নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি : হানিফ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি ।আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- সিইসির সভা থেকে উঠে গেলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা-দৈনিক প্রথম আলো
- নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি : হানিফ -দৈনিক ইত্তেফাক
- বন্দুকের নল নয়, আ'লীগ ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রের ধারায়: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
- সংবাদ সম্মেলনে সুজন-অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে -দৈনিক মানবজমিন
- সেনা মোতায়েনের পরও অবস্থার উন্নতি হয়নি, আশা করি হবে: রিজভী -দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
- সকলকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির -দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- ‘কিমের মতোই হত্যাকারী মমতা’, বিতর্কিত মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর -দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- ‘গুলি করে মারুন’ ফোনে নির্দেশ দিয়ে বিতর্কে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী-দৈনিক আনন্দবাজার
- ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান দিলেন উদ্ধব ঠাকরে-দৈনিক আজকাল-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
সকলকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির-দৈনিক নয়া দিগন্ত
রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য দলমত নির্বিশেষে সকল ধর্মের ও বর্ণের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বড়দিন উপলক্ষে বঙ্গভবনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আর মাত্র চার দিন বাকি রয়েছে। আমি আশা করছি যে, দলমত নির্বিশেষে আপনারা সবাই নির্বাচনের দিন আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।’ রাষ্ট্র প্রধান আগামী দিনগুলোতে সুখী, সমৃদ্ধ ও আনন্দময় জীবন কামনা করে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। এদেশে দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।’
সিইসির সভা থেকে উঠে গেলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা-দৈনিক প্রথম আলো
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন সেখান থেকে উঠে এসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিভিন্ন অভিযোগ জানাতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন। ঐক্যফ্রন্ট নেতারা অভিযোগ করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ‘আচরণ’ দেখে এবং অভিযোগ শুনতে অনীহার কারণে তাঁরা সভা ত্যাগ করেন।
সভা থেকে বেরিয়ে এসে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, সারা দেশে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের হত্যা, আক্রমণ অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ বিরোধী দলের ওপর চড়াও হচ্ছে। বিষয়গুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানিয়েছি। কিন্তু তার আচরণ দেখে মনে হয়েছে তিনি এতে গুরুত্ব দেননি। এসব বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেখাননি। এমন আচরণ করেছেন যেন আমরা মিথ্যা অভিযোগ করেছি। এ অবস্থায় আমরা সভা বর্জন করে সেখান থেকে উঠে এসেছি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১০ জন নেতা আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে করতে যান। বৈঠকের একপর্যায়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সভা ত্যাগ করে উঠে আসনে।
নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি : হানিফ-দৈনিক ইত্তেফাক
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, পরাজয়ের আশংকায় বিএনপি নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়ায় জেলার ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন। হানিফ বলেন, ‘দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেও জনবিচ্ছিন্ন ছিল, আবার ক্ষমতার বাইরে থেকেও জনবিচ্ছিন্ন। বিএনপি জানে নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে তাদের জয়লাভের কোন সুযোগ নেই। শুরুতে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করতে না পেরে নির্বাচন বানচালের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কায় এখন তারা নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।’
বন্দুকের নল নয়, আ'লীগ ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রের ধারায়: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
ঊনসত্তরের পর আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছে-বন্দুকের নল উঁচিয়ে নয়। গণতন্ত্র ছাড়া সমৃদ্ধি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বেগমগঞ্জ চৌরাস্তায় মন্ত্রী নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে নৌকার প্রার্থী মামুনুর রশীদ কিরণের সমর্থনে এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক মিডিয়ায় দেখেছি-আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে নয়, সমৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে, এটি ঠিক নয়। অর্থনীতিবিদ অমৃত্য সেন বলেছেন-গণতন্ত্র ছাড়া সমৃদ্ধি হয় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই দেশে সমৃদ্ধি হচ্ছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের ম্যাজিশিয়ান হল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা ম্যাজিকে সারা দেশে নৌকার জয়জয়কার। কারণ নৌকা উন্নয়নের প্রতীক। নৌকায় ভোট দিলে জনগণ কিছু পায়, দেশের উন্নয়ন হয়।
আতঙ্কের নাম পুলিশ-র্যাব-বিজিবি: রিজভী-দৈনিক প্রথম আলো
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভোটের ময়দান ফাঁকা করতে ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর সশস্ত্র হামলা চলছে। সারা দেশে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যারা মানুষকে নিরাপত্তা দেবে, সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই মানুষকে নিরাপত্তাহীন করে তুলছে।
রিজভী বলেছেন, সারা দেশে এখন ভয়ংকর আতঙ্কের নাম পুলিশ-র্যাব-বিজিবি। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) কতিপয় কমিশনার। আজ মঙ্গলবার সাংবাদ সম্মেলনে রিজভী এই অভিযোগ করেন। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
যুগান্তরের খবর-বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দুঃশাসনে দেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন-অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে-দৈনিক মানবজমিন
আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও সহিংসতার কারণে অবাধে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নিয়ে শঙ্কা ও সংশয় সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে সুজন। সংস্থাটি জানায়, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে সুস্থ প্রতিযোগিতার জন্য যে অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন তা এখনও সৃষ্টি হয়নি। নির্বাচনের জন্য আমরা সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসছিলাম। দেরিতে হলেও সংলাপ হয় তবে সমঝোতা হয়নি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে বলেই আমাদের ধারণা। কিন্তু প্রচারণায় হামলা, বাধা ও হয়রানির কারণে এখনো অনেক প্রার্থী নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালাতে পারছেন না। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি না হলে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবেন কি না সন্দেহ রয়েছে।
এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি
‘গুলি করে মারুন’ ফোনে নির্দেশ দিয়ে বিতর্কে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী-দৈনিক আনন্দবাজার
উত্তেজিত ভাবে তাঁকে ফোনে কথা বলতে শোনা যাচ্ছিল। ফোনে তিনি কাউকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন, ‘আমি জানি না ওরা কারা, কোন দয়া নয়,গুলি করে মারুন’। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর এই ফোনবার্তা নিয়েই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে কাকে তিনি নির্দেশ দিচ্ছিলেন, কেনই বা গুলি করার নির্দেশ?
বিষয়টা পরে অবশ্য ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়েছে। সূত্রের খবর, ফোনের ও পারে ছিলেন পুলিশের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিক। তাঁকেই নাকি এই নির্দেশ দিচ্ছিলেন কুমারস্বামী। দলীয় এক নেতা খুন হয়েছিলেন। তাঁকে যারা খুন করেছিল, তাদেরই গুলি করে মারার নির্দেশ দিচ্ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, জেডিএস নেতা এইচ প্রকাশকে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ দক্ষিণ কর্নাটকের মাণ্ড্যর কাছে গাড়ি থেকে নামিয়ে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তার পর দেহ ফেলে রেখেই চম্পট দেয় তারা।
ওই দিনই রাজ্যের বিজয়পুর জেলায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন কুমারস্বামী। সেখানে পা রাখা মাত্রই গোয়েন্দা সূত্রে তাঁকে দলীয় নেতার খুনের বিষয়টি জানানো হয়। তখনই তাঁকে উত্তেজিত ভাবে ফোনে নির্দেশ দিতে শোনা যায়, “উনি (এইচ প্রকাশ) ভাল লোক ছিলেন। এ ভাবে কারা তাঁকে খুন করল। যারা খুন করেছে, গুলি করে মারুন ওদের। কোনও সমস্যা হবে না।” কুমারস্বামী যখন এই নির্দশে দিচ্ছিলেন সেখানে স্থানীয় সাংবাদিকরাও হাজির ছিলেন। ফলে সেই ভিডিয়োটি সামনে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।
‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান দিলেন উদ্ধব ঠাকরে-দৈনিক আজকাল
কংগ্রেস সভাপতির স্লোগানই শোনা গেল শিবসেনা প্রধানের গলায়। যার ফলে অস্বস্তি বাড়লো এনডিএ সরকারের। চৌকিদার চোর হ্যায় এই স্লোগান তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিরন্তর খোঁচা দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এবার সেই একই স্লোগানই শোনা গেল শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের গলায়।বিজেপির এই শরিকদল মাঝেমধ্যেই তাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে। এবার এই স্লোগানের মধ্যে দিয়ে আরও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেন তিনি বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এখানে রাফালে চুক্তি নিয়ে নয়, মহারাষ্ট্রে কৃষি সমস্যা নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। কিছুদিন আগে কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলেছিলেন উদ্ধব। সেই প্রসঙ্গ তুলেই একটি সভায় তিনি বলেন, ‘আমরা জানি কীটনাশক তৈরিতে খুব উপযোগী লেবু গাছ। কিন্তু একজন চাষি আমায় বললেন এই প্রথম কোনও লেবু গাছে জীবাণু ধরতে তিনি দেখেছেন। আমি তাঁকে বললাম, এখন সময় পালটে যাচ্ছে। এখন দেশের চৌকিদাররাই চুরি করছেন।’ আর শরিকের এই মন্তব্য এখন ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে রাফাল প্রসঙ্গেও ঘুরিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে তোপ দাগেন উদ্ধব।
‘কিমের মতোই হত্যাকারী মমতা’, বিতর্কিত মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-দৈনিক
এর আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে শূর্পনখার সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন হরিয়ানার বিজেপি নেতা সূরজ পাল আমু। তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। এবার আরেক বিজেপি নেতা বিতর্কিত মন্তব্য করলেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বললেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের মতো আচরণ করছেন।”
রথযাত্রা ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার বিজেপি নেতারা মমতাকে ফ্যাসিবাদী বলে আক্রমণ করে আসছেন। দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা অভিযোগ করেছেন বাংলায় গণতন্ত্র নেই। এমনকী অমিত শাহ, অরুণ জেটলিদের মতো গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারাও একই অভিযোগে সরব হয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা গিরিরাজ সিং আরেক কাঠি উপরে উঠলেন। বাংলায় গণতন্ত্র নেই প্রমাণ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তুলনা করে বসলেন গিরিরাজ।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৫
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন