জানুয়ারি ১০, ২০১৯ ১৩:০২ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১০ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • পোশাকশ্রমিক সুমনের বাড়িতে মাতম-দৈনিক প্রথম আলো
  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে না: আইনমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
  • এ বছর বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে বাংলাদেশের : অর্থমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
  • আজও রাস্তায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা-পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত ৩০, ২৫ কারখানা বন্ধ-দৈনিক মানবজমিন
  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:    

  • সীতারমণকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে রাহুল, নোটিস মহিলা কমিশনের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন 
  • চিটফান্ড তদন্তে সক্রিয় হচ্ছে সিবিআই, তলব করা হতে পারে প্রভাবশালীদের-দৈনিক আনন্দবাজার
  • বৃদ্ধাবাসে বয়ষ্ক মানুষদের সঙ্গে থাকবে বয়ষ্ক গরুও, উদ্যোগ নিচ্ছে দিল্লি সরকার-দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

আজও রাস্তায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা-পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত ৩০, ২৫ কারখানা বন্ধ-দৈনিক মানবজমিন

গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়কে বিক্ষোভ

সদ্য ঘোষিত মজুরি কাঠামো বৈষম্য নিয়ে পঞ্চম দিনের মত আজও রাস্তায় নেমেছে গার্মেন্টস কর্মীরা। সকাল থেকেই তারা মিরপুর, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানা এলাকায় বিক্ষোভ করে। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্রমিকরা। এরমধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় অন্তত: ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এছাড়া ওই এলাকার ১০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকরা। অন্যদিকে গাজিপুরেও সকাল থেকে বিক্ষোভ ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানেও পুলিশ লাডিঠচার্জ করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৫টি কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়।

পোশাকশ্রমিক সুমনের বাড়িতে মাতম-দৈনিক প্রথম আলো

‘প্রত্যেক দিন দুপুরে সুমন খাবার লইয়া কাজে যাইত। বাসার কাছেই অফিস। কিন্তু কাল (মঙ্গলবার) দুপুরের খাওয়া লইয়া যাই নাই। দুপুরে খাইতে বাসা থাইকা অফিসে ফিরার পথেই পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকের সংঘর্ষের মধ্যে পইড়া আমাগর আদরের ভাইডা মইরা গেছে’ বলেই বিলাপ করে কথাগুলো বলছিলেন সুমনের বড় বোন তাছলিমা আক্তার। গতকাল বুধবার দুপুরে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কলাকান্দা গ্রামে নিহত পোশাকশ্রমিক সুমনের গ্রামের বাড়ি গেলে সেখানেই কথা হয় তাছলিমা আক্তারের সঙ্গে। 

সড়কে কাদেরের নজর ‘প্রথম রাতেই বিড়াল মারার’ মতো-দৈনিক প্রথম আলো

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাঁর কাজের প্রধান অগ্রাধিকার হবে সড়ক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। এ বিষয়ে তিনি ‘প্রথম রাতে বিড়াল মারার মতো’ নজর দিতে চান।

দ্বিতীয় দফা দফার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড ও দায়িত্ব তুলে ধরতে গিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক ও পরিবহনে বিশৃঙ্খলা জিইয়ে রেখে যতই প্রকল্প নেওয়া হোক না কেন, সড়ক-সেতু করা হোক না কেন, সেটার ফল বেশি ভালো হবে না। শৃঙ্খলা না থাকলে বড় বড় প্রকল্প করেও লাভ নেই। তাই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই হবে। 

এ বছর বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে বাংলাদেশের : অর্থমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক

অর্থমন্ত্রী আ হম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এ বছর বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে বাংলাদেশের। আশা করছি চলতি অর্থবছরে আমরা প্রবৃদ্ধি ৮.২৫ থেকে ৮.৩০ অর্জন করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক বলতো- আমাদের সাড়ে ৬ ভাগের বেশি প্রবৃদ্ধি হবে না। এবার বিশ্বব্যাংকই বলেছে- আমাদের সাত ভাগের উপরে প্রবৃদ্ধি হবে। এ বছর আমাদের যে অর্জন হবে, এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ।’

দৈনিক যুগান্তরের খবর- আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের কোনো সম্ভাবনা নেই। আমরা চাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেন কোনো অপব্যবহার না হয়। লক্ষ্য রাখতে হবে কোনো এ্যাকুস না হয়, কোনো মিস উইজ না হয়।’ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ সব কথা বলেন।

বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার ধাঁধা: ভারতের কম, চীনের বেশি?-দৈনিক মানবজমিন

বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার ধাঁধা: ভারতের কম, চীনের বেশি?

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল বিশ্বাসযোগ্যতা থেকে অনেক দূরে। আর যদি ২৮৮টি আসনে আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপির মাত্র পাঁচটিতে জয়ী হওয়ার নির্বাচনী ফলাফল যথেষ্ট বেদনাদায়ক নাও হয়, তবুও ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা প্রবাদপ্রতীম প্যান্ডোরার বাক্সের চেয়েও অনেক বেশি বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।     মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতাদের পুরোপুরি অনুপস্থিতিও অনেক দিক থেকে অবাক করা ঘটনা। স্বাধীনতা-যুগের কয়েকজন নায়কের স্থানে নতুন মুখের আগমন ঘটেছে: ঘোষিত ৪৭ মন্ত্রীর মধ্যে ৩১ জনই নতুন। এমনকি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অনুগত সদস্যরাও মন্ত্রিসভায় স্থান পান নি। এখন নির্বাচনী ডামাডোল শেষ হয়ে যাওয়ায় বিশ্লেষকরা নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দিকে তাদের মনোযোগ ফিরিয়েছেন। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ বেশির ভাগ বাংলাদেশিই এই মন্ত্রিসভা নিয়ে হতবুদ্ধিকর অবস্থায় পড়ে গেছেন। জাদুকররা যেভাবে টুপির ভেতর থেকে খরগোশ বের করেন, শেখ হাসিনাও এমন একটি দল (মন্ত্রিসভা) গঠন করেছেন, যা নিয়ে কোনো ধরনের ভবিষ্যদ্বাণীই করা যায় নি। এই বিস্ময়ের পেছনে রহস্য কী? বিরাজমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপট বিবেচনা করলে সাধারণ বুদ্ধিতেই বোঝা যাবে যে, ছোট দেশগুলোর স্থানীয় রাজনীতিতে বড় শক্তিগুলোর হাত থাকে। কলা-কৌশলে কিংবা বলপ্রয়োগ করে ‘বড় ভাইয়েরা’ তাদের অনুকূলে চলতে ছোট দেশগুলোকে বাধ্য করে।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা প্রদানের জের ধরে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের ওপর ভারতের জোরালো প্রভাব রয়েছে এবং দেশটি আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ। ভারত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখলেও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ফ্রন্টে চীন বিশাল প্রেক্ষাপটে আবির্ভূত হওয়ায় দৃশ্যত সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে গেছে। শক্তিশালী বিশ্বশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশকারী চীন তাৎপর্যপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, এতে সম্ভবত সন্তুষ্ট নয় কেউই। 

ভারত দেখছে, তাদের একটির পর একটি প্রতিবেশী পূর্বমুখে বেইজিংয়ের দিকে তাকাচ্ছে, ধীরে ধীরে দিল্লি থেকে সরে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও কী তাই ঘটছে? আঞ্চলিক রাজনীতির খেলায় কৌশলী খেলোয়াড় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্ভবত চীনের দিকে অধিক ঝুঁকেছেন। তার নতুন মন্ত্রিসভায় সম্ভবত ওই পদক্ষেপেরই সূক্ষ্ম প্রতিফলন ঘটেছে। নিশ্চিতভাবেই মনে হচ্ছে ভারতের সঙ্গে নাড়ির সম্পর্কটি কেটে গেছে বা কাটা পড়ার পর্যায়ে রয়েছে। আর এটিও বেশ নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে যে ভারতকে তার মুষ্ঠি শিথিল করতে হচ্ছে। তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমুর মতো আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এবং হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের মতো সিনিয়র নেতারা ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের প্রশাসনিক বা নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছিলেন। তারা সবাই অপাংক্তেয় হয়ে গেছেন। ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি, কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মতো প্রভাবশালী ভারতীয় মহলের সঙ্গে এসব নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

এটি ভারতকে বিশেষ সুবিধা দিতো এবং ওই শক্তিটিই এখন মনে হচ্ছে খোয়া গেল। যোগাযোগের প্রতিষ্ঠিত পথটি কেটে গেছে। অসিম কুমার উকিল, মৃণাল কান্তি দাস, শাফি আহমেদের মতো আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সারির ছোট, তবে তাৎপর্যপূর্ণ যেসব নেতাকে ভারত প্রতিরক্ষার দ্বিতীয় প্রাচীর হিসেবে গড়ে তুলেছিল, তারা সবাই হাসিনার আশীর্বাদ থেকে সরে গেছেন। দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষাকারীদের মধ্যে যারা থেকে গেছেন তাদের মধ্যে সম্ভবত আছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি। তবে দিপু মনিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেয়ায় (আগে তিনি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান) তিনিও নয়াদিল্লির স্বার্থ দেখভাল করার ক্ষেত্রে সামান্যই ভূমিকা রাখতে পারবেন। একইভাবে যাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেয়া হয়েছে তাদের কেউই, তোফায়েল আহমেদ ও আমুর সঙ্গে ভারতের যেমন ঘনিষ্ঠতা ছিল, তেমন ঘনিষ্ঠ নন। 

এসব নেতাকে খুব বেশি পাশে সরিয়ে রাখাটা সম্ভবত দিল্লিকে দূরে রাখার একটি হিসাবি চাল। বলা হয়ে থাকে, ভারত এসব নেতার মাধ্যমে বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতো, স্বার্থ আদায় করে নিতো। তোফায়েল ও আমুর মতো নেতারা দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেয়ায় যোগাযোগ লাইনটিই কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যোগাযোগের একমাত্র যে লাইনটি রয়ে গেছে তা একেবারে সরাসরি এবং তা হলো হাসিনার সঙ্গে। মনে হচ্ছে, তিনি এমনটিই চেয়েছেন।

গণতন্ত্রের সূচকে চার ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের-দৈনিক প্রথম আলো

গণতন্ত্রের সূচকে আবার কিছুটা এগোল বাংলাদেশ। চার ধাপ এগিয়ে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম। গতকাল বুধবার এ সূচক প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট–এর ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।

এর আগেরবার ২০১৭ সালের সূচকে বাংলাদেশের বড় অবনতি হয়েছিল। পিছিয়ে গিয়েছিল আট ধাপ। ১৬৫টি দেশ ও ২টি ভূখণ্ডের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয় ৯২তম। আর্থাৎ তার আগের বছর ২০১৬ সালের সূচকে বাংলাদেশ ছিল ৮৪তম।

এবার চার ধাপ এগোলেও বাংলাদেশকে আগেরবারের মতো ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থার’ বিভাগে রাখা হয়েছে। ‘হাইব্রিড’ বলতে এমন ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়, যেখানে প্রায়ই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়। বিরোধী দল এবং বিরোধী প্রার্থীদের ওপর সরকারের চাপ নৈমিত্তিক ব্যাপার। দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার এবং দুর্বল আইনের শাসন। নাগরিক সমাজ দুর্বল। বিচারব্যবস্থা স্বাধীন নয় এবং সাংবাদিকদের হয়রানি এবং চাপ দেওয়া হয়। মূল্যায়নের ১০ পয়েন্টের মধ্যে এবার বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ৫৭। আগের বছর ছিল ৫ দশমিক ৪৩।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-দৈনিক নয়া দিগন্ত

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে শেখ হাসিনা এই মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লী হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

এরপর থেকে ১০ জানুয়ারিকে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আছে সমগ্র দেশবাসী।

এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি

সীতারমণকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে রাহুল, নোটিস মহিলা কমিশনের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী

রাফায়েল বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়াতে গিয়ে  বিপাকে পড়লেন রাহুল গান্ধী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে নিয়ে তাঁর বেফাঁস মন্তব্যে ধেয়ে এসেছে সমালোচনার ঝড়। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতির মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নোটিস জারি করল জাতীয় মহিলা কমিশন। কিন্তু বিতর্কের এখানেই শেষ নয়। মোদিকে পালটা দিয়ে ফের একটি টুইট করেছেন রাহুল গান্ধী। সেখানে তিনি বলেছেন, পুরুষের মতো আচরণ করুন, নারীকে সম্মান করা শুরু হয় নিজের ঘর থেকে।

বৃদ্ধাবাসে বয়ষ্ক মানুষদের সঙ্গে থাকবে বয়ষ্ক গরুও, উদ্যোগ নিচ্ছে দিল্লি সরকার-দৈনিক আজকাল

বৃদ্ধ নিবাসে মানুষ ও গরুর সহাবস্থান চান মন্ত্রী

একদিকে উত্তরপ্রদেশে গরুদের উন্নয়নে চালু করা হয়েছে গো–শুল্ক। পিছিয়ে নেই দিল্লি সরকারও। রাজধানীর দায়িত্বে থাকা আপ সরকার গরুদের জন্য এক অভিনব উদ্যোগ নিতে চলেছে। বুড়ো হয়ে যাওয়া গরুদের এবার রাখা হবে বৃদ্ধাশ্রমে। জানিয়েছে পশুপালন দপ্তর।

নতুন এই উদ্যোগ সম্বন্ধে পশুপালন মন্ত্রী গোপাল রাই জানান, পশু এবং মানুষ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। পশু স্বাস্থ্য ও কল্যাণমূলক নীতি নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব স্বাভাবিক গরু যতদিন দুধ দেয় ততদিনই তাকে আমরা লালিত–পালিত করি। কিন্তু সেটি বুড়ো হয়ে গেলে তার যত্ন নিই না। একইভাবে মানুষও বৃদ্ধ হয়ে গেলে তাঁকেও আমরা জোর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিই এবং বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় হয় তাঁর।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি অভিনব সহবস্থান অনুষ্ঠানের আয়োজন করব।

চিটফান্ড তদন্তে সক্রিয় হচ্ছে সিবিআই, তলব করা হতে পারে প্রভাবশালীদের-দৈনিক

চিটফান্ড তদন্তে সিবিআই

বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে আবার কোমর বেঁধে নামছে সিবিআই। সারদা-রোজভ্যালি ছাড়াও রাজ্যের শ’খানেক চিটফান্ডের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযানে নামতে চলেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এ রাজ্যে বেশ কয়েক মাস ধরে চিটফান্ড তদন্তের গতি থমকে ছিল। সিবিআই সূত্রে খবর, ওই মামলাগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালীদের তলব করা হতে পারে।

চিটফান্ডের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু

বৃহস্পতিবার মঙ্গলম অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড নামে একটি চিটফান্ড সংস্থার অফিসে হানা দেয় সিবিআই। এর পাশাপাশি বেহালায় ওই সংস্থার ডিরেক্টরদের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে বলে ওই গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর। চিটফান্ড-কাণ্ডের তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর রাজ্যে যে সব ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থা রয়েছে, তার একটি তালিকা তৈরি করে সিবিআই। প্রথম দিকেই নাম উঠে আসে সারদা, রোজভ্যালি, এমপিএস-এর মতো সংস্থাগুলির। এ ছাড়াও রাজ্যে বেশ কয়েকটি চিটফান্ড সংস্থার সক্রিয় থাকার প্রমাণ পান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। অনেক চিটফান্ড সংস্থা ব্যবসার ধরন বদলেও, বেশ কয়েক বছর সক্রিয় ছিল। একে একে ওই সব বেআইনি সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হিন্দি আবশ্যিক! নয়া শিক্ষা নীতি ঘিরে জোর জল্পনা

সারা দেশে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হিন্দি আবশ্যিক করা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কে কস্তুরীরঙ্গন কমিটির ‘নিউ এডুকেশন পলিসি’ (এনইপি) বা শিক্ষা নীতি সামনে আসতেই সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার। বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে তীব্র প্রতিবাদ করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর আশ্বাস দিয়েছেন, কোনও ভাষাই চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

কে কস্তুরীরঙ্গন কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছেসারা দেশে এক শিক্ষানীতির কথা। ভাষা, বিজ্ঞান ও অঙ্ক, এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা-এই ত্রিমুখী নীতিতে বলা হয়েছে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হিন্দির পাঠ বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক। বিজ্ঞান এবং অঙ্ক সারা দেশে একই রকম সিলেবাস। এছাড়াও জোর দেওয়া হয়েছে কর্মদক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার উপর। তবে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনের জন্য সিলেবাস তৈরির কথাও বলা হয়েছে কমিটির সুপারিশে।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১০