বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১২ ডিসেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু-দৈনিক ইত্তেফাক
- নির্বাচনে এজেন্ট পাওয়া নিয়ে চিন্তায় বিএনপি-দৈনিক প্রথম আলো
- আ’লীগের দুই কর্মীকে বিএনপি খুন করেছে, প্রমাণও আছে: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
- ৩০শে ডিসেম্বরের পর আওয়ামী লীগের খবর পাওয়া যাবে না: মওদুদ-দৈনিক মানবজমিনমির্জা ফখরুলের গাড়িতে
- হামলায় আমরা বিব্রত : সিইসি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- মুখ্যমন্ত্রী কে? অন্তর্দ্বন্দ্বের আশঙ্কায় দুই রাজ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক কংগ্রেসের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- বিজেপির হারের অন্যতম কারণ যোগী আদিত্যনাথের প্রচার, মনে করছে বিরোধীরা-দৈনিক আজকাল
- মধ্যপ্রদেশে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হতেই সমর্থন মায়াবতীর, সরকার গড়ছে কংগ্রেস-দৈনিক আনন্দবাজার
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. দৈনিক মানবজমিন প্রধান শিরোনামে বলেছে, ১৮ জেলায় বিরোধী জোটের প্রার্থীদের প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওদিকে, প্রথম আলোর এক খবরে বলা হয়েছে- নোয়াখালী সদর উপজেলায় যুবলীগের এক কর্মী নিহতের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতকে দায়ী করেছে আওয়ামী লীগ। এসব ঘটনা নিয়ে আপনি কী বলবেন?
২. ভেনিজুয়েলায় পরমাণু বোমারু বিমান পাঠিয়েছে রাশিয়া। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
বিশ্লেষণের বাইরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর:
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু-দৈনিক ইত্তেফাক
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাতের মধ্যদিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সড়ক।
বুধবার দুপুরে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সড়ক পথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যান। শেখ হাসিনা সকাল ৮টায় গণভবন থেকে রওনা হন। তিনি মুন্সিগঞ্জ হয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যান।
দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর টুঙ্গিপাড়া এবং বিকাল ৩টায় কোটালীপাড়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। রাতে শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে রাত্রিযাপন করবেন।
আ’লীগের দুই কর্মীকে বিএনপি খুন করেছে, প্রমাণও আছে: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডে বিএনপিকে দায়ী করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বুধবার রাজধানীর ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপি দিনে দিনে সংকুচিত হচ্ছে। পল্টনে সহিংসতা দিয়ে নির্বাচন শুরু করেছে তারা। পল্টনের যে তাণ্ডব, সেই তাণ্ডব এখন তারা চালাচ্ছে। বিএনপি আবারও প্রমাণ করল তারা সন্ত্রাসী দল।
‘সহিংসতা কারা করছে-দুজন কালকে মারা গেছে; একজন নোয়াখালীতে, আরেকজন ফরিদপুরে।’
তিনি বলেন, এখন ফখরুল সাহেব সহিংসতার কথা বলছেন, নাশকতার কথা বলছেন; সরকারি দলের নিপীড়নের কথা বলছেন-এই নিপীড়ন কারা করছে? আজকে বিরোধী দল হয়ে আপনারাই তো গতকাল দুটি খুন করেছেন; দুটিই বিএনপি আওয়ামী লীগের কর্মীদের হত্যা করেছে। এটির প্রমাণ আছে-এটি কোনো সাজানো-বানানো কথা নয়।
নির্বাচনের প্রচারে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন আর ভাষণ দিয়ে লাভ নেই-অ্যাকশনে যেতে হবে। অনেক কাজ, অনেক ক্যাম্পেইন করতে হবে।
বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু গ্রেফতার-দৈনিক ইত্তেফাক
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শেরে বাংলা নগর থানায় নাশকতার মামলায় দুলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুলুর একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী শামসুল আলম রনি জানান, আজ ১১টার সময় বাসা থেকে ডিবি পুলিশ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।
ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ওবায়দুর রহমান জানান, ‘তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
৩০শে ডিসেম্বরের পর আওয়ামী লীগের খবর পাওয়া যাবে না: মওদুদ-দৈনিক মানবজমিন
আগামী ৩০শে ডিসেম্বরের পর আওয়ামী লীগের খবর পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আজ নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, ধানের শীষের জোয়ার দোখে সরকার নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ যতোই বিধি লংঘন করুক ও অত্যাচার করুক বিএনপি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবে। দেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমার আসনসহ সারাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্তিতি নেই। আমরা ভোটারদের কাছে যাবো। কিন্তু যেতে দিচ্ছে না। আমার রাজনৈতিক জীবনে এমন নির্বাচন দেখিনি।
নির্বাচনে এজেন্ট পাওয়া নিয়ে চিন্তায় বিএনপি-দৈনিক প্রথম আলো
দেশের বিভিন্ন স্থানে যেভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে, তাতে নির্বাচনের সময় কোনো এজেন্ট পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় থাকার কথা জানালেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আজ বুধবার দুপুরে সিইসি কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সেলিমা রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। পরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।
সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা মনে করি, তিনি (সিইসি) অসহায়। তিনি বিব্রত বোধ করছেন, এটা সত্যি। কারণ, তিনি কিছু করতে পারছেন না। তবু আমরা আশা রাখি, সিইসি যেহেতু এবার একটি সুযোগ পেয়েছেন, তিনি সঠিক পদক্ষেপ নেবেন। তাহলে কিন্তু আমরা এই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে প্রমাণ করতে পারব।’
মির্জা ফখরুলের গাড়িতে হামলায় আমরা বিব্রত : সিইসি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
নির্বাচনী প্রচারণার প্রথমদিনেই সারদেশে সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় বিশেষ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের গাড়িতে হামলায় আমরা বিব্রত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। আজ বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ। কিন্তু প্রতিযোগিতা যেন সহিংসতায় পরিণত না হয় সেদিকে আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।
সিইসি বলেন, যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে মানুষের জীবন অনেক মূল্যবান। ৩০০ আসনের নির্বাচনের চেয়ে একটা মানুষের জীবন অনেক মূল্যবান। এই সহিংসতা ও জীবনহানি কাম্য হতে পারে না।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, কারো প্রচার প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা যাবে না। সবাইকে সহনশীলতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
বিজেপির হারের অন্যতম কারণ যোগী আদিত্যনাথের প্রচার, মনে করছে বিরোধীরা-দৈনিক আজকাল
কাজে আসল না উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রচারও। যে তিন রাজ্যে বিজেপির হয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন আদিত্যনাথ, সেই রাজ্যগুলিতেই বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির স্টার প্রচারক যোগী ৬৩ টি আসনে প্রচার করেছিলেন। যার মধ্যে বিজেপি হেরেছে প্রায় ৬০ শতাংশ আসনে। অর্থাৎ যোগীর সাফল্যের হার ৪০ শতাংশ। এমনই মনে করছে বিরোধী শিবিরগুলি।
বিজেপির হিন্দুত্বের প্রতীক যোগী আদিত্যনাথ মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানের মোট ৬৩টি কেন্দ্রে গিয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। যার মধ্যে মাত্র ২৬টি আসনে জিতেছে বিজেপি। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ছত্তিশগড়ের।
মুখ্যমন্ত্রী কে? অন্তর্দ্বন্দ্বের আশঙ্কায় দুই রাজ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক কংগ্রেসের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
রাহুল গান্ধীর আসল পরীক্ষাটা সম্ভবত মঙ্গলবারই শুরু হয়েছে। তিন রাজ্যে জয় তো পেয়েছেন, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন কে? এই প্রশ্নটিই এখন চিন্তার ভাঁজ ফেলছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে। সমস্যাটা মূলত রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশকে ঘিরে। ছত্তিশগড়ে কংগ্রেস নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, সেরাজ্যেও লড়াইয়ে রয়েছে জনা চারেক নেতা। তবে, তাদের কেউই জাতীয় রাজনীতিতে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নন। তাছাড়া ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলে ভাঙন ধরার সম্ভাবনাটাও কম। তাই ছত্তিশগড়ের অঙ্কটা অনেক সহজ। কিন্তু মূল সমস্যা মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ইস্যুতে রাজ্যসভায় নোটিস তৃণমূলের-দৈনিক আজকাল
পাঁচ রাজ্যে বিজেপি কোণঠাসা হতেই আরও আক্রমণ বাড়ালো তৃণমূল। শীতকালীন অধিবেশনে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে চেপে ধরতে শুরু করেছে তৃণমূল। তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যসভায় নোটিস দিল তৃণমূল কংগ্রেস। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনার দাবি তুলে রাজ্যসভায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। নোটিসে তারা এই বিষয়ে অবিলম্বে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার যখন বিধানসভার ফল স্পষ্ট হতে শুরু করে, তখনই এই নোটিস রাজ্যসভায় পেশ করা হয়।
কেন্দ্র–আরবিআই টানাপোড়েনের শুরু থেকেই তৃণমূল মোদি সরকারের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সুরেই দলের একাধিক নেতা কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দেগেছেন। তাঁরা দাবি করেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সঙ্কটে। এবার সেই কথাই উল্লেখ করে রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার থেকেই কার্যত শুরু হচ্ছে অধিবেশনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম। তার আগে এই নোটিস রাজ্যসভায় গেরুয়া শিবিরকে যথেষ্ট চাপে রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। #
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১২