ভোটে যেতে খালেদা জিয়ার ছয় শর্ত
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকেই ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ভোটে যেতে খালেদা জিয়ার ছয় শর্ত-দৈনিক প্রথম আলো
- খালেদা জিয়ার রায় ঘিরে উত্তাপ, হার্ডিলাইনে পুলিশ: দৈনিক ইত্তেফাক
- দেশের বাইশতম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন- দৈনিক ইত্তেফাকের আরেকটি খবর
- ভোটে না যাওয়ার টালবাহনা করছে বিএনপি-ওবায়দুল কাদের:যুগান্তর
- বিএনপি সাধারণ মানুষের দল নয় বলেই সভা করছে ফাইভ স্টার হোটেলে’-হাছান মাহমুদ-দৈনিক মানবজমিন
- মানবজমিনের আরেকটি খবরের শিরোনাম-দেশেই ইয়াবার কারখানা সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩৮
- নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ চায় আওয়ামী লীগ : হানিফ-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- যারা রাইফেল ভেঙেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক ইনকিলাব
ভারতের শিরোনাম:
- অপারেশন ভারতী ঘোষ, মাঠে নামল সিআইডি:আনন্দবাজার পত্রিকা
- লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশই ‘পাখির চোখ’ রাহুল গান্ধীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- মেয়ের বিয়ের টাকা দেবে সরকার, আরও চমক রাজ্য বাজেটে: আজকালের শিরোনাম
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন,বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
রাজনীতির খবরে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভা সম্পর্কিত খবরগুলো দৈনিক প্রথম আলোসহ প্রায় সবগুলো জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণ এবং অনলাইন পোর্টালগুলোতে খবর পরিবেশিত হয়েছে। প্রথম আলোর খবর ধরপাকদের মধ্যে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা।
৬ শর্তে নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ
সভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বচানে অংশ নিতে খালেদা ৬ টি শর্ত দিয়েছেন। শর্তগুলো হচ্ছে,ভোট হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে * জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আসার মতো পরিবেশ তৈরি করতে হবে * ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে * নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে * ভোটের সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে, সেনাবাহিনী মোবাইল ফোর্স হিসেবে কাজ করবে * যন্ত্রে ভোটের জন্য ইভিএম/ডিভিএম ব্যবহার করা যাবে না।
সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের প্রয়োজনে এখন প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। আরা ইত্তেফাকের খবরে শিরোনাম করা হয়েছে, খালেদা জিয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন দল ভাঙার ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না। মির্জা ফখরুলের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক নয়া দিগন্তে। তিনি বলেছেন-৯ বছরে ১২৮৫০ নেতাকর্মী রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বিএনপি নেতাদের তুলে নিয়ে অস্বীকার করার পর শুরু হয় দরকষাকষি বলেছেন রুহুল কবির রিজভী-এটি ইত্তেফাকের খবর। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। তিনি বলেছেন, ভোটে না যাওয়ার টালবাহনা করছে বিএনপি। আর ইত্তেফাক লিখেছে-বিএনপি নির্বাচনে না আসলে নিবন্ধন বাতিল হবে। আর আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ চায় আওয়ামী লীগ।
দেশের বাইশতম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন- দৈনিক ইত্তেফাক
দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাকে এ পদে নিয়োগ দেয়ার পর শুক্রবার আইন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। আগামীকাল সন্ধ্যায় সাতটায় প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
গত ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন বিচারপতি এস কে সিনহা। ওই পদত্যাগের ৮৫ দিন পর প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হলো। এই দীর্ঘসময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করেছে আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারক বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জেষ্ঠ্য বিচারক
দৈনিকের অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে ,সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারক বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতি বরাবর তিনি পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দেন। আর যুগান্তরের খবরে লেখা হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন,জ্যেষ্ঠতমই প্রধান বিচারপতি হবেন এমন কোনো বিধান নেই।
দেশেই ইয়াবার কারখানা সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩৮-দৈনিক মানবজমিন
ইয়াবার একমাত্র উৎস মিয়ানমার। সেখান থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নানা কৌশলে বাংলাদেশে আনা হয় ইয়াবা। এরপর তা ছড়িয়ে দেয়া হয় রাজধানীসহ সারা দেশে। এমনটাই বলা হচ্ছিল এতদিন। তবে এবার দেশের ভেতরেই পাওয়া গেছে ইয়াবা কারখানার সন্ধান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
এই অভিযানের প্রথমদিনে গত বৃহস্পতিবার ইয়াবার কারখানার সন্ধানসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও অস্ত্রসহ ৩৮ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদকাসক্ত ১০ পথশিশুসহ ১৯ ব্যক্তিকে আটক করে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকায় জীবন আর চলে না-এটিও দৈনিক মানবজমিনের খবর
সকালে গোসল করতে গিয়ে দেখেন পানি নেই। আবার কখনো কখনো ওয়াসার পাইপ দিয়ে বের হয় ময়লা আর দুর্গন্ধযুক্ত পানি। কর্মস্থলে যেতে বাসের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা। কোনো রকম বাসে উঠলে তীব্র যানজটে অস্বস্তি প্রায় প্রতিদিনের সঙ্গী। আবার গ্যাসের তীব্র সংকটে জ্বলছে না রান্নার চুলা। রাস্তাঘাট বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি আর উন্নয়ন কাজে ধূলিময় বাতাসে অন্ধকার চারপাশ।
বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। শব্দ দূষণে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমন হাজারো সমস্যার বেড়াজালে জড়িয়ে আছে রাজধানীবাসীর জীবন ও জীবিকা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এর জন্য দায়ী বিভিন্ন সংস্থা। যারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না। ঢাকার চারপাশের নদীকে দূষিত করে এখন সেই পানি আবার পরিশোধন করা হচ্ছে। ঢাকাসহ পুরো দেশকে নিয়ে মহাপরিকল্পনা করতে হবে।
ছাত্ররাজনীতিতে সরকারি রাহু-দৈনিক প্রথম আলো
শিক্ষা খাত যে কীভাবে শাসকনীতি ও নৈরাজ্যের শিকার, তার বহু প্রকাশ দেখছি আমরা। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকেরা একের পর এক ঢাকার রাস্তায় অবস্থান-অনশনে দিন-সপ্তাহ-মাস পার করেছেন গত কিছুদিনে। তাঁদের দাবি প্রধানত নিজেদের অস্তিত্বের জন্য হলেও তা শিক্ষা খাতকে নৈরাজ্য থেকে উদ্ধারের লক্ষ্যকেই হাজির করে। সব নাগরিকের শিক্ষা যে রাষ্ট্রের দায়িত্ব, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ নয়, সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশই যে একমাত্র করণীয়, সেই তাগিদই উপস্থিত হচ্ছে বারবার।
রাজপথে যখন শিক্ষকেরা অনশনে, তখন শিক্ষার নৈরাজ্যের আরেকটি চিত্র প্রকাশিত হয়েছে সর্বজন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানের সরকারি ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের তাণ্ডব এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও সন্ত্রাস তারই আরেকটি নমুনা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ-মিছিলের ওপর তাদের আক্রমণ চলছে।
সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব উপাচার্য ও প্রক্টরই শিক্ষক। কিন্তু তাঁদের অনেকের মধ্যেই শিক্ষকের চাইতে পুলিশ বা আমলা বা সরকারদলীয় ক্যাডারের মতো আচরণ করার প্রবণতাই দেখা যাচ্ছে বেশি। সন্ত্রাস দমনে তাঁদের আগ্রহ নেই, কেননা সন্ত্রাসীদের তাঁরা নিজেদের লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার করতে চান। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তো সরকারি দলের কমিটিতেই আছেন।
এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
অপারেশন ভারতী ঘোষ, মাঠে নামল সিআইডি:আনন্দবাজার পত্রিকা
বৃহস্পতিবার গভীর রাত। নাকতলার ডি পি পি রোডে সাজানো দোতলা বাড়ির সামনে গাড়ি থেকে নেমে কলিং বেল বাজাতে দরজা খুললেন গৃহস্বামী। তিনি প্রশ্ন করার আগেই আগন্তুকরা বললেন, ‘‘সিআইডি থেকে আসছি। তল্লাশি চালাব।’’
গৃহকর্ত্রী বাড়ি নেই। তিনি আবার যে সে লোক নন! এই সে দিনও তাঁর দাপটে পশ্চিম মেদিনীপুরে সিঁটিয়ে থাকতেন শাসক দলের নেতারাও। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি ডাকতেন ‘মা’ বলে। সম্প্রতি অবশ্য তাঁর দিন গিয়েছে। নবান্নের বিরাগভাজন হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন পুলিশের চাকরি। আর তার
পরেই সোনা কারবারের পুরনো মামলায় সিআইডি-র নিশানায় ভারতী ঘোষ।
ভারতীর নাকতলার বাড়ি ছাড়াও কালিকাপুরে ইএম বাইপাস সংলগ্ন তাঁর নির্মীয়মাণ বাড়িতে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সিআইডি তল্লাশি চালায়। পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায়, বীরভূমে ‘ভারতী-ঘনিষ্ঠ’ কয়েক জন পুলিশ অফিসারের বাড়ি, কোয়ার্টারেও তল্লাশি চালানো হয়। গ্রেফতার হন ভারতীর ‘ঘনিষ্ঠ’ সোনার কারবারি দাসপুরের বিমল ঘোড়ই। কোয়ার্টার থেকে বেশ কিছু সোনা উদ্ধারের পরে ‘ক্লোজ’ করা হয় বেলদার ওসি প্রদীপ রথকে। সিআইডি কর্তারা মুখ খোলেননি। তবে সূত্রের দাবি, নাকতলার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও জমি-বাড়ির দলিল বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশই ‘পাখির চোখ’ রাহুল গান্ধীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
রাজস্থানের উপনির্বাচনের ফলাফল একধাপে অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছে কংগ্রেসের মনোবল। রাহুল গান্ধীর সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম সরাসরি সংসদীয় আসনের জন্য হওয়া উপনির্বাচনে জয়ী কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই রাহুল নিজেই যখন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য দিন গোনা শুরু করেছেন, সে সময় দলকে বাড়তি অক্সিজেন জোগানোর জন্য তিনি এই জয়ের হাওয়াকে ধরে রাখতে চাইছেন। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের বৈঠকে রাহুলের বক্তব্য।
সূত্রের খবর, সংসদের লাইব্রেরি হলে বিরোধীদের বৈঠকে রাহুল উত্তরপ্রদেশের জোট রাজনীতির উপরই জোর দেন। যা অতি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। লোকসভা নির্বাচনে জয়ের জন্য যে উত্তরপ্রদেশের আসন সংখ্যারই বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, সেই চিরাচরিত অঙ্ক হিসাব করেই পথ ধরতে চেয়েছেন রাহুল। গত লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে ৬৯টি আসনই গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। তাই উত্তরপ্রদেশে তাদের ঠেকানো সহজ নয় বলে মনে করছে অনেকেই। এমনকী, রাহুল স্বয়ং সেটি বুঝে জোট ঐক্যতে জোর দিচ্ছেন। যদিও উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে রাহুলের অ্যাসিড টেস্ট হতে পারে গোরক্ষপুর ও ফুলপুরের উপনির্বাচনই। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা লোকসভা আসন গোরক্ষপুরে জয় সহজ না হলেও, ফুলপুর নিয়ে কংগ্রেস খুব আশাবাদী। এর অন্যতম কারণ হল, আসনটি প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর স্মৃতি বহণ করছে।
যদিও রাহুলের ‘মিশন উত্তরপ্রদেশ’-এর এই জোট বার্তার বৈঠকে গরহাজির ছিলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। তাঁর কোনও প্রতিনিধিও ছিলেন না। যে মায়াবতী একসময় বিজেপিকে রুখতে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করতেও পিছপা হননি, তিনি রাহুলের বৈঠকে না এসে কী বার্তা দিতে চাইলেন, সে প্রশ্ন উঠছে।
মেয়ের বিয়ের টাকা দেবে সরকার, আরও চমক রাজ্য বাজেটে-দৈনিক আজকাল
জিএসটি জমানায় প্রথম বাজেট পেশ করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। জুলাই মাসে জিএসটি চালুর পর থেকে বিলুপ্ত হয়েছে রাজ্যের সমস্ত কর। জ্বালানি তেল ও মদ ছাড়া সমস্ত বিষয়ে সরাসরি কর সংগৃহীত হচ্ছে জিএসটি পথে। এর ফলে রাজ্যের আয় যেমন একদিকে সুনিশ্চিত হয়েছে তেমনই বন্ধ হয়ে গিয়েছে নতুন আয়ের উৎস তৈরির সুযোগ। এই দু’য়ের মাঝে কী করে বরাদ্দে ভারসাম্য রাখেন অমিতবাবু, সেদিকে নজর ছিল সকলের। দুপুর তিনটে নাগাদ রাজ্য বিধানসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বারবার জিএসটি এবং নোট বাতিলের তীব্র সমালোচনা করলেন। তবে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষের সুরাহার নির্দিষ্ট দিশা দেখা গিয়েছে আজকের বাজেটে।
মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের সাধের বাড়ি তৈরি যাতে মসৃণ হয় তার চেষ্টা হয়েছে বাজেটে।তবে এ বাজেটে সবচেয়ে চমক মেয়ের বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা। ১৮ বছরের উপরে মেয়ের বিয়ে দিলে এবং কোনও পরিবারের আয় বছরে বার্ষিক দেড় লক্ষ টাকার মধ্যে হলে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রূপশ্রী’। অমিত মিত্র জানিয়েছেন প্রকল্পের নামকরণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এই প্রকল্পে ৬ লক্ষ পরিবার উপকৃত হবে। এই খাতে দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৩