প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোনিয়ার অভিনন্দন
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২ জানুয়ারি বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোনিয়ার অভিনন্দন-দৈনিক ইত্তেফাক
- আ.লীগের জয় প্রত্যাশিত, ভোটের সংখ্যা নিয়ে সংশয়-দৈনিক প্রথম আলো
- ভুল শোধরে ইতিবাচক রাজনীতি করুন: বিএনপিকে নাসিম-দৈনিক যুগান্তর
- কাল সকাল ১১ টায় নতুন এমপিদের শপথ-দৈনিক মানবজমিন
- নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দিতে ড. কামালের আহ্বান-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- সাজানো সাক্ষাৎকার, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব নিয়ে টুইটারে কটাক্ষের বন্যা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- বন্দেমাতরম গান গাওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ, শিবরাজের নিশানায় কমলনাথ-দৈনিক আজকাল
- ‘রাফায়েল চুক্তির ফাইল মনোহর পর্রীকরের বেডরুমে’! এ বার ‘অডিয়ো বোমা’ ফাটাল কংগ্রেস-দৈনিক আনন্দবাজার
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. বাংলাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাগ্গা গ্রামে চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
২. মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে মিলে তার দেশ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও সিরিয়ার বিরুদ্ধে তৎপরতা অব্যাহত রাখবে। নতুন করে কেন আমেরিকাকে এই ঘোষণা দিতে হচ্ছে?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোনিয়ার অভিনন্দন-দৈনিক ইত্তেফাক
ভারতের কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শেখ হাসিনাকে বিশ্ব নেতাদের অভিনন্দনের ধারাবাহিকতায় সোনিয়া গান্ধী এই অভিনন্দন জানালেন।
এর আগে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির শীর্ষ নেতারা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জাতীয় নির্বাচনে জয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন জানান, বাংলার মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও।
আ.লীগের জয় প্রত্যাশিত, ভোটের সংখ্যা নিয়ে সংশয়-দৈনিক প্রথম আলো
যুক্তরাষ্ট্রের থিংক ট্যাংক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন, সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর দুর্বলতার কারণেই আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে যে ব্যবধানে ক্ষমতাসীন দল এই বিজয় অর্জন করে, তা যুক্তিকে হার মানায়। প্রথম আলোর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধির কাছে এক লিখিত মন্তব্যে কুগেলম্যান এই মন্তব্য করেন।
কুগেলম্যান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলো যেভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তাতে আওয়ামী লীগ যে এই নির্বাচনে জয়যুক্ত হবে, তা আগে থেকেই টের পাওয়া গিয়েছিল। তারাই ছিল এই নির্বাচনে ‘ফেবারিট’ দল। তবে নির্বাচনী ফলের সম্পূর্ণ একপেশে অবস্থা সন্দেহের উদ্রেক করে। কোনো রাজনৈতিক দল, তা সে যত জনপ্রিয় হোক না কেন, ৯৫ শতাংশের অধিক আসন দখল করবে—এ কথা ভাবার কোনো কারণ নেই। সন্দেহের সেটাই কারণ।
নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দিতে ড. কামালের আহ্বান-দৈনিক নয়া দিগন্ত
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি নতুন সরকারকে স্বীকৃতি না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও আহবায়ক ড. কামাল হোসেন। মঙ্গলবার জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই আহ্বান জানান।
ড. কামাল হোসেন বলেন, প্রহসনের এ নির্বাচনে জনগণের মতামতের কোনো প্রতিফলনই ঘটেনি। এটিকে সরকারের একটি ‘পাতানো নির্বাচন’ বলে উর্লেখ করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।
তিনি বলেন, ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ এ নির্বাচনকে বৈধতা দিয়ে নিজের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা। আমি আশা করি জাতিসঙ্ঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এ ‘ভোট ডাকাতি’র নির্বাচনকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেবে না।
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আহ্বান ইইউর প্রথম আলো
বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ যথাযথভাবে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সংস্থাটির মুখপাত্র গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছেন।
ইইউর মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক ফলাফল জানিয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ও বিরোধীদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আকুল আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। নির্বাচনের দিন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো বাধা থেকেই যায়, যা নির্বাচনী প্রচার ও ভোটকে কলঙ্কিত করেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব অনিয়মের অভিযোগ যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা এবং পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজটি করা নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইইউর প্রত্যাশা বাংলাদেশ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আমরা আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখব।’
আসনসংখ্যায় রেকর্ড, ভোটের ব্যবধানেও-দৈনিক প্রথম আলো
মহাজোটের মহাবিজয়ের পরে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৬০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে জয়ী হয়েছে ২৫৭টিতে। কেবল আসনসংখ্যা নয়, বিজয়ী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব এবং ভোটের ব্যবধান অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, মহাজোট প্রদত্ত ভোটের ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রাপ্ত ভোট ১২ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের ১১০ জনই পেয়েছেন প্রদত্ত ভোটের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট। আর বিপুল ভোটের এই হিসাব সরকারি দলের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বিএনপি এই ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। সাধারণ মানুষও ভোটের ফলাফলে অনেকটা বিস্মিত। পশ্চিমা গণমাধ্যমে এর সমালোচনা করে লেখালেখি হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, ভোটের এমন ব্যবধান বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশের কাছে প্রত্যাশিত নয়।
দৈনিক যুগান্তরে পরিবেশিত নির্বাচনোত্তর কয়েকটি খবর
স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম জাতীয় ঐক্যজোটকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ভুল শুধরে ইতিবাচক রাজনীতি করুন। ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন-মাথা গরম না করে শপথ নিন। এদিকে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। তবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নির্বাচন সম্পর্কে বলেছেন, মানবতা এখন কাঁদছে। রিজভী আরো বলেছেন,একতরফা নির্বাচনের মুখ্য উপাদান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর দৈনিক মানবজমিনের খবর- বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, স্বাধীনতা নতুন করে মহাসঙ্কটে নিপতিত।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
সাজানো সাক্ষাৎকার, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব নিয়ে টুইটারে কটাক্ষের বন্যা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
সাজানো সাক্ষাৎকার। উত্তরপত্র দেখে প্রশ্ন তৈরি করা হয়েছে। উনিশের প্রথম দিন সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারের পর টুইটারের এমনই কটাক্ষের বন্যা। বছরের পয়লা তারিখ এএনআইয়ের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী একাধিক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। নোট বাতিল থেকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সমীকরণ, রাম মন্দির থেকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক- সাংবাদিকের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন অকপটে। আর তা নিয়েই সমালোচনা শুরু হয়েছে নানামহলে৷
কংগ্রেসের অভিযোগ, সাক্ষাৎকার পর্বটি আত্মপ্রচারে ভরা। টুইটারে কেউ লিখেছেন, ‘প্রশ্নগুলো খারাপ ছিল না, তবে উত্তর সেই মন কি বাতের মতো, নিজের কীর্তি বর্ণনা৷ স্ক্রিপ্টটা আরেকটু ভাল হওয়া দরকার ছিল’৷ কারও আবার কটাক্ষ, ‘বিজেপি বুঝতে পেরেছে, প্রধানমন্ত্রীর কিছু বলা দরকার৷ তাই সাজানো একটি সাক্ষাৎকার করানো হয়েছে৷ উত্তরগুলো নির্বাচনী প্রচারে ভাষণের মতো‘৷
‘রাফায়েল চুক্তির ফাইল মনোহর পর্রীকরের বেডরুমে’! এ বার ‘অডিয়ো বোমা’ ফাটাল কংগ্রেস-আনন্দবাজার
‘রাফাল চুক্তির ফাইল মনোহর পর্রীকরের বেড রুমে’! এই দাবি নিয়েই এ বার মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অডিয়ো ক্লিপিংস বোমা ফেলল কংগ্রেস। গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথোপকথনের একটি অডিয়ো ক্লিপিংস শুনিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিংহ সূরযেওয়ালার দাবি, এই সব কারণেই রাফাল চুক্তির তদন্ত যৌথ সংসদীয় কমিটিতে দিতে চাইছে না সরকার।
ফ্রান্সের সঙ্গে রাফাল চুক্তি সই হওয়ার সময় মনোহর পর্রীকর ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। যদিও ২০১৭ সালে সেই দায়িত্ব ছেড়ে তিনি নিজের রাজ্য গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী হন।প্যানক্রিয়াসের ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁর চিকিৎসা চলছে। নাকে নল নিয়ে সম্প্রতি একটি ব্রিজ পরিদর্শনের ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এই পরিস্থিতিতেই বিস্ফোরক একটি অডিয়ো ক্লিপিং সামনে আনল কংগ্রেস। বুধবার ওই অডিয়ো ক্লিপিং চালিয়ে সাংবাদিকদের শোনান সূরযেওয়ালা। তাঁর দাবি, ওই কথোপকথনের অডিয়ো গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রাণের সঙ্গে অপরিচিত এক ব্যক্তির। যদিও ওই অডিয়ো ক্লিপিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
বন্দেমাতরম গান গাওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ, শিবরাজের নিশানায় কমলনাথ-দৈনিক আজকাল
পুরনো রীতি ভাঙতে চলেছে মধ্যপ্রদেশের নতুন কংগ্রেস সরকার। প্রথমেই যে রীতিটিকে ভাঙা হয় তা হল সচিবালয়ে দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়া চলবে না। বিজেপি সরকারের আমলে প্রত্যেক মাসের প্রথম কাজের দিনে এই গানটি গেয়ে সচিবালয়ের কাজ শুরু করা হতো। কিন্তু নতুন সরকার আসার পর সেই নিয়মে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। যা নিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকে। কংগ্রেসকে দেশবিরোধী বলেছে বিজেপি। পাল্টা জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীও। কমলনাথ বলেছেন, ‘নতুনভাবে আদেশ নিয়ে এসে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ ততদিন পুরনো রীতিকে স্থগিত করে রাখা হয়েছে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২