টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির বক্তব্যের পার্থক্য নেই : তথ্যমন্ত্রী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১৬ জানুয়ারি বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির বক্তব্যের পার্থক্য নেই : তথ্যমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
- সংলাপ নিয়ে কাদের ও ইমামের ভিন্ন বক্তব্য-দৈনিক প্রথম আলো
- জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখা-ক্রিসেন্ট গ্রুপের ১৫শ’ কোটি টাকা পাচার-দৈনিক যুগান্তর
- অসুস্থ থাকায় আদালতে যেতে পারেননি খালেদা জিয়া-দৈনিক মানবজমিন
- 'লজ্জা শরম থাকলে তিনি আগেই পদত্যাগ করতেন'-কাদের-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- ‘সিবিআই প্রধানের পদে রাওয়ের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি আগামী সপ্তাহে-দৈনিক আনন্দবাজার
- এমন পুরস্কার জিতলেন যার কোনও বিচারকই নেই”, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- শবরীমালায় প্রবেশ করতে ব্যর্থ দুই মহিলা, বিক্ষোভ–প্রতিবাদ কেরল জুড়ে - দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির গবেষণা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। কী বলবেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সম্পর্কে?
২. আমেরিকায় ইরানের প্রেসটিভির নারী সাংবাদিক মারজিয়া হাশেমিকে আটক এবং হালাল খাবার দেয়া হচ্ছে না। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:
সংলাপ নিয়ে কাদের ও ইমামের ভিন্ন বক্তব্য-দৈনিক প্রথম আলো
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ‘সংলাপের’ বিষয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আজ মঙ্গলবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে বলেছেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও একটি সংলাপ করবেন।’সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গত শনিবার আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় তিনি সংলাপ শব্দটিই ‘উচ্চারণ’ করেননি। ওই বক্তব্যের অডিও-ভিডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে দাবি করে তিনি বলেন, সংলাপের বিষয়টি সাংবাদিকদের ‘মনগড়া খবর’।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম আরও বলেন, ‘নতুন নির্বাচন বাস্তবে সম্ভব নয়। এখন বাস্তবতা মেনে নিয়ে সবাই সহায়তা করেন। আমাদের দিক থেকে আমরা পাঁচজন উপদেষ্টা, সরকারের মন্ত্রিপরিষদে যাঁরা আছেন সবাই সবার সহায়তা চাই। প্রধানমন্ত্রী বললে আমরা অন্যদের সঙ্গে কথাও বলব। আপনারা আসুন, বাংলাদেশ তো সবার, দেশকে গড়ে তুলি।’
টিআইবির গবেষণা-৫০টির মধ্যে আগের রাতে ৩৩টিতে সিল, বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি-দৈনিক প্রথম আলো
ভোটে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিচার বিভাগীয় তদন্তের পক্ষে মত দিয়েছে সংস্থাটি। ‘একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা’ শীর্ষক গবেষণার প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার টিআইবির ধানমন্ডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে করা গবেষণা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরে টিআইবি। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্য থেকে দ্বৈবচয়নের (লটারি) ভিত্তিতে ৫০টি বেছে নেয় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। নির্বাচনের দিন ৪৭ আসনে কোনো না কোনো নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে টিআইবি।
টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির বক্তব্যের পার্থক্য নেই : তথ্যমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদনের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বক্তব্যের কোনো পার্থক্য নেই। তাদের বক্তব্য মনগড়া, ক্রুটিপূর্ণ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দেয়ানজি পুকুরপাড়ে নিজের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্বব্যাপী প্রসংশিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। বিশ্ব নেতারা সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছেন। সেখানে টিআইবির প্রতিবেদন দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাদের প্রতিবেদনটি পূর্বনির্ধারিত ও মনগড়া।
আবার সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দুদকের ‘টেস্ট কেস’!-দৈনিক প্রথম আলো
সরকারি চাকরি আইনে কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা যাবে কি যাবে না, সেই বিতর্কের মধ্যেও মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে অভিযান চালিয়ে ৬ লাখ টাকাসহ একজন রাজস্ব কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত বছরের অক্টোবরে জাতীয় সংসদে পাস হয় সরকারি কর্মচারী আইন, ২০১৮। ওই আইনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ করলেও আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করতে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। ১০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা (প্রশাসন) নাজিম উদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে দুদক।দুদকের উচ্চপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি কর্মচারী আইন পাস হওয়ার পর দুদক অনেকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। নতুন এই অভিযানের মাধ্যমে তারা প্রতিক্রিয়া দেখতে চাইছে। এটাকে একটা ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে দেখছে তারা।
জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখা-ক্রিসেন্ট গ্রুপের ১৫শ’ কোটি টাকা পাচার-দৈনিক যুগান্তর
রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের বাইরে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। চারটি প্রতিষ্ঠানের নামে রফতানির আড়ালে এ টাকা পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিসেন্ট লেদারের মাধ্যমে ৪২৩ কোটি, রিমেক্স ফুটওয়্যার ৪৮২ কোটি, রূপালী কম্পোজিট ৩৭৮ কোটি এবং ক্রিসেন্ট ট্যানারিজের নামে ১৬ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এর সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তারা সরাসরি জড়িত।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। আর প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আবেদন করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও ব্যাংকের ১৩ জন কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনকে দায়ী করা হয়েছে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে উল্লিখিত সব তথ্য। এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাচার রোধে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।
বড় ঋণ কেলেঙ্কারির হোতারা এখনো অধরা-দৈনিক প্রথম আলো
অধরাই থেকে যাচ্ছেন দেশের ইতিহাসে বড় কেলেঙ্কারির নেপথ্য নায়কেরা। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইনের মারপ্যাঁচে আইনের আওতায় তাঁদের আনা যাচ্ছে না।ব্যাংক খাতে জালিয়াতির কয়েকটি ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান ও তদন্ত করলেও অদৃশ্য ইশারায় ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন অনেকে। বেসিক ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংকসহ কয়েকটি বড় জালিয়াতির হোতা হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিরা এখনো দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
সম্প্রতি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপে ‘ব্যাংকিং সেক্টর ইন বাংলাদেশ: মুভিং ফ্রম ডায়াগনোসিস টু অ্যাকশন’ শীর্ষক এক প্রবন্ধে বলা হয়, বড় কয়েকটি জালিয়াতির মাধ্যমে গত ১০ বছরে ব্যাংকিং খাতে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বড় কয়েকটি ব্যাংক থেকে এ অর্থ লোপাট হয়।
সরকারি-বেসরকারি এসব ব্যাংকে যা হয়েছে, তাকে চুরি নয়, ‘ডাকাতি’ ও ‘হরিলুট’ বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ব্যবসায়ী নামের কিছু লুটেরা মিলেমিশে ভাগ-বাঁটোয়ারার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর অর্থ লুটপাট করেছেন।
দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনার বিষয়টি জরুরি। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। নির্মোহভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত করে তাঁদের বিচার করতে না পারলে এ ধরনের অপরাধ কমবে না।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
সিবিআই প্রধানের পদে রাওয়ের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি আগামী সপ্তাহে-দৈনিক আনন্দবাজার
নাগেশ্বর রাওকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ব্যুরোর (সিবিআই) অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান করার সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে যে পিটিশন দায়ের হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে তার শুনানি হবে সম্ভবত আগামী সপ্তাহে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচক কমিটি অলোক বর্মাকে সিবিআই প্রধানের পদ থেকে বরখাস্ত করার পর গত শুক্রবার তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন নাগেশ্বর রাও।
সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় অলোক বর্মার ‘ভুত’ তাড়ানোর অভিযান। আগের দু’দিনে যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বর্মা, তার সবগুলিই বাতিল করে দেন রাও। তার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সিবিআইয়ের শাখাগুলিতেও ব্যাপক রদবদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়। রাওকে কার্যনির্বাহী সিবিআই প্রধান করার সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে একটি অসরকারি সংস্থা (এনজিও) গত সোমবার পিটিশন করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে। বলা হয়, ওই সরকারি সিদ্ধান্ত ‘অনৈতিক, অবিবেচনাপ্রসূত ও তা দিল্লি পুলিশ স্পেশাল এস্টাব্লিশমেন্ট (ডিপিএসই) অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছে।’ ওই যুক্তিতেই সংশ্লিষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি জানানো হয় পিটিশনে।
শবরীমালায় প্রবেশ করতে ব্যর্থ দুই মহিলা, বিক্ষোভ–প্রতিবাদ কেরল জুড়ে-দৈনিক আজকাল
সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের বেশ কয়েকমাস পর শবরীমালায় ঢুকতে সফল হয়েছিলেন দুই মহিলা। কিন্তু ফের আয়াপ্পা স্বামীর মন্দিরে দুই মহিলা ঢোকার চেষ্টা করায় বুধবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কেরল। ওই দুই মহিলা বেস ক্যাম্প অতিক্রম করার পর মন্দির থেকে ১ কিমি দূরে ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁদের ঘিরে ধরেন বিক্ষোভকারীরা।
পুলিস ওই দুই মহিলাকে নিরাপদের সঙ্গে পুলিস ভ্যানে তুলে মন্দির চত্ত্বর থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এর আগে ওই দুই মহিলা মন্দিরে পুজো না দিয়ে ফেরত যাবেন না বলেছিলেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা মন্দিরে ঢোকার জন্য গত ৪১ দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। ন’জন মহিলা সদ্যসদের মধ্যে এই দু’জন মহিলাই মন্দিরের কাছাকাছি যেতে পেরেছিলেন। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শবরীমালা ইস্যু নিয়ে কেরলের সিপিএম সরকারকে তুলোধনা করেছেন। মোদি বলেন, ‘আমরা জানি সিপিএম সরকার কখনও আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় বিষয়ে শ্রদ্ধা জানায়নি। কিন্তু শবরীমালা নিয়ে যা হচ্ছে তা সত্যিই লজ্জাজনক। সরকার ব্যর্থ তা নিয়ন্ত্রণ করতে।’
এমন পুরস্কার জিতলেন যার কোনও বিচারকই নেই”, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
দেশকে অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ফিলিপ কোটলার প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রথম পুরস্কারটি দেওয়া হল। আর প্রথমবারই তা জিতে নিয়েছেন মোদি। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর এই পুরস্কার জয় নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসি পড়ে গিয়েছে বিরোধী শিবিরে। বিরোধী নেতাদের দাবি, এটা এমন একটা পুরস্কার যা মোদিজি ছাড়া অন্য কেউ জিততেই পারেন না। কারণটা কী? তাও বলে দিয়েছেন বিরোধীরাই।
আসলে, এবারই প্রথম এই ফিলিপ কোটলার পুরস্কার দেওয়া হল। যে সংস্থাটি পুরস্কারটি দিচ্ছে তার নাম GAIL। পুরস্কারটির সহযোগী স্পনসর বাবা রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি। আরেকটি স্পনসর বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক টিভি। যার অন্যতম মালিক বিজেপি সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর। বিরোধীদের দাবি, এই দুটি সংস্থাই প্রধানমন্ত্রীর গুণমুগ্ধ এবং বিজেপির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই এই পুরস্কারটি তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে দেওয়া সম্ভব ছিল না। এর আগেই সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেছেন, ”আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। তিনি সর্বপ্রথম অত্যন্ত গোপনীয় এই পুরস্কার জিতে নিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর জেতা পুরস্কারকে তিনি অত্যন্ত গোপনীয় বলে কটাক্ষ করেছেন। অন্যদিকে, মোদিকে কটাক্ষ করতে গিয়ে ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছেন রাহুল। তিনি আবার বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি পুরস্কার পেয়েছেন, যে পুরস্কার দেওয়ার জন্য কোনও বিচারকেরও প্রয়োজন ছিল না। এই বিখ্যাত পুরস্কারটি পাওয়ার জন্য আমি মোদিকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। এই পুরস্কারটি এতটাই বিখ্যাত যে এটা এর আগে কখনও দেওয়া হয়নি, এর কোনও বিচারক নেই এবং এটা কিছু বিখ্যাত কোম্পানির সহযোগিতায় দেওয়া হয়েছে।”#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৬