জানুয়ারি ১৮, ২০১৮ ১৫:০৪ Asia/Dhaka

আপনাদের সবাইকে একরাশ প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের চিঠিপত্রের আসর। আজকের আসরের শুরুতেই যথারীতি একটি হাদিস শোনাব।

ইমাম রেজা (আ.) বলেছেন,আল্লাহ তায়ালার প্রতি আশাবাদী থাকবে;কারণ,যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি আশাবাদী থাকে আল্লাহ তায়ালা তাকে হতাশ করেন না। যে ব্যক্তি অল্প ‘হালাল’ রুজিতে সন্তুষ্ট আল্লাহ তায়ালা তার অল্প পরিমাণ সৎকর্মে সন্তুষ্ট হবেন এবং তাকে নিরাপদে জান্নাতে পৌঁছে দেবেন।

হাদিসের পর আসরের প্রথমেই যে ইমেইল হাতে নিয়েছি তা এসেছে ভারত থেকে। পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার পিয়ারডোবার রাজপুর থেকে এটি পাঠিয়েছেন শ্রোতা ভাই সফিউদ্দিন খান। চিঠির শুরুতেই তিনি নিজেকে বহু পুরনো শ্রোতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অপকটে স্বীকার করেছেন, প্রায় বছর চারেক রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শোনা হয় নি। তবে একইসঙ্গে এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে রেডিও তেহরান শুনতে শুরু করার সুসংবাদও দিয়েছেন তিনি।

বহলুল: পুরাণ শ্রোতা ভাইকে নতুন করে প্রিয়জনের আসরে স্বাগতম জানাতে বড়ই আনন্দ হচ্ছে। হারানো বন্ধুকে ফিরে পেলেই কেবল এমন আনন্দ হয়।

ঠিক বলেছেন বহলুল ভাই, আমাদের সবারই আনন্দ হচ্ছে ভাই শফিউদ্দিন খানকে ফিরে পেয়ে। যাই হোক, এরপর তিনি আমেরিকার অবৈধ সন্তান ইহুদীবাদী ইসরাইলের হাতে মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসকে স্থায়ীভাবে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য মুসলিম বিশ্বের অভিভাবক ইরানকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ভাই সফিউদ্দিন খান, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। নতুন করে যে যোগাযোগ আপনি শুরু করেছেন তা অব্যাহত রাখবেন এবং অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানাবেন বলে আশা করছি। এদিকে বাংলাদেশের ঢাকা থেকে ভাই ওমর ফারুক একটি ইমেইল পাঠিয়েছেন। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগের সবার প্রতি সালাম জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ডিসেম্বর মাসের ২১ তারিখের রংধনু শুনলাম খুব ভালো লাগলো, অনুষ্ঠানটি আমার খুব প্রিয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানটি রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইটে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

ধন্যবাদ ভাই ওমর ফারুক। আপনার অনুরোধ এরই মধ্যে রক্ষা করা হয়েছে অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর প্রচারিত রংধনুর আসরটি আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এ ছাড়া,আপনি শুনলে খুশি হবেন যে, আমরা নিয়মিত রংধনুর আসরটি আমাদের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেই। আপনি যদি কখনো নির্ধারিত দিনে এই আসর শুনতে ব্যর্থ হন তাহলে ওয়েবসাইট থেকে তা শুনে নিতে পারবেন।   

বহলুল: আজো আমাদের হতে একটি প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

বায়তুল মুকাদ্দাস নিয়ে রেডিও তেহরানের শ্রোতাবন্ধুর প্রতিক্রিয়া তাই না?

একশ ভাগ ঠিক। বাংলাদেশের ভোলা জেলার লালমোহন থেকে এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মো মাঈনুদ্দিন। তিনি বলেন, ....

চমৎকার তেজোদৃপ্ত বক্তব্য দিয়েছেন ভাই মাঈনুদ্দিন,আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। মুসলিম বিশ্বের নেতাদের যদি আপনার মতো অনুভূতি থাকত তাহলে বহু আগে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করা সম্ভব হতো।

এবারে কি চিঠি হাতে নেবো নাকি ওয়েব পেইজ এবং ফেসবুক গ্রুপের দিকে নজর দেবো?

ফেসবুকের ফ্যান পেইজসহ রেডিও তেহরানের গ্রুপে পাঠক ভাই-বোনদের মন্তব্য সাজিয়ে বসে আছি আমি। তাই আজ আর চিঠিতে হাত দেয়া যাবে না। আমি সরাসরি মন্তব্যে চলে যাচ্ছি। জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক প্রস্তাবে ইরান ‘হ্যাঁ’ভোট দিয়েছে শীর্ষক খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর। এ খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ক জাতিসংঘের প্রস্তাবে ইরান ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি।

রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইটের খবরে ভাই জাফর পাঠান লিখেছেন, প্রস্তাবের বিপক্ষে কারা ভোট দিলো এই প্রতিবেদন থেকে জানা হলো না। জানতে চাই কোন কুলাঙ্গার দেশগুলি বর্বর,অসভ্য,গণহত্যাকারী মিয়ানমারের পক্ষে ভোট দিলো। আর পাঠক ভাই ‘বকর০৩০৪’ ছদ্মনামের পাঠক ভাই এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ফেসবুকের গ্রুপে দেয়া বক্তব্যে তিনি লিখেছেন, আমি আপনার সাথে একমত।

লেবানন ও ইসরাইল সীমান্তে ঘেরাও হয়েছে সন্ত্রাসীরা: আত্মসমর্পণের আল্টিমেটাম শীর্ষক খবরে বলা হয়েছে, লেবানন ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের সীমান্তে বহু সন্ত্রাসীকে ঘেরাও করে ফেলেছে সিরিয়ার সরকারি সেনারা। এসব সন্ত্রাসীকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীদেরকে সিরিয়ার সেনারা বলেছে, "হয় আত্মসমর্পণ করো,না হয় সামরিক পরাজয়ের পথ বেছে নাও।" ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত এ খবরে ফেসবুক গ্রুপের একটি মন্তব্য তুলে ধরছি। এতে বলা হয়েছে, ইহুদিবাদীদের দালালদের ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়া হোক। আর এ মন্তব্য করেছেন সাইফুল ইসলাম শিকদার।

এদিকে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্রে বহু সৌদি ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিহত- শীর্ষক খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ২৬ ডিসেম্বর। এতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের অনুগত সেনাদের ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সৌদি আরবের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের বড় রকমের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইয়েমেনের সানা প্রদেশের নিহম এলাকায় প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদির অনুগত ও সৌদি আরবের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের একটি অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে।

ফেসবুক গ্রুপে এ খবরে প্রতিনিধিত্বশীল মন্তব্য করেছেন সেলিম খান। তিনি লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

বহলুল: ধন্যবাদ ভাই। তবে আজ আর নতুন কোনো মন্তব্যের দিকে নজর দেয়া যাবে না।

হ্যাঁ বন্ধুরা আসরের সময় শেষ হয়ে এসেছে। সবাইকে আবারো আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আজ এখানেই বিদায় চাইছি প্রিয়জনের আসর থেকে। #