বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে?
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৯ মার্চ বৃহষ্পতিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- টাঙ্গাইলে ব্যালটে সিল দেয়াকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, নিহত ১- দৈনিক ইত্তেফাক
- ইউপি নির্বাচনে সব কিছু জেনেও নির্বাচন কমিশন নিশ্চল-দৈনিক যুগান্তর
- কে বুঝবে তিনি এত বড় কেলেঙ্কারির আসামি!-দৈনিক প্রথম আলো
- বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে?-দৈনিক মানবজমিন
- মানবজমিনের অন্য একটি খবরের শিরোনাম: বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে?
- ভীতিমুুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে-দৈনিক ইনকিলাব
- দুদকের রিভিউ পিটিশন বেআইনী : রিজভী-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- বিজেপিকে হঠাতে লড়তে হবে কংগ্রেসের নেতৃত্বেই, মমতাকে সনিয়া-দৈনিক আনন্দবাজার
- ফাঁস হওয়া অঙ্কের প্রশ্নপত্র পাঠানো হয় সিবিএসই চেয়ারপার্সনের দপ্তরেও -দৈনিক আজকাল
- প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সরগরম দিল্লি, ক্ষুব্ধ সোলি সোরাবজি-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
টাঙ্গাইলে ব্যালটে সিল দেয়াকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, নিহত ১-দৈনিক ইত্তেফাক
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদিঘী ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণও স্থগিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেছেন, ইউপি নির্বাচনে সব কিছু জেনেও নির্বাচন কমিশন নিশ্চল-দৈনিক যুগান্তর
খবরটিতে লেখা হয়েছে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের কয়েকটি অঞ্চলে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। নির্বাচন ঘিরে হত্যা, জখম, ভোটকেন্দ্র দখল, জালভোট প্রদান ও ব্যালটবাক্স ছিনতাইয়ের আগের সেই পুরনো রক্তাক্ত ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তবে সব কিছু জেনেও নির্বাচন কমিশন নিশ্চল রয়েছে। এদিকে দৈনিক নয়া দিগন্তেরে একটি খবরে লেখা হয়েছে রিজভী বলেছেন, কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির জন্য দুদক কর্তৃক রিভিউ পিটিশন দাখিল সম্পূর্ণরুপে বেআইনি।
বিচার এখন করছেন না কেন: রিজভী-দৈনিক মানবজমিন
আওয়ামী লীগ এখনও ক্ষমতায় আছে তাহলে এখন কেন ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার করছেন না প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার এক আলোচনা সভায় বলেছেন- ‘১/১১-এর সরকারের সময় তাকে গ্রেপ্তারের পেছনে কারা ছিল সেই তথ্য জানা গেছে। তাদের বিষয়ে হিসাব পরে নেয়া হবে।’ হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য রহস্যজনক ও কৌতূহলোদ্দীপক। কারণ এখনও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, তাহলে পরে কেন, এখন বিচারের মুখোমুখি করছেন না কেন? এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। সেই সঙ্গে এই সরকার মাইনাস ওয়ান ফর্মুুলা বাস্তবায়নে মরিয়া বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মাদক ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও-দৈনিক প্রথম আলো
দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদকদ্রব্য সেবনের সঙ্গে এর ব্যবসাতেও জড়িয়ে পড়ছেন। সরকারের এক প্রতিবেদনেই এই ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। এতে বলা হয়েছে, ঢাকার বাইরে ২১ জেলায় ৪১৬ জন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদক ব্যবসায় জড়িত। এর মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক আছেন ৯৫ জন, যাঁদের ৭৮ জনই ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মী।
সরকারি প্রতিবেদনেই এর ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ছড়িয়ে পড়ার কারণে সেখানকার পরিবেশ কলুষিত হচ্ছে। অন্যদিকে মাদকের জন্য অর্থের জোগান দিতে গিয়ে এসব ছাত্র টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও দলবাজি করে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নিজেও এই পরিস্থিতির কথা স্বীকার করেছেন।
বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে? দৈনিক মানবজমিন
সম্প্রতি জার্মানির বার্টলসম্যান ফাউন্ডেশন প্রকাশ করেছে তাদের ‘ট্রান্সফর্মেশন ইনডেক্স-২০১৮। এতে স্বৈরতান্ত্রিক দেশের তালিকায় ঢুকেছে নতুন করে পাঁচটি দেশ-তারমধ্যে বাংলাদেশের নামও রয়েছে। বাংলাদেশ কি তাহলে স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে? জার্মানির সরকার-অর্থায়নে পরিচালিত সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ভেলে এ নিয়ে একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদন ছেপেছে। প্রতিবেদনটির অনূদিত সংস্করণ মানবজমিনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, নিজেদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে বার্টলসম্যান লিখেছে, ‘নির্বাচনের মানের অবনতি ঘটায় একসময়কার পঞ্চম বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটি ফের স্বৈরতান্ত্রিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।’ এতে আরো বলা হয়, ‘নাগরিকদের জন্য এই বিষয়গুলো উদ্বেগজনক। কেননা, স্বৈরতান্ত্রিক সমাজে দুর্নীতি, সামাজিকভাবে ছিটকে পড়া এবং সুষ্ঠু অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় বাধা-বিপত্তি অব্যাহতভাবে বেশি বিরাজমান।
বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামী লীগ এই গবেষণামূলক সূচককে ভিত্তিহীন হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অবশ্য দাবি করেছে, এই সূচক বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সত্যিকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে বার্টলসম্যানের গবেষণায় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অবনতিশীল যেই অবস্থার কথা উঠে এসেছে তার সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের অভিমতেরও মিল রয়েছে।
কে বুঝবে তিনি এত বড় কেলেঙ্কারির আসামি!-দৈনিক প্রথম আলো
তানভীর মাহমুদ হল-মার্ক কেলেঙ্কারি ও অস্ত্র মামলার আসামি। মামলার হাজিরা দিতে আদালতে আসা তানভীরকে দেখে কে বুঝবে তিনি একজন আসামি। সরকারি কর্মচারীর ওয়াশরুম ব্যবহার করছেন। পুলিশের সামনেই আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছেন। সিগারেটে টান দিতে দিতে আদালতে আসা তাঁর লোকের সঙ্গে কথা বলছেন। আদালত কক্ষে অবস্থান করছিলেন স্ত্রী জেসমিন ইসলাম। দুজনেই এ মামলার আসামি। গতকাল বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর সামনে বেলা পৌনে দুইটার দিকে কথা বলছিলেন তানভীর মাহমুদ। তাঁর পরনে ছিলেন সাদা হাফশার্ট আর অফ হোয়াইট প্যান্ট। হাতে সোনার আংটি। দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি একজন আসামি।
হল-মার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ২০১২ সালে ৩৮টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ২০১৪ সালে ১১টি মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে ৩ হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ২০১২ সালে মোট ৩৮টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে প্রায় ৩৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে ২৭টি মামলা করা হয়। ২০১৪ সালে ফান্ডেড (স্বীকৃত বিলের বিপরীতে দায়) ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৩৪ হাজার ৮৭৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২৬ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়।
প্রথম আলো অন্য একটি খবরের মিরোমনাম-বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি তদন্তের শেষ কবে
বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ কীভাবে জড়িত, আদালতই তা দেখিয়ে দিয়েছেন। তবে এই কেলেঙ্কারির বিষয়ে তদন্ত এখনো শেষ করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি এ বিষয়ে আদালতের দেওয়া সময়সীমা পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ গত বছরের ২৬ জুলাই এক রায়ে বলেছেন, ‘আমাদের কাছে বিস্ময়কর ঠেকছে যে ঋণ কমিটির সুপারিশ না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডিসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ কীভাবে শুরুতে ১৭ কোটি টাকা, পরে আরও ৪০ কোটি টাকা ঋণ সৈয়দ ট্রেডার্সকে দিয়ে দিল! প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে- এ ব্যাপরে দুদকের তদন্ত চলছে। তবে তদন্তের জন্য আদালতের বেঁধে দেয়া সময় শেষ। কিন্তু তদন্ত শেষ করতে পারেনি আদালত।
ভীতিমুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে-দৈনিক ইনকিলাব
দীর্ঘদিন ধরে দেশে বিনিয়োগ স্থবিরতা বিরাজ করছে। বেশকিছু বিনিয়োগ বান্ধব নীতিমালা গ্রহণের পরও কাঙ্খিত বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হয়নি। ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে নতুন নতুন বিনিয়োগের কোন বিকল্প নেই। বিনিয়োগ না হলে রফতানী বাণিজ্যে কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জন অসম্ভব। বাণিজ্য ঘাটতি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও রেমিটেন্স প্রবাহ শ্লথ হয়ে পড়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমান অর্থ পাচারের কারণে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নজিরবিহন অর্থ সংকটে পড়েছে। বিনিয়োগে মন্দার কারণগুলো সবারই জানা। যে কারণে ভীতিমুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এবার ভারতের খবর তুলে ধরছি।
প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সরগরম দিল্লি, ক্ষুব্ধ সোলি সোরাবজি-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রকে সরাতে উঠেপড়ে লাগল বিরোধীরা। মূল উদ্যোক্তা কংগ্রেস। যার পিছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রথম সারির বিরোধী দল। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে রাজ্যসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। অন্তত পঞ্চাশ জন সাংসদের স্বাক্ষর দরকার। গোটা বিষয়টির প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে বলে খবর। যদিও ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রবীণ আইনজীবী তথা দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি সোরাবজি। তাঁর মতে ‘অত্যন্ত অবিবেচক’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা। ভারতে আগে কখনও কোনও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয় নি।
বিজেপিকে হঠাতে লড়তে হবে কংগ্রেসের নেতৃত্বেই, মমতাকে সনিয়া-দৈনিক আনন্দবাজার
গত কাল আঞ্চলিক দলগুলির নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লোকসভা ভোটের পরে তাঁর প্রস্তাবিত ফেডারাল ফ্রন্ট সরকার গড়ার মতো অবস্থায় এলে কংগ্রেস তাকে বাইরে থেকে সমর্থন করুক— এমনটাই চান তিনি। আজ ১০ জনপথের বৈঠকে সনিয়া গাঁধী তৃণমূল নেত্রীকে পাল্টা বললেন, বিজেপি-কে হঠাতে হলে দেশের সব থেকে বড় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে সবাইকে এক সঙ্গে লড়তে হবে। তিনি চান মমতাও সেই জোটে সামিল হোন। আর রাহুল গাঁধী সম্পর্কে মমতার যতই ছুঁৎমার্গ থাক, ভবিষ্যতে জোট বা আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা যে কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গেই করতে হবে, সেটাও আজ তাঁকে বুঝিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।কিন্তু রাহুলের নেতৃত্বে মমতার আপত্তি এ দিনও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।
ফাঁস হওয়া অঙ্কের প্রশ্নপত্র পাঠানো হয় সিবিএসই চেয়ারপার্সনের দপ্তরেও -দৈনিক আজকাল
সিবিএসইর দশম শ্রেণির অঙ্ক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হোয়াটস অ্যাপে ফাঁস হওয়ার পাশাপাশি সিবিএসইর বোর্ডের চেয়ারপার্সনের দপ্তরেও পাঠানো হয়েছিল। বুধবারই এই বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। তবে অঙ্ক পরীক্ষার প্রশ্ন মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেই ফাঁস হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, সিবিএসই বোর্ড প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরও কেন একই প্রশ্নে অঙ্ক পরীক্ষা নিল? তখনই কেন পরীক্ষা রদ করে দেওয়া হয়নি? প্রশ্নের মুখে চেয়ারপার্সন অঙ্কিতা কারওয়ালের ভূমিকা।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯