ব্যাংক–শেয়ার লুটকারীদেরও বিচার হোক-দৈনিক প্রথম আলো
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- এলডিসি থেকে উত্তরণ-বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ-দৈনিক ইত্তেফাক
- ইত্তেফাকের অন্য একটি খবরের শিরোনাম- খালেদা জিয়ার নির্বাচন করা নিয়ে অস্পষ্টতা
- ব্যাংক–শেয়ার লুটকারীদেরও বিচার হোক-দৈনিক প্রথম আলো
- এবার ফাঁস হলো গণিতের প্রশ্নপত্র-দৈনিক যুগান্তর
- খালেদা জিয়ার রায় দুর্নীতি-প্রবণ রাজনীতিবিদদের জন্য সতর্কবার্তা : কাদের-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- ৩২ ধারা বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাংবাদিকদের-দৈনিক ইনকিলাব
ভারতের শিরোনাম:
- এ বার কমলা গার্লস, নাইনের ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ-দৈনিক আনন্দবাজার
- কর্মদক্ষতা ফেরাতে কঠোর হচ্ছে রেল, ছাঁটাই ১৩ হাজার কর্মী -দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ফলোআপ খবর এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া পরিবেশিত হয়েছে আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর অনলাইন সংস্করণে এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে।
দৈনিক প্রথম আলোতে এ সম্পর্কে লেখা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদে আজ শনিবারও দলের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেছেন। তবে পুলিশের লাঠিপেটায় মিছিলটি খুব বেশি দূর এগোতে পারেনি। এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবীউল্লাহসহ ২৫ জনকে আটক করা হয়।
দৈনিকটির অন্য খবরে লেখা হয়েছে, খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডে বিপাকে বিরোধী দল এবং হাসিনাকে শক্তিশালী করেছে। তবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।
দৈনিক নয়া দিগন্তের খবরে লেখা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার রায় দুর্নীতি-প্রবণ রাজনীতিবিদদের জন্য সতর্কবার্তা।
খালেদা জিয়ার নির্বাচন করা নিয়ে অস্পষ্টতা-দৈনিক ইত্তেফাক
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিচারিক আদালত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গণে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি এখন সামনে এসেছে সেটি হলো- খালেদা জিয়া কি আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? প্রচলিত আইন, সংবিধান এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উচ্চ আদালতের কিছু তরতাজা রায় ও পর্যবেক্ষণ গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ গোছের উত্তর মেলে না। যার সারমর্ম হচ্ছে- বিষয়টি আসলে অস্পষ্ট। সংশ্লিষ্টরা আইন ও সংবিধানের আলোকে মোটাদাগে বলছেন, হাইকোর্ট যদি খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত বা বাতিল করেন তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। হাইকোর্ট যদি দণ্ড স্থগিত না করেন এবং সেক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি পেলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। আবার হাইকোর্ট যদি দণ্ড স্থগিত বা বাতিল করেন এবং পরবর্তীতে যদি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখে দেন তাহলেও খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এসবই আইন ও সংবিধানের মোটাদাগের ব্যাখা। তবে এর বাইরেও কথা আছে, বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যখন উচ্চ আদালতে যাবেন তখন আইন ও সংবিধানের পাশাপাশি কিছু দৃষ্টান্তও তারা সামনে নিয়ে আসবেন।
ব্যাংক–শেয়ার লুটকারীদেরও বিচার হোক-দৈনিক প্রথম আলোর উপসম্পাকদীয়'র শিরোনাম
এতে লেখা হয়েছে, খালেদা জিয়ার মামলার রায় আদালতের সীমা ছাড়িয়ে রাজপথে উত্তাপ ছড়িয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে বিরোধী দলের চেয়ে সরকারি দলের ভূমিকাই বেশি। অভিযুক্ত ব্যক্তি সব সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করবেন। কিন্তু রায়ের অনেক আগেই যদি ক্ষমতার মঞ্চ থেকে কাউকে ‘চোর’, ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে নিয়ত গালমন্দ করা হয়, তখন সেই বিচার নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
দুর্নীতির দায়ে আওয়ামী লীগ সরকার খালেদা জিয়ার বিচার করেছে। বিএনপির আমলে বিদেশে পাচার হওয়া কিছু অর্থ ফেরতও এনেছে। কিন্তু যে এরশাদ গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে নয় বছর জবরদস্তি শাসন চালিয়ে দেশে-বিদেশে মহা দুর্নীতিবাজ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সেই এরশাদকে ক্ষমতার অংশীদার করেছে আওয়ামী লীগ। রাজনীতির এক অদ্ভুত সংশ্লেষণ।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে আসা টাকা খালেদা জিয়া অন্য হিসাবে জমা করেছেন। বিএনপির সরকারের আমলে বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু কোনোটারই বিচার হয়নি। বিচার হলো শুধু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার। এর আগের বিএনপি ও আওয়ামী লীগের আমলের অনেক দুর্নীতির মামলা এখনো ঝুলে আছে।
১০ বছরেরও বেশি সময় খালেদা জিয়া ক্ষমতার বাইরে। এই সময়ে দেশে সুশাসন ও সুনীতির বন্যা বয়ে গেছে, বলা যাবে না। খালেদা জিয়ার আমলে যেমন দুর্নীতি ছিল, এখনো দুর্নীতি আছে। দুটি উদাহরণ দিই। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯১১ কোটি ডলার পাচার হয়েছে ২০১৪ সালে, টাকার অঙ্কে যা প্রায় ৭২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সে দেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
এসব তথ্য কি প্রমাণ করে, দেশে দুর্নীতি হয় না? দুর্নীতি হয়। কিন্তু দুর্নীতির কুশীলবেরা ধরা পড়েন না। ধরা পড়লেও বিচার হয় না। বিচার হলে ২০১০–এর শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতারা কীভাবে বাইরে থাকেন? বেসিক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়কেরা কীভাবে দাপট দেখান? এসব বড় বড় দুর্নীতির জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের কেশাগ্র স্পর্শ না করলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুর্নীতি বাড়তেই থাকবে। ‘বাছাই করা বিচার’ দিয়ে সুশাসন বা সুবিচার কোনোটাই কায়েম করা যায় না।
খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের পর এবার সরকার ব্যাংক কেলেঙ্কারি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতা এবং বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের ধরুক। বিচার করুক। তারপরই না বলা যাবে, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। অপরাধী শাস্তি পাবেই।
এলডিসি থেকে উত্তরণ-বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ-দৈনিক ইত্তেফাক
বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সম্ভাবনাময় দেশগুলোর অন্যতম। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশ এগোচ্ছে। মানুষের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন এসেছে। চালের গড় ভোগ কমেছে। বেড়েছে মাছ মাংসের মতো খাবারের অংশ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নতি হয়েছে। মোট দারিদ্র্য এবং অতি দারিদ্র্য কমেছে। যেহেতু জনসংখ্যা বেড়েছে, সে কারণে এখনও চার কোটির মতো মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। স্বাধীনতার পর গত ৪৬ বছরে অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটেছে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি সূচকেই ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা —এ তিনটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার জরিপে তেমন তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকলেও আর বেশিদিন এ অবস্থানে থাকতে হবে না। খুব শিগগিরই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার সুপারিশ পেতে যাচ্ছে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোস্যাল কাউন্সিলের অধীনে আরেকটি সংস্থা দ্য কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) কাছ থেকে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ ঘটলে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। তাতে রপ্তানি বাণিজ্য কমতে পারে। তবে দরকষাকষির সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকরী উদ্যোগ নিলে বাণিজ্যিক ক্ষতি কমানো সম্ভব। আঙ্কটাডের অনুমান, এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। গত অর্থবছরের হিসেবে সেটি ১৫০ থেকে ২২০ কোটি ডলারের সমান হবে। বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য এলডিসিভুক্ত না হয়েও অনেক দেশ এলডিসির সুবিধা পায়। অন্যদিকে এলডিসিভুক্ত দেশ সেসব সুবিধা পায় না। অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে হোমওয়ার্ক করতে হবে। জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে দর কষাকষি শুরু করতে হবে।
৩২ ধারা বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাংবাদিকদের-দৈনিক ইনকিলাব
প্রস্তাবিত ডিজিটাল কালো আইন সংশোধন ও ৩২, ১৯ ধারা অবিলম্বে বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাংবাদিকরা।
শনিবার সকালে রাজধানীর শাহাবাগে 'আমরা সংবাদকর্মী' ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ হুশিয়ারি দেয়া হয়। এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর পদত্যাগও দাবি করেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, সরকার আমাদের কথা দিয়েছিল ৫৭ ধারা বাতিল করা হবে। কিন্তু বাতিলের নামে ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইনের নামে যে কালো আইন করা হয়েছে, তা কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সংবাদকর্মীরা দেশের জন্য কাজ করি, দেশের মানুষের জন্য কাজ করি। এই আইন দিয়ে আমাদের কাজ বন্ধ করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই কালো আইন দিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করার অপচেষ্টা চলছে।অবিলম্বে এই আইন বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সমালোচনা করে সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, সারা দেশে সাংবাদিকদের নামে এই ৩২ ধারায় মামলা হবে। আপনি কত জায়গায় গিয়ে লড়বেন। নাকি মন্ত্রণালয়ের কাজ করবেন। আপনার এসব তাল বাহানা বন্ধ করেন। কালো আইন বন্ধ করেন।
এবার ফাঁস হলো গণিতের প্রশ্নপত্র-দৈনিক যুগান্তর
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বাংলা এবং ইংরেজি (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার পর এবার গণিতের প্রশ্নপত্রও ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা আগে হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে গণিতের ‘খ-চাঁপা’ সেটের প্রশ্নপত্রটি পাওয়া যায়। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিল পাওয়া গেছে। এ নিয়ে টানা ছয়টি পরীক্ষার প্রশ্নই ফাঁস হলো।
এবার কোলকাতার দৈনিকগুলোর কয়েকটি খবরের বিস্তারিত
ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা-দৈনিক আজকাল
আরও বিপাকে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষ। এবার ভারতী এবং তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষী সুজিত মণ্ডলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল সিআইডি। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার আবেদনে সাড়া দিয়ে ঘাটাল আদালত দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। কেশপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতেই জারি করা হয়েছে এই পরোয়ানা। তবে এখনও কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। ভারতী ঘোষ এবং সুজিত মণ্ডল দু’জনেই আপাতত ফেরার।
কর্মদক্ষতা ফেরাতে কঠোর হচ্ছে রেল, ছাঁটাই ১৩ হাজার কর্মী-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতির কারণে ১৩ হাজার কর্মীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিল রেল। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি ছাড়াই এই কর্মীরা দিনের পর দিন অনুপস্থিত থেকেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই এই অনুপস্থিতির অভিযোগ আসছিল। এরপরেই কর্মীদের কর্মক্ষমতা যাচাইয়ে নামে রেল।
দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে- মিশন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন। বিরোধীদের তোপের মুখে বেকারত্ব ঘোচাতে উঠেপড়ে লাগল কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভাবমূর্তি ইতিবাচক করতে ভারতীয় রেলের গ্রুপ-ডি পদে ৬২ হাজার ৯০৭জন কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রেলমন্ত্রক। ন্যূনতম বেতন১৮ হাজার টাকা।
এ বার কমলা গার্লস, নাইনের ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ-দৈনিক আনন্দবাজার
জি ডি বিড়লা, এম পি বিড়লা, কারমেল প্রাইমারি স্কুলের পর এ বার কমলা গার্লস। ফের এক ছাত্রীকে স্কুলের মধ্যেই যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। এ বার আঙুল এক অশিক্ষক কর্মচারীর দিকে। অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন তিনি। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের নাম মলয়কুমার বড়ুয়া।
দৈনিকটির সম্পাদকীয়তে এ সম্পর্কে লেখা হয়েছে, একটা জঘন্য ঘটনা এ ভাবে বার বার ঘটে কী করে? মাত্র কয়েকটা মাসে কলকাতার তিনটে স্কুল শিরোনামে চলে এল পড়ুয়ার উপর শিক্ষকের যৌন নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকেই।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১০