জানুয়ারি ১৩, ২০১৯ ১২:৩৪ Asia/Dhaka
  • আহমদ শফীর বক্তব্যে ক্ষোভ, প্রত্যাহার দাবি

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৩ জানুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • আহমদ শফীর বক্তব্যে ক্ষোভ, প্রত্যাহার দাবি-দৈনিক প্রথম আলো
  • খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি দুপুরে: দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • উপজেলা নির্বাচন: বিএনপির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ২০ দল-ঐক্যফ্রন্ট-দৈনিক যুগান্তর
  • বিদেশে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু: প্রতিদিন গড়ে ১০ জন কর্মীর লাশ আসছে-দৈনিক ইত্তেফাক
  • আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ আহত ২০-দৈনিক মানব জমিন
  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসছে সরকার-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:

  • পাক সহায়তায় মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে কংগ্রেস’, আক্রমণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • বিজেপির বিরুদ্ধে জোর প্রচারে নামছে সপা-বসপা জোট, এক সঙ্গে ২০টি সমাবেশ ১৮ ডিভিশনে- দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • সই রাষ্ট্রপতির, আইন হল উচ্চবর্ণ সংরক্ষণ-দৈনিক এই সময়

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

 প্রথমেই বাংলাদেশ

আহমদ শফীর বক্তব্যে ক্ষোভ, প্রত্যাহার দাবি-দৈনিক প্রথম আলো

দেশের শিক্ষায় যত অগ্রগতি হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে মূল সূচকগুলোতেই মেয়েরা এগিয়ে। কর্মক্ষেত্রেও নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে নারীর অগ্রগতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ প্রশংসিত হচ্ছে, স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার অর্জন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী গত শুক্রবার চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে মেয়েদের স্কুল-কলেজে না পাঠাতে বলেছেন। আর পাঠালেও চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক, মানবাধিকার ও নারী সংগঠন এই বক্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, আহমদ শফী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সরাসরি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কেউ সংবিধানবিরোধী কথা বললে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের নিশ্চয়ই কোনো না কোনো নীতি আছে। এ ক্ষেত্রে সরকার কী পদক্ষেপ নিল, তা দেখতে চান সুলতানা কামাল।

এ প্রসঙ্গে সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী গতকাল চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, যিনি এই মন্তব্যটা করেছেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন বা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা বা শিক্ষা খাতে কোনো নির্বাহী দায়িত্বে নেই। তাঁর এই বক্তব্য রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি দুপুরে: দৈনিক কালেরকণ্ঠ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু হচ্ছে আজ দুপুরে। আজ রবিবার দুপুরে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯নং বিশেষ জজ আদালতে বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি এই মামলার শুনানিতে কারাবন্দি খালেদা জিয়া হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজির হয়েছিলেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।

উপজেলা নির্বাচন: বিএনপির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ২০ দল-ঐক্যফ্রন্ট-দৈনিক যুগান্তর

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। মার্চে এ নির্বাচন ঘিরে মাঠ গোছানো শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।

অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনে ‘শোচনীয়’ পরাজয়ের পর দিশাহারা বিএনপি জোট। সংসদের পর দেশের সবচেয়ে বড় এ নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা সেটি নিয়ে দোটানায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের শরিক দলের নেতারা।

তাদের মধ্যে কোনো কোনো শরিক দল অংশ নেয়ার পক্ষে, আবার কেউ বিপক্ষে। তারা প্রধান শরিক দল হিসেবে বিএনপির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনে যাবে কি যাবে না সে বিষয়ে জোটের প্রধান শরিক বিএনপি সিদ্ধান্ত নেবে। এর পর আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানাব।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না যুগান্তরকে বলেন, আমি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে। তবে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।

২০ দলের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলা সংগঠনের কাছ থেকে মতামত চেয়েছি। একাদশ সংসদ নির্বাচন কেমন হয়েছে তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন। এমন অবস্থায় উপজেলা নিয়ে নেতৃবৃন্দ কি ভাবছেন, সে বিষয়ে মতামত নিচ্ছি। ইতিবাচক মতামত পেলে জাতীয় নির্বাচনের মতো ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি এখনই বলার সময় হয়নি। মতামত নেয়ার পর্যায়ে কেবল আছি। আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা নেব।

এদিকে ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপির সঙ্গেও এখন পর্যন্ত আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিলে জামায়াতে ইসলামী নেতাদের ধানের শীষ প্রতীক দেয়া হলে তাতে আপত্তি জানাবে দলটি। এমনকি বিএনপি এমন সিদ্ধান্ত নিলে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে না যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, উপজেলা নির্বাচনের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে তো আসতেই হবে। আমার সৌভাগ্য যে, ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সবাই ঐকমত্যের ভিত্তিতে সব সিদ্ধান্ত নেয়। উপজেলা নির্বাচনের বিষয়ে তফসিলের আগেও ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক হতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আমরা কোনো দিন রাজনীতি করিনি, এখনও করি না এবং ভবিষ্যতেও করব না।

দলটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, আমরা আগেই পরিষ্কার করে বলেছি- জামায়াতের সঙ্গে আমরা ছিলাম না। বিএনপির সঙ্গে আমাদের জোট হয়েছে, ২০ দলের সঙ্গে নয়। উপজেলা নির্বাচনে জামায়াত নেতাদের ধানের শীষ প্রতীক দেয়া হলে গণফোরাম জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না।

বিদেশে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু: প্রতিদিন গড়ে ১০ জন কর্মীর লাশ আসছে-দৈনিক ইত্তেফাক

ভাগ্য ফেরাতে বিদেশে কাজ করতে যান বাংলাদেশি কর্মীরা। বেশিরভাগ কর্মীই এজন্য শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করেন, নয়তো ঋণ করে যান। কিন্তু প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যেমন ফিরছেন অনেকে, তেমনই কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুও হচ্ছে অনেক কর্মীর। গত বছর রেকর্ড সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ২০১৮ সালে মোট ৩ হাজার ৭৯৩ বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিদিন গড়ে ১০ জনের বেশি কর্মীর মরদেহ দেশে এসেছে। বলা হচ্ছে, বেশিরভাগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে আকস্মিক মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও হৃদরোগে। এই বিপুল সংখ্যক মৃত্যুতে বাংলাদেশি কর্মীদের জীবন, কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্রই উঠে এসেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী ২০১৮ সাল ছিল সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যুর বছর। ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৩৮৭ অভিবাসী কর্মীর মরদেহ এসেছিল। ২০১৬ সালে এসেছিল ৩ হাজার ৪৮১ জনের মরদেহ। ২০১৫ সালে ২ হাজার ৮৩১ জন। আর ২০০৫ সালে সেখানে এসেছিল ১ হাজার ২৪৮ কর্মীর মরদেহ।

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ আহত ২০-দৈনিক মানব জমিন

সাভারের আশুলিয়ায় টানা সপ্তম দিনের মত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন শ্রমিক। আজ সকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শ্রমিকরা জানান, সপ্তম দিনের মত আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে বাইপাইল-আবদুুল্লাহপুর মহাসড়কের আশুলিয়ার নরসিংপুর অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন শ্রমিক আহত হন। এদিকে বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা টানা সপ্তম দিনের মত উৎপাদন বন্ধ থাকায় মালিকরা চরম বিপাকে পড়েছে।

এছ্ড়াা সাভারে বেশিরভাগ পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিলেও সকালে উলাইল এলাকার এইচ আর টেক্সটাইল গার্মেন্টসে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে। কোন প্রকার গুজবে কান না দিয়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেয়ার আহবান জানিয়েছে শিল্প পুলিশ ১ এর পরিচালক শানা শামীনুর রহমান।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসছে সরকার-দৈনিক নয়া দিগন্ত

নির্বাচনের আগে যেসব দল এবং জোট সংলাপে অংশ নিয়েছে, তাদেরকে আবারো গণভবনে ডেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপে বসবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাদেরকে আবার চিঠি দিয়ে সংলাপে ডাকবেন তিনি (প্রধানমন্ত্রী)।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ‘জাতীয় সংলাপ’ করার ঘোষণা দেওয়ার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএনপিসহ কয়েকটি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দল নিয়ে গতবছর ১৩ অক্টোবর গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়।

বিজেপির বিরুদ্ধে জোর প্রচারে নামছে সপা-বসপা জোট, এক সঙ্গে ২০টি সমাবেশ ১৮ ডিভিশনে

২৪ বছর পর হাতে হাত মিলিয়ে এ বার উত্তরপ্রদেশের জেলায় জেলায় যৌথ সভা, সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি (বসপা) ও অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি (সপা)। ঠিক হয়েছে, রাজ্যের ১৮টি ডিভিশনে ২০টি যৌথ সমাবেশ হবে। তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী দিয়েও শুরু হতে পারে। সপা, বসপার ওই যৌথ সমাবেশগুলি কবে কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও, বিজেপির তারকা নেতাদের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির একটিও সেই সমাবেশের তালিকা থেকে বাদ পড়বে না বলে সপা, বসপা জোট সূত্রের খবর।

সমাবেশগুলির লক্ষ্য হবে ৩টি। এক, সপা এবং বসপা, দু’টি দলেরই তৃণমূল স্তরের কর্মী, নেতৃত্বের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া যে, মায়াবতী ও অখিলেশের মধ্যে বোঝাপড়ার কোনও অভাব নেই। তাই দীর্ঘ দিনের বিরোধ, বিবাদ ভুলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে দু’টি দলেরই নীচের তলার কর্মী, সমর্থকদের হাতে হাত মিলিয়ে চলতে হবে। দুই, যাতে একই বার্তা পৌঁছয় দু’টি দলের নিজস্ব ভোটব্যাঙ্কের কাছে। তিন, জাতপাতের সমীকরণগুলি সঠিক ভাবে মেলে আর তাতে জোট প্রার্থীদের ভোটের ঝুলি ভরে।

পাক সহায়তায় মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে কংগ্রেস, আক্রমণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

একদিকে যখন বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে অসহিষ্ণুতা নিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে আক্রমণ করছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, তখন পাকিস্তান ইস্যুতে কংগ্রেসের সমালোচনায় মুখর কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ৷ বিজেপি নেত্রী সাফ জানালেন, পাকিস্তানের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে কংগ্রেস৷ তাদের সাহায্য চাইতে কংগ্রেস নেতারা বারবার পাকিস্তানে উড়ে যাচ্ছেন৷ দীর্ঘদিন এই ধরনের রাজনীতি করে আসছে কংগ্রেস৷

শনিবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির জাতীয় কনভেনশন মঞ্চে বক্তৃতা দিতে উঠে চাঁচাছোলা ভাষায় কংগ্রেসকে আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী৷ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে যখন রাফালে দুর্নীতি ও অসহিষ্ণুতার অভিযোগে সরব কংগ্রেস, তখন কংগ্রেস নেতা নভজ্যোত সিং সিধুর পাকিস্তান যাত্রাকে হাতিয়ার করেন নির্মলা সীতারমণ৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কূটনৈতিক দক্ষতায় বিশ্ব মঞ্চে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে পাকিস্তান৷ সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়ায় কার্যত একঘরে হয়ে গিয়েছে তারা৷ আমাদের জওয়ানরা ওদের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছেন৷ সবাই তার প্রমাণ পেয়েছে৷ এমতাবস্থায় পাকিস্তানের সহায়তায় মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে কংগ্রেস৷ সে কারণেই বারবার কংগ্রেস নেতারা পাকিস্তানে যাচ্ছেন৷ এই নোংরা রাজনীতিই করতে জানে ওঁরা৷’’

সই রাষ্ট্রপতির, আইন হল উচ্চবর্ণ সংরক্ষণ-দৈনিক এই সময়

সংসদে আগেই পাশ হয়ে গিয়েছিল। শনিবার উচ্চবর্ণের আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বিলে সম্মতি দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এর ফলে বিলটি আইনে পরিণত হল।

আর কয়েক মাস পরে লোকসভা ভোট। এমন একটি সময়ে উচ্চবর্ণের আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে কেন্দ্রের বিল পেশ করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তীব্র বেকারত্বের বাজারে এটা বিজেপির প্রাক্-নির্বাচনী গিমিক বলে মন্তব্য করেছ তারা। যদিও সংসদে ভোটাভুটির সময় কোনও প্রধান বিরোধী দল সরাসরি এই বিলের বিরোধিতা করেনি।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১৩

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন