জানুয়ারি ০১, ২০১৯ ১৩:১৬ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১ জানুয়ারি মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • একক সরকার না ঐক্যমত্যের?-দৈনিক যুগান্তর
  • বিএনপির ‘ভরাডুবি’ কী কী কারণে, জানালেন কাদের-দৈনিক প্রথম আলো
  • অনন্য উচ্চতায় শেখ হাসিনা-ইতিহাস গড়ছেন চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে-দৈনিক ইত্তেফাক
  • ফল প্রত্যাখান করে পূর্ণনির্বাচনের দাবি ইসলামী আন্দোলনের-দৈনিক মানবজমিন
  • ‘বাংলাদেশের নির্বাচনে অনিয়মের ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘ সচেতন’-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:

  • স্কুলে হাজিরা দিতে বলতে হবে জয় হিন্দ, নির্দেশিকা গুজরাট সরকারের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • ২৯৮-এ হাসিনার জোট ২৮৮, পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক শুরু ‘-দৈনিক আনন্দবাজার
  • দলের জন্মদিনে মা–মাটি–মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী-দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন খবর

বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়- আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের। নব নির্বাচিতদের শপথ আগামী ৩ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবার। এখবরটি প্রথম আলোসহ প্রায় সব দৈনিকে এসেছে। আর যুগান্তরের খবরে লেখা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ ১০ জানুয়ারির আগেই হবে। প্রথমআলোসহ প্রায় সব দৈনিকের খবরে লেখা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে আজ ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, নির্বাচনে ভোট দেয়ার হার স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। ইত্তেফাকের খবর, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেছেন এ বিজয় গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয়। আর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। 

দৈনিক ইত্তেফাকের একটি খবরে লেখা হয়েছে, অনন্য উচ্চতায় শেখ হাসিনা-ইতিহাস গড়ছেন চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে। নির্বাচনের ভোট পড়ার

একক সরকার না ঐক্যমত্যের?-দৈনিক যুগান্তর

Image Caption

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট।একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় আওয়ামী লীগ চাইলে একাই সরকার গঠন করতে পারবে।আবার চাইলে জাতীয় ঐক্যমত্যের কিংবা মহাজোট সরকার গঠন করতে পারবে জোট শরিকদের সঙ্গে নিয়ে। জানা গেছে, সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আওয়ামী লীগ ও জোটের নেতারা সরকার গঠনের দায়িত্ব ও ক্ষমতা তার ওপর ন্যস্ত করবেন বলে জানা গেছে।

আর প্রথম আলোর খবর-জাতীয় পার্টির আগামীকাল বুধবারের যৌথসভায় সিদ্ধান্ত হবে দলটি সরকারে না কি বিরোধী দলে থাকবে। দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা আজ মঙ্গলবার এ কথা বলেছেন। রাজধানীর বনানীতে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রত্যাখ্যান বিএনপির-প্রার্থীদের নিয়ে ইসিতে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট-দৈনিক মানবজমিন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

নির্বাচন পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে বৈঠক  করেছে বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট। গতকাল বিকালে ধারাবাহিকভাবে এ বৈঠকের পর রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার নির্বাচন বাতিল দাবি করে সব প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেয়া হবে। অন্যদিকে, নির্বাচন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত প্রার্থীদের শপথ না নেয়ারও ইঙ্গিত দেন নেতারা। বিকালে দলীয় চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমরা এই ভোট ডাকাতির নির্বাচনকে পুরোপুরি বর্জন করেছি। অনতিবিলম্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। এই নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশে আর কখনো দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, ফল প্রত্যাখান করে পূর্ণনির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। 

‘বাংলাদেশের নির্বাচনে অনিয়মের ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘ সচেতন’-দৈনিক নয়া দিগন্ত

জাতিসংঘ

বাংলাদেশে রোববার হয়ে যাওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও সহিংসতার ঘটনাগুলোর ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘ সচেতন রয়েছে। জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্রের অফিস থেকে এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। জাতিসঙ্ঘের সংবাদ মাধ্যম ইউএন নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনের দিনে প্রার্থী ও ভোটারদের প্রাণহানি বা আহত হওয়ার ঘটনায় আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবার নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানানো হয়েছে এতে।

মিডিয়ার খবরের ওপর ভিত্তি করে এতে বলা হয়, নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে তিনি টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত হলেন। তবে বিরোধীরা জালিয়াতির ভোট আখ্যা দিয়ে এ ফলকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ-দৈনিক ইত্তেফাক

নতুন বছরের প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। এ বছর বিভিন্ন স্তরের ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি বই পৌঁছে দেয়ার এ আয়োজন করেছে সরকার। আজ আজিমপুর গর্ভমেন্ট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের খেলার মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয়ভাবে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

রাজধানীর ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে ২০১৯ সালের নতুন পাঠ্যবই তুলে দেন তিনি। নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দ ও উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।

অর্থনীতিতে আরও সুখের আশা-দৈনিক প্রথম আলো

দেশের অর্থনীতির স্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে নতুন বছর শুরু হচ্ছে। রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে, প্রবাসী আয় বাড়ছে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত খুবই ভালো অবস্থায়। বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব আসছে। আর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা স্বস্তি দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এমনই এক সুখকর অবস্থায় দেশে টানা তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার।   

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন বছর ও নতুন সরকার মিলিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা বেশি। প্রত্যাশাগুলো অবশ্য বেশির ভাগই পুরোনো—ব্যবসা সহজ করা, ব্যবসার খরচ কমানো, করব্যবস্থা সহজ করা, অবকাঠামো উন্নতি, জ্বালানির ব্যবস্থা করা, সুদের হার সহনীয় রাখা। এর সঙ্গে নতুন একটি প্রত্যাশা যোগ হয়েছে আওয়ামী লীগের ইশতেহার থেকে। ব্যবসায়ীরা চান, নতুন বছরে নতুন সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান শুরু করুক।

এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি

২৯৮-এ হাসিনার জোট ২৮৮, পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক শুরু-দৈনিক আনন্দবাজার

অভাবিত ফলাফল। ২৯৯টির মধ্যে একটি আসনে ভোট গোনা স্থগিত হয়েছে। বাকি ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলে এরশাদের জাতীয় পার্টি ও কয়েকটি ছোট দলকে নিয়ে শেখ হাসিনার মহাজোট পেয়েছে ২৮৮টি আসন। বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতাসীন দলের এই বিরাট জয়কে হাসিনা ‘উন্নয়ন ও দেশের অগ্রগতির পক্ষে এবং দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের রায়’ বলে ঘোষণা করলেও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির অভিযোগ করেছেন, ‘‘সাজানো নির্বাচনের ফল ভোটের আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছিল।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা ভোটে কারচুপির সব অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেছেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে মানুষ ভোট দিয়েছেন। হুদা জানান, ভোট পড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ।

স্কুলে হাজিরা দিতে বলতে হবে জয় হিন্দ, নির্দেশিকা গুজরাট সরকারের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

স্কুলে রোল কলের সময় ইয়েস স্যার বা প্রেজেন্ট ম্যাডাম বলাটাই দস্তুর। উপস্থিতি জানান দিতে নিজ নিজ ভাষায় হাজিরা দেয় পড়ুয়ারা। কিন্তু এবার সেই নিয়মে বদল আনছে গুজরাট সরকার। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই স্কুলে উপস্থিতি জানান দিতে বলতে হবে জয় হিন্দ, জয় ভারত। ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। অনেকে বলছেন, ‘‘এভাবে জোর করে কারও উপরে জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া যায় না।’’ স্থানীয় এক কংগ্রেস নেতা বলছেন, ‘‘আসলে জাতীয়তাবাদের আড়ালে নিজেদের অ্যাজেন্ডার প্রচার করছে বিজেপি। জয় হিন্দ বলাটা খারাপ কিছু নয়। কিন্তু কোনওকিছুই কারও উপরে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।’’

দলের জন্মদিনে মা–মাটি–মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী-দৈনিক আজকাল

২১ বছরে পা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই মঙ্গলবার দলের সব নেতা–নেত্রী–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন দলের সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের পথ চলা শুরু হয়। আর আজ মঙ্গলবার ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি। দলের জন্মদিন। 

এই দিনটিতে সবাইকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি টুইট করে বার্তা দিয়েছেন, ‘লড়াই, সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যে পথ চলা শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তা এখনও থামেনি। মানুষের জন্য এখনও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আমরা মা–মাটি–মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। ক্রমাগত সমর্থন করার জন্য। আর যে কর্মীরা সারা বছর ৩৬৫ দিন কঠিন পরিশ্রম করে যান মানুষের জন্য তাঁদেরকে জানাই স্যালুট।’

নেতৃত্বের অভাবেই হেরেছিল কংগ্রেস:‌ শেখ হাসিনা-দৈনিক আজকাল

বাংলাদেশের নির্বাচনে বিরোধী বিএনপি শাসক দল আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, বিএনপি–র নাম না করে সেব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কটাক্ষ, ‘বিরোধীদের প্রচারের কোনও ইস্যু ছিল না। তারা শুধু মোবাইল ফোনেই প্রচার সেরেছে। তারা শুধু নির্বাচন বরবাদ করার চেষ্টা করেছে।’ এপ্রসঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বর্তমান বিরোধী দল কংগ্রেসের তুলনা টেনে হাসিনা বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা ঠিক করতে পেরেছিল না কংগ্রেস। এত পুরনো এবং প্রতিষ্ঠিত একটা দল, অথচ দলের নেতা কে হবে, দেশকে কে নেতৃত্ব দেবেন, তা নিশ্চিত ছিল না। সেজন্যই গতবার মানুষ তাদের পক্ষে ভোট দেয়নি।’ বিএনপি–র মাত্র সাতটা আসন জেতার নিয়েও বিজেপির তুলনা টেনে হাসিনা বললেন, ‘যেবছর রাজীব গান্ধী নির্বাচন জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবছর বিজেপি মাত্র দুটি আসন পেয়েছিল। আজ তারা ক্ষমতায়। তাই প্রত্যেকটা দলেরই সুযোগ আসবে যদি তারা ভালো কাজ করে’। #     

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১