নভেম্বর ২৭, ২০১৮ ১৩:৩০ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৭ নভেম্বর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • আটকে গেল খালেদা জিয়ার ভোটে দাঁড়ানোর পথ?-দৈনিক প্রথম আলো
  • ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করবো: ফখরুল-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • জনগণ সঙ্গে নেই বলে কেঁদে বুক ভাসালেন ফখরুল: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
  • আপিল চলাকালে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: হাইকোর্ট-মানব জমিন
  • গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র দাখিল-দৈনিক জনকণ্ঠ
  • সরকারি ব্রিফিংয়ে ডিসি-কমিশনারদের নিষেধাজ্ঞা-দৈনিক নয়াদিগন্ত

ভারতের খবর:

  • ফিরল ভাগাড় আতঙ্ক, ফের রাতের অন্ধকারে হোটেল, রেস্তরাঁয় পৌঁছে যাচ্ছে মরা পশুর মাংস-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • নরেন্দ্র মোদিকে ভাষা প্রয়োগে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিলেন মনমোহন সিং-দৈনিক আজকাল
  • যুদ্ধের জন্য তৈরি ভারত, পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন ‘ক্যাপ্টেন'-সংবাদ প্রতিদিন                            

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

আটকে গেল খালেদা জিয়ার ভোটে দাঁড়ানোর পথ?-দৈনিক প্রথম আলো

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য তিনটি আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, দণ্ডিত খালেদা জিয়া কি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন?

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চের এক আদেশের পর নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভোটে অংশগ্রহণের পথ অনেকটাই আটকে গেল।

অবশ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের দুজন আইন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, একটা পথ অবশ্য আছে। সেটা হলো—আপিল বিভাগ থেকে যদি খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে দিকনির্দেশনা পান। কিন্তু সে জন্য তাঁর হাতে সময় খুবই কম। পাশাপাশি এই রায়ের ফলে শুধু খালেদা জিয়াই নন; প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হবেন সব দলের সাজাপ্রাপ্তরা, যাদের সাজা-দণ্ড স্থগিত হয়নি।

ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করবো: ফখরুল-দৈনিক কালেরকণ্ঠ

আসন ভাগাভাগি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার সকালে বেইলি রোডে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসভবনে বৈঠকে বসেন তারা। পরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠক বৈঠক শেষে ড. কামাল বলেন, ওরা আমাকে ধ্বংস করবে, করুক। আমি লড়াইয়ে নেমেছি, এ লড়াই চালিয়ে যাব।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে ড. কামাল হোসেন বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আমরা এখন সবাই মনোনয়নপত্র জমা দেব। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় ফাইনাল করা হবে কারা মনোনিত হচ্ছেন।

 তিনি বলেন, আমরা গণফোরাম ৩০-৪০টি আসন চেয়েছি। তার মধ্যে ঢাকাতে দুটি আসন থাকতে হবে। তবে কোন দুটি আসন এখনো নিশ্চিত করেননি ড. কামাল হোসেন।

জনগণ সঙ্গে নেই বলে কেঁদে বুক ভাসালেন ফখরুল: কাদের-দৈনিক যুগান্তর

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মির্জা ফখরুল কেঁদে প্রমাণ করলেন, সারা দেশের জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। এ জন্য তিনি কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে তিনি প্রথমে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন চাইলে বিএনপি এ মুহূর্তে সিইসির পদত্যাগ চাইত না। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই-জনবিচ্ছিন্ন দলছুট নেতারা যতই বিএনপির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে, ততই বিএনপি আরও জনসমর্থন হারিয়ে ফেলছে। তিনি বলেন, বিএনপির ভাঙা হাড়ে নেতায় নেতায় ঐক্য হচ্ছে; তারপরও ভাঙা হাড় জমছে না। সারা দেশে নৌকার গণজোয়ার। ওই বৈঠকে ইশতেহার বিষয়ে আলোচনা হয়। আগামীকাল বুধবার ইশতেহার করা হতে পারে।,

আপিল চলাকালে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না : হাইকোর্ট-মানব জমিন

বিচারিক আদালতে দুই বছরের বেশি দণ্ড হলে এবং আপিলে মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে  আপিল বিভাগ দণ্ড স্থগিত বা বাতিল করে জামিন দিলে তবেই সাজাপ্রাপ্ত  ব্যক্তিরা নির্বাচন করতে পারবেন। বিএনপির পাঁচ নেতা দণ্ড স্থগিত প্রশ্নে আজ এ আদেশ দেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র দাখিল-দৈনিক জনকণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নিজ নির্বাচণী এলাকা গোপালগঞ্জ-৩ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আওয়ামীলীগের ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ইউএনও নকিব হোসেন তরফদারের কাছে এ মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রতিনিধি দলটি গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোকলেসুর রহমানের কাছে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র জমা দেন। একই সময়ে কোটালীপাড়া উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ইউএনও এসএম মাসুদুর রহমানের কাছেও মনোনয়নপত্র জমা দেন স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সরকারি ব্রিফিংয়ে ডিসি-কমিশনারদের নিষেধাজ্ঞা-দৈনিক নয়াদিগন্ত

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের সরকারের কোনো ব্রিফিংয়ে অংশ না নিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ নির্দেশনা দিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়েছে।

ইসির উপ-সচিব মো: আব্দুল হালিম খানের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাদের চাকরি বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাই নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ পর্যন্ত তারা ইসির অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এছাড়া তারা সরকারের উন্নয়ন, প্রশাসনিক বা নির্বাচন-সংক্রান্ত কোনো ব্রিফে অংশ নিতে পারবেন না।

এবার ভারতে বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি

ফিরল ভাগাড় আতঙ্ক, ফের রাতের অন্ধকারে হোটেল, রেস্তরাঁয় পৌঁছে যাচ্ছে মরা পশুর মাংস-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, নেতাদের পরিবারকে টেনে আক্রমণের প্রবণতা যেন ক্রমেই বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাকে নিয়ে আক্রমণ করেছিলেন রাজ বব্বর। এবার তাঁর পিতৃ পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিলাস মুত্তেম্বর। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস সাংসদ সরাসরিই বললেন, ‘‘কেউ জানে না, প্রধানমন্ত্রীর বাবার নাম কী?’’

টুইটারে পোস্ট হওয়া একটি ভিডিয়ো-তে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধীর বংশ পরিচয়ের সঙ্গে মোদীর তুলনা করেছেন মুত্তেম্বর। বলেছেন, ‘‘সারা বিশ্ব জানে রাহুল গাঁধীর বাবার নাম কী, ঠাকুমার নাম কী। কিন্তু মোদীর বাবার নাম কী, সেটা কেউ জানেন না।’’

নরেন্দ্র মোদিকে ভাষা প্রয়োগে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিলেন মনমোহন সিং-দৈনিক আজকাল

এবার বর্তমানকে পরামর্শ দিলেন প্রাক্তন। আর পরামর্শের মধ্য দিয়েই বুঝিয়ে দিলেন দেশের সংস্কৃতি ও সভ্যতা। আর তাতে খানিকটা বিড়ম্বনায় পড়লেন বর্তমান। এই বর্তমান ও প্রাক্তন হলেন যথাক্রমে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। প্রাক্তনের পরামর্শ, যেসব রাজ্য বিজেপি শাসিত নয় সেখানে পরিদর্শনের সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী যেন সংযমী ভূমিকা পালন করেন। কারণ দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাধ্যতামূলক হল, অসৌজন্যমূলক ভাষা কখনই ব্যবহার করা উচিত নয়। তাঁকে সবার কাছে উদাহরণ হয়ে থাকতে হবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই পরামর্শ নরেন্দ্র মোদির কাছে খানিকটা খোঁচা বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

তিনি বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‌প্রধানমন্ত্রী যখন অন্যান্য রাজ্যে যান, যেখানে কোনও না কোনও রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় রয়েছেন, সেখানে তিনি কি বলছেন সেটা খেয়াল রাখা প্রয়োজন। আমার মনে হয় এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়। কারণ তিনি দেশের সমস্ত নাগরিকের প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে উদাহরণ হয়ে থাকতে হবে।‌ সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ছত্তিশগড়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে নেহরু–গান্ধী পরিবার নিয়ে নানা অসৌজন্যমূলক ভাষা ব্যবহার করেছেন। কংগ্রেস সভাপতির পূর্বপুরুষদের নিয়ে নানা আক্রমণ করেছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই পরামর্শ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

যুদ্ধের জন্য তৈরি ভারত, পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন ক্যাপ্টেন'-সংবাদ প্রতিদিন

সাম্প্রতিক খলিস্তানি জঙ্গিদের হামলার প্রসঙ্গ তুলে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন পাঞ্জাবের কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। কাকতালীয়ভাবে ২৬/১১ হামলার ১০ বছর পূর্তির দিনেই তাঁর এই হুমকি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল ভারত-পাক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।

অমরিন্দর সিং বলেছেন, ভারতের সুবিশাল একটা দক্ষ সেনাবাহিনী আছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং ভীষণ শক্তিশালী সেনাবাহিনী। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে বলছি, আমরা যে কোনও সময় যুদ্ধের জন্য তৈরি। একজন প্রাক্তন সেনা অফিসার হিসাবে পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াকে প্রশ্ন করছি, বলতে পারেন, নিরীহ মানুষের উপর গ্রেনেড হামলা চালাতে কোনও দেশের সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ দেয়? দিনের পর দিন কোনও সুস্থ দেশ সন্ত্রাসবাদীদের মদত দিয়ে প্রতিবেশী দেশে অনুপ্রবেশ করায়? সন্ত্রাসকে শিল্প আর জীবিকা করে তোলে কোনও দেশের সেনাবাহিনী? বিনা প্ররোচনায় প্রতিপক্ষের জওয়ানকে মারতে শেখায় কোনও সেনাবাহিনী? মুখোমুখি যুদ্ধ করার সাহস না দেখাতে পেরে প্রতিদিন কাপুরুষের মতো নাশকতা চালায় কারা? সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করতে মদত দেয়? পাঠানকোট-অমৃতসরে জঙ্গি পাঠানোয় সাহায্য করে? আসলে মিস্টার বাজওয়া আপনি এবং আপনার সেনাবাহিনী দুর্বল, কাপুরুষ। মনে রাখুন আমরা পাঞ্জাবি। আমরা শিখ। আমরা সন্ত্রাস, নাশকতা বরদাস্ত করি না। হিম্মত থাকলে সামনে এসে লড়ুন।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২৭