ডিসেম্বর ২৯, ২০১৭ ১১:৪০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৯ ডিসেম্বর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • বিদেশে অর্থ পাচারের কথা স্বীকার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের-দৈনিক যুগান্তর
  • ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রাম্য শালিসে মধ্যযুগীয় নির্যাতন, গ্রেফতার ১-দৈনিক ইত্তেফাক
  • মজহার দম্পতির বিরুদ্ধে পুলিশের পাল্টা মামলা-দৈনিক ইত্তেফাক
  • বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
  • সব অপরাধের গোড়া চাঁদাবাজি-দৈনিক প্রথম আলো
  • ‘নতুন বছরে অর্থনীতি আরো ভাল হবে’-দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • দিবস বৃত্তে আওয়ামী লীগ,-দৈনিক মানবজমিন

ভারতের শিরোনাম:

  • প্রয়োজন ফুরোলেই ছুড়ে ফেলে দেন মমতা: মুকুল -দৈনিক আনন্দবাজার
  • শিক্ষায় রাজ্যের বরাদ্দ কমেছে -দৈনিক আজকাল 
  • বিপাকে ‘মহারাজা’, উদ্বেগ বাড়াল কেন্দ্রের বয়ান-দৈনিক সংবাদ  প্রতিদিন

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক প্রথম আলোতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন,

দেখুন, আমি আগেও বারবার বলেছি, এখনো বলছি, দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না। যা হচ্ছে তা হলো: বিভিন্ন অভিযানের সময় অপরাধীরা পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করছে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালাচ্ছে। পরে এ গুলির বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে তদন্ত করানো হচ্ছে। তদন্তে যদি পুলিশের গাফিলতি পাওয়া যায় তবে তাকেও বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে। 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেখানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না, সেখানে কীভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে? দেখুন, আমরা বারবার বলি, আমরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাসী নই। তাই মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নই আসে না।

সব অপরাধের গোড়া চাঁদাবাজি-দৈনিক প্রথম আলো

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য বগুড়া। উত্তরাঞ্চল থেকে রাজধানীসহ দেশের অন্য অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের কেন্দ্রবিন্দু এই জেলার বড় অপরাধগুলোর গোড়া হচ্ছে এই চাঁদাবাজি। বাস, ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে বগুড়া জেলা শহর ও এর আশপাশে ২৪ ঘণ্টা চাঁদা তুলছেন ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা। এই তিন ধরনের পরিবহন থেকে বছরে চাঁদাবাজির পরিমাণ প্রায় ৮০ কোটি টাকা।

আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশন ও শ্রমিক সমিতির নামে এ চাঁদা তুলছেন। দলীয় নেতারা এসব সমিতিরও নেতা।

কে, কোন অঞ্চল থেকে চাঁদা তুলবেন—নিজেদের মতো ঠিক করে নিয়েছেন তাঁরা। কেউ কারও অঞ্চলে পা মাড়ান না। এক দল এক অঞ্চল বেছে নিয়েছে তো আরেক দল নিয়েছে আরেক অঞ্চল। ফলে পুরো বগুড়ায় চলছে একধরনের সমঝোতাপূর্ণ চাঁদাবাজি। তবে চাঁদা যাঁরা দিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁদের মতে, বগুড়ার চাঁদাবাজিটা হচ্ছে ডাকাতির মতো। চোখের সামনেই সব হচ্ছে। জেলা প্রশাসনও দেখছে, কিছু করছে না।

বিদেশে অর্থ পাচারের কথা স্বীকার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের-দৈনিক যুগান্তর

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে বেসরকারি এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলার রহমানকে টানা সাত ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জিজ্ঞাসাবাদে এবি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাই দুদকের কাছে বিদেশে অফশোর কোম্পানি খুলে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকা পাচারের ঘটনা স্বীকার করেন বলে জানা গেছে।

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, একজন আন্তর্জাতিক দালালের খপ্পরে পড়ে তারা সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সিঙ্গাপুর ও দুবাই ভিত্তিক পিজিএফ ( পিনাকল গ্লোবাল ফান্ড) কোম্পানিতে ২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন।

এবি ব্যাংকের এই অর্থ দেশের বাইরে স্থানান্তরের আগে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমতি নেননি বলেও স্বীকার করেন। এমনকি ওই অর্থ দেশ থেকে স্থানান্তরের আগে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনও নেননি তারা।

দিবস বৃত্তে আওয়ামী লীগ, মামলা দৌঁড়ে বিএনপি: মানবজমিন

অনেকটা স্বস্তিতেই বছর পার করেছে আওয়ামী লীগ। টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতার চতুর্থ বছরে বিরোধী পক্ষের আন্দোলন কর্মসূচি না থাকায় দলীয় ও দিবস কেন্দ্রিক কর্মসূচি পালনের বৃত্তেই বন্দি ছিল দলটির কার্যক্রম। তবে  আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে দলের নেতাদের তৎপরতা ছিল দৃশ্যমান। বিদায়ী বছরটি স্বস্তিতে পার করলেও আসছে বছর আওয়ামী লীগের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন নেতারা। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন এবং দলের পক্ষে বিজয় ধরে রাখার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামনের বছরটি হবে এক অগ্নিপরীক্ষা। এজন্য বছরের শুরু থেকেই নির্বাচন কেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড জোরদার করতে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

এদিকে, মামলার তোড়েই বছর পার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের একই পরিস্থিতি। সপ্তাহের বেশির ভাগ দিন তাদের গন্তব্য আদালত। অসংখ্য মামলায় হাজিরাকে কেন্দ্র করে বছরের  বেশির ভাগ সময় কেটেছে আদালতের বারান্দায়। বিগত বছরগুলোতে দায়েরকৃত মামলাগুলোর বেশির ভাগ চার্জশিট হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বেশকিছু মামলার।

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রাম্য শালিসে মধ্যযুগীয় নির্যাতন, গ্রেফতার ১-দৈনিক ইত্তেফাক

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় যৌতুক না পেয়ে এক গৃহবধূকে গ্রাম্য সালিশে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে ১০১টি দোররা মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ ডিসেম্বর উপজেলার বালিয়াপুকুর গ্রামে এ মধ্যযুগীয় ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি ঘটনাটি প্রকাশ পায়। নিহত মৌসুমী আক্তার (২৩) উপজেলার আমগাঁও ইউনিয়নের খামার এলাকার মৃত হবিবর রহমানের মেয়ে।

এ ব্যাপারে নিহতের বোন ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে হরিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। গত বুধবার সালিশকারীদের অন্যতম কাজি আবুল কালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ।

মজহার দম্পতির বিরুদ্ধে পুলিশের পাল্টা মামলা-দৈনিক ইত্তেফাক

অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে মামলা করার অভিযোগে স্ত্রীসহ লেখক ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকার আদালতের পুলিশ প্রধান আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নিয়মানুযায়ী রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ এর আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করা হবে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে লেখক ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহার স্ত্রীকে দিয়ে অপহরণ এবং চাঁদা দাবির মামলা করেছেন।

‘নতুন বছরে অর্থনীতি আরো ভাল হবে’-দৈনিক নয়া দিগন্ত

বিদায়ী বছর -২০১৭ সালে অর্থনীতির অধিকাংশ সূচকে সামান্য অগ্রগতি হওয়ায় আগামী বছর ২০১৮ সালে দেশের অর্থনীতি আরো ভাল হবে বলে সরকার ধারণা করছে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা দেশের অর্থনীতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। 

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং বিশিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনিস্টিটিউটের (বিআইডিসি) সাবেক মহাপরিচালক ড. মুস্তফা কে মুজেরি আগামী বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অজর্নে তাদের উচ্চাশা প্রকাশ করেছেন। 

এম এ মান্নান বলেন, বিদায়ী বছর ২০১৭ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি খুবই ভাল ছিল। বিদায়ী বছরে অর্থনীতিতে অনেক অর্জন রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ গত জুনে সমাপ্ত বিদায়ী অর্থ বছরে ৭.২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল চমৎকার।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদায়ী বছরে অতিবৃষ্টি এবং আগাম বন্যার কারনে সৃষ্ট প্রাকৃতিক বৈরি আবহাওয়া সত্ত্বেও মূদ্রাস্ফীতি ছিল ৫.০ শতাংশ। তিনি মেঘা ও বড় প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন সম্পর্কে বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্প ও রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ এখন দৃশ্যমান। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ঢাকা- চট্রগ্রাম ডাবল ট্র্যাক রেল লাইন স্থাপন কাজ সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত

প্রয়োজন ফুরোলেই ছুড়ে ফেলে দেন মমতা: মুকুল-দৈনিক আনন্দবাজার

কেন ইস্তফা দিলেন ভারতী ঘোষ, এ নিয়ে এখনও জোর চর্চা চলছে নানা মহলে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। একটা অংশ বলছে, ‘কম গুরুত্বপূর্ণ’ পদে ঠেলে দেওয়ায় অসন্তুষ্ট হয়ে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ভারতী। অন্য একটা অংশের মতে, রাজ্যের এক ‘প্রভাবশালী’ মন্ত্রীই নাকি ভারতীর বদলির পিছনে রয়েছেন। আবার কেউ কেউ দাবি করেছেন, বিজেপি তথা মুকুল রায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় এই ‘শাস্তি’র মুখে পড়তে হয়েছে ভারতীকে।  এ প্রসঙ্গে মুকুল রায় মমতাকে সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দেন। অনেক পুলিশ অফিসারের সঙ্গে তা করা হচ্ছে।”

শিক্ষায় রাজ্যের বরাদ্দ কমেছে-দৈনিক আজকাল

বিজেপি তথা এনডিএ–র শাসনকালে এ রাজ্যের শিক্ষাখাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ যে ক্রমাগত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া নথিতেই তা স্পষ্ট হয়ে গেল। ওই নথিতে যেমন দেখা যাচ্ছে, পরপর তিনটি আর্থিক বছরে শিক্ষাখাতে পশ্চিমবঙ্গের বরাদ্দ কমেছে, তেমনই গুজরাতের বরাদ্দ বেড়েছে একলাফে। আবার লালুপ্রসাদ–নীতীশ কুমার সরকারের আমলে বিহারের বরাদ্দ কম থাকলেও নীতীশ–বিজেপি গাঁটছড়ার পর বিহারে বরাদ্দ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বস্তুত, ওই নথি অনুযায়ী অধিকাংশ বিজেপি শাসিত রাজ্যেই বরাদ্দ বেড়েছে। বরাদ্দ বেড়েছে বিজেপি জোট সরকার শাসিত রাজ্যেও। পক্ষান্তরে, কংগ্রেস–সহ অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে বরাদ্দ কমেছে কিছু বিজেপি শাসিত রাজ্যেও। সেই সংকোচনের পরিমাণ যথেষ্ট কম। যা তুলে ধরে শাসক শিবিরের নেতারা বলার চেষ্টা করছেন, এর মধ্যে কোনও ‘রাজনীতি’ নেই। যদিও বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, বরাদ্দের পরিমাণ খেয়াল করলেই দেখা যাবে কোথায় কীভাবে কেন্দ্রীয় সাহায্যের ‘রাজনীতিকরণ’ হয়েছে। বিজেপি শাসিত যে রাজ্যগুলিতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে, তাদের তুলনায় অবিজেপি রাজ্যগুলিতে বরাদ্দ হ্রাসের পরিমাণ অনেকটাই বেশি।প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বারবারই প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ক্রমশই বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে শিক্ষা হল  অন্যতম উল্লেখযোগ্য। কেন্দ্রীয় সরকারের নথিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সেই বক্তব্যে সিলমোহর পড়ল। একই সঙ্গে মমতার এই অভিযোগও বৈধতা পেল যে, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের এই ‘বিমাতৃসুলভ তথা বৈষম্যমূলক’ আচরণের ফলে সামগ্রিকভাবে কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্কের ভিতটাই নড়বড়ে করে দিচ্ছে।

বিপাকে ‘মহারাজা’, উদ্বেগ বাড়াল কেন্দ্রের বয়ান-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

এয়ার ইন্ডিয়াও কিংফিশারের মতো সর্বস্বান্ত হয়ে যাক, তা মোটেই চায় না সরকার। চায় না, তা বিলুপ্ত হয়ে যাক। বিমানকর্মীরা কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ুক এমনটাও চায় না সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থাটিকে নিয়ে বুধবার লোকসভায় একথাই বললেন বিমানমন্ত্রী অশোক গজপতি রাজু। প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা ঋণের দায় জর্জরিত এয়ার ইন্ডিয়া। সংস্থাটিকে বাঁচাতে ২০১২ সালে তদানীন্তন ইউপিএ সরকার ৩০ হাজার কোটি টাকার অর্থসাহায্য করেছিল। বর্তমানে করদাতাদের দেওয়া টাকায় চলছে সংস্থাটি। একপ্রকার ধুঁকছে বলা চলে। বিমানমন্ত্রী রাজুর দাবি, এই করুণ অবস্থা থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থাটিকে বাঁচাতেই সাধ্যমতো চেষ্টা করে চলেছে সরকার।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯