জানুয়ারি ২১, ২০১৯ ১৩:২২ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২১ জানুয়ারি সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দুই সাবেক আইজিপির জামিন-দৈনিক ইত্তেফাক
  • আ.লীগের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে শরিকদের- দৈনিক প্রথম আলো
  • টেকা দিব্যর পারি নাই তাই ভাতার কাড হয় নাই- দৈনিক যুগান্তর
  • মন্ত্রীদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর- দৈনিক মানবজমিন
  • এ নির্বাচনে জয়ী বা বিজয়ী বলে কিছু নেই : ফখরুল- দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:

  •  সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে গৃহশিক্ষকরা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • ব্রিগেড সমাবেশে কত খরচ হল? প্রশ্ন পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনে, ইঙ্গিত মুকুলের-দৈনিক আনন্দবাজার
  • ভারতের মোট সম্পত্তির ৫০ শতাংশ মাত্র ৯ জন ধনীর হাতে -দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। 

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

১. দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণের একটি শিরোনাম হচ্ছে- আ.লীগের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে শরিকদের। এর কারণ কী বলে মনে করেন আপনি?

২. ইরানে আটক মার্কিন গুপ্তচরদের মুক্তি চাইলেন মাইক পম্পেও। হঠাৎ এই দাবি তোলার কারণ কী বলে মনে হয় আপনার?

আ.লীগের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে শরিকদের-দৈনিক প্রথম আলো

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ১৪-দলীয় জোটের শরিকদের। আওয়ামী লীগ শরিকদের বিরোধী দলের ভূমিকায় দেখতে চাইলেও তাতে রাজি হচ্ছে না তারা। তবে ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর পর বিষয়গুলোর সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করছেন জোটের নেতারা।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪-দলীয় জোট গঠিত হয় ২০০৪ সালে। এরপর তারা বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ আন্দোলন এবং পরপর গত তিনটি নির্বাচন একসঙ্গে করেছে। এর মধ্যে প্রথম দুই সরকারের মন্ত্রিসভায় শরিক দলগুলোর একাধিক নেতাকে মন্ত্রী করা হলেও এবারের মন্ত্রিসভায় শরিকদের কাউকে রাখা হয়নি। আওয়ামী লীগের সঙ্গে দূরত্বের সূত্রপাত সেখান থেকেই বলে জানা গেছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানেও দেখা যায়নি শরিকদের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের।

সর্বশেষ গত শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশেও বিদায়ী মন্ত্রিসভার দুই সদস্য ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুসহ শরিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দেখা যায়নি। যদিও ওই সমাবেশে যথাযথভাবে দাওয়াত পাননি বলে জানিয়েছেন শরিক কয়েকটি দলের নেতারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জোটের দুই নেতা জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ১৪ দল। বিরোধী দলের ভূমিকায় একাধিক দলকে সক্রিয় রেখে বিএনপিকে আরও চাপে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ। সংসদে আসার বিষয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত এবং দলটির পরবর্তী কর্মসূচি বুঝেই ১৪ দলের পরিকল্পনা ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁর মতে, শরিকদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

বিএনপি ভোটে কারচুপির প্রমাণ জোগাড়ে নেমেছে-দৈনিক প্রথম আলো

এখনই মাঠের কর্মসূচিতে যাচ্ছে না বিএনপি। দলটি এখন ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে কারচুপির তথ্য-প্রমাণ জোগাড়ের কাজ করছে। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের কাছে তথ্য চেয়ে আসনভিত্তিক ফরম পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এটা করছে তারা।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ১০ বছর ধরে নেতা-কর্মীরা হামলা-মামলায় আক্রান্ত। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ প্রায় ২১ হাজার নেতা-কর্মী কারাবন্দী। এখন তাঁদের কারামুক্ত করা দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই অবস্থায় আগামী কয়েক মাস মাঠের কর্মসূচিতে যেতে চান না নীতিনির্ধারকেরা। তাঁরা নেতা-কর্মীদের মনোবল ফেরাতে দল গোছানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চান।

মাঠপর্যায়ে দল গোছানোর অংশ হিসেবে যেসব জেলা ও থানায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই, সেখানে দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিটি করা হবে। পাশাপাশি যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনও পুনর্গঠন করা হবে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, এবার বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকটি পদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হতে পারে।

তবে এ মুহূর্তে অগ্রাধিকার কর্মসূচি হচ্ছে, ভোটে কারচুপির দালিলিক প্রমাণ জোগাড় করে তা বই আকারে প্রকাশ করা এবং নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা। মূলত এ লক্ষ্যেই বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের সঠিক অনুলিপি দিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলায় যেতে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি আরও কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। মামলায় যাওয়ার আগে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ নেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোটে কারচুপির দালিলিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর নির্বাচনী মাঠে তাঁদের কার কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখবে বিএনপি। দলের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, অনেক আসনে নির্বাচনী প্রচারে সরকারি মহল থেকে হামলা, বাধার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ প্রার্থীর মধ্যে ঝুঁকি না নেওয়ার প্রবণতা ছিল। তাঁরা গা বাঁচিয়ে চলেছেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দুই সাবেক আইজিপির জামিন-দৈনিক ইত্তেফাক

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক দুই আইজিপি শহুদুল হক ও আশরাফুল হুদার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তাদেরকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে তাদের পক্ষে আইনজীবী আরশাদুর রউফ ও জামিলুর রহমান শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলী জিন্নাহ। পরে জামিলুর রহমান বলেন, আদালত তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে জামিন দিয়েছেন। এ দুজন কাশিমপুর কারাগারে আছেন। এ আদেশের ফলে তাদের জামিনে কারামুক্তিতে বাধা নেই।

মন্ত্রীদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক মানবজমিন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। আজ সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শুরু হওয়া ওই  বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সার্বিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বৈঠকে ছয়টি আলোচ্যসূচি রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদের ভাষণ। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট যে ভাষণ দেবেন তার খসড়া অনুমোদন করা হতে পারে। এ সংক্রান্ত ভাষণটির খসড়া মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ নির্বাচনে জয়ী বা বিজয়ী বলে কিছু নেই : ফখরুল-দৈনিক নয়া দিগন্ত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ৩০ ডিসেম্বরের ভোট কারচুপি করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এ কারণে এ নির্বাচনে জয়ী বা বিজয়ী বলে কিছু নেই।

আজ সোমবার লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের খলাইঘাট চরে জাতীয় নির্বাচনের দিন নিহত ইউনিয়ন বিএনপির পরিবার ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক তোজাম্মেল হকের মাজার জিয়ারত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ নির্বাচনে জনগণের প্রতিনিধিত্ব হয়নি। জনগণের ভোটাধিকার ডাকাতি করা হয়েছে। এ কারণে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচন বয়কট করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়া না নেয়ার কিছু নেই। অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও সাজানো মামলায় কারাগারে বন্দি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদাকে মুক্তি দিতে হবে।

ফখরুল বলেন, আমরা আগেও বলেছি, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এ কারণে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

টেকা দিব্যর পারি নাই তাই ভাতার কাড হয় নাই-দৈনিক যুগান্তর

‘আমাক কিডা দিবি ভাতার কাড (কার্ড)? ম্যালা দিন ধরে চিয়ারম্যান মেমবরির কাছে ঘুরল্যম। কিন্তু কাড করে দিলো লয়। অন্য ওয়াডের মেমবর ২ হাজার টেকা চাইছিল। কিন্তু টেকা দিব্যর পারি নাই জন্যি ভাতার কাড হয় নাই। আর কত বয়স হল্যি পারে আমি ভাতার কাড পাবো?’

সোমবার সকালে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ওষুধ কিনতে বাজারে এসেছিলেন বিষ্টপদ সূত্রধর। টাকা কম পড়ে যাওয়ায় কয়েকজনের কাছে ধার চান তিনি। না পেয়ে মন খারাপ করে বসেছিলেন দোলবেদীতলা এলাকায়। এ সময় এই প্রতিবেদক ‘ভাতা পান না’ জিজ্ঞেস করলে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথড় গ্রামের ৮৩ বছর বয়সী (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী) বিষ্টপদ সূত্রধরের ভাগ্যে এখনও জোটেনি বয়স্কভাতার কার্ড। একসময় কাঠমিস্ত্রির কাজ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করা এ মানুষটি এখন বয়সের ভারে ন্যুব্জ। কাজ করে সংসার চালানোর মতো শক্তিও নেই শরীরে। দীর্ঘদিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে আকুতিমিনতি করেও মেলেনি সহযোগিতা। আর কত বয়স হলে তিনি বয়স্কভাতা পাবেন এমন প্রশ্ন তার সবার কাছে।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি

ভারতের মোট সম্পত্তির ৫০ শতাংশ মাত্র ৯ জন ধনীর হাতে -দৈনিক আজকাল

লোকসভা ভোটের আগে মুখ পুড়ল মোদি সরকারের। একদিকে ধনীদের সম্পত্তির পরিমাণ বাড়ল আর অন্যদিকে গরীবরা আগে যেখানে ছিলও আজও সেখানেই রয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে দেশের সবচেয়ে বিত্তবান মানুষদের রোজগার আরও বেড়েছে। হিসেব বলছে  এই বৃদ্ধির পরিমাণ  প্রতিদিন ২হাজার ২০০ কোটি টাকা। আর তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বিত্তবান এক শতাংশ মানুষের অর্থ সম্পদ বাড়ল ৩৯ শতাংশ। একই ভাবে আর্থিক সূচকের নীচের দিকে থাকা মানুষের রোজগার বাড়ল ৩ শতাংশ হারে। অক্সফামের সমীক্ষায় সোমবার উঠে এসেছে এই তথ্য। আর গোটা দেশে বিত্তবান মানুষদের সম্পদ প্রতিদিন ১২ শতাংশ হিসেবে ২.৫ লক্ষ করে বেড়ে চলেছে। আর এই সময়ের মধ্যে বিশ্বের গরিব মানুষদের সম্পদ কমেছে ১১ শতাংশ। ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে আরও কয়েকটি তথ্য দিয়েছে এই সমীক্ষা।

সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে গৃহশিক্ষকরা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষিক-শিক্ষিকারা প্রাইভেট টিউশনি করতে পারবেন না। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আন্দোলনে নেমেছেন গৃহশিক্ষকরা। তাঁদের দাবি, সরকারি স্কুলের শিক্ষিকরা চাকরির শর্ত মোতাবেক প্রাইভেট টিউশনি করতে পারেন না। সেই আইন কড়াভাবে প্রয়োগ করতে হবে জেলা প্রশাসনকে। মাস গেলে মোটা অঙ্কের বেতন পান। আবার স্কুলের সময়টুকু বাঁচিয়ে বাড়িতে কিংবা কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট টিউশনিও করেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। স্কুলের যুক্ত থাকার কারণেই হোক কিংবা পড়ানোর গুণে, সরকারি স্কুলের শিক্ষিকদের কাছে ছেলে-মেয়ের প্রাইভেট পড়ানোর ঝোঁক থাকে অভিভাবকদেরও। কিন্তু, ঘটনা হল, চাকরির শর্ত অনুযায়ী, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বাইরে কোথাও পড়াতে পারেন না। এমনকী, সরকারি শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি না করার পক্ষে রায় দিয়েছে আদালত। এদিকে সরকারি স্কুলে শিক্ষকদের রমরমার বাজারে বিপাকে পড়েছেন গৃহশিক্ষকরা। তাঁদের মাস মাইনের চাকরি নেই, ছাত্র পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। এই পরিস্থিতিতে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধের দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুরে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছেন গৃহশিক্ষকরা।

ব্রিগেড সমাবেশে কত খরচ হল? প্রশ্ন পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনে, ইঙ্গিত মুকুলের-দৈনিক আনন্দবাজার

তৃণমূলের মেগা ব্রিগেড মেটার পরের দিনই সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে দিল বিজেপি। নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের যে হিসেব তৃণমূল দিয়েছে, শুধু একটা ব্রিগেড সমাবেশেই তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি টাকা তৃণমূল খরচ করেছে— দাবি মুকুল রায়ের। নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে গিয়েছে এই ‘বিরাট অসঙ্গতি’র খবর— ইঙ্গিত মুকুলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেড সমাবেশে ২৩টা দল আসেনি, ১৩টা দল এসেছিল, ভিড় মেরেকেটে তিন লাখ— এমন দাবিও এ দিন মুকুল রায় করেছেন। মুকুল এ দিন বলেন, ‘‘ব্রিগেড সমাবেশ থেকে শনিবার অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। সে সবের জবাব দেওয়ার জন্যই এই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকতে হয়েছে।’

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২১