ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী: নৌকার জয় হবে হবেই
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৩০ ডিসেম্বর রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি ।আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী: নৌকার জয় হবে হবেই-দৈনিক প্রথম আলো
- ভোটের সহিংসতায় ঝরল ১১ প্রাণ-দৈনিক প্রথম আলো
- তবে যুগান্তর লিখেছে-নির্বাচনী সহিংসতা ১২ জন নিহত হয়েছে
- বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে : সিইসি-দৈনিক ইত্তেফাক
- ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা-দৈনিক যুগান্তর
- যশোর-৩ সদরবেলা ১২টার মধ্যে সব কেন্দ্রে ভোট শেষ !-দৈনিক মানবজমিন
- স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর এই দৃশ্য দেখতে হলো : ড. কামাল-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- পড়ুয়াদের খুন করার পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- ‘নিজেদের রক্ষা করতে পারে না, আমরা কী আশা করব?’ ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কনস্টেবলের ছেলে-দৈনিক আনন্দবাজার
- দায় কার? তিনদিন পর তদন্তে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খবর
বাংলাদেশে আজ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট চলাকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা আগারগাঁও এ কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সংম্মেলনে বলেন-দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। খবরটি দৈনিক ইত্তেফাক ও যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণসহ অনেকগুলো জাতীয় দৈনিকে পরিবেশিত হয়েছে। তিনি বলেন, যে সব কেন্দ্রে অনিয়ম হবে সেসব কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকবে। সিইসি বলেন, নির্বাচনে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে। সিইসি বলেছেন, ধানের শীষের এজেন্টরা কেন্দ্রে না আসলে কী করার? তাঁরা কেন্দ্রে কেন আসেননি বা কেন কোনো এজেন্ট নেই, সেটা প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্টরাই বলতে পারবেন।
আর দৈনিক যুগান্তরের খবর- আজ সকালে ঢাকার দুটি কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার ও রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রার্থীর কোনো এজেন্টের দেখা পাননি বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে।
ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী: নৌকার জয় হবে হবেই-দৈনিক প্রথম আলো
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর বিজয় চিহ্ন দেখান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের ভোট দিয়ে আশা ব্যক্ত করেছেন, নৌকার জয় হবে, হবেই। প্রধানমন্ত্রী এ কথাও বলেন, নির্বাচনে যে ফলাফলই আসুন না কেন, তিনি ও তাঁর দল তা মেনে নেবেন। সকাল সোয়া আটটার দিকে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভোট দেওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন। এ সময় তিনি বলেন, নৌকার এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিজয় হবে। মানুষ উন্নয়নের পক্ষে তাদের রায় দেবে।
কেন্দ্রের বাইরে লম্বা ‘নকল’ লাইন-দৈনিক প্রথম আলো
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের (রায়পুর) দক্ষিণ গাইয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, বাইরে নারী ও পুরুষের বেশ লম্বা লাইন থাকলেও কাউকে ভোট দিতে ভেতরে যেতে দেখা যাচ্ছে না। ভোটার না ঢুকলেও ভেতরে সিল মারা হচ্ছে। আজ রোববার লক্ষ্মীপুরের এই কেন্দ্রে আধা ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করেও কোনো ভোটারকে ভেতরে ভোট দিতে যেতে দেখা যায়নি। এই কেন্দ্র ছাড়াও আরও দুইটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে নারী ভোটারদের উপস্থিতি নেই । নারী ভোটারদের কেন্দ্রের বাইরে থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ভোট নিয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোর অনলাইন ভার্সন ও অনলাইন পোর্টালগুলোর মিশ্র কিছু খবর তুলে ধরছি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে। আজ রোববার সকাল পৌনে নয়টার দিকে নিজ নির্বাচনী কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উদয়ন প্রি–ক্যাডেট একাডেমিতে ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। প্রথম আলোতে খবরটি এসেছে। আর দৈনিক যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিস্থিতি ডালেচালে খিচুড়ি বানিয়ে ফেলেছে ঐক্যফ্রন্ট।
দৈনিক মানবজমিনের খবর,জাতীয় ঐক্যফ্রণ্টের শীর্ষ নেতা ড.কামাল হোসেন বলেছেন, কারও মুখে উল্লখ দেখছি না। ভোটের নামে ডাকাতি ও প্রহসন চলছে।
সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ভোট চলাকালে বলেছেন ভুয়া ভোটে ভুয়া নির্বাচন হচ্ছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ভোটা চলাকালে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন সহিংসতা ও দখলের নির্বাচন চলছে। ভোট চলাকালে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, ২২১ আসনে ভোটগ্রহণে অনিয়ম হয়েছে। সিইসির আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হচ্ছে।, যুগান্তরের খবর-ভোট দিলেন না ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ।
নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট বিদেশি পর্যবেক্ষকরা-দৈনিক ইত্তেফাকের খবর
একাদশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসা কানাডা, ভারত, নেপাল ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।কানাডা থেকে আসা পর্যবেক্ষক তানিয়া ফস্টার রবিবার সকালে ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৫টি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি। এখানকার পোলিং এজেন্ট থেকে শুরু করে প্রিজার্ডিং অফিসার সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করছেন। ভোটাররা উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। বাংলাদেশের একাদশ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।
যশোর-৩ সদর-বেলা ১২টার মধ্যে সব কেন্দ্রে ভোট শেষ !-দৈনিক মানবজমিন
যশোর-৩ সদর আসনের ১৭২ ভোট কেন্দ্রে বেলা ১২টার মধ্যে ভোট গ্রহণ এক প্রকার শেষ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, গত রাত থেকেই নৌকার কর্মী সমর্থকরা প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করেছে। তার পরও বাকী যে যৎ সামান্য ব্যালট পেপার ছিল তা বেলা ১২টার মধ্যে নৌকার কর্মীরা সিল মেরে শেষ করে ফেলে।বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে এমএসটিপি কেন্দ্রে দেখা যায় বেশ কিছু ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য বুথে গেলেও পোলিং অফিসারগণ জানান বুথে কোন ব্যালট পেপার নেই। সব ব্যালট পেপার শেষ হয়ে গেছে। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪১২৮ জন। প্রিজাইডিং অফিসার দীপাঞ্জন পাল বলেন, সকাল থেকে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ায় সব ব্যালট শেষ হয়ে গেছ্ েএই কেন্দ্রে শতভাগ ভোট কাস্ট হয়ে গেছে বেলা ১২টার মধ্যেই।ভারত থেকে আসা আরেক পর্যবেক্ষক গৌতম ঘোষ বলেছেন, অসাধারণ উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমার কাছে সবকিছু শান্তিপূর্ণ মনে হচ্ছে।
দৈনিক মানবজমিনের অন্য একটি খবরের শিরোনাম-নো কমেন্ট
সারা এল টায়লর। তিনি এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ। বিদেশি পর্যবেক্ষক। তিনি জামেয়া মাদানিয়া বারিধারায় এক প্রতিষ্ঠানে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭ নম্বর কেন্দ্রের পুল ফেরত ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশি সহকর্মীরা।মানবজমিনের তরফে জানতে চাইলে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মী সারা মুচকি হেসে বলেন ‘নো কমেন্ট। ভোট চলাকালে আইজিপি বলেছেন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে।
সহিসংতা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর একটি খবরের শিরোনাম-ভোটের সহিংসতায় ঝরল ১১ প্রাণ
নির্বাচনী সহিংসতায় দেশের আট জেলায় ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোটার যেমন আছেন, তেমনি আছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী ছাত্রসেনার কর্মীও। রাজশাহীতে দুজন, চট্টগ্রামে দুজন, কুমিল্লায় দুজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাঙামাটি, নরসিংদী ও বগুড়ায় একজন করে নিহত হয়েছেন। যুগান্তর লিখেছে ১২ জন নিহত আর ইত্তেফাকে এসেছে নিহতের সংখ্যা-১৪।
ভোট যারা বর্জন করলেন: দৈনিক ইত্তেফাক, যুগান্তর, প্রথমআলোসহ প্রায় সব দৈনিকে লেখা হয়েছে, বিরোধীজোট ও স্বতন্ত্র ২১ প্রার্থীর ভোট বর্জন করেছে। পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোট কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২১ জন প্রার্থী ভোট বর্জন করেছে।
এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি
পড়ুয়াদের খুন করার পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
এ কী কথা শিক্ষকের মুখে। ছাত্রছাত্রীদের সহবত শেখানোর পরিবর্তে ইনি শেখাচ্ছেন হিংসার পাঠ। পড়ুয়াদের বলছেন, ‘আমার কাছে কাঁদতে কাঁদতে আসবে না। কারও সঙ্গে ঝগড়া হল তাকে মারো, খুন করে ফেলো। বাকিটা আমরা সামলে নেব।’ পূর্বাঞ্চল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাজা রাম যাদবের এই বক্তব্যে নিন্দার ঝড় নেটদুনিয়ায়।
ইনি পূর্বাঞ্চল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর রাজা রাম যাদব। বিদগ্ধ পণ্ডিত মানুষ। কিন্তু এত বড় গুরুদায়িত্বে থাকা সত্যেই তাঁর হিতাহিত জ্ঞানশূন্যতা দেখে হতবাক নেটদুনিয়া।
‘নিজেদের রক্ষা করতে পারে না, আমরা কী আশা করব?’ ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কনস্টেবলের ছেলে-দৈনিক আনন্দবাজার
উত্তেজিত জনতার ছোড়া পাথরের ঘায়ে বাবার মৃত্যুর পর রাজ্য পুলিশের তীব্র সমালোচনা করলেন নিহত পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে ভি পি সিংহ। সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ নিজেদেরই নিরাপত্তা দিতে পারে না। আমরা তাদের থেকে কী আর আশা করব? ক্ষতিপূরণ নিয়ে এখন কী করব? কিছু দিন আগেই তো বুলন্দশহরে ঠিক একই ঘটনা ঘটেছিল।’’
চলতি মাসে দ্বিতীয়বার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। ডিসেম্বরের একেবারে প্রথমের দিকে বুলন্দশহরে গো-হত্যার গুজবে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে গিয়ে প্রাণ হারান ইনস্পেক্টর সুবোধ কুমার সিংহ। তাঁর গায়েও প্রথমে জনতার ছোড়া পাথর এসে লাগে। তারপর তাঁরই সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে গুলি করে খুন করে স্থানীয় এক ব্যক্তি। শনিবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। মোদীর জনসভা থেকে ফেরার পথে গাড়ি থেকে নেমে উত্তেজিত জনতার অবরোধ সরাতে গিয়ে একটি পাথর এসে লাগে তাঁর মাথায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই কনস্টেবলের।
দায় কার? তিনদিন পর তদন্তে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি-দৈনিক আজকাল
মেট্রো রেলের সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই একের পর এক প্রশ্ন উঠছে৷ প্রশ্ন উঠছে, চালকের দায়বদ্ধতা নিয়েও। কেন আগুন লাগার পরেও মেট্রো থামাননি তিনি? কেনই বা কেবিনের দরজা বন্ধ করে নেমে গিয়েছিলেন? এমনই নানা প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষকে৷ সে দিন সন্ধ্যায় ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতেই এবার মেট্রোর সুড়ঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করলেন সিআরএস বা কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি৷ এই তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন মেট্রোর একাধিক আধিকারিক৷ কী কারণে এই বিপত্তি? খতিয়ে দেখবেন সিআরএস৷ মেট্রোর কর্তাদের কাছ থেকেও রিপোর্ট নেওয়া হবে৷ অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠানো হবে৷ তদন্ত রিপোর্ট পাঠাবেন সিআরএস৷ কিন্তু ময়দান মেট্রো রেলে আগুনের ঘটনার দায় কার? এই দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কিভাবে সামলানো সম্ভব? ঘটনার তিনদিন পর অবশেষে তদন্ত শুরু করল মেট্রো রেল।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৩০
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন