দুর্নীতি মুক্ত হবে বাংলাদেশ, এটা আমার লক্ষ্য: শেখ হাসিনা
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১৫ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- দুর্নীতি মুক্ত হবে বাংলাদেশ, এটা আমার লক্ষ্য: শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক
- সম্পদে এগিয়ে আ.লীগের প্রার্থীরা-দৈনিক প্রথম আলো
- সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি ১ম শ্রেণীতে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছে ১২ শিশু-দৈনিক যুগান্তর
- ড. কামাল বেপরোয়া আচরণ শুরু করেছেন: কাদের-দৈনিক মানবজমিন
- ইসিতে প্রতিকার চায় বিএনপি পুলিশ, প্রশাসন ও আ’লীগ এখন বিএনপির প্রতিপক্ষ-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- কারাট গোষ্ঠীকে ঘুষ দিয়েছে বিজেপি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন সিপিএম সাংসদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- জন্মের দু’ঘণ্টার মধ্যে আধার পেল সদ্যোজাত-দৈনিক আজকাল
- জঙ্গি অভিযানে রক্তাক্ত কাশ্মীর, সেনার গুলিতে ৬ স্থানীয়ের মৃত্যুতে উত্তাল উপত্যকা-দৈনিক আনন্দবাজার
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুর স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৃষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেন। কীভাবে দেখছেন বিষয়টিকে?
২. ইহুদিবাদীদের জবরদখল থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা, বায়তুল মুকাদ্দাসকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শরণার্থীদেরকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এটা কী সম্ভব হবে?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:
দুর্নীতি মুক্ত হবে বাংলাদেশ, এটা আমার লক্ষ্য: শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছে, ‘দুর্নীতি মুক্ত হবে বাংলাদেশ- এটা আমার লক্ষ্য আছে। আমি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আভিযান চালিয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এরপর দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণা করা হবে’।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘লেট’স টক উইথ শেখ হাসিনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে- ‘কবে দুর্নীতি মুক্ত হবে বাংলাদেশ? — এক দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সরকারি কর্মকর্তাদের আয় উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। সেখানে দুর্নীতি করার দরকার কী? অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসতে পারলে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব’।
সম্পদে এগিয়ে আ.লীগের প্রার্থীরা-দৈনিক প্রথম আলো
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ঢাকা মহানগরীর প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদের দিক দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই এগিয়ে। দলটির ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন কোটিপতি। শরিক দলের তিন প্রার্থীও কোটিপতি। আর বিরোধী বিএনপির জোটের ১৫ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জন কোটিপতি, এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ৮ জন।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাজধানীর আসনগুলো থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সবচেয়ে সম্পদশালী প্রার্থী ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১১৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৭ টাকা। বার্ষিক আয় ১০ কোটি ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৬২১ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ঢাকা-৭ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজি মোহাম্মদ সেলিম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৭০ কোটি ৬২ লাখ ৩৮ হাজার ২৪৬ টাকা। বার্ষিক আয় ১ কোটি ১৬ লাখ ৬২ হাজার ৭৪ টাকা। ঢাকা-১১ আসনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী এ কে এম রহমতুল্লাহ্র সম্পদের পরিমাণ ৬৪ কোটি ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ২১৮ টাকা। বার্ষিক আয় ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০৮ টাকা।
আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) এবং ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী সাহারা খাতুন ছাড়া বাকি ১০ প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ কোটির ঘরে।
সম্পদের দিক দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ঢাকা–৯ আসনের সাবের হোসেন চৌধুরী। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি ৪৩ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা। বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৬২৮ টাকা। এরপর রয়েছেন ঢাকা–৫ আসনের প্রার্থী হাবিবুর রহমান। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৭ কোটি ২৭ লাখ ৩১ হাজার ৬১৬ টাকা। বার্ষিক আয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯ টাকা।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-৪ আসনে সৈয়দ আবু হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার ৮২৯ টাকা। বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৩৪ হাজার ৮ টাকা। ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদের সম্পদ ৮ কোটি ১৯ লাখ ৯৭ হাজার ২৫৬ টাকার। বার্ষিক আয় ৯৩ লাখ ৫৮ হাজার ২০২ টাকা। ঢাকা-৮ আসনে আওয়ামী লীগের মিত্র বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সম্পদ ১ কোটি ১৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৩৭ টাকা। বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৯২ হাজার ৩৯২ টাকা।
বিএনপিতে শীর্ষ ধনী আব্বাস দম্পতি
১৫টি আসনের মধ্যে ১০টিতে দলীয় প্রার্থী আছে বিএনপির। বাকি পাঁচটি জোট ও ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদের দিক থেকে শীর্ষে আছেন ঢাকা–৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৫৬ কোটি ১৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৬ টাকা। বার্ষিক আয় ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৯ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানেই আছেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ঢাকা–৯ আসনের প্রার্থী আফরোজা আব্বাস। তাঁর ৩৫ কোটি ৬৭ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫৩ টাকার সম্পদ আছে। বার্ষিক আয় ১০ লাখ ২৪ হাজার ৬৯০ টাকা।
তৃতীয় অবস্থানে আছেন ঢাকা–১১ আসনের প্রার্থী শামীমা আরা বেগম। তাঁর কাছে ৩০ কোটি ৪১ লাখ ৩১ হাজার ৬৫৫ টাকার সম্পদ আছে। বার্ষিক আয় ২২ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৮ টাকা। এরপর ঢাকা–১৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৬২২ টাকা। বার্ষিক আয় ২ কোটি ৭ লাখ ৪২ হাজার ৩৬৫ টাকা। ঢাকা–৪ আসনের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদের মোট সম্পদ ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৬ টাকা। বার্ষিক আয় ৭৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৬০ টাকা। ঢাকা–১০ আসনের আবদুল মান্নানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ২৪ লাখ ৭১ হাজার ২৪৬ টাকা। বার্ষিক আয় ৪২ লাখ ২১ হাজার ৩৪৬ টাকা।
ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা–৭ আসনে মোস্তফা মোহসীনের মোট সম্পদ ৫ কোটি ৫০ লাখ ২৯ হাজার ৬২৬ টাকা। বার্ষিক আয় ১ কোটি ২ লাখ ৩ হাজার ৬৬২ টাকা। ঢাকা–১৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী শফিকুর রহমানের মোট সম্পদ ১ কোটি ৫ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৪ টাকার (হলফনামায় বার্ষিক আয় উল্লেখ নেই)। ঢাকা–১৭ আসনে আন্দালিভ রহমানের সম্পদ ১ কোটি ১০ লাখ ১৬ হাজার ৬১৬ টাকার। বার্ষিক আয় ২১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭০ টাকা। ঢাকা–৬ আসনে সুব্রত চৌধুরীর সম্পদ ১১ লাখ ২৯ হাজার ৯৬৮ টাকার। বার্ষিক আয় ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯৪ টাকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-মুক্তিপণ দাবি করা ছাত্রলীগ কর্মীদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ-প্রথম আলো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার রাতে দুজনকে আটকে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শাহবাগ থানা-পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা কোনো অভিযোগ না করায় এবং লিখিতভাবে কোনো অভিযোগ না আসায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ কর্মী হলেন, ঢাবির পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জামান ও সংগীত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রাজিউর রহমান।
অভিযুক্ত দুজনের সঙ্গে ভুক্তভোগী রিয়াজ ও সিফাতকেও শাহবাগ থানায় পাঠানো হয়েছিল। দুই পক্ষকেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরও জানান, পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি। পরে শুক্রবার দুপুর একটায় অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান ও রাজিউরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করার বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী সাইফুদ্দিন সিফাত প্রথম আলোকে জানান, ভয়ে তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক মানুষ তখন আমাদের ঘিরে ছিলেন। থানার বাইরে তাঁরা আমাদের বলেছিলেন, অভিযোগ অস্বীকার করলে তাঁরা কিছু না বলে, বড় কোনো ঝামেলা না করে আমাদের ছেড়ে দেবেন।’ এ ঘটনায় মামলা দায়েরের চিন্তা করছেন না বলেও জানান তিনি।
সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি-১ম শ্রেণীতে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছে ১২ শিশু-দৈনিক যুগান্তর
ঢাকা মহানগরের ৪১টি সরকারি হাইস্কুলে ৮৫ হাজার ৭৮৫ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেছে। এসব স্কুলে মোট আসন আছে ১২ হাজার ৩৬৬টি।
সে হিসাবে প্রতি আসনের জন্য গড়ে ৭ শিশু ভর্তিযুদ্ধে নামছে। অপরদিকে ঢাকার ৪১টি হাইস্কুলের মধ্যে ১৭টিতে প্রথম শ্রেণীতে শিশু ভর্তি করা হবে। ওইসব প্রতিষ্ঠানে মোট ১ হাজার ৯৬০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ২২ হাজার ১৭৯ জন। প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ১২ ক্ষুদে শিক্ষার্থী লড়বে।
একই সময়ে সারা দেশে ৪ শতাধিক সরকারি হাইস্কুলেও ভর্তির আবেদন নিয়েছিল সরকার। ওইসব প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বমোট আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪২টি। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যা জানা যায়নি। ১ ডিসেম্বর এসব প্রতিষ্ঠানে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে আবেদন নেয়া শেষ হয়।
এসব শিশুর ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ ডিসেম্বর। শেষ হবে ২০ ডিসেম্বর। এর মধ্যে শেষদিন প্রথম শ্রেণীর ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা মহানগরীর সঙ্গে দেশের প্রায় ৪শ’ সরকারি হাইস্কুলে ভর্তির আবেদন নেয়া হয়।
পরীক্ষা ও লটারিতে শিক্ষার্থী বাছাই শেষ হলে নির্বাচনী কাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটিয়ে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কাজ শেষ করা যাবে।
মির্জা আব্বাসের ওপর হামলা-দৈনিক মানবজমিন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নির্বাচনি গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুপুর ১টার দিকে এ হামলা হয়। জানা যায়, মির্জা আব্বাস ১৫-২০ জনের একটি দল নিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন। দলটি সেগুনবাগিচা মসজিদ এলাকায় এলে লাঠিসোটা নিয়ে একদল যুবক অতর্কিত হামলা করে। এসময় মির্জা আব্বাসের ওপরও হামলা চালানো হয়। কর্মীরা ঘেরাও দিয়ে তাকে রক্ষা করে। ছাত্রদল নেতা আপেল মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী হামলায় আহত হয়েছেন। মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন।
ইসিতে প্রতিকার চায় বিএনপি পুলিশ, প্রশাসন ও আ’লীগ এখন বিএনপির প্রতিপক্ষ
নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফন্ট্রের প্রতিপক্ষ এখন পুলিশ, প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ। ইসির কাছে প্রতিনিয়ত অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছি। কোনো পদক্ষেপ তারা দৃশ্যমান করতে পারছেন না বলে জানান বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি দল ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার ও সদর খানার ওসির প্রত্যাহার, প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি না করা এবং ড. কামাল হোসেনের গাড়িতে হামলার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে তিনটি চিঠি দেন। চিঠিতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষর করেন।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
জঙ্গি অভিযানে রক্তাক্ত কাশ্মীর, সেনার গুলিতে ৬ স্থানীয়ের মৃত্যুতে উত্তাল উপত্যকা-দৈনিক আনন্দবাজার
জঙ্গি অভিযানকে কেন্দ্র করে ফের রক্তাক্ত হল কাশ্মীর। সেনা অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হল। জঙ্গিদের পাল্টা হানায় মৃত্যু হল এক জওয়ানের। পরে একটি গোপন ডেরায় আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসবাদীদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ইট-পাথর ছুড়তে শুরু করেন সেনা জওয়ানদের দিকে। তাতে জওয়ানরা গুলি চালালে ৬ জন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়। বিক্ষোভকারীদের উপর এ ভাবে গুলি চালানোয় নতুন করে উত্তাল হয়ে উঠেছে উপত্যকা। যা উস্কে দিচ্ছে ২০১৬-র ভয়াবহ স্মৃতি, যখন হিজবুল মুজাহিদিন কম্যান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যু ঘিরে প্রায় দু’মাসব্যাপী প্রতিবাদ আন্দোলন চলেছিল উপত্যকায়। সেনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সেই সময় মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। আহত হয়েছিলেন প্রায় ২০০০ মানুষ। ছররা বন্দুকের আঘাতে দৃষ্টিশক্তিও হারিয়েছিলেন অনেকে।
‘নরেন্দ্র মোদীর জয় নয়, বলুন ভারতমাতার জয়’, নিজের জয়ধ্বনি আর শুনতে নারাজ প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক আনন্দবাজার
‘নরেন্দ্র মোদীর জয় বলবেন না।’ বলছেন খোদ নরেন্দ্র মোদী! পাঁচ রাজ্যে ভোটে হারের পরেই প্রধানমন্ত্রীর সুর বদলে গিয়েছে। ভোটের ফল প্রকাশের তিন দিনের মাথায় লোকসভা ভোটের প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে নেমে পড়লেন দলের বুথ পর্যায়কে মজবুত করতে। কেরলের কয়েকটি বুথের কর্মীদের সঙ্গে আজ দিল্লি থেকে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে দীর্ঘক্ষণ কথাও বলেন তিনি। আর সেখানেই এক কর্মী যখন তাঁর নামে জয়ধ্বনি দেন, তাঁকে থামিয়ে মোদী বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদীর জয় নয়, বলুন ভারতমাতার জয়।’’
বিরোধীরা বলছেন, ২০১৪-র ভোটের প্রচারের সময় থেকেই কর্মীদের জয়ধ্বনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতেন মোদী। এই সে দিন পর্যন্ত ছবিটা একই রকম ছিল। কিন্তু পাঁচ রাজ্যের ভোটে হারতেই সুর বদলে গেল! বিজেপি নেতৃত্বও বুঝতে পারছেন, দলের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেক সমর্থক নোটায় ভোট দিয়েছেন। যা চিন্তা বাড়িয়েছে মোদী-শাহের। তাঁরা বুঝতে পারছেন, মানুষের মন জেতার আগে কর্মীদের মন জিততে হবে। সেই কারণেই কর্মীদের চাঙ্গা করতে আসরে নামেন খোদ মোদী। কর্মীদের সঙ্গে তাঁর এই আলাপচারিতায় অবশ্য পাঁচ রাজ্যের হার নিয়ে কোনও কথা হয়নি। কারণ ওই নিয়ে প্রশ্ন ওঠেইনি! তাই মোদীও কিছু বলেননি। কর্মীদের মোদী বলেন, ‘‘মানুষের কথা শুনলে মানুষও আমাদের কথা শুনবে। মানুষের কথা বুঝতে হবে। পাশে থাকতে হবে।’’
জন্মের দু’ঘণ্টার মধ্যে আধার পেল সদ্যোজাত-দৈনিক আজকাল
ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম। জন্মের দু’ঘণ্টার মধ্যে সরকারি পরিচয় পত্র পেল সদ্যোজাত। গত ১২ ডিসেম্বর গুজরাটের সুরাটে জন্ম হয় শিশুটির। জন্মের দু’ঘণ্টার মধ্যে আধার, রেশন কার্ড এবং পাসপোর্ট পেয়ে যায় সদ্যোজাত শিশুটি। মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় প্রথম কোনও সদ্যোজাত এত দ্রুত নাগরিক পরিষেবার অধিকারী হল।
সদ্যোজাত শিশুর নাম তাঁর মা–বাবা রেখেছে রমাইয়া। অঙ্কিত নাগরানি নামে শিশুটির বাবা জানিয়েছেন, তিনি বরাবরই চেয়েছিলেন তাঁর মেয়ে জন্মের সঙ্গে সঙ্গে মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া পরিষেবার মাধ্যমে সবরকম নাগরিক পরিচয়পত্রের অধিকারী হোক।
কারাট গোষ্ঠীকে ঘুষ দিয়েছে বিজেপি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন সিপিএম সাংসদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
বিস্ফোরক অভিযোগ করে জাতীয় রাজনীতিতে হইচই ফেলে দিলেন কেরলের প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ তথা বর্তমানে কংগ্রেস নেতা এপি আবদুল্লাকুট্টি। লোকসভার এই প্রাক্তন সাংসদের অভিযোগ, ‘ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করতে বিজেপির থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে দলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট গোষ্ঠী। বিনিময়ে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করার খেলায় নেমেছেন তাঁর অনুগামীরা।’
সদ্যসমাপ্ত রাজস্থান বিধানসভার ভোটে সিপিএমের ভোট বিজেপির বাক্সে ঢুকেছে বলেও নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দাবি করেছেন বর্তমানে কংগ্রেসের নেতা আবদুল্লাকুট্টি। একটি ফেসবুক পোস্টে এই প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ দাবি করেছেন, ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগাভাগির জন্য বিজেপির কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে কারাট লবি। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সঙ্গে সিপিএমের একাংশের এই ‘গোপন আঁতাঁত’ নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে রাজনৈতিক মহলে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৫