একনজরে ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৫ জানুয়ারি মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ-দৈনিক প্রথম আলো
- ১৪ দলের শরিক বিরোধী দলে জাসদ নাকি ওয়ার্কার্স পার্টি!-দৈনিক যুগান্তর
- জাতীয় পার্টি কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ বিরোধী দল হবে না: জিএম কাদের-দৈনিক ইত্তেফাক
- সংলাপ নয় শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক মানবজমিন
- নতুন নির্বাচন দাবিতে জাতীয় সংলাপ ২৮ জানুয়ারি
- ঐক্য রেখেই এগোবে ঐক্যফ্রন্ট-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- ২৬/১১ চক্রী তাহাউর রানাকে হেফাজতে পেতে চলেছে ভারত-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- সাধারণ মানুষের কম্পিউটার-স্মার্টফোনে কেন্দ্রের নজরদারিকেই নজরবন্দি করল সুপ্রিম কোর্ট-দৈনিক আনন্দবাজার
- যোগীর রাজ্যে এনকাউন্টার প্রশ্নে উদ্বেগ-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবর
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ-দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে মর্মান্তিক এই খবরটি
বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, সিলেট নগরের কাজলশাহ এলাকার ভাড়া বাসা থেকে গতকাল সোমবার বিকেলে তাইফুর রহমান নামে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তাইফুর নরসিংদীর ওহিদুর রহমানের ছেলে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন তিনি। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্যায়ের শিকার হয়ে তাইফুর আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
তাইফুরের মৃত্যুর খবর জানাজানি হলে হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক মো. রাশেদ তালুকদার, জিইবি বিভাগের প্রধান শামসুল হক প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা এবং তাইফুরের সহপাঠীরা।
এদিকে তাইফুরের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শান্তা তাওহিদা ফেসবুকে গতকাল লিখেছেন, ‘...অনার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া ছেলেটাকে বিভিন্ন ইস্যু বানায়ে মাস্টারসে সুপারভাইজার দেয় নাই। বিভিন্ন কোর্সে নম্বর কম দিয়েছে! আমার ভাইটা টিচার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল, এটাই তার অপরাধ...।’
জানতে চাইলে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।’
সংলাপ নয় শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক মানবজমিন
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই মুহূর্তে সংলাপের কোনো বিষয় নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
যদিও আগের দিন তিনি জানিয়েছিলেন নির্বাচনের আগে যেসব দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংলাপ করেছিলেন তাদেরকে আবারো সংলাপের আমন্ত্রণ জানানো হবে। আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানিয়েছে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য আগামী ২০শে জানুয়ারির পর থেকে দলগুলোকে আমন্ত্রণজানানো হবে।
১৪ দলের শরিক বিরোধী দলে জাসদ নাকি ওয়ার্কার্স পার্টি!-দৈনিক যুগান্তর
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের দুই শরিক- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। মহাজোটের কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকায় এ দুই দলই অবতীর্ণ হতে চায়। মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ার পর দল দুটির শীর্ষ নেতাদের কথায় এমন আভাস পাওয়া গেছে। তাদের মতে, মন্ত্রিসভায় রাখা না রাখার বিষয়টি একান্তই প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যদি চান, বিরোধী দলের আসনেই বসবেন, পাশাপাশি সংসদে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন তারা।
সূত্র জানায়, সরকারি দলের সঙ্গে রাজনৈতিক বোঝাপড়া, সরকারের বাইরে থেকে বিরোধী দল হিসেবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।
অন্যদিকে দৈনিক ইত্তেফাকের একটি খবরের শিরোনাম এরকম যে, জাতীয় পার্টি কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ বিরোধী দল হবে না: জিএম কাদের
খবরটিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যন জিএম কাদের বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টি কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ বিরোধী দল হবে না।’ সোমবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ জিএম কাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে এলে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি সংসদে প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা রেখেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করবে। যাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই জাতীয় পার্টি আরো শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’
নতুন নির্বাচন দাবিতে জাতীয় সংলাপ ২৮ জানুয়ারি-ঐক্য রেখেই এগোবে ঐক্যফ্রন্ট-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ঐক্য অটুট রেখেই এগোতে চায় একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট ঐক্যফ্রন্ট। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পর তাদের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে সমালোচনা হচ্ছে, তাতে ফ্রন্টের নেতারা এই মুহূর্তে কানো দিতে চান না। তারা বলছেন, এত বড় অনিয়মের একটি নির্বাচন ‘ধামাচাপা’ দিতেই ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাদের হাতে নির্বাচনে অনিয়মের যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। এসব তথ্য নিয়ে জনমত গড়ে তোলা হবে। নতুন নির্বাচনের যে দাবি তারা তুলেছেন, সামনের দিনগুলোয় তা আরো প্রবল হবে।
জানা গেছে, অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতীয় সংলাপ করবে ঐক্যফ্রন্ট। ওই সংলাপের পর পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম পরামর্শক ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর দেশে কী হয়েছে সেটি আমরা কেন, দেশের সবাই দেখেছে। একে কোনোভাবেই নির্বাচন বলা যায় না। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মূল দাবি হচ্ছে ৩০ ডিসেম্বর দেশে যেহেতু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন আদায় করা।
রোহিঙ্গা সংকটে বিশ্বের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা-দৈনিক প্রথম আলো
রোহিঙ্গা সমস্যা দীর্ঘায়িত হলে বিভিন্ন গোষ্ঠী এটিকে পুঁজি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এ সংকটকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি না হয়, সে সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে জানতে চাইলে এ মন্তব্য করেন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে।
আহমদ শফীর নতুন নতুন ফরমান বিতর্ক বাড়ছে-দৈনিক মানবজমিন
একের পর এক ফরমান। বিতর্ক বাড়ছে হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ্ আহমদ শফীর বক্তব্য নিয়ে। শুরুটা হয়েছিল শুক্রবার। যখন হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনাদের মেয়েদের স্কুল-কলেজে দেবেন না। ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়াতে পারবেন। উপস্থিত অনুসারীদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে ওয়াদাও নেন তিনি। এ নিয়ে তৈরি হয় তুমুল বিতর্ক। শিক্ষাবিদ, ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষকরা মত দেন, আল্লামা শফীর এ বক্তব্য ইসলাম ও সংবিধান সম্মত নয়।বিতর্কের মুখে বিবৃতি দেন হেফাজত প্রধান। বলেন, তার বক্তব্য গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদিও পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আহমদ শফী কী বলেছিলেন, তা অডিও রেকর্ডে পরিষ্কার শোনা যায়। এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।হেফাজত আমীরের সর্বশেষ এইসব বক্তব্য এরই মধ্যে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ নিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, হেফাজত আমীরের বক্তব্য রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আহমদ শফীর বক্তব্যে হতবাক ও বিস্মিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ নিয়ে বিবৃতি দেন তিনি। ওদিকে, মেয়েদের স্কুল-কলেজে না পড়ানোর জন্য হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ্ আহমদ শফীর নারী শিক্ষা বিরোধী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গণফোরাম। গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তারা বলেন, আহমদ শফীর বক্তব্য নারী বিদ্বেষী, স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী ও সংবিধান বিরোধী।
এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। আহমদ শফী ধর্মের অপব্যাখ্যা করে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে দেশ ও সমাজকে আলো থেকে অন্ধকারে নিতে চান।
এবার ভারতের তিনটি খবর তুলে ধরছি
সাধারণ মানুষের কম্পিউটার-স্মার্টফোনে কেন্দ্রের নজরদারিকেই নজরবন্দি করল সুপ্রিম কোর্ট
গোটা দেশকে নজরবন্দি করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই নজরবন্দি নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রের ১০টি গোয়েন্দা ও তদন্তকারী সংস্থাকে সাধারণ মানুষের কম্পিউটার স্মার্ট ফোন বা যে কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্রে নজরদারি চালানো এবং আড়ি পাতার খোলা ছাড়পত্র দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সুপ্রিম কোর্ট আজ জানিয়ে দিল, ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা খতিয়ে দেখা হবে। ছ’সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্ট নোটিস জারি করেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ২০ ডিসেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছিল, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (আইবি), র, সিবিআই, ইডি, এনআইএ, দিল্লি পুলিশ, রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর, আয়কর দফতর, দিল্লি পুলিশ-সহ ১০টি সংস্থা নাগরিকদের বা সরকারি বা যে কোনও সংস্থার কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন বা যে কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্রে নজরদারি চালাতে, আড়ি পাততে ও তথ্য নিতে পারবে। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ঠোকে ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন। মামলা করেন তৃণমূল বিধায়ক মহুয়া মৈত্র, আইনজীবী অমিত সাহনী, এম এল শর্মা ও শ্রেয়া সিঙ্ঘলও।
২৬/১১ চক্রী তাহাউর রানাকে হেফাজতে পেতে চলেছে ভারত-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
মুম্বইয়ে ২৬/১১ সন্ত্রাসবাদী হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তাহাউর হুসেন রানাকে হাতে পেতে চলেছে ভারত। ২৬/১১ কাণ্ডের অন্যতম প্রধান চক্রী ৫৮ বছরের রানা এখন শিকাগোয় জেল খাটছে। ২০১৩ সালে তাঁকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দেয় মার্কিন আদালত।কারাবাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ রানাকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র হাতে তুলে দেবে আমেরিকা। অর্থাৎ আর দু’বছর পরেই রানাকে হাতে পেতে চলেছে ভারত। তাকে হাতে পেলে এটা হবে ভারতের প্রাইজ ক্যাচ।
যোগীর রাজ্যে এনকাউন্টার প্রশ্নে উদ্বেগ-দৈনিক আজকাল
উত্তরপ্রদেশ পুলিসের এনকাউন্টার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ওই বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। সঙ্ঘর্ষ ও মৃত্যু সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র পড়ে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি অশোক ভূষণ ও বিচারপতি এস কে কউলের বেঞ্চ মনে করছে, বিষয়টি ‘গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার।’ আদালতের এই মন্তব্যে লোকসভা ভোটের আগে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ল যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
পুলিসের গুলিতে মৃত্যু নিয়ে আদালতের নজরদারিতে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) বা সিবিআই গঠনের আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা করে ‘পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টি’ (পিইউসিএল) নামে একটি সংগঠন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নোটিস পাঠিয়ে শীর্ষ আদালত ১২ ফেব্রুয়ারি মামলাটির শুনানির দিন ধার্য করেছে। এদিন শুনানির সময় উত্তরপ্রদেশ সরকারের আইনজীবী মুকুল রোহতগি অবশ্য দাবি করেন, রাজ্য সরকার সবকিছু আইন মেনেই করেছে।
তবে জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘এনকাউন্টার মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এনকাউন্টার নিয়ে বিস্তারিত শুনানির প্রয়োজন রয়েছে।’
সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার গঠনের পর থেকে ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের ২৪টি জেলায় ২,৩৫১টি শ্যুট আউট এবং ৬৩টি সঙ্ঘর্ষমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে যোগী সরকারকে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৫
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন