একনজরে ঢাকা ও কোলকাতার পত্রপত্রিকার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২০ জানুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি মুজাহিদুল ইসলাম। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- এ সরকার লজ্জাহীন: সেলিম-দৈনিক প্রথম আলো
- ভোট সুষ্ঠু না হলে ফখরুল সাহেব পাশ করলেন কীভাবে: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
- অতীতের সরকারগুলোর মদদে দেশ জঙ্গিবাদের কবলে পড়েছিল : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
- কোন দেশে নির্বাচন নিখুঁত হয়, জাতিসংঘকে পাল্টা প্রশ্ন কাদেরের-দৈনিক মানবজমিন
- অগণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিতদের আন্দোলনে বিদায় করা হবে : ড. কামাল-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- পুরুষও নন, মহিলাও নন’, মায়াবতীকে কুরুচিকর আক্রমণ বিজেপি বিধায়কের- -দৈনিক আনন্দবাজার
- দুর্নীতি আটকেছি বলেই ওরা জোট বেঁধেছে, মমতার ব্রিগেডকে কটাক্ষ মোদির-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- ব্রিগেডে অংশ নেওয়া লোকের সংখ্যা জানতে চাইছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবর
অতীতের সরকারগুলোর মদদে দেশ জঙ্গিবাদের কবলে পড়েছিল : প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতি মরণ ব্যাধির মতো সমাজে ছেয়ে আছে। এর গোড়াপত্তন করেছে ৭৫ এর পরের সরকার। অতীতের সরকারগুলোর মদদেই দেশ জঙ্গিবাদের কবলে পড়েছিল। তখন জঙ্গিবাদ সৃষ্টিতে সরকারের প্রচ্ছন্ন সাপোর্ট ছিল। রবিবার সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মতো কালো ব্যাধি থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সমাজকে এই ব্যাধি থেকে মুক্ত করতে হবে। তার জন্য আমাদের যা যা করণীয় তা করতে হবে।
ভোট সুষ্ঠু না হলে ফখরুল সাহেব পাশ করলেন কীভাবে: কাদের-দৈনিক যুগান্তর
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতিসংঘ সংলাপের কথা বলেনি, তারা বলেছে- নির্বাচন নিখুঁত হয়নি। ভোট সুষ্ঠু না হলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাস করলেন কীভাবে? আজ বনানীতে সেতু বিভাগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির ভুল রাজনীতি ও মির্জা ফখরুলের সমালোচনায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগে বিএনপির ঘর সামলাতে হবে, নেতার পরিবর্তন দরকার। এখন ফখরুল সাহেবকে নিজ দলের লোকজন দালাল বলছেন। আরও অনেক কথা হয়তো বা আসবে। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নানা অভিযোগ ও ফল প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি পরাজিতদের মুখে ব্যর্থতার প্রলাপ।
কোন দেশে নির্বাচন নিখুঁত হয়, জাতিসংঘকে পাল্টা প্রশ্ন কাদেরের-দৈনিক মানবজমিন
নির্বাচন নিখুঁত হয়নি- জাতিসংঘের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন। বলেছেন, কোন দেশে নির্বাচন নিখুঁত হয়? আজ রাজধানীর সেতু ভবনে বিভিন্ন ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কোন দেশে ইলেকশন পারফেক্ট হয়েছে, একটা দেশ দেখান। গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে পারফেক্ট বলে যে কথাটি বলা হয় তাতেও কিছু খুঁত তো থাকেই। তাতে ইলেকশনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে না। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য তাদের জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে জোরালোভাবে বলা হয়েছে।
এ সরকার লজ্জাহীন: সেলিম-দৈনিক প্রথম আলো
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, এই সরকার লজ্জাহীন। এই সরকার শ্রমিক, সাধারণ মানুষের অন্ন হরণকারী সরকার।আজ রোববার সকালে রাজধানীর পল্টনের মুক্তি ভবনের সামনে এক সমাবেশে সিপিবি সভাপতি এই মন্তব্য করেন। পল্টনে সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ১৮ তম বছরে বিচার দাবিতে দলটি এই সমাবেশ করে।সরকারের সমালোচনা করে সমাবেশে সেলিম বলেন, ভুয়া ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হয়, তারা ভুয়া প্রতিনিধি। এই ভুয়া প্রতিনিধিদের হাত থেকে দেশ উদ্ধার করতে হবে। একই সঙ্গে রুটি রুজির সংগ্রাম চালাতে হবে।সেলিম বলেন, তাঁদের লড়াই ভাতের জন্য, ভোটের জন্য। ভোট ও ভাতের লড়াই ঠিকমতো না করতে পারলে লুটেরা ধনিক শ্রেণি তাদের স্বার্থে বোমা হামলা চালাবে। প্রগতিশীল আন্দোলনগুলোকে আঘাত করবে। গুম-খুন-হত্যা অব্যাহত থাকবে।
বিজয় সমাবেশ জনগণের সঙ্গে মশকরা: রিজভী-দৈনিক প্রথম আলো/ নয়া দিগন্ত
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ জনগণের পকেট কাটা টাকায় হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে মশকরা করা হয়েছে।
আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন রিজভী। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনটি হয়।গতকাল শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় সমাবেশ হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৭ আসনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের প্রায় তিন সপ্তাহ পর গতকালের সমাবেশের মাধ্যমে সেই বিজয় উদ্যাপন করে দলটি। সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব দলকে ধন্যবাদ জানান। ভোটে আসা দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে জয়-পরাজয় একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি বলতে চাই আওয়ামী লীগ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে এটা সত্য।’
বিএনপি নেতা রিজভীর ভাষ্য, ভুয়া নির্বাচনকে জায়েজ করার জন্য সরকার যা করছে, তা চরম হাস্যকর। গতকাল তারা জনগণের কোটি কোটি টাকা শ্রাদ্ধ করে তথাকথিত বিজয়ের উৎসব উদ্যাপন করেছে। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে গতকাল গণতন্ত্র হত্যার উৎসবে পরিণত করা হয়েছে।রিজভী বলেন, সরকার বৈধতা পেতে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেনদরবার শুরু করেছে। বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষ ও তাদের নির্বাচিত সরকারের কাছে এ রকম নির্বাচনের কোনো কানাকড়ি মূল্য নেই। জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া কোনো সরকার কখনোই টিকতে পারে না। ভয় দেখিয়েও বেশি দিন টেকা যায় না। ম্যাকিয়াভেলির নীতি অবলম্বন করে ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে।
যানজটে নাকাল নগরবাসী-দৈনিক মানবজমিন
যানজটে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। বিশেষ করে সকালে যানজটের কবলে পড়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন অফিসগামীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটছে গাড়িতে। অনেকে পায়ে হেঁটে মাইলে পর মাইল পাড়ি দিচ্ছেন গন্তব্যে। রাজধানীর এ চিত্র নগরবাসীর অনেকটা চেনা। তবে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘ট্রাফিক শৃঙ্খলা পক্ষ’ শুরু হওয়ার পর এ দুর্ভোগ চরমে ওঠেছে। আজও রোববার রাজধানীর বিভিন্ন রুটে একই চিত্র দেখা গেছে।প্রচন্ড যানজটের কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
দুর্নীতি আটকেছি বলেই ওরা জোট বেঁধেছে, মমতার ব্রিগেডকে কটাক্ষ মোদির-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
একটাই অ্যাজেন্ডা, মোদি হঠাও, দেশ বাঁচাও। দেশের বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে উগরে দিয়েছেন একের পর এক ক্ষোভ। এরই মধ্যে সামনে এলেন নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের হাজিরাতে একটি সামরিক ট্যাঙ্কে নিজেই উঠে পড়েন মোদি। কামান চালানোর সেই ছবি কিছুক্ষণের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর ব্রিগেডের মহাজোট নিয়ে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, এই মহাজোট শুধু তাঁর বিরুদ্ধে নয় গোটা দেশের মানুষের বিরুদ্ধে। এদিন সকাল থেকেই একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। গুজরাট থেকে দাদরা, নগর হাভেলি হয়ে মুম্বইয়ে যান। সেখানে ভারতীয় সিনেমার মিউজিয়াম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিন ব্রিগেড থেকে মমতা কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মোদিকে। জানান, প্রধানমন্ত্রী কে হবে তা নিয়ে কারও চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্যে মোদি সরকারকে উৎখাত করা। তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে বিজেপি। যদি মহাজোটের কোনও নীতি ঠিক না থাকে, তবে কাকে দেখে মানুষ ভোট দেবে? মহাজোট নিয়ে মোদি বলেন, ‘দেশের সব নেতা একটাই কারণে কলকাতায় জড়ো হয়েছে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাঁদের রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক। ওরা মানুষের টাকা লুট করে। সেটা আমি আটকে দিয়েছি। তারপরই ওরা মহাজোট তৈরি করেছে।
পুরুষও নন, মহিলাও নন’, মায়াবতীকে কুরুচিকর আক্রমণ বিজেপি বিধায়কের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন/আনন্দবাজার
মায়াবতীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়লেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক সাধনা সিং৷ বিএসপি সুপ্রিমকে ‘কিন্নর’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি৷ তাঁর কুরুচিকর মন্তব্যকে ঘিরে এখন তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা৷ মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতেই পারে, তবে একজন মহিলা হয়ে অপর মহিলা সম্পর্কে কীভাবে এমন নিম্নরুচির মন্তব্য করলেন এই বিজেপি নেত্রী? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷
শনিবার উত্তরপ্রদেশের ছান্দাউলির জনসভায় প্রথম থেকেই সপা-বসপা জোটকে আক্রমণ করেন মুঘলসরাইয়ের বিজেপি বিধায়ক সাধনা সিং৷ সরাসরি নিশানা করেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতীকে৷ বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, এ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পুরুষও নন, আবার মহিলাও নন৷ তাঁর সামান্যতম আত্মসম্মান বোধ নেই৷ ক্ষমতার লোভে নিজের সম্মান বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি৷ মহিলা জাতির কলঙ্ক উনি৷’’ এমনকী, বিএসপি নেত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে মহাভারতের মুখ্য মহিলা চরিত্র দ্রৌপদীর উদাহরণও টেনে আনেন সাধনা সিং৷ যখন বিজেপি নেত্রী মায়াবতীকে এমন কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করছেন, তখন মঞ্চেই ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ছেলে তথা নয়ডার বিজেপি বিধায়ক পঙ্কজ সিংও৷ যদিও সাধনা সিংয়ের মন্তব্যের কোনও প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি তাঁকে৷
এদিকে সাধনা সিংয়ের বিরুদ্ধে পালটা তোপ দেগেছেন বিএসপি নেতা সতীশ মিশ্র৷ কটাক্ষের সুরে এই বিএসপি নেতা বলেন, ‘‘এই মন্তব্যের মধ্য দিয়েই বিজেপি নেতাদের রুচি বোঝা যায়৷’’ তিনি আরও জানান, উত্তরপ্রদেশে এসপি-বিএসপি জোট চূড়ান্ত হওয়ার পরই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বিজেপি নেতারা৷ যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের আগ্রা ও বরেলির পাগলাগারদে ভরতি হওয়া প্রয়োজন৷
ব্রিগেডে অংশ নেওয়া লোকের সংখ্যা জানতে চাইছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়-দৈনিক আজকাল
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। সঙ্গে বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতা। লক্ষ্য, সরাতে হবে বিজেপিকে। তা শুনতে আছড়ে পড়েছিল জনসমুদ্র। ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার লক্ষ্যে হওয়া জনসভায় কত লোক এসেছিল তা নিয়ে আগ্রহ কম নেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের। তাই ব্রিগেডে কত লোক হয়েছে তা জানতে চেয়েছে কেন্দ্র। আর সেই রিপোর্ট যাচ্ছে দিল্লিতে বলে সূত্রের খবর। ওই রিপোর্ট শুধু অনুমান করে নয়, রীতিমতো অঙ্ক কষে পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে। রিপোর্টে ময়দানের মাপ দিয়ে একজন মানুষ কত ফিট জুড়ে দাঁড়াতে পারে সেই মাপজোক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ব্রিগেডের মাঠের একেবারে শেষ অংশ ভরেনি বলেই জানাচ্ছে। তাদের রিপোর্টে জানানো হচ্ছে ব্রিগেড ও সব চত্ত্বর মিলিয়ে মোট ২.৯ লাখ লোক জমা হয়েছিল। যদিও রাজ্যকে পুলিস তাদের নিজস্ব রিপোর্টে জানাচ্ছে ব্রিগেডে শুধু লোক ছিল না। ধর্মতলা থেকে শ্যামবাজার, টি বোর্ডের মতো শহরের আনাচে কানাচে লোকেরা দাঁড়িয়ে জায়েন্ট স্ক্রিনে ব্রিগেডের বক্তব্য শুনেছে। ব্রিগেড দেখার জন্য ৯ লাখের বেশি লোক সমাবেশ হয়েছে। সূত্রের খবর দুই রিপোর্টই পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২০
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন