রোহিঙ্গা মুসলমানদের বহনকারী আরও ১১টি নৌকা ফেরত পাঠাল বিজিবি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদের চারটি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় রোহিঙ্গা মুসলমানদের বহনকারী আরও ১১টি নৌকা ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
গতকাল (বুধবার) রাত থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল পর্যন্ত সময়ে নৌকাগুলো ফেরত পাঠানো হয়। প্রতিটি নৌকায় ১০ থেকে ১২ জন রোহিঙ্গা ছিল বলে বিজিবি জানিয়েছে।
টেকনাফ বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু জার আল জাহিদ জানান, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রোধ করা হচ্ছে। টহল জোরদার করা হয়েছে।
কক্সবাজার বিজিবি-৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, উখিয়ার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশকালে ১৯ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।
এর আগে গতকাল (বুধবার) নাফ নদের তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় রোহিঙ্গা মুসলমানদের বহনকারী পাঁচটি নৌকা মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় বিজিবি। এ নিয়ে চলতি মাসে ৪৫৩ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়।
একইদিন বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরতে এসে আটক মিয়ানমারের ৯১ জন জেলেকে সাজাভোগ শেষে ফেরত দেয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘুমধুম এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে কয়েক দিন ধরে বহু রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। এরই মধ্যে অনেকে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ করেছে। অনেককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বুধবার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) ব্যাংকক শাখার মুখপাত্র ভিভিয়ান টান বলেছেন, ‘বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমাদের ধারণা, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশে ১০ হাজার রোহিঙ্গা নতুন করে ঢুকেছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাচ্ছে। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।’
পার্সটুডে/এআর/১