শীর্ষ খেলাপিদের কাছে আটকা ৪০ শতাংশ ঋণ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৩ জানুয়ারি শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- গত বছর গুমের শিকার ৮৬-দৈনিক প্রথম আলো
- শীর্ষ খেলাপিদের কাছে আটকা ৪০ শতাংশ ঋণ-দৈনিক প্রথম আলো
- ‘সরকার ব্যাংক আইনে পারিবারিক ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে’-দৈনিক মানবজমিন
- ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৫ ভাগ-দৈনিক মানবজমিন
- নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা সংবিধানে নেই: মওদুদ-দৈনিক যুগান্তর
- হ্যাকারের কবলে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট-দৈনিক ইনকিলাব
- প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় : দুদু-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ-ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের প্রতিবেদন-দৈনিক ইত্তেফাক
ভারতের শিরোনাম:
- বিচার বিভাগে ‘বিদ্রোহ, নিশানায় প্রধান বিচারপতি-দৈনিক আনন্দবাজার
- দৈনিকটির এ সম্পর্কিত অন্য একটি খবরের শিরোনাম- বিরল সঙ্কটে গণতন্ত্রের সদাজাগ্রত প্রহরী
- চিদম্বরমদের বাড়িতে ফের ইডি হানা-দৈনিক আজকাল
- চিন শক্তিশালী হলে ভারতও দুর্বল নয়, কড়া বার্তা সেনাপ্রধানের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
প্রায় সব জাতীয় দৈনিকের খবরে লেখা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ২০১৩ সালের মতই মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের মাধ্যমে ভোটের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতসন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন“সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে যুগান্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দৈনিকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণ হতাশ হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এতে সমঝোতার কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। বরং জাতিকে আরেক দফা সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
আর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনবিস্ফোরণের মাধ্যমেই নির্বাচনকালীন তথা সহায়ক সরকারের দাবি আদায় করা হবে। দৈনিক নয়া দিগন্তের খবরে লেখা হয়েছে, বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
গত বছর গুমের শিকার ৮৬-দৈনিক প্রথম আলো
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর গত বছর ৮৬ জনের গুম হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের লাশ পাওয়া গেছে এবং ৪৫ জনকে গুম করার পর পরবর্তী সময়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ১৬ জনকে। এখনো পর্যন্ত বাকি ১৬ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১৭ তে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আজ শুক্রবার এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে অধিকার।
তথ্যানুসন্ধান, দেশের বিভিন্ন জেলার মানবাধিকারকর্মীদের পাঠানো প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে অধিকারের মাসিক মানবাধিকার প্রতিবেদনগুলো। ২০১৭ সালের প্রতি মাসে অধিকারের প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সংক্ষিপ্তরূপ এই বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১৭।
বার্ষিক এই মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুম মানবতাবিরোধী অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও ২০১৭ সালে তা অব্যাহতভাবে ঘটেছে।
শীর্ষ খেলাপিদের কাছে আটকা ৪০ শতাংশ ঋণ-দৈনিক প্রথম আলো
শীর্ষ খেলাপি গ্রাহকদের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খেলাপি ঋণের বড় অংশই আটকে আছে এসব শীর্ষ খেলাপির কাছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশ এল এমন পরিপ্রেক্ষিতে, যখন ব্যাংকগুলো শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে পারছে না। পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়াতেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না।
প্রতিটি ব্যাংকে শীর্ষ ২০ জন করে খেলাপি গ্রাহকের কাছে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাবে আটকা পড়েছে ৩২ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা। এ সময়ে ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশই ব্যাংকগুলোর শীর্ষ ২০ জন করে খেলাপি গ্রাহকের কাছে রয়েছে।
প্রথম আলোর ব্যংক সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকারের শিরোনাম- ইসলামী ব্যাংক কোনো উপাসনালয় নয়-বলেছেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্ত্ত খান। তিনি বলেছেন, ব্যাংকটি এখন আগের চেয়ে আরও বেশি পেশাদারির সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক কোনো উপাসনালয় নয়, তাই এ ব্যাংকে চাকরির দরজা সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। অন্য ধর্মের লোকেরা আমানত রাখা ও বিনিয়োগ নিতে পারলে, তাদের চাকরি দেব না কেন? আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর আমানত কিছুটা কমতে শুরু করেছিল, তা সামলে নিয়ে আরও সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত বেড়েছে। আমরা এক বছরে ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ দিয়েছি। আমানতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ শতাংশ।
অভিযোগ ছিল, ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সন্ত্রাসে অর্থায়ন হয়। এমন অর্থায়ন কি বন্ধ করা গেছে? এমন প্রশ্নের জবাবে আরাস্ত্ত খান বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এরপরই ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে অর্থায়ন বন্ধ করে দিল। সাত বছর তদন্ত করলেও কোনো প্রমাণ মেলেনি।
‘সরকার ব্যাংক আইনে পারিবারিক ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে’-দৈনিক মানবজমিন
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, আগের তুলনায় ব্যাংকিং খাতের অবস্থা এখন আরও বেশি নাজুক হয়েছে। এর সঙ্গে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন আরও ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। এছাড়া অনিয়মের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া বাদে সরকার ব্যাংক আইনে পারিবারিক ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ড. দেবপ্রিয় আরো বলেন, ঋণের ওপর কয়েকটি ব্যাংকে ব্যক্তি প্রাধান্য বিস্তার করছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া ব্যক্তি খাতের নতুন ব্যাংক কার্যকর হতে পারেনি।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ-ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের প্রতিবেদন-দৈনিক ইত্তেফাক
প্রযুক্তির নির্ভর এই বিশ্বে উৎপাদন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি গ্রহণে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে এসে বিশ্বের দেশগুলো কতটা প্রস্তুত রয়েছে তা সূচক আকারে প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ)। এতে প্রস্তুতি গ্রহণের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে প্রতিবেশী দেশগুলো। শুধু প্রতিবেশী দেশগুলোই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী অন্যান্য দেশও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে।
গতকাল ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম প্রকাশিত ‘রেডিনেস ফর দ্যা ফিউচার অব প্রোডাকশন এসেসমেন্ট ২০১৮’ প্রতিবেদনে একশটি দেশের মধ্যে উৎপাদন কাঠামোর সূচকে ৮০তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ভারত রয়েছে ৩০তম অবস্থানে, শ্রীলঙ্কা ৬৬তম, পাকিস্তান ৭৪তম অবস্থানে।
২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৫ ভাগ-দৈনিক মানবজমিন
২০১৬ সালে ৪ হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৫৫ জন নিহত ও ১৫ হাজার ৯১৪ জন আহত হয়েছিল। বিদায়ী ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৯৭ জন নিহত ও ১৬ হাজার ১৯৩ জন আহত হয়েছে। দেখা গেছে ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে মোট দুর্ঘটনা ১৫.৫ শতাংশ, নিহত ২২.২ শতাংশ, আহত ১.৮ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
অবৈধ পথে মালদ্বীপ যাওয়ার হিড়িক, বিপদ ঘাটে ঘাটে-দৈনিক নয়া দিগন্ত
বিশ্বে দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত মালদ্বীপে পাড়ি জমানো বেশির ভাগ শ্রমিক বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। আদমপাচারকারী সিন্ডিকেটের খপ্পরে অবৈধ পথে দেশটিতে যাওয়ায় তাদের যেন বিপদ পিছু ছাড়ছে না। এর ওপর আবার দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম বিভাগের কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার কারণে শ্রমিকদের ঘাটে ঘাটে বিপদ দেখা দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী ও প্রতারিত শ্রমিকদের অভিযোগ- মালদ্বীপে যারা পাড়ি দিয়েছেন তাদের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ কর্মীই পাসপোর্টসহ নানাবিধ সমস্যার মধ্যে আছেন। এসব অসহায় কর্মী বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে হাইকমিশনের দ্বারস্থ হলেও তারা কাক্সিক্ষত সেবার বদলে আরো বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
সংঘাত প্রকাশ্যে-বিচার বিভাগে ‘বিদ্রোহ’, নিশানায় প্রধান বিচারপতি- এ খবরটি দৈনিক আনন্দবাজারের।
স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে বিচারপতি বিদ্রোহ! এক দিকে প্রধান বিচারপতি। তাঁর বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের চার প্রবীণ বিচারপতি। সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানবিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন-নানা অনিয়মের।বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অভিযোগ করেছেন, ‘‘বিচার বিভাগে কেন্দ্রের যথেচ্ছ হস্তক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।’
আনন্দবাজারের অন্য একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম- বিরল সঙ্কটে গণতন্ত্রের সদাজাগ্রত প্রহরী। প্রতিবেদনটিতে লেখা হয়েছে, প্রায় একই রকম একটা ছবি তৈরি হয়েছিল প্রতিবেশী বাংলাদেশে কয়েক মাস আগে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্রকুমার সিন্হার বিরুদ্ধে গুচ্ছ অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতি। আমরা উদ্বেগ এবং আগ্রহ নিয়ে নজর রেখেছিলাম ঘটনাপ্রবাহে। কিন্তু প্রায় একই রকম ঘটনা কয়েক মাসের মধ্যেই ভারতেও যে ঘটবে, তেমনটা কল্পনার সুদূর পরাহত পরিসরেও আসেনি। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের চার বরিষ্ঠ বিচারপতি সাংবাদিক সম্মেলন করে অনাস্থা প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতির প্রতি। এদিকে বার এসোসিয়েশন সুপ্রিম কোর্টে ‘বিদ্রোহ'র বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না।
চিন শক্তিশালী হলে ভারতও দুর্বল নয়, কড়া বার্তা সেনাপ্রধানের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
ভারত দুর্বল দেশ নয়। ভারত ভূখণ্ডে হানাদারি মেনে নেওয়া হবে না। একেবারে নাম করেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র চিনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাসায়নিক, জৈব, তেজস্ক্রিয় ও পরমাণু অস্ত্রের বিপদ সম্পর্কে আশঙ্কা ক্রমশ বাস্তব হচ্ছে। তাঁর মতে, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদীদের থেকেই এই বিপদ আসতে পারে।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল রাওয়াত পাকিস্তানের থেকেও চিন বড় বিপদ বলে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমপ্রান্ত থেকে সরিয়ে এবার উত্তরের দিকে নজর দেওয়ার সময় এসেছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৩