তারেকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে আওয়ামী লীগ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১২ অক্টোবর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
প্রথমে বাংলাদেশে:
- তারেকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে আ. লীগ-প্রথম আলো
- ‘শেখ হাসিনা সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ গড়তে চায়-ইত্তেফাক
- প্রতিটি হত্যাকাণ্ড বিএনপির হাত ধরেই হয়েছে: নাসিম-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- গ্রেনেড হামলার দায় বিএনপির হলে বিডিআর হত্যার দায় সরকারের: ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
- সরকার বিএনপিকে নেতৃত্ব সংকটে ফেলতে চেয়েছে: মওদুদ-দৈনিক মানবজমিন
- চূড়ান্তের পথে বৃহত্তর ঐক্য-দৈনিক নয়াদিগন্ত
ভারতের খবর:
- দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না রাজ্যের ৫০ হাজার শিক্ষক!-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- জঙ্গি হামলার ছক সমুদ্রপথে, জারি সতর্কতা-দৈনিক আজকাল
- পুজোয় সরকারি অনুদান মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও জয় রাজ্যের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
প্রথমেই বাংলাদেশ-
তারেকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে আ. লীগ-প্রথম আলো
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানের যাবজ্জীবন সাজা হওয়ায় বিএনপিতে তাঁর নেতৃত্বে থাকার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে বিএনপি ‘খুনি-সন্ত্রাসীদের দল’-এই প্রচারণাও চালানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ক্ষমতাসীন দলের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, রাজনৈতিক বিষয় ছাড়াও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে দুটি ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রথমত, তারেকের সাজা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি দল এটা বোঝাতে চাইছে যে বিচার বিভাগ স্বাধীন। সরকারি দল তারেক রহমানের ফাঁসি আশা করেছিল। কারণ, তারেক রহমান ওই হামলার মূল হোতা হিসেবে মামলায় প্রমাণিত হয়েছে। আরেকটি হচ্ছে, তারেকের ফাঁসি হলে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা কঠিন হতো। যাবজ্জীবন সাজা হওয়ায় ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা থাকছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেনেড হামলায় আহত হিসেবে তিনি রায়ে সন্তুষ্ট। তারেক রহমান যেহেতু মূল হোতা হিসেবে প্রমাণিত, তাই তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তি তিনিসহ অনেকেই আশা করেছিলেন। তবে স্বাধীন বিচার বিভাগ যে রায় দিয়েছেন, সেটা নিয়ে তাঁদের কোনো প্রশ্ন নেই।
‘শেখ হাসিনা সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ গড়তে চায়-ইত্তেফাক
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়তে চায়। ধর্মনিরপেক্ষ মানে ধর্মহীনতা নয়, সকল ধর্মের মানুষের সমান অংশীদার।
শুক্রবার সকালে সিংড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, মাত্র ৯ বছরে সিংড়া উপজেলার ৫ লাখ মানুষের উন্নত জীবনের জন্য চেষ্টা করেছি, বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করেছি, গ্রামের পর গ্রাম অন্ধকারে ছিল, ১০০০ হাজার কিলোমিটার বিদ্যুত দিয়েছি, ২০০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা দিয়েছি, স্বাস্থ্য সেবা দিয়েছি, ৪০টি কমিনিউটি ক্লিনিক স্থাপন করেছি, ১২টি ইউনিয়নের ফাইবার অপটিক্যাল দিয়েছি, হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি শিক্ষা দিয়েছি। ৬৪টি স্কুল কলেজে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম দিয়েছি।
প্রতিটি হত্যাকাণ্ড বিএনপির হাত ধরেই হয়েছে: নাসিম-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ড বিএনপির হাত ধরেই হয়েছে। ২১ আগস্টের পর তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন তারা। কিন্তু বিচার করেননি। এখন পাপের ফল ভোগ করতে হচ্ছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দলের এক বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন। নাসিম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল তা এই বিচারের মাধ্যমে পূরণ হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। বৈঠকে ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম নেতা তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বিএনপি এ রায়কে ফরমায়েশি রায় বলছে। তারা এ রায়ের পর এতটুকু বদলায়নি। এ রায়ে জজ মিয়া নাটক প্রমাণিত হয়েছে।
গ্রেনেড হামলার দায় বিএনপির হলে বিডিআর হত্যার দায় সরকারের: ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর-
ক্ষমতায় থাকায় যদি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় তখনকার সরকারকে নিতে হয়, তা হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ গুম-খুনের দায় বর্তমান সরকারকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে সংঘটিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব যদি রাষ্ট্রযন্ত্রের হয়, তা হলে বর্তমান সরকারের শাসনামলে পিলখানা বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, হলি আর্টিজানে হত্যাকাণ্ড এবং জঙ্গি হামলায় নিহত বিদেশি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, এনজিও কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ইমাম-মোয়াজ্জিন, যাজক, পুরোহিত, ব্লগারসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ডের দায় ক্ষমতাসীনদের ওপরই বর্তায়। ‘কিন্তু গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে এসব বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।’
সরকার বিএনপিকে নেতৃত্ব সংকটে ফেলতে চেয়েছে: মওদুদ- দৈনিক মানবজমিন
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের মাধ্যমে সরকার বিএনপিকে নেতৃত্ব সংকটে ফেলতে চেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতাদের বিরুদ্ধে দেয়া রায় একটি সাজানো রায়। এই রায়কে কোন গুরুত্ব না দিয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্যের আন্দোলন চলিয়ে যাব। শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া রায় বাতিল ও নিরোপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে জিয়া পরিষদ এর আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মওদুদ আহমদ বলেন, সরকার এই রায়ের মাধ্যমে বিএনপিকে নেতৃত্ব সংকটে ফেলতে চেয়েছে। কিন্তু এই রায়কে আমরা কোন গুরুত্ব না দিয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্যের আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমরা মনে করি এই আন্দোলনের মাধ্যমে সফল হব। এই সরকারকে উৎখাত করতে পারব। তিনি বলেন, একুশে আগস্টের ঘটনায় আমরা মর্মাহত হয়েছি। আমরা ঘৃণা করি এই ধরণের ঘটনাকে
চূড়ান্তের পথে বৃহত্তর ঐক্য-দৈনিক নয়াদিগন্ত
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সরকারবিরোধী দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া মিলে বৃহত্তর এই মঞ্চের নাম হতে পারে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নীতিগতভাবে একমত হওয়ার পর শীর্ষ নেতাদের গত কয়েকটি বৈঠকে সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে সাত দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দাবি আদায়ে শিগগিরই নতুন কর্মসূচি ঘোষণার কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
চলতি বছরের শেষে অর্থাৎ ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে একাদশ সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচন সামনে রেখে বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগে নির্বাচনী জোট গঠনের তৎপরতা চলছে। বিগত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচন থেকেই দল দুইটি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে গঠন করেছিল চারদলীয় জোট।
এবার ভারতে বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি
দু’মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না রাজ্যের ৫০ হাজার শিক্ষক!-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
শুরু হয়ে গিয়েছে দেবীপক্ষ। কিন্তু মুখে হাসি নেই এ রাজ্যের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের। কারণ, দু’মাস ধরে বেতন নেই। পুজোর আগে পাওয়ার আশাও নেই। সরকারি দফতরের চাপান-উতোরে তাঁদের বেতন মিলছে না বলে অভিযোগ। শিক্ষকেরা মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র (এমএসকে) এবং শিশু শিক্ষাকেন্দ্রগুলির (এসএসকে) সঙ্গে যুক্ত।
রাজ্যে প্রায় ১৯০০ এমএসকে এবং ১৪ হাজার এসএসকে আছে। স্কুলগুলি চালায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। সর্বশিক্ষা দফতর থেকে ওই শিক্ষকদের বেতনের টাকা প্রথমে আসে শিক্ষা দফতরে। সেখান থেকে টাকা যায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরে। ওই দফতরই বেতন মেটায়। দফতরের এক কর্তা বৃহস্পতিবারই জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষা দফতর থেকে ওই টাকা আসেনি। ফলে, ওই শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পুজোর আগে আর দেওয়া সম্ভব নয়।
জঙ্গি হামলার ছক সমুদ্রপথে, জারি সতর্কতা-দৈনিক আজকাল
চলতি বছরের জুন মাস থেকে সমুদ্রপথে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর–ই–তৈবা। জয়েশ–ই–মহম্মদ নামে অপর একটি জঙ্গি সংগঠনও যুবকদের গভীর সমুদ্রে আক্রমণ চালানোর জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এই উৎসবের মরশুমে তারা আক্রমণ করতে পারে ভারতের কোনও মালবাহী জাহাজ, তেলের ট্যাঙ্কার অথবা বন্দরে। সেজন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে নৌবাহিনী এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীদের।
ভারতের উপকূল ৭ হাজার ৫১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই বিশাল অঞ্চলের কোনও জায়গা দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ার পরিকল্পনা করছে লস্কর জঙ্গিরা। এই প্রস্তুতির কথা প্রথম জানা যায় জঙ্গি ডেভিড কোলম্যান হেডলিকে গ্রেপ্তার করার পর। ২০১০ সালে এনআইএ’র জেরার মুখে সে জানায়, ইয়াকুব নামে এক ব্যক্তি লস্করের নৌ–শাখার দায়িত্বে আছে। তখনই বোঝা যায় জঙ্গিরা জলপথেও আক্রমণের চেষ্টা করছে।
গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, লস্করের কয়েকটি শাখা সংগঠন যথা ফালা–ই–ইনসানিয়াত ফাউন্ডেশন, আল দাওয়া ওয়াটার রেসকিউ, লাইফ লাইন ওয়াটার রেসকিউ এবং রেসকিউ মিল্লি ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে অনেক জঙ্গিকে সমুদ্রের গভীরে আক্রমণের কৌশল শিখিয়েছে। শেখপুরা, ফয়সলাবাদ এবং লাহোরের বিভিন্ন সুইমিং পুল ও খালে এই প্রশিক্ষণ হয়েছে। জয়েশ জঙ্গিরা বাহাওয়ালপুরে প্রশিক্ষণ নিয়েছে কীভাবে জলপথে গোপনে ভারতে ঢুকে পড়া যায়।
পুজোয় সরকারি অনুদান মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও জয় রাজ্যের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
কলকাতা হাই কোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় রাজ্যের৷ পুজো উদ্যোক্তাদের সরকারি অনুদান ইস্যুতে কলকাতা হাই কোর্টের রায়ই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত৷ মামলাকারীদের দেওয়া তথ্যে সন্তুষ্ট না হয়ে মামলার হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন বিচারপতি৷ তবে আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে পুজোয় অনুদান দেওয়া নিয়ে রাজ্যকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ স্থগিতাদেশ জারি না হওয়ার পুজো কমিটি সরকারি দেওয়ার আর কোনও আইনি বাধা নেই বলে মত বিশেষজ্ঞদের৷
চলতি সপ্তাহে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, পুজো অনুদান মামলায় এই মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত৷ বিষয়টি আইনসভার বিচার্য৷ কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নতুন করে দায়ের হয় মামলা৷ সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হতেই তৎপর হয়ে ওঠে রাজ্য৷#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৭