতে তৎপর চিকিৎসকরা-দৈনিক নয়া দিগন্ত
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ঢাকায় কর্মরত ১১০জন চিকিৎসককে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বদলি করেছে। বদলীর আদেশে বলা হয়েছে, বুধবারের মধ্যে ডাক্তাররা নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিলে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তারা কোনো বেতন-ভাতা পাবেন না।
কিন্তু অনেক ডাক্তার এখনো নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। বদলি হওয়া কয়েকজন ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের অনেক সহকর্মী বদলির আদেশ ঠেকাতে তৎপর। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চিকিৎসক নেতাদের সাথে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বৈঠকে বসেছেন। বদলীকৃত ১১০জন ডাক্তারের মধ্যে ৫৫জন বর্তমানে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালে কর্মরত।
যানজটে ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা-দৈনিক ইনকিলাব
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা গুলিস্তানের ফুৃটপাতসহ রাস্তা আবার দখলে নিয়েছে হকাররা। এতে করে যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটছে। সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজটের। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গুলিস্তানে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তা দখল করে রাখায় হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নামতে গিয়ে শত শত গাড়ি আটকা পড়েছে। অন্যদিকে, নবাবপুর রোডে রাস্তার উপর বসানো হয়েছে টেম্পুস্ট্যান্ড। এতে করে ওই রাস্তা দিয়েও যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এতে করে গুলিস্তানকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ যানজট। তার প্রভাব গিয়ে পড়ছে পল্টন, কাকরাইল, প্রেস ক্লাব, হাইকোর্ট, শাহবাগ, মতিঝিল, টিকাটুলীসহ আশপাশের এলাকায়। শুধু গুলিস্তান নয়, পুরো রাজধানীর একই চিত্র। শুধুমাত্র রাস্তা দখলের কারনে যানজটের ভোগান্তি বাড়ছে কয়েক গুণ।
বিভিন্ন কারনে ঢাকা শহরে যানজটের মাত্রা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডায়াগনস্টিক স্টাডিতে বলা হয়, বর্তমানে ঢাকায় যানজটে বছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর্থিক হিসাবে এ ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা। যানজটের ক্ষতি পরিমাপে সময় ও জ্বালানি তেলের অপচয়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ও শহরমুখী প্রবণতা বৃদ্ধিকে বিবেচনা করেছে এডিবি। এ হিসেবে যানজটে ব্রিটেনে জিডিপির ক্ষতি ১ দশমিক ৫ শতাংশ। ফ্রান্সে এ ক্ষতি জিডিপির ১ দশমিক ৩ শতাংশ, জার্মানিতে দশমিক ৯ ও আমেরিকায় দশমিক ৬ শতাংশ। আর বাংলাদেশের মধ্যে শুধু ঢাকা শহরে যানজটে ক্ষতি জিডিপির ৩ শতাংশ। যদিও এ ক্ষতিকে বাস্তব অবস্থার চেয়ে অনেক কম বলে মনে করছে এডিবি নিজেই।
এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
পাকিস্তান নীতি নিয়ে মোদীই দিশাহারা-দৈনিক আনন্দবাজার
বর্ষশেষের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুঝতে পারছেন, গত তিন বছরে সরকারের পাকিস্তান নীতি এক চূড়ান্ত অভিমুখহীনতার শিকার। নিয়ন্ত্রণরেখায় পাক সেনার গুলিতে এক ভারতীয় সেনা অফিসার ও তিন জওয়ানের মৃত্যুর পরে কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন, মোদীর পুরনো হুঙ্কার কোথায় গেল? তিনি তো বলেছিলেন, ‘‘নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত লঙ্ঘন করতে দেব না!’’ সম্প্রতি পাক সেনাপ্রধান প্রকাশ্যে বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চান। বিরোধী নেতাদের প্রশ্ন, মোদী আলোচনা করতে দ্বিধাগ্রস্ত কেন? গত তিন বছর ধরে যেন তৈলাক্ত বাঁশে ওঠা-নামা করেছে ভারতের পাক-নীতি। ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সুষ্ঠু রণকৌশল দেখা যায় নি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জিভ কাটলে মিলবে ১ কোটি টাকা, ফতোয়ায় বিতর্ক-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্তকুমার হেগড়ের জিভ কেটে ফেললে মিলবে ১ কোটি টাকা ইনাম। বিতর্ক উসকে মঙ্গলবার এমনটাই ঘোষণা করলেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলের নেতা গুরুশান্ত পাত্তেদার। ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-এ-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’-র নেতার এহেন বয়ানে ইতিমধ্যে তুঙ্গে বিতর্ক।
সোমবার তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষদের’ বংশ পরিচয় নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হেগড়ে। ‘যাঁরা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করেন তাঁরা নিজের মা-বাবার পরিচয় জানেন না।’ -এই বক্তব্য করে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন হেগড়ে। তারপরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কর্ণাটকের ওই নেতা। হেগড়ের জিভ কেটে আনার ফতোয়া জারি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য দলিত ও মুসলমানদের ভাবাবেগে আঘাত হেনেছে। শুধু তাই নয় এহেন মন্তব্য করে সংবিধানের অবমাননাও করেছেন তিনি। তবে পাত্তেদার একা নন, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে হেগড়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অভিনেতা প্রকাশ রাজও।
শেয়ারের কেনাবেচার আড়ালে বিষ পাচার-দৈনিক আজকাল
শেয়ার বাজারের কাজের আড়ালেই কি চলত সাপের বিষের কারবার? এখন এলাকার মানুষের কাছে এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বারুইপুর থানার কাছেই কাছারি বাজারের কল্যাণপুর রোডের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় অজিতেশ চ্যাটার্জিকে। তার বাড়ির নিচের তলার অফিস থেকেই বহুমূল্যের ওই সাপের বিষ পাওয়া গেছে। ৬টা কাচের জারে সেগুলি রাখা ছিল। প্রতিটি জারে দেড় পাউন্ড করে বিষ রাখা ছিল। ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোলের আধিকারিকরা এবং জেলা পুলিসের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপের আধিকারিকরা ওই বিষ উদ্ধার করেছেন। #
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৭