ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮ ১৩:৪৩ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৯ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি ।আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • কখনো ভোটে হারেনি ক্ষমতাসীন দল -দৈনিক প্রথম আলো
  • বিএনপির নির্বাচন বয়কটের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না: শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক
  • ইসি তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয়: কাদের -দৈনিক যুগান্তর
  • নির্ভয়ে ভোট দিন, আমরা আপনাদের আশেপাশে থাকব-দৈনিক মানবজমিন
  • ফজরের পরই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার -দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • বিএনপি-জামায়াত বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হবে : জয়-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন

ভারতের শিরোনাম:

  • ২ পুলিশকর্মীর মানবিক উদ্যোগে পথহারা বোনকে খুঁজে পেলেন দাদা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • লোকসভায় আর একা গরিষ্ঠ নয় বিজেপি ‘-দৈনিক আনন্দবাজার
  • কংগ্রেসের মা–ছেলের মতো রান্নাঘরে দল করে না বিজেপি, মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

বিএনপির নির্বাচন বয়কটের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না: শেখ হাসিনা-দৈনিক ইত্তেফাক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ প্রার্থীদের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘যদি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা বিএনপি নির্বাচন বয়কটের ঘোষণাও দেয় তবুও আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।’ তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে সাবধান করে দিচ্ছি বিএনপি-জামায়াতের একটি চরিত্রই রয়েছে নির্বাচনের মাঝপথেই তারা ঘোষণা দিতে পারে নির্বাচনে আমরা অংশ নিব না এবং আমরা নির্বাচন বয়কট করলাম। সেক্ষেত্রে আমি আমাদের প্রার্থী এবং অন্যদলের যারা রয়েছেন তাদেরকে বলবো নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট চালিয়ে যেতে।’

বিএনপি-জামায়াত বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হবে : জয়-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা জয়ী হবে জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস-আগামীকাল নির্বাচনে নৌকা মার্কা বড় জয়ের পথে। আমার আওয়ামী লীগের ভাই ও বোনেরা, একটি শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচন নিশ্চিত করাই আপনাদের মূল দায়িত্ব। সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতে, সব জনমত জরিপ বলছে-বিএনপি-জামায়াত বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হবে। তাই তারা তৎপর নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে।

কাল দেশকে ‘মুক্ত’ করার আহ্বান খালেদা জিয়ার-দৈনিক যুগান্তর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

বিএনপির সিনিয়ার যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামীকাল রোববার অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে দেশকে ‘মুক্ত’ করার জন্য সাধারণ ভোটার, ধানের শীষের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া কারাগার থেকে সাধারণ ভোটার, ধানের শীষের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী দুঃশাসনবিরোধী বার্তা দিয়েছেন।

‘তিনি (খালেদা জিয়া) বলেছেন-আগামীকাল আপনাদের সুযোগ আসবে স্বৈরশাসকদের হাত থেকে মুক্তিলাভের। দেশকে মুক্ত করার। সব হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।’

ইসি তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয়: কাদের-দৈনিক যুগান্তর

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ভিন্নমত থাকতে পারে। কারণ নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয়। শনিবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে পাঁচ সদস্যকেই ঐকমত্যে যেতে হয়, সিদ্ধান্তে একমত হতে হয়। একজন যদি ভিন্নমত পোষণ করে তা হলে সিদ্ধান্ত আটকে যায়। সেটি নিরাপত্তা পরিষদে।

কিন্তু নির্বাচন কমিশনে একজন মাত্র ভিন্নমত পোষণ করছে কোনো কোনো ব্যাপারে, সব ব্যাপারে নয়। সেটির জন্য তো মেজরিটির যে সিদ্ধান্ত, সেটি তো আটকে থাকতে পারে না। আমি মনে করি নির্বাচন কমিশন রাইট ট্র্যাকে আছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের অধীনে, সরকারের অধীনে নয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দল এতে অংশগ্রহণ করেছে।

কখনো ভোটে হারেনি ক্ষমতাসীন দল-দৈনিক প্রথম আলো

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন

বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত দলীয় সরকারের অধীনে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, তার প্রতিটিতেই জয়ী হয়েছে ক্ষমতাসীনেরা। ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮—বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্রই এক। ১৯৯০ সালের শেষে এক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সংক্ষিপ্ততম সময়ের জন্য গঠিত সংসদেই পাস হয়েছিল নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান। এরপর ১৯৯৬, ২০০১ আর ২০০৮ সালে তিনটি নির্বাচন এভাবেই হয়েছে। আর এই তিন নির্বাচনে ফল পুরোপুরি গেছে সর্বশেষ ক্ষমতায় থাকা দলটির বিরুদ্ধে। পরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয় এবং আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলই জয়ী হয়। 

নির্ভয়ে ভোট দিন, আমরা আপনাদের আশেপাশে থাকব-দৈনিক মানবজমিন

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিন, আমরা আপনাদের আশেপাশে থাকব। আজ দুপুরে আজিমপুর এলাকার ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে ভোটারদের অভয় দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সেনা প্রধান বলেন, নির্বাচনের পরে যেনো কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। 

এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি

লোকসভায় আর একা গরিষ্ঠ নয় বিজেপি ‘-দৈনিক আনন্দবাজার

জোড়াতালি দিয়েও আর লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারল না বিজেপি। পাঁচ বছর আগে ২৮২ জন সাংসদ নিয়ে বিজেপি যে ভাবে নরেন্দ্র মোদীর ৫৬ ইঞ্চির ছাতির জোর দেখাত, মেয়াদ ফুরোনোর সময় এখন সেটি নেমে এল ২৬৯-তে। যা কি না সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে তিনটি কম। 

গতকাল লোকসভায় ছিল তিন তালাক বিল নিয়ে বিতর্ক। সেই আলোচনায় থাকার জন্য দলের সাংসদদের উদ্দেশে হুইপ জারি করেছিল বিজেপি। হুইপ জারি হলে সংসদীয় দল থেকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কৃত সাংসদদেরও হাজির থাকতে হয়। কিন্তু তালাক বিলে ভোটাভুটির সময়ে হিসেব কষে দেখা যায়, বিজেপির ত্রিশ জনের মতো সাংসদ গরহাজির। এনডিএর অন্য শরিকদের নিয়ে সব মিলিয়ে আড়াইশোর মতো সাংসদের সমর্থন পায় শাসক শিবির। ফলে জোড়া অস্বস্তির মুখে পড়ে বিজেপি। কারণ, গতকালই বিজেপির দুই সাংসদ ইস্তফা দিয়েছেন লোকসভা থেকে। কারণ, তাঁরা রাজ্যে বিধায়ক হয়েছেন। তার পরে লোকসভায় বিজেপির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৯।

২ পুলিশকর্মীর মানবিক উদ্যোগে পথহারা বোনকে খুঁজে পেলেন দাদা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

কোলকাতা পুলিশের দুই কনস্টেবলের মানবতা

পুলিশের কাজে সন্তুষ্ট নন অনেকেই৷ পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ যেমন একাধিকবার উঠেছে তেমনই আবার ওঠে ইচ্ছাকৃত হেনস্তা করার অভিযোগও৷ কিন্তু সব অভিযোগ যে সবার ক্ষেত্রে খাটে না, তা প্রমাণ করলেন দুই পুলিশকর্মী৷ মানবিকতার জেরেই এক দাদা ফিরে পেলেন তাঁর কিশোরী বোনকে৷

শনিবার ভোরে রেড রোডের কাছে এক কিশোরী ঘোরাঘুরি করছিল৷ ওই কিশোরী কেন এমন সাতসকালে দিকভ্রান্তের মতো ঘোরাঘুরি করছে, তা দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের৷ অরুপ মুখোপাধ্যায় এবং রতন সোম নামে দুই পুলিশকর্মী কিশোরীর কাছে যান৷ কী কারণে এভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে সে, তার নাম কী, বাড়ি কোথায় এসব নানা প্রশ্ন করা হয় ওই কিশোরীকে৷ কিশোরী জানায়, ‘‘আমি সুইটি মল্লিক৷ ১৪ বছর বয়স৷ মন্দারমণির বাসিন্দা৷ দিঘার বাসে করে কলকাতায় চলে এসেছি৷ মাসির বাড়ি যাব৷ দাদার আমাকে নিতে আসার কথা৷ ফোন করছি৷ কিন্তু তিনি ফোন ধরছেন না৷ আর আমি রাস্তাও চিনি না৷ তাই এভাবেই এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম৷’’

একথা শুনে ওই দুই পুলিশকর্মী তাঁকে বসতে বলেন৷ সুইটির কাছ থেকে তাঁর মাসতুতো দাদা বান্টি মাইতির ফোন নম্বরও নেন পুলিশকর্মীরা৷ কিশোরীর দাদাকে ফোন করেন কনস্টেবলরা৷ দুই পুলিশকর্মী ফোনে সুইটির দাদার সঙ্গে কথা বলেন৷ পুলিশকর্মীরা কিশোরীর দাদাকে বলেন,‘‘ সুইটি রাস্তা না চেনায় আপাতত তাঁদের হেফাজতে নিরাপদেই রয়েছে৷’’ সন্তোষপুরের বাসিন্দা কিশোরীর দাদা বান্টি৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই বোনকে নিতে আসছেন বলেই জানান তিনি৷ পুলিশকর্মীরা কিশোরীকে অপেক্ষা করতে বলেন৷ সুইটির সঙ্গে কথা বলতে বলতেই তাঁরা জানতে পারেন রাত থেকে কিছুই খাওয়া হয়নি তার৷ দুই কনস্টেবলই কিশোরীকে কেক, রুটি, তরকারি এবং জিলিপিও খাওয়ান৷

খাওয়াদাওয়া সারতে সারতে বেজে যায় প্রায় দশটা৷ এদিকে ততক্ষণে রেড রোডের কাছে চলে এসেছেন কিশোরীর দাদা বান্টি৷ অরূপ এবং রতন নামে ওই দুই কনস্টেবল কিশোরীকে তাঁর দাদার হাতে তুলে দেন৷ বোনকে কাছে পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন বান্টি৷ দাদাকে খুঁজে পেয়ে খুশি সুইটিও৷

কংগ্রেসের মা–ছেলের মতো রান্নাঘরে দল করে না বিজেপি, মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-দৈনিক আজকাল

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জম্মু–কাশ্মীরের সমস্যা নিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকে দায়ি করলেন। তিনি শুক্রবার জানিয়েছেন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার প্যাটেলের কার্যক্রমে নেহেরু হস্তক্ষেপ না করলে, আজকে উপত্যকার পরিস্থিতি অন্যরকম হতো।

জম্মু–কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন কার্যকর হওয়া নিয়ে লোকসভাতে বিতর্ক চলাকালীন জিতেন্দ্র সিং কংগ্রেসের ওপর অভিযোগ এনে জানান, এই দলটি রান্নাঘরের দল (‌রসুইঘর কি পার্টি)‌। তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কারণই হলো কোনও রাজনৈতিক দল সাহস করে রাজ্যের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসেনি। তাই কোনও সরকার গঠন করা যায়নি।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯