জানুয়ারি ২১, ২০১৮ ১২:৫০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২১ জানুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম: 

  • নির্বাচন প্রসঙ্গে সংলাপের কোনো সুযোগ নেই : সেতুমন্ত্রী-দৈনিক কালের কণ্ঠ
  • আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে চলছে ইয়াবা ব্যবসা-দৈনিক ইত্তেফাক
  • এত বিষ জমেছে সমাজের চাকে?-দৈনিক প্রথম আলো
  • নারায়ণগঞ্জে ফুটপাথে হকার-নেপথ্যে কোটি টাকার চাঁদাবাজি-দৈনিক মানবজমিন
  • সাতক্ষীরা ১ আসনের সংসদ সদস্যের ছেলে অনিকের লাশ উদ্ধার ন্যাম ভবন থেকে-দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • রাজধানী থেকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে অপহরণ -দৈনিক যুগান্তর
  • যথাসময়ে নির্বাচন -তথ্যমন্ত্রী -দৈনিক ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • ঠিক দিশাতেই চলছে সরকার, দাবি মোদীর-আনন্দবাজার
  • আইরিশ মহিলাকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তের ৭ বছরের জেল-দৈনিক আজকাল
  • চোর অপবাদ ঘোচাতে নিজের মেয়েকে খুন করল মা!-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

রাজনীতির নানামুখী খবর ছাপা হয়েছে আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর অনলাইন সংস্করণ ও অনলাইন পোর্টালগুলোতে। দৈনিক কালের কণ্ঠের একটি খবরে লেখা হয়েছে, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন প্রসঙ্গে সংলাপের কোনো সুযোগ নেই। দৈনিক ইত্তেফাকের খবর- বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, এবার খালি মাঠে গোল করতে দেব না। 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া 

এদিকে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ জন্য গত কয়েক মাস ধরে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন তিনি। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ভারতের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। খবরটি দৈনিক যুগান্তরে ছাপা হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচার শুর করবেন বলে খবর দিয়েছে দৈনিক প্রথম আলো।

এত বিষ জমেছে সমাজের চাকে?-দৈনিক প্রথম আলো

নাজমুল হক

রাজধানীর গোপিবাগে উচ্চস্বরে গানে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামির রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। এছাড়া একজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্যজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ওয়ারী থানার গোপিবাগে ৪৪ নম্বর আর কে মিশন রোডের একটি বাড়ির ছাদে গায়ে হলুদের একটি অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। এতে হৃদরোগে আক্রান্ত ও বাইপাস সার্জারি হওয়া নাজমুল হকের অসুবিধা হয়। এক পর্যায়ে তিনি এতে বাধা দেন। এ সময় তাকে মারধর করেন বরপক্ষের লোকজন। নিহত নাজমুল হকের ছেলে নাসিমুল বলেন, পরদিন শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলতাফ হোসেন, তার স্ত্রী, ভাতিজা হৃদয় এবং আরও সাত-আটজন নিচে জড়ো হন। তারা তখন কেয়ারটেকারকে দিয়ে নাসিমুলকে নিচে ডেকে আনেন। তার সঙ্গে তার বাবা, বোন ও স্ত্রীও নিচে নামেন। এক পর্যায়ে বরপক্ষের লোকেরা তাদেরকে মারধর শুরু করেন। নাসিমুল জানান, মারধরের এক পর্যায়ে তার বাবা নাজমুল হক মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।এই ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন, মির্জা জাহিদ হাসান, আলতাফ হোসেন রায়হানা হাসনিমসহ সাতজনের নামে ওয়ারী থানায় একটি মামলা করেন নাসিমুল হক। শুক্রবার দুপুরেই সাজ্জাদ হোসেন, মির্জা জাহিদ হাসান, আলতাফ হোসেন রায়হানা হাসনিমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে প্রথম আলোর মন্তব্য প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আলতাফ হোসেন একা নন। যার যা কিছু আছে তা ফাটিয়ে প্রকাশ করা, যার যতটুকু ক্ষমতা তা অন্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার মধ্যেই সামাজিক ইজ্জত বাংলাদেশে। একে তো জঙ্গলের নিয়মও বলা যায় না। জঙ্গলেও সব প্রাণী যার যার এলাকা ও আওতা মেনে চলে, খাবারের দরকার ছাড়া কেউ কারুর গায়ে আঁচড় পর্যন্ত দেয় না। কিন্তু সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষমতা নিম্নগামী। আপনি জাদু জানেন বললেই আপনাকে কেউ জাদুকর বলবে না, জাদুটা প্রয়োগ করে দেখাতে হবে। তেমনি ক্ষমতা থাকলে তা জাহির করা লাগবে, প্রয়োগ করতে হবে। তবেই না বেশি বেশি সালাম পাবেন।

তাই যাঁর গাড়ি আছে তিনি কানের তালা ফাটিয়ে দিয়ে হর্ন বাজাবেন, যার নিজের বাড়ি এবং নিজের তালেবর ভাতিজা বা পুত্র-কন্যা আছে, তিনি বাড়ির ছাদে সারারাত কনসার্ট বসাবেন। টাকা ও ক্ষমতা প্রদর্শনের এটা এখন ঢাকাই রেওয়াজ। আস্তে আস্তে গ্রাম-শহরেও তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর জমিদার তো সব মহল্লাতেই আছেন। এই শব্দ সন্ত্রাসও একধরনের বলপ্রয়োগ। শুনতে না চাইলে ভাল কথাও কানের তালা ফাটিয়ে শোনানো উচিত না। তা করাও একধরনের বলপ্রয়োগ। কেননা এতেও দেহ-মন কষ্ট পায়। শিশু, শিক্ষার্থী, অসুস্থ মানুষের জন্য এটা নির্মম অত্যাচারের সমান। প্রতিটি মানুষই সমান, প্রতিটি মানুষের অধিকারই পবিত্র। একে রক্ষা করা ও বাড়িয়ে তোলাই রাষ্ট্রের কাজ হওয়া উচিত।

আইন থাকলেও তা মানুষের কাজে আসে না, কাজে আসে অমানুষের। রাষ্ট্র থাকলেও তা জনস্বার্থে উদাস, মুষ্ঠিমেয়র স্বার্থে প্রচণ্ড সজাগ। এই সমাজ ও রাষ্ট্রের একক আর ব্যক্তি নয়, বলপ্রয়োগের ক্ষমতাধারীরাই এর একক। রাজনীতিতে এই বলপ্রয়োগের ক্ষমতার পরিপূর্ণ বিজয় দেখা যায়। রাষ্ট্রের আচরণে দলীয় দাপটেরই অনুকরণ। এর মধ্যে পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তার ভয়ে চুপ করে থাকার এক কঠিন অভ্যাস রপ্ত করে নিয়েছি আমরা। প্রতিবাদ করলেই নাজমুল হকের মতো অবস্থা হতে পারে।

সন্ত্রাসীকে বাধা দিলে জীবনের ঝুঁকি। প্রতিবেশীর স্বেচ্ছাচারিতায় আপত্তি করাও জীবনের ঝুঁকি। এ অবস্থায় মানুষ পোকা হয়ে যায়। চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে রাস্তায় ধাওয়া করে কিশোরকে খুন হতে দেখলেও মানুষ উদাস হয়ে থাকে, অন্যায়ের সাক্ষি হলেও মনে হয় দেখে ফেলে ভুল করিনি তো? যখন-তখন সড়ক-মহাসড়কে চলাচল বন্ধ করলেও হাজারো মানুষ অসহায় দাঁড়িয়ে থাকবে; প্রতিবাদ করে না। রাতভর বিকট শব্দের মধ্যে ঘুমানোর অভ্যাস করে যাই আমরা। অপরের ঘুম হারাম করনেওয়ালাদের প্রতিবাদ করা বিপজ্জনক। প্রতিটি মানুষকে, ক্ষমতার সিঁড়ির ওপরের মানুষের ইচ্ছার কাছে নত হয়ে চলতে হয়। তার জন্য সহ্যশক্তি বাড়ানো লাগে। একসময় মান-অপমান বোধ অবশ হয়ে যায়। নাগরিকের বদলে তখন আমরা হয়ে উঠি অনুগত প্রজাসমষ্টি। একদিকে অন্যায়ের শিকার, অন্যদিকে অন্যায়কারী আর মাটির ঢেলার মতো নির্জীব দর্শকের এই দেশে ‘মাইরের ওপর জবাব নাই’!

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে চলছে ইয়াবা ব্যবসা-দৈনিক ইত্তেফাক

মরণ নেশা ইয়াবা

উচ্চাভিলাসি পরিবারের একমাত্র সন্তান রায়হান(ছদ্মনাম)। কোনদিন অভাব দেখেনি। হাত বাড়ালেই মিলেছে টাকা।হাইসোসাইটির ছেলে ইংরেজি মাধ্যমে ও লেভেল শেষ করে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমায়। পড়াশুনার ডিগ্রি শেষ করে পাইলট হওয়ার স্বপ্নও তার পূরণ হয়।তবে স্বপ্নে বাধ সাজলো নেশাদ্রব্য ইয়াবা। ইয়াবার পাল্লায় পড়ে তার সব স্বপ্ন ভেস্তে গেল। এখন সে পুরোদমে ইয়াবা আসক্ত। আট বছর ধরে ইয়াবা সেবন করছেন। এখন তার বয়স ৩৫। চিকিত্সায় বহু টাকা খরচ করেছে তার পরিবার। তবে কোন পরিবর্তন নেই। মাদক নিরাময় কেন্দ্রে আলাপকালে এভাবেই   নিজের জীবনের চিত্র তুলে ধরেন যুবক।

দেশে ফেরার পর পুরনো বন্ধুদের সাথে মিশতে থাকে। তাদের কয়েকজন ইয়াবা আসক্ত। তাদের পাল্লায় পড়ে ধীরে ধীরে ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়ে।

ইয়াবা আসক্ত ওই যুবক জানালেন ইয়াবা রাজ্যের অন্ধকার জগতের গল্প। জানালেন, তার বন্ধুবান্ধব একদিকে যেমন ইয়াবা সেবন করতো, অন্যদিকে এর ব্যবসার সাথেও জড়িত ছিলো। তার ভাষ্যে, ইয়াবার রাজ্য মানে টাকার রাজ্য। এখানে কোটি কোটি টাকার খেলা। আইন-শৃঙ্খলার বাহিনীর এক শ্রেণীর কর্মকর্তারাও তাদের সাথে ইয়াবা সেবন করতেন। টাকার ভাগ নিতেনই। পাশাপাশি একশ্রেণীর  রাজনৈতিক নেতারাও পেতেন ভাগ।

তার বক্তব্য একটাই, আমি ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি চাই না আর কেউ ধ্বংস হোক। এই জগতে পা না দিলে, এখন আমি পাইলট থাকতাম। হওয়া চাকরিতে যোগ দেই নি। অন্যদিকে হারিয়েছি যৌন শক্তি। এভাবে বেঁচে থেকে কি লাভ বলুন।

হাতের কাছে ইয়াবা পায় বিধায় মানুষ খায়। যেটার প্রতি নেশা সেটা আমি চোখের সামনে দেখছি। তখন নেশায় পড়ে সেবন করি। ইয়াবা সাপলাই বন্ধ না করলে সেবন ও ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী চাইলেই সম্ভব এমনটাই দাবি যুবকের। তার মতে, টাকা ভাগাভাগি বন্ধ করে ইয়াবার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ নিতে হবে প্রশাসনের লোকজনকে।

নারায়ণগঞ্জে ফুটপাথে হকার-নেপথ্যে কোটি টাকার চাঁদাবাজি-দৈনিক মানবজমিন

নারায়ণগঞ্জের ঘটনা

নারায়ণগঞ্জে হকার ইস্যুর নেপথ্যে রয়েছে কোটি টাকার চাঁদাবাজি। আর এই চাঁদার টাকার ভাগ যায় হকার নেতা, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালী ও কথিত সাংবাদিকদের পকেটে। ফলে কখনই স্থায়ীভাবে ফুটপাথ হকারমুক্ত হয়নি। বছরের পর বছর ধরে উচ্ছেদের নামে চলে ইঁদুর-বিড়াল খেলা। সিটি করপোরেশন সকালে উচ্ছেদ করলে বিকালে যেই সেই। আবার যে যার মতো বসে পড়ে।

চাঁদা ভোগকারীদের সহযোগিতা থাকায় হকাররা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই ফুটপাথ দখল করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। যদিও জরুরি অবস্থার সময় নাসিক ফুটপাথ হকারমুক্ত রাখতে চাষাঢ়ায় হকার্স মার্কেট করে দিয়ে পৌনে ৭শ’ হকারকে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। কিন্তু আবার ফুটপাথ হকারে ভরে যায়। দিন দিন এই সংখ্যা বাড়তে থাকে। খোদ নাসিক মেয়র অভিযোগ করেন, হকার্স মার্কেটের দোকান বিক্রি করে বা অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে নিজেই আবার ফুটপাথ দখল করে বসেছে। প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে তিনি স্থায়ীভাবে ফুটপাথ হকারমুক্ত রাখতে পারেননি বলেও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ করে শহর থেকে স্থায়ীভাবে হকার উচ্ছেদ হলো কেন? সবাইকে নিয়মিত চাঁদা দিয়েই তো আমরা ব্যবসা করে আসছি। সিটি করপোরেশন উঠিয়ে দিলে আমরা আবার বসে পড়ি। এভাবেই তো চলে আসছে। এবার এমন হলো কেন? এ প্রশ্ন সাধারণ হকারদের। 

এদিকে হকার উচ্ছেদের পর মাঠে নামেন হকার নেতারা। সঙ্গে কিছু রাজনৈতিক নেতা আর কথিত সাংবাদিক। ফলে হকার আন্দোলন মারমুখী হয়ে উঠে। কিন্তু উচ্ছেদের পর হকাররা ১৮/১৯ দিন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। নানা আলোচনা-প্রস্তাবনার মধ্যে সাধারণ হকাররা আশার আলো দেখছিলেন। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর হকারদের একটি অংশ বলছে এতে তাদের কপাল পুড়েছে। যাও একটু বসার সুযোগ হতো এখন সে সুযোগও হারাতে হয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হকার ইস্যুর মূল কারণ মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজি। সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বিও শনিবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধনে বলেছেন, আজকে হকারের যে ইস্যু, তার নেপথ্যে একমাত্র অর্থ জড়িত। হকার নেতৃবৃন্দ যারা তাদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিমাসে সোয়া কোটি টাকা এই হকারদের কাছ থেকে উঠে। তারা সোয়া কোটি টাকা প্রতিমাসে চাঁদা তুলে। এই টাকা কোথায় যায়? কাকে দেয়? শামীম ওসমান এই নারায়ণগঞ্জে হকারদের পাশে এমনি এমনি দাঁড়াবেন?

এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত

ঠিক দিশাতেই চলছে সরকার, দাবি মোদীর-দৈনিক আনন্দবাজার

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (ফাইল ফটো)

কর্মসংস্থান থেকে আর্থিক বৃদ্ধি— তাঁর সরকারের কাজ নিয়ে বিরোধীদের যাবতীয় প্রশ্ন উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, যুবকদের চাকরি পাওয়া থেকে দেশের অর্থনীতি— সঠিক দিশাতেই এগোচ্ছে তাঁর সরকার। কৃষি ক্ষেত্রে বিমার লাভ পাচ্ছেন কৃষকেরা। বাড়ছে আয়। জিএসটি বা নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্তে সাময়িক ধাক্কা খেলেও ভবিষ্যতে সংস্কারমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নে তিনি যে কোনও ভাবেই পিছোবেন না, তা-ও জানিয়েছেন।

চোর অপবাদ ঘোচাতে নিজের মেয়েকে খুন করল মা!-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

মেয়ের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত আসা চোর অপবাদের কারণে মেয়েকে হত্যার পর মা গ্রেফতার

প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে না বলে জিনিস নিয়ে চলে আসার বদভ্যাস ছিল মেয়ের। মা ও মেয়েকে চোর বলে কটুক্তি করতেন পাড়ার লোকেরা। সেই টিপ্পনি সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছিল। তাই নিজের একমাত্র মেয়েকে খুন করে নয়ানজুলিতে ফেলে দিল মা! ঘটনায় শোরগোল পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কাঁথির ভগবানপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুরের বাসিন্দা প্রশান্ত কামিলা। কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন তিনি। গ্রামে বাড়িতে একমাত্র মেয়ে দীপালিকে নিয়ে থাকেন স্ত্রী যমুনা। কিন্তু, ইদানিং মেয়ের বদভ্যাসের কারণে রীতিমতো বিব্রত হতে হচ্ছিল তাকে। প্রতিবেশীরা মা ও মেয়েকে চোর বলে কটুক্তি করতেন। কারণ, প্রতিবেশিদের বাড়ি থেকে না বলে জিনিস নিয়ে চলে আসত দীপালি। দিনের পর দিন এই চোর অপবাদ সহ্য করতে পারেনি যমুনা। অভিযোগ, নিজের একমাত্র মেয়েকে খুন করে নয়ানজুলিতে ফেলে দিয়েছে সে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২১